Islamবাংলা

মানুষ কেন ক্ষতিগ্রস্ত এবং সফলতার প্রকৃত পথ কী?

সময়ের কসম ও মানুষের ক্ষতি

আলহামদুলিল্লাহ যাবতীয় প্রশংসা এবং গুনোগান একমাত্র মহিয়ান এবং গরিয়ান আল্লাহ তায়ালার জন্য। যে আল্লাহ রব্বুল আলামীন নাযিল করেছেন মহাবিশ্বের মহাবিস্ময় মহাগ্রন্থ আল কুরআন এর কারীম। যে আল্লাহ পাক আমাদেরকে মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণের তৌফিক দান করেছেন। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মাহ হওয়ার সৌভাগ্য দান করেছেন। অগণিত অসংখ্য দরুদ এবং সালাত বর্ষিত হোক। মহান আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ নবী এবং চূড়ান্ত নবী মানবতার মুক্তির দূত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মদ , আল্লাহুম্মা বারিক আলা মোহাম্মদ। আমরা একবার দরুদ শরীফ পড়ি ,আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়ালা আলী মোহাম্মদ কামাশল্লাইতা আলা ইব্রাহিম ওয়ালা আলী ইব্রাহীম ইন্না কা হামিদুম মাজীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদ ওয়াআলা আলী মুহাম্মদ কামা বারকতা আলা ইব্রাহিম ওয়ালা আলী ইব্রাহীম ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনী কারীমের মধ্যে বলেছেন সূরাতুল আসরের মধ্যে যে ওয়ালা আসরি সময়ের কসম । নিশ্চয়ই মানুষ অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে আছে। পুরো মানবজাতি ক্ষতির মধ্যে আছে। তবে তারা নয় যারা ঈমান এনেছে। এবং সব আমল সম্পাদন করেছে। এবং একে অপরকে সত্যের উপদেশ দিয়েছে। এবং পরস্পর পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যদি কোন বিষয়ের কসম করে তাহলে বুঝে নিতে হবে সেই বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা বুঝার জন্য আপনাকে পিএইচডি করার দরকার নাই। আল্লাহ পাক নিছক অহেতুক কোন বিষয়ের কসম করবে না। আল কুরআনের কারীমে আল্লাহ পাক অনেক বিষয়ের কসম করেছেন। দ্বিপ্রহরের কসম , রাতের কসম , তীন ফলের কসম , জাইতুন এর কসম ,সূর্যের কসম , চাঁদের কসম এমন অনেক শপথ বা কসম আল্লাহ পাক করেছেন। ঠিক একইভাবে আল্লাহপাক সময়ের কসম করেছেন। বুঝে নিতে হবে সময় আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সময়কে যে মূল্যায়ন করতে পারবে না সময় তাকে মূল্যায়ন করবে না। একটা সময় ছিল যখন আল্লাহ শুধু একাই ছিল আর কেউ ছিল না। একটা সময় ছিল যখন আল্লাহ ছাড়া কেউ ছিল না আবার একটা সময় আসবে যখন আল্লাহ ছাড়া কেউ থাকবেন না। তিনি প্রকাশ্য , তিনি গোপন , তিনি প্রথম , তিনি শেষ। মাঝখানের আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন এই মহাবিশ্ব। এবং মহাবিশ্ব সৃষ্টি করার পরে অনন্তকাল অনেক সময় পর্যন্ত এই মহাবিশ্বে মানুষের কোন অস্তিত্ব ছিল না। এখন মানুষের কর্মকাণ্ড দেখলে মনে হয় মানুষই সব। মানুষ বিশ্ব চালাচ্ছে , অর্থনীতি চালাচ্ছে , রাজনীতি চালাচ্ছে , সমাজনীতি চালাচ্ছে , পরিবার চালাচ্ছে , ধর্ম চালাচ্ছে , মানুষ সবকিছু করছে। মানে এখন ভাব খানা দেখলে মনে হয় মানুষ ছাড়া পৃথিবীতে আর কিছুই নাই। আমরাই সব আর পৃথিবীটা আমাদেরই।

খলিফার দায়িত্ব ও দাউদ-সুলাইমান আলাইহিমাস সালাম

আল্লাহপাক যদিও বা এই পৃথিবীর সবকিছু আমাদের জন্যই সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু এই মহাবিশ্বের একটা সময় ছিল যখন মানুষের কোন অস্তিত্বই ছিল না। সূরা দাহারের এক নাম্বার আয়াত পড়ে দেখেন আল্লাহ পাক বলেছেন মানুষের ওপর একটা সময় চলে গেছে যখন মানুষ কোন আলোচ্য বিষয় ছিল না। মানুষ কোন আলোচ্য বিষয় ছিল না । মহাবিশ্ব তার জায়গায় ছিল। এই মহাবিশ্বে আমরা ছিলাম না। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষ সৃষ্টি করলেন। মানুষ সৃষ্টি করে ফেরেশতাদেরকে বললেন সেজদা করতে। তার আগে আর আল্লাহপাক যা করেছেন আল্লাহ পাক ফেরেশতাদেরকে ডেকে বলেছেন আমি পৃথিবীতে খলিফা পাঠাতে চাই। যখন আল্লাহ পাক ফেরেশতাদেরকে বললেন নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে আমার খলিফা পাঠাতে চাই। এই পৃথিবী মানুষের জন্য তখনই হবে যখন আমরা আল্লাহর খলিফার মত কাজ করব। পৃথিবীতে মানুষের কাজ যদি শয়তানের খলিফার মত হয় তাহলে এই পৃথিবী আমার জন্য নয় এ পৃথিবী আমাকে সময় দিবে না। এই পৃথিবীতে মানুষকে পাঠানোর আগে আল্লাহ পাক ফেরেশতাদেরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন । আমি পৃথিবীতে খলিফা পাঠাতে চাই খলিফা কে খলিফার কাজ কি? খলিফা কি সেই ব্যক্তি যে সারাক্ষণ টিকটক করে? খলিফা কি সেই ব্যক্তি যার নামাজের কোন খবর নাই? খলিফা কি সেই ব্যক্তি যে রোজাও রাখে না যাকাত ও দেয় না। খলিফা কি সেই যে আল্লাহর বিরোধী আইন করে? খলিফা কি সেই ব্যক্তি যে মুসলিমদেরকে দমন প্রেরণ করে , রক্ত ঝরায় ? খলিফা কি সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর যাবতীয় আদেশ গুলোকে অমান্য করে এবং নিষেধ গুলোর উপর আমল করে। কে খলিফা? আল্লাহ পাক খলিফার সংজ্ঞা দিয়েছেন সূরা সোয়াদ এর মধ্যে। কোন সূরায়? সূরা সোয়াদ পড়ে দেখেন শেষের দিকে পাবেন। হে দাউদ আমি তোমাকে পৃথিবীতে আমার খলিফা করে পাঠিয়েছি । ওই যে আদম আলাই সাল্লাম কে আল্লাহ পাক খলিফা করে পাঠিয়েছেন। দাউদ আলাইহিস সালামকেও আল্লাহপাক বলেছেন আমি তোমাকে খলিফা করে পাঠিয়েছি তোমার কাজ হচ্ছে তুমি মানুষের মাঝে আল্লাহর বিধান দিয়ে বিচার ফয়সালা করবে। সত্যের মানদন্ডে ন্যায় বিচার করবে। নিজের প্রবৃত্তির অনুস্মরণ করবে না। যদি তুমি প্রবৃত্তির অনুস্মরণ করো এটা তোমাকে আল্লাহর সরল পথ থেকে বিচ্যুত করে দিবে। আর যারা আল্লাহর সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়। তাদের জন্য অপেক্ষা করছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। এই কারণে যে তারা হিসাবের দিনটা ভুলে গেছে। খলিফার ফাংশন কি বুঝতে পারলেন। পৃথিবীটা তখনি আমাদের হবে যখন আমরা আল্লাহর খলিফা হবো। আল্লাহর খলিফা কস্মিনকালেও আল্লাহর অবাধ্য হয় না। আল্লাহর আদেশ এবং নিষেধ কে লঙ্ঘন করে না। আর দাউদ আলাইহিস সালাম এমন একজন নবী ছিলেন যিনি জেরুজালেম থেকে সারা বিশ্ব শাসন করেছিলেন। এবং তার পরবর্তীতে তার সন্তান সুলেমান আলাইহিস সালাম তিনিও একই কাজ করেছেন। বরণ সুলাইমান আলাই সাল্লাম এর সময় আল্লাহপাক তাকে এত ক্ষমতা দিয়েছিলেন যে জ্বীন জাতি পর্যন্ত তার আনুগত্য করত সুবহানাল্লাহ। বাতাস তার কথা শুনতো। একটা আরশে তিনি বসতেন মাসের-পর মাসের দূরত্ব মুহূর্তে সফর করত একটা চেয়ার ।বাতাসকে আল্লাহ পাক তার অনুগত্য করে দিয়েছিলেন। আল্লাহ পাক তাকে অন্যান্য প্রাণীর ভাষা বুঝার ক্ষমতা দিয়েছিলেন ।আল্লাহ পাক তাকে কি দেন নাই। দুনিয়ার এবং আখিরাতের যাবতীয় নিয়ামত আল্লাহ পাক সুলাইমান আলাই সাল্লাম কে দিয়েছেন সুবহানাল্লাহ । তারপরও তিনি ঊর্ধ্বত্ব অহংকারী ছিলেন না। তিনি বিনয়ী ছিলেন।

অহংকার ও পৃথিবীর বিপর্যয়

আজকে আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন সামান্য ক্ষমতা পেলে উদ্ধত হয়ে যাই , অহংকারী হয়ে যায়।আল্লাহ পাক আমাদেরকে অহংকারী চরিত্র থেকে হেফাজত করুন আমীন। আল্লাহপাক ফেরেশতাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলেন এই বিষয়টা ।ফেরেশতা মন্ডলী বলেছিলেন হে আল্লাহ আপনি কি এমন কাউকে পৃথিবীতে পাঠাতে চান যে পৃথিবীতে গিয়ে দুইটা কাজ করবে ফেতনা ছড়াবে আর রক্তপাত ঘটাবে । ফেতনা ছড়াবে আর রক্তপাত ঘটাবে , পৃথিবীতে তাকিয়ে দেখেন মানুষ এখন কি কাজ করছে পৃথিবীতে। ফেতনা ছড়াচ্ছে এবং রক্তপাত ঘটাচ্ছে এগুলো কি জ্বীন জাতি করছে। আল্লাহপাক সূরা রূম এর মধ্যে বলেছেন জলে এবং স্থলে ,জলে এবং স্থলে যত বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে এগুলো মানুষের হাতের কামাই। আপনি আল্লাহর কথা ডিনাই করতে পারবেন না এটা আল্লাহর কথা। আপনি দেখেন বিশ্বের দিকে এক দেশ আরেক দেশকে যে আক্রমণ করছে , বিশ্ব টা কে একটা নিউক্লিয়ার যুদ্ধের দিকে নিয়ে গেছে এটা কি জ্বীন জাতি করেছে? নিউক্লিয়ার্স ওয়েপনস গুলো কি মানবতা কল্যাণে কাজ করবে। একটা যদি আল্লাহ না করুক বিস্ফোরিত হয় ।এটা সমূহ সম্ভাবনা আছে এটা হতেই পারে আগামীতে তখন বিশ্বের এই অবস্থা থাকবে। কস্মিনকালেও থাকবে না। আপনি দেখেন অর্থনৈতিকের মধ্যে আমরা সুদ ভিত্তিক অর্থনৈতিক চালু করেছি এটা কি জ্বীন জাতি করেছে। আর এর মধ্য দিয়ে কি আমাদের কল্যাণ হচ্ছে। আমরা সংস্কৃতির নামে যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দিয়েছি নারী পুরুষের ফ্রী মিক্সিং বেহালা পোনা ছড়িয়েছি , পর্নোগ্রাফি ছড়িয়েছি , মাদকদ্রব্য ছড়িয়ে দিয়েছি , আমরা নারীরা এখন পোশাক পরেও নগ্ন হয়ে ঘুরছে , পুরুষ নারীর পোশাক করছে নারী পুরুষের পোশাক পরছে। ফাংশনাল রোল চেঞ্জ হয়ে গেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যাচ্ছে তারা জীবনের উদ্দেশ্য কি জানেনা । মাদক , কেসিনো , ফেসবুক , টিক টক ইউটিউবিং ইত্যাদি নিয়ে তারা ভোগ বিলাসিতায় ব্যস্ত আছে এগুলো কি জ্বীন জাতি করছে। ফাসাদ যত ফাসাদ গ্লোবাল ফাসাদ , পলিটিক্যাল ফাসাদ , ইকোনমিক ফাসাদ , সামাজিক ফাসাদ প্রতিটা ক্ষেত্রে পারিবারিক ফাসাদ কোন ক্ষেত্রে ফাসাদ জ্বীন জাতি ছড়াচ্ছে না। কারা ছড়াচ্ছে এটা আল্লাহ বলেছেন মানুষের ফাসাদ এমন পর্যায়ে পর্যন্ত চলে গেছে যে প্রাকৃতিক ভারসাম্য এখন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। গতকালকের নিউজ দেখবেন হিমবাহ এত দ্রুত গলছে বিগত শতাব্দীর চাইতে 80 গুণ বেশি দ্রুত বরফ গলে যাচ্ছে । এবং এতে ১০০ কোটি মানুষের জীবন হুমকির মুখে সামনে। এর কারণ হচ্ছে বাতাসের পরিবেশে কার্বন-ডাই-অক্সাইড কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসটা বেশি এবং মিলস , ফ্যাক্টরিস এবং ইন্ডাস্ট্রিসের এগুলোর মধ্য দিয়ে আমরা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলেছি ।এগুলো কে করেছে জ্বীন জাতি। প্রত্যেকটা সেক্টরে জলবায়ু দেখেন , ভৌগলিক পরিবর্তনগুলো দেখেন , বনভূমি উজাড় করা দেখেন , এই যে জমিনের উপর জুলুম দেখেন , আকাশ নিয়ে এখন যুদ্ধ হচ্ছে। অমুক গ্রহ আমার এ বলছে অমুক গ্রহ আমার। মহাকাশ বাহিনী পর্যন্ত গঠন করছে। যত ফাসাদ দেখবেন সব মানুষ করছে। এই কথাটাই ফেরেশতারা বলেছিলেন আল্লাহ আপনি কি এমন কাউকে পৃথিবীতে পাঠাতে চান যারা পৃথিবীতে গিয়ে রক্তপাত ঘটাবে এবং ফাসাদ সৃষ্টি করবে। আল্লাহ পাক সেই কথাই বলেছেন সূরা রুমের মধ্যে জলে স্থলে যত বিপদজয় এগুলো মানুষের হাতের কামাই।

part 4 অস্বীকার করার কোন বুদ্ধি নাই এগুলো আমাদের হাতের কামাই। ব্যক্তিগত পর্যায়ে ওয়ালা আসছি সময়ের কসম কেউ যদি সময়কে মূল্যায়ন না করে সে নিজে তার নফসের উপর জুলুম করবে ফাসাদ সৃষ্টি করবে। এরপর আল্লাহ পাক মানুষ সৃষ্টি করলেন আদম আলাই সাল্লাম কে।এবং তাকে জ্ঞান শিক্ষা দিলেন। আল্লাহ পাক আদম আলাই সাল্লাম কে সমস্ত জ্ঞান শিক্ষা দিয়েছেন , সুবহানাল্লাহ। সমস্ত নাম কে শিক্ষা দিয়েছেন। আল্লাহ ।জ্ঞান কি বুদ্ধি থেকে আসে নাকি অভিজ্ঞতা থেকে আসে? ফিলোসফিকেল থটস আছে এরকম। কেউ বলে জ্ঞান আসে বুদ্ধি থেকে কেউ , কেউ বলে জ্ঞান আছে অভিজ্ঞতা থেকে , কেউ বলে জ্ঞান হল সমন্বয় মতবাদ। কিছু বুদ্ধি কিছু অভিজ্ঞতা । কিন্তু আল্লাহ বলছেন জ্ঞান আসে কার পক্ষ থেকে। আল্লাহর পক্ষ থেকে। সূরা কাহাফ ২৯ নাম্বার আয়াত পড়ে দেখেন। হক তোমার রবের পক্ষ থেকে নাযিল হয়। হকটা কি? যখন তাওরাত নাযিল হয়েছিল তখন তাওরাত কি? হক ।যখন যাবুর নাযিল হয়েছিল যাবুর কি ছিল ? হক ।যখন ইঞ্জিল নাযিল হয়েছিল তখন ইঞ্জিল কি ছিল? হক । যখন কুরআন নাযিল হয়েছে এবং সুন্নাহ এসেছে কিয়ামত পর্যন্ত হক কি থাকবে? অন্য কোন হকের মানদন্ড থাকবে। না, যদি কোন বিষয়ে কুরআন এবং সুন্নাহর সাথে মিলে এটা মানতে কোন আপত্তি আছে। না, যদি কোন বিষয়ে কুরআন এবং সুন্নাহর সাথে না মিলে এটা ছাড়তে কোন অসুবিধা আছে। না, যদি ছাড়ি তাহলে কি আমি সন্ত্রাসী হয়ে যাব । না, আর যদি মানি তাহলে কি আমি মৌলবাদী হয়ে যাব। না, কোরআনে এবং সুন্নাহর সাথে যা মিলে এটা যদি আমি মেনে নেয় এটা কি আমার অপরাধ। না, কোরআন এবং সুন্নাহ কি আল্লাহর পক্ষ থেকে আসেনি। এবং সেই আল্লাহ কি মহাবিশ্বের পরিচালক নন। যদি আল্লাহর দাসত্ব করি আমি , আমি কি অন্যায় কিছু করছি। হ্যাঁ, এই দাসত্ব কেমন হবে শৈথিল্যতা প্রদর্শন করা যাবে না । চরমপন্থা ও প্রদর্শন করা যাবে না। আপনি মধ্যমপন্থী থাকবেন। আল্লাহ পাক বলেছেন এভাবেই আমি তোমাদেরকে মধ্যমপন্থী উম্মাহ করেছি। যাতে করে তোমরা সাক্ষী হতে পারো। মহাবিশ্বে এমন একটা সময় ছিল যখন মানুষের অস্তিত্ব ছিল না। এটা বুঝাতে গিয়ে আপনাকে বললাম যে আদম আলাই সাল্লাম কে আল্লাহপাক সমস্ত নাম শিক্ষা দিয়েছিলেন। এরপর কি করেছেন তার সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন ।কোথা থেকে। তার বুকের পাঁজরের হাড় থেকে। এই হাদিসটা এখনো বুঝতে পারি না আমি। আমি অনেস্টলি বলছি আসলেই বুঝিনি । নারীদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে , স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে বাঁকা হাড় থেকে তাদেরকে জোর করে সোজা করতে যেওনা তাহলে ভেঙে যাবে। আর ওই অবস্থায় ছেড়ে দিলে তারা বাকাই থেকে যাবে। উত্তম নসিহতদের মধ্য দিয়ে তাদের সাথে চলতে হবে। এর চেয়ে কঠিন কোন হাদিস আমার জীবনে আমি পড়িও নি জানিওনি এবং বুঝেও নি। মানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বলে গেছেন নারীদের চেয়ে বড় কোন ফিতনা আমি রেখে গেলাম না আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য। এর চেয়ে বড় হাদিস বা ফিতনাময় হাদিস আমি আখিরুজ্জামানে দেখিনি ।আপনি একটু গভীর ভাবে দেখলে দেখবেন প্রতিটা সেক্টরে ফেতনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এক শ্রেণীর নারী। যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী চলতে নারাজ। এবং যখন তাদেরকে পেট্রোনাইস করা হয় তখন আস্তে আস্তে সমাজে অশ্লীলতা বেহায়াপনা , নগ্নতা , ফ্রি মিক্সিং এমন ভাবে ছড়িয়ে পরে অনেক সময় মুক্তাকিন মানুষ গুলো তারা তাদের ঈমান ধরে রাখতে পারে না ।

খাদিজা ও হাজেরা রাদিয়াল্লাহু আনহুমার আদর্শ

আল্লাহপাক আমাদের প্রত্যেকের ঘরে ঘরে খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার মতো স্ত্রী তৈরি করুন আমীন। এবং হাজেরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর মত স্ত্রী তৈরি করুন আমীন। আমাদের মেয়েদেরকে আল্লাহপাক ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহার মত বানিয়ে দিক আমিন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার মত বোন তৈরি করুন আমীন। আমি যে দোয়াটা করলাম এই দোয়াটা এত গুরুত্বপূর্ণ যেটার ফলশ্রুতিতে একটা সমাজের শৃংখলা ব্যালেন্স টিকে থাকবে। কে খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে যখন কেউ ছিল না তখন একজন নারী তার স্ত্রী তার সাথে ছিল তার নাম খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা ।সারা জীবন তিনি তার পাশে ছিলেন। এবং ওইযে গারে হেরায় যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আল্লাহকে ডাকতেন ।গারে হেরা যারা দেখে এসেছেন বা হজ্জ করেছেন একবার বা উমরা করেছেন বা গিয়েছেন তারা জানেন যে এটা কত উঁচু? যুবক হয়েও আমরা এটাতে চড়তে হিমশিম খেয়ে যাই। খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা সেখানে খাবার পৌঁছে দিতেন পানি পৌঁছে দিতেন। তার সম্পত্তি তার সম্মান তার মর্যাদা তার ব্যাংক ব্যালেন্স তার প্রতিপত্তি সবকিছু তিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এবং তার দ্বীনের জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছে। খুব কম মানুষকেই জিব্রাইল আলাই সাল্লাম সালাম জানিয়েছেন। তার মধ্যে একজন হলো খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কে তিনি বলছেন ইয়া রাসূলুল্লাহ ওই যে খাদিজা আসছেন , তিনি যখন আসবেন তখন তাকে আমার পক্ষ থেকে সালাম জানাবেন। এবং তাকে বলবেন আল্লাহ আপনার জন্য জান্নাতে এমন একটা ঘর নির্মাণ করেছেন যেই ঘরের মধ্যে কোন কোলাহল নাই , কোন চিল্লাচিল্লি হইচই কিছু নাই , শকুন এবং শান্তি। তো কোথায় সেই যুগ? যেই যুগে প্রত্যেক ঘরে ঘরে খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা থাকতেন। কে হাজেরা আলাইহিস সাল্লাম? ইব্রাহিম আলাই সাল্লাম এর দুই স্ত্রী সারা এবং হাজেরা । হাজেরা আলাইহিস সাল্লামকে কে ইসমাইল আলাই সাল্লাম রেখে যাচ্ছেন জনমানব শূন্য একটা জায়গায় আল্লাহর আদেশ এবং তাদের সাথে আছে কিছু খাবার কিছু পানি । রেখে তিনি চলে যাচ্ছেন তখন হাজেরা আলাইহিস সালাম বলছেন ইব্রাহিম আপনি কোথায় যাচ্ছেন , ইব্রাহিম আপনি কোথায় যাচ্ছেন? ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাম নিশ্চুপ কোন কথা বলতে পারছেন না। কষ্টে বুকটা ছিড়ে যাচ্ছে। ছোট্ট একটা বাচ্চা এবং স্ত্রীকে রেখে যাচ্ছেন জনমানব শূন্য একটা জায়গায়। তখন হাজেরা আলাইহিস সাল্লাম বলছেন আপনি কি আমাদেরকে আল্লাহর আদেশে ছেড়ে যাচ্ছেন ইব্রাহিম ? আপনি কি আমাদেরকে আল্লাহর আদেশে এখানে ছেড়ে যাচ্ছেন ইব্রাহিম? ইব্রাহিম আলাই সাল্লাম শুধু মাথা নারলেন , হ্যাঁ । আল্লাহর আদেশের ছেড়ে যাচ্ছে। তখন হাজেরা আঃ বলছেন তাহলে আল্লাহ আমাদেরকে কখনো অবদস্ত করবেন না ইনশাআল্লাহ। এই সেই নারী যার কাছে খাবার নাই পানি নাই সামান্য কিছু খেজুর ছোট্ট একটা বাচ্চা , পানির যন্ত্রণায় বাচ্চা কাতরাচ্ছেন , তিনি দৌড়াচ্ছেন সাফা থেকে মারুয়া , মারুয়া থেকে সাফা যদি একটু পানি পান। আল্লাহর কাছে এই দৌড়ানো তা এত ভালো লেগেছে যে তিনি এটা কেয়ামত পর্যন্ত রেখে দিয়েছেন সুবহানাল্লাহ । আপনি হজ্জ করতে যাবেন এই কাজটা না করলে আপনার হজ্জ হবে। এটা কার স্মৃতি ? এটা এই যে হাজেরা আলাইহিস সাল্লামের স্মৃতি। এইযে তাওয়াক্কুলকারিনী নারী আল্লাহর প্রতি ভরসাকারিনী , সবরকারিনি নারী তার গর্ভ থেকে এমন সন্তান এসেছে। যে সন্তানকে বাবা বলছে হে আমার সন্তান আমি স্বপ্নে দেখেছি আমি তোমাকে জবাই করছি। তোমার কি রায় আমাকে বল? এখন ওই বাচ্চা পড়ছে যার বয়স ১০ বা ১২ বা ১৫ যেই বয়সে আমাদের সমাজে বাচ্চারা কিশোর অপরাধ বা টিকটক চালায় আর স্মোক করে আর ড্রাগ নেয়। আর মেয়ের পিছনে টাংকি মারে এই বয়সের বাচ্চা। ইসমাইল আলাই সাল্লাম বলছে হে আমার বাবা আপনি তাই করেন যা আপনাকে আদেশ করা হয়েছে। কি আদেশ করা হয়েছে? জবাই করতে। আপনি তাই করেন যা আপনাকে আদেশ করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ বাবা আপনি আমাকে সবরকারী পাবেন।

নতুন প্রজন্ম ও জীবনের উদ্দেশ্য

এই জেনারেশনের একটা ছেলেকে দেখাতে পারবেন যে এরকম ভাবে কথা বলতে পারবে। একটা ছেলে। এরা তো জানি না জীবনের উদ্দেশ্যটা কি? জীবনটা কি সেটাই জানেনা? what is life ? the definition of life ? the definition of success. জানেনা ।ওই ছোটবেলায় একটা বইয়ের বোঝা কাঁদে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাগের মধ্যে দশটা বই এটা নিয়ে গেছে প্রথমে প্লে তারপর নার্সারি। তারপর 1 , 2 , 3 , 4 , 5 , 6 ,9 , 10 পড়েছে । পরীক্ষায় এ প্লাস পেতে হবে । গোল্ডেন পাওয়ার জন্য যা ইচ্ছা তাই করেছে। তারপর এইচ এস সি করেছে অনার্স , মাস্টার্স করেছে মাশাআল্লাহ। এখনো জানেনা ওযুর ফরজ কয়টি। এখনো জানে না কুরআন কি জিনিস? কোরআনের মধ্যে আল্লাহ কি বলেছেন? প্রফেটিক লাইফ স্টাইল কি? হাদিস কি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর জীবনী আবার কি জিনিস? তার স্ত্রীদের নাম ,কত সালে বদরের যুদ্ধ , কত সালে উহুদ ? কিভাবে তিনি দ্বীন প্রতিষ্ঠা করেছেন? সাহাবা ইকরামের জীবনী। ইসলামী খেলাফত। ইসলামী ইতিহাস। পুরো অজ্ঞতার মধ্যে আছে এগুলোতে। এরপরেও তাদের পিতা মাতার অ্যাটিটিউড দেখলে মনে হয় যে এগুলো সোনার ছেলে সব। ছেলে এবার মেয়েদের দিকে তাকান ওই বয়সী সারাদিন মেকআপ বক্স নতুন কি জামা আসছে। নতুন কোন ফ্যাশন আসছে। কোন ড্রেসটা পড়ে মার্কেটে গেলে মানুষ আমাকে দেখবে বেশি ।তারপরে ছেলের পোশাক কোনগুলো নতুন নতুন আসছে যেগুলো এখন মেয়ের পোশাক হিসেবে ব্যবহার করা যায় । ফেসবুকিং , চ্যাটিং , স্ন্যাপ চ্যাট , ইনস্টাগ্রাম নিজের ছবি নিজেই তুলছে আর হাসছে।একা একাই হাসে একা একাই ছবি তুলে একা একাই আপলোড করে ।কি মনে হচ্ছে আপনাদের কাছে? এবং নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কিন্তু বলেছিলেন কেয়ামত হবে না ততদিন পর্যন্ত যতদিন না পর্যন্ত এমন কিছু নারী সমাজে বের হচ্ছে যে নারীরা কাপড় পরেও নগ্ন থাকবে। জি আপনার স্ত্রীর কথাই বলছি। তার কথাই বলেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আপনার বোনের কথাই বলছি । আপনার মেয়ের কথাই বলছি। কাপড় পরেও নগ্ন থাকবে ব্যাখ্যা আমার কাছে জিজ্ঞেস করার দরকার নাই আপনি ভালো জানবেন। নিজেও আকৃষ্ট হবে অন্য কেউ আকৃষ্ট করবে। আল্লাহ রাসুলুল্লাহ বলেছেন এরা কখনো জান্নাতের গন্ধ পাবে না যদিও বা জান্নাতের গন্ধ ৪০ বছর দ্রুত থেকে পাওয়া যাবে। জীবনের উদ্দেশ্য জানে না তারা। এই নারীদেরকে পাওয়ার জন্য যখন আপনি ব্যস্ত হয়ে আছেন তখন আপনি নিজের পায়ে কুড়াল মারছেন না কুড়ালেই পা মারছেন ।এদেরকে পাওয়ার জন্য যখন আপনি ব্যস্ত হয়ে আছেন তখন আপনি কুড়ালে পা মারছেন ,নিজের পায়ে কুড়াল মারছেন না । যখন তারা আপনার ঘরে আসবে কস্মিনকালেও তারা ইসমাইলের মত সন্তান জন্ম দিতে পারবে না। এবং তাদের চাহিদা পূরণ করতে আপনার সারাটা জীবন শেষ হয়ে যাবে। আপনি চাহিদা পূরণ করতে এবং সন্তুষ্ট করতে আপনি হিমশিম খেয়ে যাবেন । আপনার দ্বীন একদিকে চলে যাবে দুনিয়া আরেকদিকে চলে যাবে । হাজার চেষ্টা করলেও দেখবেন আপনি দ্বীন নিয়ে চলতে পারছেন না। টোটালি ফিতনাময়ী পরিবেশ ।যেই বয়সে ইসমাইল আলাই সাল্লাম এই কথাটা বলেছেন এই বয়সে আমাদের জেনারেশন আমাদের দেশে কি করছে দেখে নেন ? বিশ্বে কি করছে দেখে নেন? হ্যাঁ, এতোটুকু বলি আপনি এই বয়সে যাই করছেন ইসরাইলের ইহুদি সন্তানরা ওই বয়সে তাই করছে না। তারা আপনার আমার মত কাজ করছে না। ওরা জানে ওদের উদ্দেশ্য কি? ওরা আমাদেরকে আমাদের উদ্দেশ্য থেকে সরিয়ে দিয়েছে কিন্তু ওরা জানে ওদের উদ্দেশ্য কি? ওরা চায় বিশ্ব শাসন করতে এবং ওরা সেটা করে দেখাচ্ছে ।আর আমরা তো জানিই না যে আমরা একটা সিংহের জাতি বীরের জাতি। সারা বিশ্ব আমরা দাপিয়ে বেরিয়েছি একসময়। শতাব্দীর পরে শতাব্দি এটা আমাদের যুব সমাজ জানেই না।

ইতিহাস ও দেশের প্রতি প্রজন্মের অজ্ঞতা

মনে করিয়ে দেওয়া লাগে খালিদ বিন ওয়ালিদ একজন বীর ছিলেন। উমার এবং খাত্তাব একজন বীর ছিলেন। এগুলো তাদেরকে বুঝানো লাগে বলে দেওয়া লাগে। আপনি রাস্তায় হাঁটেন এবং এই নরমাল সোসাইটির ছেলে মেয়েদেরকে মাইক নিয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করেন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কত বছর বয়সে ইসলাম কবুল করেছেন তুমি জানো। বলবে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে? দেশের কথা জিজ্ঞেস করেন স্বাধীনতা দিবস কবে ? ভাষা দিবস কবে? জিজ্ঞেস করেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে? ইউজ অফ পিপল আছে বাংলাদেশে বলতে পারবে না। সিরিয়াসলি বলতে পারবেনা। ইংলিশ মিডিয়াম ব্রেকগ্রাউন্ডের প্রচুর সন্তান আছে এটা আমার চেয়ে ভালো আপনি জানেন না । আমরা এই ব্রেকগ্রাউন্ড থেকে উঠে আসছি । ইংলিশ মিডিয়াম ব্রেকগ্রাউন্ডের অনেক বাচ্চা আছে দেশের ঐতিহ্য সংস্কৃতির সম্পর্কের জাররা পরিমাণ খবর রাখে না। কই তাদের বিরুদ্ধে তো কোন সময় মিডিয়া তেরে আসে না , আসে? মাদ্রাসায় তেরে আসে ।মাদ্রাসায় গিয়ে জিজ্ঞাসা করবে জাতীয় সংগীতের দশ লাইন বলতে পারো। এই জাতীয় সংগীতের দশ লাইন অনেক ইংলিশ মিডিয়ামের বাচ্চারাও পারে না। কই ওইটা নিয়ে তো রিপোর্ট করেন নাই। তো আমাদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আছে। আমি একটা কথা বলতে চাচ্ছি। আমাদের প্রজন্ম না দেশ না ইতিহাস , না সংস্কৃতি , না ইসলাম কোন কিছুর খবর রাখে না। এই প্রজন্ম এইরকম। এদেরকে দিয়ে আল্লাহ না করুক আগামীতে কখনো আবারও দেখেন যদি কোন রাষ্ট্রের কোন কাজে এদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। আপনি সত্যিই মনে করেন এই জেনারেশন এগিয়ে আসবে। কখনো আসবে না। এরা কি ১৯৭১ সালের আমাদের বাপ দাদাদের মত সাহসী? তাদের মত ফিজিক্যালি স্ট্রং , মেন্টালি স্ট্রং। জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন কক্ষনো না। হানাদার বাহিনীদের আক্রমণে যেভাবে বীর বিক্রমে যুদ্ধ করেছিল আমাদের বাপ-দাদারা ।এখনকার জেনারেশন এটা করতে পারবে মনে করছেন। গাঁজা খেতে খেতেই শেষ। ইয়াবা ফেনসিডিল এগুলা খেতেই শেষ। একটা tiktok ভিডিওর জন্য প্রতিবন্ধী হয়ে যাচ্ছে। মানে কি করছে মাথায় ঢুকে না কি করছে? মানে কি পায় এগুলোতে আল্লাহই ভালো জানে? আর এই সময় গুলো খুব দ্রুত এসেছে বিগত ১০/২০ বছরে এমন ছিল না খেয়াল করে দেখেছেন । বিগত ২০ বছরে এমন ছিল না এই প্রজন্ম গুলো ছিল না। এবং সময় খুব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে আল্লাহ ভালো জানে আমাদের বাচ্চাদের না জানি কি হবে? আমার তো মনে হয় ওদের ব্রেন পর্যন্ত কন্ট্রোল করা হবে। এমন ভাবে ব্রেন ওয়াশ করে দিয়েছে দেখবেন পাবলিক লাইফ আর প্রাইভেট লাইফের পার্থক্য বোঝেনা। একটা জিনিস প্রাইভেট ওইটাকে পাবলিক করে ফেলবে । নিজেই করবে মানুষ করবেন । নিজে কি করছে না করছে প্রত্যেকটা কথা মানুষকে জানাতে হবে। আমি এখন বাথরুমে গেলাম , এই যে আমি এখন বের হলাম , আমি এখন অজু করছি ,আমি এখন ওইটা করছি ইত্যাদি ।একটা অসুস্থ জেনারেশন , একটা মানসিক বুদ্ধি ভিত্তিক প্রতিবন্ধী একটা জেনারেশন তৈরি হয়েছে। আমাদের অগোচরেই এটা হয়েছে আর আমরা এটাকে লাই দিয়েছি। ছোট আছে এরা নাক চিপলে দুধ বের হয় ছোট আছে বলে বলে। অথচ ইসমাইলের দিকে তাকান তিনি তার বাবাকে বলছেন হে বাবা আপনি তাই করেন যা আল্লাহ আপনাকে আদেশ করেছে। ইনশাল্লাহ আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন। আর এই সন্তান জন্ম দিয়েছেন ওই হাজেরা আলাইহিস সাল্লাম । না আছে পরিবারে ইব্রাহিম এর মত কর্তা , না আছে পরিবারের হাজের আঃ এর মত মাতা আর না আছে ইসমাইলের মত সন্তান ।

অবক্ষয়ী সমাজ ও নারীদের দায়িত্ব

এই জেনারেশনকে দিয়ে আপনি কিভাবে চলবেন? জাতির সামনে খারাপ সময় অপেক্ষা করছে। একটাই উপায় আছে । অনলি একটা রাস্তায় খোলা আছে ।কিছু মানুষ মিশন নিয়ে নিয়েছে যে এই জেনারেশন গুলোকে ধ্বংস করে ফেলার । একটাই অপশন আছে এদেরকে আল্লাহর পথে নিয়ে আসতে হবে এছাড়া এদের কে বাঁচানোর কোন উপায় নাই। ছোট ছোট বাচ্চা দেখবেন ১৪-১৫ বছরের বাচ্চা ধর্ষণ করছে কেস খাচ্ছে। চাইল্ড অ্যাবিউজ করছে। ছোট ছোট বাচ্চা দেখবেন কিশোর অপরাধ করছে ।কিশোর গ্যাং তৈরি করেছে। ছোট ছোট বাচ্চা বিভিন্ন মুভি দেখছে অপসংস্কৃতি গুলো দেখে দেখে শিখছে। এগুলো তো এমনি এমনি আসেনি কারো না কারো তো দেখে শিখেছে। হয় বই পড়ে শিখেছে না হলে কারোটা দেখে শিখেছে। আর বই তো এরা পড়ছে না। অবশ্যই কেউ দেখে শিখেছে। বিভিন্ন প্রোগ্রাম দেখে এগুলো শিখেছে। ছোট ছোট কিশোর গ্যাং ।এক গ্যাং এর লিডার আছে। আরেক গ্যাং এর লিডার আছে। প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে এগুলো ডিল করতে। আমি মাঝে মাঝে চিন্তা করি কিভাবে প্রশাসন এগুলো দিল করে এত ঠান্ডা মাথায়। কিভাবে ডিল করা সম্ভব? এত অপরাধ কিভাবে দমন করা সম্ভব। যতক্ষণ মানুষ ভালো না হবে ততক্ষণ কুশ্চিনকালেও কখনো সমাজ ভালো হয় না ।আর মানুষ যতক্ষণ বদলাচ্ছে না আপনি উপরের লেভেলের কখনো পরিবর্তন আশা করতে পারেন না । আমাদেরকে নিয়েই সবকিছু মানুষই সব। আমরা ভালো না হলে কুশ্চিনকালেও ওপরে লেভেলের মানুষ ভালো হবে না। আমরা আকাশ থেকে টপকাই নেই আমাদের মধ্য থেকে উঠে এসেছে। এই জেনারেশনের দিকে তাকান। খুবই হৃদয়বিদারক ভাবে কথাগুলো বলছি। এই ছেলেদের অবস্থা এমন। আরো কিছু গেমস আছে অনলাইন গেমস। বিভিন্ন গেমস বিভিন্ন মুভিস বিভিন্ন কালচারস এগুলোতে এত এডেক্টেড । পাঁচবার মোয়াজ্জিন চাচ্ছে হাইয়া আনাস শালা কানেই যায় না । নামাজ কি জিনিস? মানে কখনো কখনো দেখা যায় এই টাকা নেওয়ার জন্য এই গেমস খেলার জন্য টাকা নেওয়ার জন্য বা নেশা করার জন্য কখনো চুরি করে কখনো ডাকাতি করে কখনো মানুষ হত্যা করে মা বাবার অবাধ্য হয়। ইভেন পিতা-মাতাকে খুন করতেও দ্বিধা করছে না। কত ঘটনা আছে এই ধরনের আমাকে এক্সামপল দেওয়া দরকার নেই আপনারা পেপার পত্রিকা খুললেই দেখা যায় এগুলা । আমরাও যেন জেনেও না জানার ভান করছি দেখেও না দেখার ভান করছি ।আমাদের বাচ্চারা এভাবেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আর এই জেনারেশন এর মেয়েদের দিকে তাকান ওই যে বললাম ।একটা মৌলিক প্রশ্নের উত্তর তারা দিতে পারবে না। আল্লাহ তোমাকে সৃষ্টি করেছেন কি জন্য? তুমি যে পৃথিবীতে আসছো তুমি যে নাচো তুমি যে বিউটি কনটেস্টে যাও তুমি যে এই অশ্লীল পোশাক পরে হাটো। তুমি যে এমন পোশাক পরো যে পোশাক পড়লে তোমার গায়ের সব কিছু দেখা যায়। তুমি যে এইভাবে নগ্ন হয়ে রাস্তাঘাটে শপিংমলে ঘুরছো। তুমি যে একটা পরিবারের স্ত্রী সেই পরিবারের উপর তোমার কিছু দায়িত্ব আছে। এই সম্পর্কে তোমার কোন ভ্রুক্ষেপ নাই । স্বামী থাকা সত্ত্বেও তুমি যে পরকীয়া করছো। তোমার সন্তানকে যে তুমি প্রতিপালন করছো না। এবং কি তারা সন্তান নিতেও তারা আগ্রহী না? এত প্রবলেম। তোমাকে সৃষ্টি করেছেন কি জন্য আল্লাহ পাক পৃথিবীতে । তোমরা যদি এই দুনিয়ায় না থাকতা এই দুনিয়ার কোন পরিবর্তন হতো কিনা।

part 9 এই প্রজাতি গুলো এই প্রাণীগুলো এই গবাদি পশু গুলো যদি পৃথিবীতে না থাকতো তাহলে কি পৃথিবীর ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেত ? পৃথিবী কি ধ্বংস হয়ে যেত ? আল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেন কেন এই উত্তরটুকু জিজ্ঞাসা করেন। আপনি নিজে নিজেকে জিজ্ঞাসা করেন , আপনার ছোট ভাইকে জিজ্ঞাসা করেন , এই ইয়াং জেনারেশনকে জিজ্ঞাসা করেন এবং মেয়েদেরকে জিজ্ঞাসা করেন। আল্লাহ তোমাকে সৃষ্টি করেছেন কেন বলতো? এই পৃথিবীতে তুমি আছো কি জন্য? মানে আপনারা আমরা এই পৃথিবীতে আছি আপনারা সবাই যদি এই পৃথিবীতে আছি আমরা না থাকলে পৃথিবীর কি ক্ষতি হবে বলেন। এক সময় কি আমরা পৃথিবীতে ছিলাম। এক সময় যে আমরা থাকবো না পৃথিবীতে। তখন কি পৃথিবী থেমে থাকবে? মাঝখানের এই সময়টা আমরা কি জন্য এসেছি পৃথিবীতে। এই মৌলিক একটা প্রশ্নের উত্তর। এই উত্তর যে খুঁজে পায় সে আল্লাহর কাছে চলে আসবে ইনশাআল্লাহ। এর উত্তরটা কি জানেন? আল্লাহ আবেগ মাখা কন্ঠে বলছেন আমি মানুষ এবং জ্বীন জাতিকে শুধুমাত্র আমার ইবাদত করার জন্যই সৃষ্টি করেছি। এটা আপনার পৃথিবীতে থাকার উদ্দেশ্যে । আল্লাহপাক এমনি এমনি খাওয়াচ্ছেন ,এমনি এমনি পড়াচ্ছেন , শ্বাস নিচ্ছি আমরা। এমনি এমনি আল্লাহপাক পরিবার দিয়েছেন স্ত্রী সন্তান সব দিয়েছেন ব্যবসা-বাণিজ্য দিয়েছেন এমনি সবকিছু । আল্লাহ পাক এমনি আমাদেরকে ছেড়ে দিবেন। সূরা কেয়ামত শেষের দিকে আছে মানুষ কি ভেবেছে তাকে এমনি ছেড়ে দেওয়া হবে। মানুষ কি ভেবেছে তাকে এমনি ছেড়ে দেওয়া হবে সূরা আনকাবুতের প্রথম দিকে আছে তোমরা কি ভেবেছো এমনি এমনি ছেড়ে দেওয়া হবে । সূরা বাকার আল ইমরানের দিকেও আছে তোমরা কি এমনি এমনি জান্নাতে চলে যাবে? নিছক খেলার ছলে আল্লাহপাক আমাদেরকে পৃথিবীতে পাঠান নাই সৃষ্টিও করেন নাই। এর উত্তরটা এটাই। আল্লাহপাক আমাদেরকে পাঠিয়েছেন তার ইবাদত করার জন্য। এটাই আমি বলতে চাচ্ছিলাম যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন এর আগে পৃথিবীতে এমন সময় চলে গেছে মহাবিশ্বে মানুষের অস্তিত্ব ছিল না। আল্লাহপাক নাম শিখিয়েছেন এরপর তার সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন। এরপর জান্নাতে রেখেছেন । জান্নাতে রেখেছেন এবং ফেরেশতাদেরকে দিয়ে সেজদা করিয়েছেন। আমাদেরকে আল্লাহ পাক সেজদা করিয়েছেন ফেরেশতাদেরকে দিয়ে সুবহানাল্লাহ। এই জেনারেশন আমরা যারা চলছি যারা নামাজ পড়ি না , যারা রোজা রাখি না , যাকাত দেই না , আল্লাহর হুকুম আহকাম মানি না , মিথ্যা বলি , সুদ খাই , জিনা করি ,চুরি করি ,প্রতারণা করি , ঠকবাজি করি , দুর্নীতি করি আমাদেরকে আল্লাহ সেজদা করিয়েছেন ফেরেশতাদেরকে দিয়ে। এটা আসলে উদ্ভট মনে হচ্ছে না কথাটা।কোন মানুষরা এটার যোগ্য । এই মানুষটা কি এটা যোগ্য। আল্লাহপাক জান্নাতে রেখে পরীক্ষা করেছেন এরপর দুনিয়াতে যখন পাঠিয়েছেন দুই তরফকে পার্থক্য করে দিয়েছেন । একটা হলো আল্লাহ পাক বলেছেন তোমরা পৃথিবীতে নেমে যাও তোমাদের কাছে আমার পক্ষ থেকে হেদায়েত আসবে। আল্লাহর কিতাব আসবে , নবী রাসুল আসবে , হেদায়েত আসবে। যারা আমার হেদায়েত মেনে চলবে তাদের কোন ভয় নাই তাদের কোন দুশ্চিন্তা নাই। যে জান্নাত থেকে এসেছেন ওই জান্নাতেই ফিরে যাবেন ইনশাআল্লাহ। এটা একশ্রেণীর মানুষ। আরেক শ্রেণীর যারা কুফুরি করবে এবং আমার আয়াতে মিথ্যা প্রতিপূর্ণ করবে। এরা হচ্ছে জাহান্নামের অধিবাসী। তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে। কি জিনিস এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখে এসেছেন। তার গর্জন , যখন সে গর্জন করবে , গর্জন করতে থাকবে ওর চিৎকার এ মানুষ বেহুশ হয়ে যাবে। ও খালি চিৎকার করবে। সে বলতে থাকবে আরো কি আছে , আরো কি আছে? চিৎকার করতে থাকবে। নবীজি দেখে আসছেন রক্তের নদীতে ফেলে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কে তারা ? সুদখোর। নবীজি দেখে আসছেন পেটের মধ্যে আগুনের গোলা গিলছেন । কে তারা ? এতিমের মাল ভক্ষণকারী । দেখছেন সামনে আছে ভালো গোশত অন্যদিকে আছে পচা গলা গোশত। পচা গলা গোশত খাচ্ছে। কে? জিনাকারি ,ব্যভিচারী। কত শাস্তি দেখে আসছেন।

গুনাহ থেকে তওবা ও রাসূলের অনুসরণ

একজন ফেরেশতাকে দেখে এসেছেন তার নাম মালেক। জাহান্নাম সৃষ্টির পর থেকে কোনদিন হাসেন নাই। জাহান্নামের শাস্তি দেখে তার হাসি বন্ধ হয়ে গেছে। আরো দেখে এসেছেন ওই যে আমি দেখে এসেছি জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী নারী জাতি । কারণ অভিশাপ দেয় বেশি বেশি , স্বামীর অকৃতজ্ঞ হবে , লানত করে , মুখে চাপটে আঘাত করে , কেউ মারা গেলে বিলাপ করে এগুলোর কারণে। আসেন আল্লাহপাক যতটুকু সময় আমাদেরকে পৃথিবীতে রেখেছেন এই টাইমটা আনলিমিটেড না। এটা আল্লাহপাক বুঝেছেন ওয়াল আসরি বলে সময়ের কসম। সময়ের কসম বলে আল্লাহপাক বুঝিয়েছেন আপনার আমার সময় আনলিমিটেড নয় লিমিটেড। এজন্য আপনি জানেন না আপনার লিমিটেশন আর হায়াত কতটুকু? আমি একটা কথা বলেছি রিসেন্টলি আবারো বলছি এখানে যে আপনি যদি চিন্তা করেন যে আপনি ষাট , সত্তর, আশি বছর বাঁচবেন ।এরমধ্যে ৩০-৪০ বছর চলে গেছে। আপনি এই বয়সটার পাপ গুলোকে হিসাব করতে থাকেন কতগুলো পাপ আপনি করেছেন। হিসাব করে আমলনামা তৈরি করেন তারপর দেখেন। তারপর দেখেন পাপ গুলো দুই প্রকার হয় মানুষের সাথে জড়িত না হয় আল্লাহর সাথে জড়িত। আল্লাহর সাথে জড়িত শুধু ইস্তেগফার তওবার মধ্যে দিয়ে ক্ষমা হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। আর মানুষের সাথে জড়িত যেগুলো সেগুলো তাদের কাছে গিয়ে হক পরিষদ করার মধ্য দিয়ে ক্ষমা নিতে হবে ইনশাআল্লাহ । সবার সামনে দাঁড়িয়ে বলতে হবে আমি তোমার হক নষ্ট করেছিলাম , আমি তোমার টাকা মেরে খেয়েছি ,তোমাকে গালি দিয়েছি , তোমার গীবত করেছি , তোমাকে তহমত দিয়েছি । তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি আল্লাহর ওয়াস্তে মাফ করে দাও। তারপরে ক্ষমা হবে। এর পরের জীবনটা আপনাকে কাটাতে হবে কিভাবে? রাসুল সাঃ এর সুন্নাহ মোতাবেক। তার থেকে শুরু করে ঘুমানো পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর সুন্নাত মতো চলা যাবে ইনশাল্লাহ। একমাত্র ব্যক্তি যিনি আপনার জন্য হাউজে কাউসার এ দাঁড়িয়ে থাকবেন। যিনি আপনার জন্য সুপারিশ করবেন এবং কবিরা গুনাগার ব্যক্তিদের জন্য সুপারিশ করে জান্নাতে নিয়ে যাবেন ইনশাল্লাহুতালা । একমাত্র ব্যক্তি আপনার ওল্ড মডেল আপনার আদর্শ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আর কেউ নাই। আল্লাহ ছাড়া কেউ নাই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম ছাড়া কোন তরিকা নাই। আল্লাহর কিতাব ছাড়া হেদায়েত এর কোন উৎস নাই সিম্পল । আল্লাহ পাক আপনাকে সহজ করে দিয়েছে। এর বাইরে যাবেন এক চুল যাবেন এক চুলের ফলাফল ভোগ করতে হবে। এর বাইরে এক বিঘত যাবেন এক বিঘতের ফলাফল ভোগ করতে হবে। এর বাইরে যোজন যোজন দূর যাবেন ওই ফলাফল ভোগ করতে হবে ইনশাল্লাহ। আল্লাহ পাক আমাদেরকে বোঝার তৌফিক দান করুন আমিন । আল্লাহপাক সময়ের কসম করে আপনাকে সতর্ক করছেন তবে এটাও বলছেন মানুষ ক্ষতির মধ্যে আছে ।আমি এটা বলে দিয়েছে অলরেডি মানুষ কি কি ক্ষতির মধ্যে আছে। গৃহকালীন জীবনে মানুষ ক্ষতির মধ্যে আছে পরকালের জীবনেও ক্ষতি অপেক্ষা করছে। আল্লাহ পাকের মানুষের প্রতি সম্পর্কে একটা আয়াতই যথেষ্ট। যেটা তিনি বলেছেন সূরা আরাফ ১৭৯ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ পাক বলেছেন আমি প্রচুর জ্বীন এবং মানুষকে দিয়ে জাহান্নাম পূর্ণ করব। কথাটা কি কানে ঢুকলো আপনাদের? মানুষ এবং জ্বীনকে দিয়ে আল্লাহপাক জাহান্নাম পূর্ণ করবেন। মানে আমি আপনি জাহান্নামে যাচ্ছি নাউজুবিল্লাহ। মানুষ আর জ্বীনই জাহান্নামে যাবে গরু, ছাগল, গবাদিপশু যাবেনা। আমরাই যাব আমাদের জন্য জাহান্নাম এবং আমাদের জন্যই জান্নাত। কারা তারা হৃদয়ে ছিল উপলব্ধি করত না। হৃদয় ছিল উপলব্ধি করত না কারণ এটা জাহান্নামে যাওয়ার।

মানুষ হওয়ার পথ ও নারীদের চার কাজ

চোখ দিয়েছিলাম দেখেনি। কান দিয়েছিলাম শুনে নাই। এই শ্রেণীর মানুষকে আল্লাহ পাক বলেছেন এরা গবাদি পশু। বরং তার চেয়েও তারা নিকৃষ্ট। তারা হচ্ছে গাফেল সম্প্রদায়ী। আমরা দোয়া করি আল্লাহ পাকের কাছে আল্লাহ পাক যেন আমাদেরকে এদের অন্তর্ভুক্ত না করেন আমিন ।গবাদি পশু না হতে হলে কি হতে হবে ? মানুষ হতে হবে। মানুষ সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর খলিফা। আল্লাহর খলিফা সেই যার জন্য এই পৃথিবী। আর আল্লাহর বিধান যারা মেনে চলছে তাদের জন্যই এই পৃথিবী। আল্লাহ পাক বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন। চারটা কাজের কথা আল্লাহপাক বলেছেন। চারটা কাজ অনলি চারটা কাজে। যে চারটা কাজ যদি মানুষ করতে পারে হাসতে হাসতে জান্নাতে চলে যাবে ইনশাআল্লাহ ।এখানে আম ভাবে মানুষের জন্য চারটা কাজের কথা বলা হয়েছে। আবার মহিলাদের জন্য আলাদাভাবে চারটা কাজের কথা বলা হয়েছে। মহিলাদেরকে চারটা কাজ করতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে এই চারটা কাজ যদি তারা করে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে তারা প্রবেশ করতে পারবে ইনশাআল্লাহ। আর বলে রাখি জাহান্নামের বেশিরভাগ অধিবাসি হবে নারী জাতি। তার মানে এই চারটা কাজ বেশিরভাগ মেয়েই করতে পারবে না সিম্পল। এক নাম্বার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত। ওয়াক্ত হয়ে গেলেই তারা সালাত পড়বে। সালাত তো এখন অনেক মাদ্রাসার মেয়েরাও পড়ে না জানেন। হ্যাঁ, অনেক সময় দেখা যায় কালচারাইসড হয়ে পড়ছে। কিন্তু মাদ্রাসা থেকে বের হয়েছে নামাজ ছেড়ে দিয়েছে। একটা চাপের মধ্যে ছিল নামাজ পড়তো , ছেড়ে দিয়েছে নামাজ শেষ। নামাজ পাঁচ ওয়াক্তের কথা বলার আছে। আবার অনেক সময় দেখা যায় অনেক মহিলা বা মেয়ে যারা বিপথে ছিল তারা তাওবা করে ইসলামের দিকে এসেছে এরা দেখবেন মাশাআল্লাহ অনেক কঠিন পদ্মা করছে নামাজ পড়ছে এমনও আছে । তারপর রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন রমজান মাসের সওম , রমজান মাসে রোজা রাখতে হবে দ্বিতীয় কাজ। তৃতীয় কাজ হচ্ছে লজ্জাস্থানের হেফাজত খাস পর্দা। আর মেয়েদের পুরো দেহই লজ্জা স্থান। আর চার নাম্বার হচ্ছে স্বামীর আনুগত্য করা। এটাতো মঙ্গল গ্রহের কথা। এই কথার তো বাস্তবায়ন থাকতে পারে না এই সমাজে , সম্ভব। আল্লাহপাক নারীদেরকে বুঝ দান করুন। স্বামীর আনুগত্য করা মনে করে স্বামীর দাসত্ব করা। আমি আনুগত্য করতে যাব কেন এটা দাসত্বের ব্যাপার । আমি কখনো দাসত্ব করতে রাজি নই। বরং আমরা সমান। আমরা কি সমান ।আল্লাহ পাক দিয়েছেন অগ্রাধিকার। সে চায় সমান অধিকার। আল্লাহ দিয়েছেন অগ্রাধিকার মানে পুরুষের থেকে নারীর অধিকারটা একটু বেশি দিয়েছেন কোরআন এবং হাদিসে । আর ওকে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে তুমি সমান অধিকারের আন্দোলন কর। তাই করছে। তারপরেও দিন শেষে দেখবেন যা লাউ তাই কদু আছে। আসলে আদতে কোন পরিবর্তন হয়নি প্রেক্ষাপটের শুধু ফাসাদ ছড়িয়েছে , জেনা বেড়েছে , ধর্ষণ বেড়েছে , পরকীয়া বেড়েছে , সামাজিক কাঠামো ভেঙে গেছে এবং ডে বাই ডে , ডে বাই ডে হতেই আছে । রাত এখন আর রাত নাই রাত এখন দিন হয়ে গেছে।

সমাজে ফিতনা ও একাকী থাকার প্রসঙ্গ

দিন আবার দিন নাই দিন এখন রাতের পোশাক পরছে । আর রাত যখন রাত থাকে না দিন যখন দিন থাকে না। তখন দিন কি করে ? দিন আর রাতের কাছে গিয়ে সুখ পায় না ।।দিন তখন দিনের কাছে যায় । এজন্য সমকামিতা বাড়ছে কথা বোঝা যায়। এ জন্য সমকামিতা বাড়ছে। আর মাশাল্লাহ রাত ও এখন রাতের সাথে থাকতে চায় । সে বলে পুরুষের সাথে বিয়ে করার আমার দরকার নাই এখন আমি নারীর সাথে বিয়ে করবো । লিভ টুগেদার। ইভেন বিভিন্ন দেশে এটাকে এখন বৈধতা দেওয়া হয়েছে। কোন বিশ্বে থাকেন বিশ্বের খবর নেন। তখন আপনি মনে করবেন আমি যদি আসহাবে কাহাফের মত চলে যেতে পারতাম খুব ভালো হতো। আপনি যদি পেক্ষাপট সত্যিই বুঝতে পারেন তখন মনটা চাবে কেউ যদি আমাকে পাহাড়ের কোণের জায়গা দিত। আর দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা আমার থাকতো। আমার সাথে আর অল্প কিছু মানুষ থাকতো। আমরা টোটালি সমাজ থেকে আলাদা ওখানে আমরা চাষবাস করছি খাচ্ছি দাচ্ছি পাঁচ ওয়াক্ত আজান হচ্ছে নামাজ হচ্ছে শান্তি শৃঙ্খলার সাথে এখানে বসবাস করছি এখানে মারা যাচ্ছি। এই ফিতনার মধ্যে আসছি না।এই ফিতনার থেকে এটা অনেক গুণ ভালো। দরকার নাই আমার সিভিলাইজ হওয়ার। এই হাদিসটা মহানবী সাঃ বলেছেন কিন্তু আখিরুজ্জামান এ এমন একটা ফিতনার সময় আসবে যখন মুমিনদের জন্য কিছু সম্পদ হবে শ্রেষ্ঠ সম্পদ হবে কিছু গবাদি পশু কিছু গরু কিছু ছাগল যেগুলো নিয়ে সে পাহাড়ি এলাকায় চলে যাবে সেখানে গিয়ে সে একা একা থাকার শুরু করবে ।সে তার দ্বীন নিয়ে পালিয়ে যাবে ফিতনা থেকে। এগুলো হাদিসেও আছে। আসহাবে কাহাফ এটাই করেছিলেন। যাইহোক শুরুতে এটা করতে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ না। আগে আপনাকে ঈমান লালন করতে হবে , ঈমানের দাওয়াত দিতে হবে ঈমানের প্রচার প্রসার করতে হবে। বিপদ আপদ বালা মুসিবত আসলে সবর করতে হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তনের চেষ্টা করতে হবে দেন যদি দেখেন কোন ভাবেই কোন কাজ হচ্ছে না আস্তে আস্তে করে ফিতনা থেকে ডিসকানেক্ট করেন। আমর ইবনুল আস রাঃ তিনি বলছেন ইয়া রাসুলুল্লাহ ফেতনার সময় কিভাবে চলবো ? নবী সাঃ বলছেন কম কথা বলবা , কথা একদম কম বলবা। তারপর কি করব ইয়া রাসূলুল্লাহ ? ঘরে থাকবা প্রয়োজনে বের হবা না বাইরে। ঘরে থাকবা দরজা লাগিয়ে বিনা প্রয়োজনে বের হবা। আর কি রাসূলুল্লাহ? বেশি বেশি করে তোমার গুনাহর জন্য কান্নাকাটি করবা ইনশাআল্লাহ তুমি সফল হয়ে যাবে। এছাড়া কোন অপশন নাই আপনার সামনে এখন । চারটা কাজ করতে বলেছেন নারীদের চারটা কাজ বললাম। নামাজ পাঁচ ওয়াক্ত , সওম , লজ্জা স্থান হেফাজত করা খাস পর্দা আর স্বামীর আনুগত্য করা। খাস পর্দা বলতে আমি ডিজিটাল বোরখা বুঝাইনি। এমন বোরখা পরে যদি গায়ের অঙ্গ-পতঙ্গ বুঝা যায় কাঠামো বোঝা যায় ওই বোরখাটা প্রথমে পুড়িয়ে ফেলবেন। এরপর সবার জন্য চারটা কাজ আল্লাহ পাক বলেছেন ।এক নাম্বার হচ্ছে ঈমান , তুই নাম্বার আমলে সলহে , তিন নাম্বার হকের দাওয়াত , চার নম্বর সবর। ঈমান ছয় পিলার। আল্লাহ বিশ্বাস , ফেরেশতা গণ এ বিশ্বাস , নবিরাসূলগণে বিশ্বাস , আসমানী কিতাব সমূহে বিশ্বাস , পরকালে বিশ্বাস , তাকদিরের ভালো-মন্দে বিশ্বাস। এই ছয়টা।

ঈমান, আমলে সালেহ ও হকের দাওয়াত

এই ছয়টাকে তিনটা কাজ করতে হবে। এক নাম্বার হৃদয় থেকে বিশ্বাস করা। দুই নাম্বার আপনাকে মৌখিক স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে । আর তিন নাম্বার হচ্ছে কাজে বাস্তবায়ন করতে হবে। এই তিনটা কাজ। এই ঈমান লালন করার পরে আমলে সলহে । আমলে সলহে কি? এক কথায় উত্তর আল্লাহ পাক কোরআনে যা করতে বলেছেন তা করলে আমলে সলহে বোঝা যায় । আল্লাহ পাক কোরআনে যা করতে বলেছেন করার নাম কি? আমলে সলহে । যেমন সালাত , সিয়াম , হজ্জ -যাকাত ইত্যাদি। আল্লাহপাক কুরআনের যা করতে নিষেধ করেছেন সেটা না করলে ও হচ্ছে আমলে সলহে । যেমন সুদ না খাওয়া আমলে সলহে , ঘুষ না খাওয়া আমলে সলহে , চুরি না করা আমলের সলহে । যা করতে বলেন নাই সেটা না করাও কি? আমলে সলহে । একইভাবে হাদিসের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম যা করতে বলেছেন সেগুলো কি? আমলে সলহে। যা করতে বলেন নাই সেটা ছেড়ে দেওয়ার নাম কি? আমলে সলহে । এরপরে হকের দাওয়াত। ঈমান-আমলের সাথে আপনি হকের দাওয়াত প্রদান করবেন। আগে নিজে তারপর আপনার পরিবার তারপর সাধ্য অনুযায়ী সমাজ আল্লাহ পাক আপনাকে যত ক্ষমতা দিবেন সেইভাবে আপনার দায়িত্ব বাড়বে ইনশাআল্লাহ । আর এই দাওয়াত দিতে গেলেও দেখবেন চারটা ক্ষেত্র থেকে বাধাও আসবে। এক নাম্বার বাধা আসবে পরিবার থেকে। এবং সবচেয়ে বেশি ফাসাদ সৃষ্টি করবে পরিবারই।ওই যে নূহ আলাই সাল্লাম এর উদাহরণ দেখেন লুত আলাই সাল্লাম এর উদাহরণ দেখেন ।নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর চাচাদেরকে দেখেন। নিজেদের লোকরাই প্রথমে শত্রুতা করবেন। তারপর আপনাদেরকে বাধা দিবে সমাজের নেতা। তারপর ধর্মনেতা তারপর রাষ্ট্রনেতা । নমরুদরা পরে আসবে। আর হকের দাওয়াতটা কি? আল্লাহর বিধান । হক সেটাই যেটা তোমার রবের পক্ষ থেকে নাযিল হয়। নিজের মনগড়া কোন মতামত হক নয়। তোমার রবের হকের দিকে মানুষকে ডাকো হিকমার সাথে প্রজ্ঞার সাথে উত্তম উপদেশের সাথে । এখানে শৈথলতা প্রদর্শন করা যাবে না। চরম পন্থা প্রদর্শন করা যাবে না। একটি শান্তির শৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাষ্ট্রের মধ্যে অরাজ্যকতা প্রদর্শন করা যাবে না। মধ্যমপন্থায় সবাইকে নিয়ে দাওয়াতি কাজ করতে হবে। দাওয়াতি কাজ করার সময় সাম্প্রদায়িক হওয়া যাবে না। নিজের কমিটি আমার দ্বীনি ভাই বাইরের মানুষ আমার দ্বীনি ভাই নয় এমন নয় সবাই আমরা একটা বডির অন্তর্ভুক্ত। এবং সবাই আমরা মুসলিম এটাই আমাদের মৌলিক পরিচয়। আল্লাহ পাক বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন।এবং সবর যখন হকের দাওয়াত দিতে মাঠে নামবেন তখন সবরের প্রশ্ন উঠবে। যদি দাওয়াত দিয়ে আপনার ওপরে যদি কোন বিপদ আপদ বালা মুসিবত না আসে তবে বুঝে নিবেন এটা এমন দাওয়াত যেটা হচ্ছে যে ইসলাম ফলো করলে ইসলামের শত্রুদের কোন সমস্যা নেই সেই ইসলাম ফলো করছেন আপনি। এখানে সবর তখনই আসবে যখন আপনি হকের উপর থাকবেন। এবং এখানে ধৈর্য ধরার মানে এটা নয় যে পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষা করে হাট গুটিয়ে বসে থাকা এটা নয়। আপনার সাধ্য অনুযায়ী আপনি দাওয়াতি কাজ করবেন। পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন নিজে পরিবর্তন হওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ । পরিবারকে চেষ্টা করব। আমার সাধ্যমত আমার ক্ষেত্রে দাওয়াতী কাজ করব। দাওয়াতি কাজ করার সময় আমি সবার প্রতি সহানুভূতিশীল থাকবো।এবং নরম থাকবো কারো প্রতি কঠোর , কর্কশ ইসলামের নামে কোন আজেবাজে মতবাদ , উগ্র কোন মতবাদ , চরমপন্থীর কোন মতবাদ ছড়াবো না । ইসলাম শান্তির ধর্ম , শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে ইসলাম দাঁড়াই। ইসলামের শান্তি দেখে অমুসলিমরা দেখবেন ইসলামের পথে চলে আসছে ইনশাল্লাহ । আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে এই বিষয়গুলো বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন।

সাধারণ প্রশ্ন

সূরা আসর অনুযায়ী মানুষ কারা ক্ষতি থেকে বাঁচবে?

লেখায় বলা হয়েছে, যারা ঈমান এনেছে, সৎকর্ম করেছে, একে অপরকে সত্যের উপদেশ দিয়েছে এবং ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে, তারা ক্ষতির মধ্যে নেই।

লেখায় আল্লাহর খলিফা কাকে বলা হয়েছে?

লেখায় বলা হয়েছে, খলিফা সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর বিধান দিয়ে ন্যায়বিচার করে এবং নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে না; আল্লাহর আদেশ-নিষেধ লঙ্ঘন করে না।

লেখার মতে মানুষ ও জ্বীন কেন সৃষ্টি করা হয়েছে?

লেখায় বলা হয়েছে, আল্লাহ মানুষ ও জ্বীন জাতিকে শুধুমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন।

লেখায় সময় সম্পর্কে কী সতর্কতা দেওয়া হয়েছে?

লেখায় বলা হয়েছে, মানুষের সময় সীমিত, আনলিমিটেড নয়; তাই নিজের জীবনের পাপ হিসাব করে তওবা, ইস্তেগফার ও হকদারদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলা হয়েছে।