Islamবাংলা

মুসা আঃ এবং ফেরাউনের কাহিনী

ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম ও তাঁর দুই সন্তান

আজকে ইনশাআল্লাহ তায়ালা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলব। যে বিষয়টির সাথে আজকের এই মাস সময় সাপেক্ষ প্রেক্ষাপট এবং বিশ্ব জড়িত আছে আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে আলোচনা শুনে বুঝে আমল করার তৌফিক দান করুন আমীন। তো আমি আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি একটা মূল জায়গা থেকে যে মুসলিম উম্মাহ বা মুসলিম জাহানের একজন জাতির পিতা আছে তার নাম কি? ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাম। ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লামের দুইজন সন্তান। একজন ইসমাইল আলাইহিস সাল্লাম আরেকজন ইসহাক আলাইহিস সাল্লাম। আব্বুল আম্বিয়া ইমাম মুরসালিন অর্থাৎ নবীগণের পিতা ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাম এর দুইজন সন্তান। একজন সন্তানের নাম ইসমাইল আলাইহিস সাল্লাম। আরেকজন সন্তানের নাম ইসহাক আলাইহিস সাল্লাম। ইসমাইল আলাইহিস সাল্লাম জন্ম নিয়েছেন হাজেরা আলাইহিস সাল্লামের গর্ভে। আর হাজেরা আলাইহিস সাল্লামকে রেখে এসেছে কোথায় ? মক্কায় ।তো এখান থেকে ইসমাইল আলাইহিস সাল্লামের বংশ চলতে চলতে এক পর্যায়ে সর্বশেষ এবং চূড়ান্ত নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্ম হয়। তাহলে আমরা হচ্ছি বনু ইসমাইল। ইসমাইল আলাইহিস সাল্লাম এর বংশের পুরো সিলসিলায় একজন নবী পাওয়া যায়। তিনি হচ্ছেন আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আর আরেকজন সন্তান ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের তার নাম কি? ইসহাক আলাইহিস সাল্লাম। ইসহাক আলাইহিস সাল্লাম জন্ম গ্রহণ করেছেন সারা আলাইহিস সাল্লাম এর গর্ভে। তো আমরা বুঝতে পারলাম নবীগণের একাধিক স্ত্রী ছিল। পশ্চিমা সভ্যতা আমাদেরকে শিখিয়েছে একজন সৎ ব্যক্তির একজন স্ত্রী থাকতে পারে। একজন চরিত্রবান এবং সৎ ব্যক্তির একজন স্ত্রী থাকতে পারে। যাদের একাধিক স্ত্রী থাকে তাদের চরিত্র ভালো না এটা পশ্চিমা আমাদের কে শিখিয়েছে ।এবং যারা পশ্চিমা গোলক ধাধায় যারা নিজেদের দর্শন হারিয়ে ফেলেছে তারা ও এই মতাদর্শে বিশ্বাস করে। কিন্তু তারা এটাও বিশ্বাস করে যে একজন স্ত্রী থাকা সত্বেও একাধিক মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক রাখা ভালো। আর ইসলাম বিশ্বাস করে যে যদি কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক রাখতেই হয় তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে হবে। তো যাইহোক ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লামের দুইজন স্ত্রী ছিলেন। সারা আলাইহিস সাল্লাম এর গর্ভে ইসহাক আলাইহি সাল্লাম জন্মগ্রহণ করেন। এবং সেটা অনেক দেরিতে অনেক বয়স হওয়ার পরে। বার্ধক্যে উপনীত হওয়ার পরে। ইসহাক আলাইহিস সাল্লাম এর ছেলের নাম ছিল ইয়াকুব আলাইহিস সাল্লাম। তারা থাকতেন সায়ামে অর্থাৎ প্যালেস্টাইন । আর ইসমাইল আলাইহিস সাল্লাম তারা থাকতেন মক্কায়। দুইটা জায়গা আপনি চিনতে পারছেন প্যালেস্টাইন আরেকটা হচ্ছে মক্কায় ।

ইয়াকুব আলাইহিস সালাম ও ইউসুফ আলাইহিস সালাম

মক্কায় ইসমাইল আলাইহিস সাল্লাম যার সিলসিলায় মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমরা যার উম্মত । আর ওই যে প্যালেস্টাইন শাম দেশ সিরিয়া , জর্ডান , নেভালন ,প্যালেস্টাইন এই জায়গাটুকু কে বলা হয় শাম দেশ ।এই প্যালেস্টাইনে ইসহাক আলাইহিস সাল্লাম যিনি সারা আলাই সাল্লাম এর গর্ভে জন্ম নিয়েছেন। এবার ইসহাক আলাইহিস সাল্লাম এর পরবর্তী জেনারেশন তার নাম হচ্ছে ইয়াকুব আলাইহিস সাল্লাম। এবং ইয়াকুব আলাইহিস সাল্লামের আরেকটা নাম হচ্ছে ইসরাইল। এই কারণে ইয়াকুব আলাইহিস সাল্লাম এর বংশধর কে বলা হয় বানু ইসরাইল।এবার বুঝতে পেরেছেন বানু ইসরাইল কাদেরকে বলা হয় । এখন এই ইয়াকুব আলাইহিস সাল্লামের অনেক সন্তান ছিলেন। সূরা ইউসুফ পড়ে দেখেন ১১/১২ জন পুত্র সন্তান ছিলেন। বা ১৩ জন্য থাকতে পারে। আরো থাকতে পারে আল্লাহুয়ালাম এখানে এতোটুকুই এসেছে। ইউসুফ আলাইহিস সাল্লাম তার একজন সন্তান যাকে তার ভাইয়েরা কুয়ায় ফেলে দেয়। কুয়া থেকে ইউসুফ আলাইহিস সাল্লাম চলে গেলেন মিশরের রাজার বাসায়। ভাইদের ষড়যন্ত্রে কুয়ায় তিনি পড়লেন এটাই তাকদিরে লেখা ছিল। তারপরে সেখান থেকে মিশরের রাজার বাসায়। সেখান থেকে রাজার স্ত্রী তাকে আহবান করল। তিনি বললো আমি আল্লাহকে ভয় করি । এবং সেখান থেকে জেলখানায় বিনা অপরাধে। বিনা অপরাধে তিনি ১২ বছর জেল খাটলেন। আর সেখান থেকে তিনি যখন আবার বের হয়ে আসলেন তখন তিনি মিশরের প্রায় খাদ্য মন্ত্রী বলা যায়। মিশরের বড় একটা পলিটিক্যাল পদ তাকে আল্লাহ পাক দিলেন। তাহলে মিশরে কিভাবে বনু ইসরাইল আসলো। ইউসুফ আলাইহিস সাল্লাম এর মাধ্যমে মিশরে বনু ইসরাইলের আগমন হল। এর আগ পর্যন্ত বনী ইসরাইল থাকতো ঐ যে প্যালেস্টাইনে। এখন ইউসুফ আলাইহিস সাল্লামের শাসন আমল যতদিন ছিল ততদিন পর্যন্ত বনি ইসরাইল মিশরে খুব ভালোভাবে জীবন যাপন করতো। যখন তার যুগটা চলে গেল তখন সেখানে ফেরাউনের যুগ এলো। আর ফেরাউন শব্দের অর্থ হচ্ছে এটা একটি রাষ্ট্রীয় পদ। যেমন প্রেসিডেন্ট , বা প্রাইম মিনিস্টার এমন পথ আছে । ফেরু বা ফেরাউন এটা একটা রাষ্ট্রের পদের নাম। তো ফেরাউনের আসল নাম হচ্ছে রেমেসিস।রেমেসিস ওয়ান , রেমেসিস টু এরকম করে নাম থাকে আর কি । আর যে ফেরাউনের মমি আমরা পেয়েছি সেই মমিটের ও একটা নাম আছে আমি এটা এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা থেকে আমি পেয়েছি।তার নাম হচ্ছে মনেব তা তার মূল নাম আর তাকে রেমেসিস বলা হত । আর তার টাইটেল হচ্ছে ফেরু বা ফেরাউন। এখন এই ফেরাউনের সময় ইউসুফ আলাইহিস সাল্লাম এর রেখে যাওয়া সেই যে বনি ইসরাইল এরা আর উন্নত জীবনযাপন করতে পারল না। তারা দাসত্ব শৃঙ্খলা আবদ্ধ হলো। তাদের ওপর জুলুম নির্যাতন শুরু হতে লাগলো। এক পর্যায়ে ফেরাউন তাদের ডিভাইড টু রুলের মতো করে সমাজের নিপীড়িত করতে লাগলো । আর ফেরাউনের অনেক পাপ ছিল।

ফেরাউনের যুগে বনি ইসরাঈলের দুরবস্থা

ইলহাম মানে কী। ইলহাম মানে পত্তাদেশ না , ওহী না কিন্তু। একটা বুজ , বা একটা নূর , একটা তাজাল্লি , একটা বাসিরা মানে ঢেলে দেওয়া। এটা কিন্তু নবুওয়াত না , একটা কাজের চেতনা বা দৃঢ়তা আল্লাহর পক্ষ থেকে ঢেলে দেওয়া। তার মায়ের কলবের মধ্যে আল্লাহরাব্বুল আলামিন ইলহাম করলেন যে তুমি তোমার সন্তানটাকে সিন্দুকের মধ্যে ভরে ভাসিয়ে দাও নীল নদে। এখন তার মায়ের কলব তার মায়ের হৃদয় ছটফট করতে লাগলো। কারণ কোন মা ই তো চাইবে না তার সন্তানকে এভাবে ভাসিয়ে দিতে । আল্লাহপাক বলেছেন যদি না আমি তার হৃদয়টাকে শক্ত করতাম , তাহলে তার হৃদয়টা বিচলিত হয়ে পড়তো।আল্লাহ পাক তার হৃদয়টাকে শক্ত করলেন সে বিচলিত হলো না এবং তার সন্তানটাকে ভাসিয়ে দিল। এবার সন্তান ভাসতে ভাসতে ভাসতে ভাসতে কোথায় যাচ্ছে যেখানে ফেরাউনের স্ত্রী গোসল করছে। খুব চমৎকার হিস্ট্রি কিন্তু গল্পটা। এবং গল্প মানে এখানে এটা কোন গাল গল্প না এটা একটা সত্য ঘটনা। এক একটা বর্ণ তেমন সত্য যেমন সূর্য পূর্ব দিক থেকে উঠে এবং পশ্চিম দিকে ডোবে। এটা যেমন সত্য এর এক একটা বর্ণ সত্য। এগুলো কোন গাল গল্প নয়। ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া সে সিন্দুক পেয়েছে। মুসা আলাইহিস সাল্লাম কে আল্লাহ পাক বলছেন যে আমি মূসা আলাইহিস সাল্লামের চেহারার মধ্যে মোহাব্বত বা ভালবাসা ঢেলে দিয়েছিলাম। তার চেহারা যেই দেখতো তাকে সে ভালোবাসতো। এবার ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া এখানে আসিয়া নন হয়তো অন্য কোন স্ত্রী হয়তো । তিনি বলছেন যে ফেরাউন কে বলছে একে আমরা আমাদের কাছে রেখে দেই। হয়তো বা সে আমাদের উপকারে আসবে। অথবা তাকে আমরা সন্তান হিসেবে গ্রহণ করতে পারি। তাকে হত্যা করোনা। তো ফেরাউন তার স্ত্রীর কথা শুনল। এবং তাকে না হত্যা করে রেখে দিল। এখন আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কি কৌশল যেই মুসাকে হত্যা করার জন্য বছরের পর বছর হাজার হাজার শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। সংখ্যাটা লাখ লাখ ও হতে পারে। সেই মুসা আলাইহিস সাল্লাম কে আল্লাহ পাক ফেরাউন এর ঘরে লালন পালন করতে লাগলেন। এবার মুসা আলাইহিস সাল্লাম যখন যুবক হলেন । তখন একদিন দেখলেন রাস্তায় দুজন ব্যক্তি ঝগড়া করছে । সূরা কাসাস এর মধ্যে আছে । ফাইটিং স্ট্রেট ফাইট। একজন ব্যক্তি হচ্ছে বনী ইসরাইলের আরেকজন হচ্ছে ফেরাউনের সেনাবাহিনী। এখন মুসা আলাইহিস সাল্লাম কার পক্ষ নিবেন। তিনি বনী ইসরাইল তিনি বনী ইসরায়েলের পক্ষ নিলেন। তিনি গিয়ে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন এবংশুধু একটা ঘুসি দিয়েছেন। এবং সেই একটা ঘুসিতে সে ব্যক্তি ডেট। এটা কুরআনে আছে সূরা কাসাস এ । তার মানে কোরআন দলিল দিচ্ছে যে মানুষের শরীরে এমন এমন পার্ট আছে , এমন এমন জায়গা আছে যেখানে একটা ঘুসি মারলেও মানুষ মারা যেতে পারে। যারা মার্শাল আর্ট শিখেছেন বা শিখছেন তারা এটা আরো ভালো জানবেন। মানুষের এই বডিতে অনেকগুলো জায়গা আছে। সাতটা বা আটটা বা দশটার মত যেখানে একটা ঘুসি মারলে মানুষ মারা যেতে পারে। সো ভালো কিছু শিখেন শিখলে । তো এখন একটা ঘুসিতে সেই ব্যক্তি মারা গেল। তারপরের দিন দেখা গেল আবার ঐ ব্যক্তি যাকে তিনি বাঁচিয়েছেন সেই ব্যক্তি আর আরেকজন সেনাবাহিনীর সদস্য আবার মারামারি করছে। মূসা আলাইহিস সাল্লাম তাকে বললেন তুমি তো একটা বোকা মানুষ। এবার সে আবার চৌড়া হতে শুরু করল মুসা আলাইহিস সাল্লাম কিন্তু এবার একজন ব্যক্তি এসে বলল গতকাল তুমি কিন্তু একজন ব্যক্তি কে হত্যা করেছে এক ঘুষিতে। আজকে আবারও তুমি এই কাজ করতে যাচ্ছ। তুমি তো এখানে স্বৈরাচারের মতো আচরণ করছ হে মুসা।

মুসা আলাইহিস সালাম ও ইলহামের ঘটনা

মুসা আলাইহিস সাল্লাম তখন আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলেন। বললেন এটা তো শয়তানের কাজ হয়ে গেল আল্লাহ আমাকে মাফ করে দিন । আল্লাহ পাক বলছেন আমি তাকে মাফ করে দিলাম। তিনি তো ইচ্ছাকৃতভাবে করেন নাই। আন ইন্টার্সেনালি এটা হয়ে গেছে। কিন্তু এখন ফেরাউন মুসা আলাইহিস সাল্লাম কে ধাওয়া করতে শুরু করলো কারন ফেরাউনের দৃষ্টিতে মূসা আলাইহিস সাল্লাম একটা মার্ডার করেছে । কিন্তু মূসা আলাইহিস সাল্লাম তো এটা করেন নাই ইচ্ছাকৃতভাবে করেন নাই এক্সিডেন্টলি হয়ে গেছে। এখন মুসা আলাইহিস সাল্লামকে এক ব্যক্তি এসে বললেন তুমি তাড়াতাড়ি এখান থেকে পালাও। এই মিশরে থাকলে ফেরাউন তোমাকে ধরে এখনই শাস্তি দিবে। এখন মুসা আলাইহিস সাল্লাম বাধ্য হয়ে মিশর থেকে চলে যাচ্ছেন মাদিয়ান । এটাও আরবের মধ্যে একটা জায়গা। যেই জায়গার নবী হচ্ছেন শোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম। তো এখন শোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম এর সেই কওমে মুসা আলাইহিস সাল্লাম গেলেন। না খাবার আছে , না পানি আছে , না কাপড় কিছুই নাই । একদম নিত্য হস্ত। সেখানে গিয়ে তিনি দেখলেন একটা জলাশয় সেখানে সেই জলাশয় এর কাছে কিছু মানুষ পানি পান করাচ্ছে গবাদি পশুকে। দূরে দুইজন মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই দুইজন মেয়ে অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছে তারা পানি পান করাতে পারছে না। মুসা আলাইহিস সাল্লাম অনেকক্ষণ ধরে অফজার্ভ করছে যে মেয়ে দুইটা অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছে পানি পান করাতে পারছে না গবাদি পশুদের কে । তিনি প্রথমে একটু অস্বস্তি বোধ করলেন তারপরে আবার গেলেন তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন কি সমস্যা? তখন সেই মেয়েরা বলল যতক্ষণ পর্যন্ত আমার কওমের লোকেরা এখান থেকে সরে যায় না ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা পানি পান করাতে পারিনা। কারন আমরা দুর্বল। মেয়ে মানুষদেরকে টাইম দিচ্ছে না আর কি । এদিকে আমাদের বাবা অত্যন্ত বৃদ্ধ মানুষ বাসায় পড়ে আছেন একা। তখন মুসা আলাইহিস সাল্লাম যুবক ছিলেন তিনি কিন্তু শক্তিশালী ছিলেন। বিশ্বস্ত এবং শক্তিশালী ছিলেন। এক ঘুসিতে মানুষ মেরে ফেলতেন। তো তিনি এবার গবাদি পশুদের কে নিয়ে এসে পানি পান করালেন। পানি পান করিয়ে তিনি একটা গাছের ছায়ায় গিয়ে বসলেন । এই প্রত্যেকটা কথা কিন্তু কোরআনে আছে। সূরা কাসাস পড়েন সূরা তোহা পড়েন এই প্রত্যেকটা কথা কুরআনে আছে। গাছের ছায়া বসে তিনে একটা দোয়া করছেন হাত উঁচু করে। দোয়া করছেন হে আমার প্রতিপালক আপনি আমার প্রতি যে রহমত বা করুণা বর্ষণ করবেন এর জন্য আমি ফকির হয়ে বসে আছি। দোয়ার ভাষাটা শুনেছেন। হে আল্লাহ আপনি আমার প্রতি যে করুণা বর্ষন করবেন তার জন্য আমি ফকির হয়ে বসে আছি। তো প্রত্যেকটা নেক কাজ করার পরে এরকম দোয়া করা সুন্নত দোয়া কবুল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ । দোয়া সাথে সাথে কবুল হয়ে গেল। এখন ওই দুইজন মেয়ের মধ্যে একজন মেয়ে হেঁটে হেঁটে আসছে। ওই মেয়ে কিভাবে হেঁটে এসেছে সেটাও কুরআনে বলেছে। সেই মেয়ে কিভাবে হেঁটে এসেছে সেটাও কুরআনে বলেছে সূরা কাসাস এর মধ্যে। সূরা কাসাস এ আল্লাহ পাক বলছেন ওই দুইজন মেয়ের মধ্যে একজন হেঁটে হেঁটে আসলো লাজুক পায়। যেই চলাফেলা আপনি এখনকার মেয়ের মধ্যে দেখতে পারবেন না। এখনকার মেয়েদের হাটার মধ্যে লজ্জা আছে? লজ্জা ছিল তার সাথে লাজুক ভঙ্গিতে সেই মেয়ে হেঁটে হেঁটে আসলো । আল্লাহ পাক সেই কথাটাও কুরআনে বলেছেন। এখন কার পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুকরণ করে যেই মেয়েরা তাদের মধ্যে কি আপনি এই ভাবটা পাবেন। তাদের হাটা দেখলে আপনার মনে হবে যে লজ্জা আছে তাদের ভিতরে কোন। এই বিষয়টা নিয়ে খুব ভাবছিলাম । সূরা আরাফের মধ্যে আল্লাহ পাক বলেছেন শয়তান তোমাদের পিতা এবং মাতাকে জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছে। তোমরা শয়তান সম্পর্কে সতর্ক থেকো যখন জান্নাত থেকে বের হয়ে যাবেন তার আগে যখন তারা গাছের কাছে গিয়েছিলেন সর্বপ্রথম যে ঘটনা ঘটেছিল সেটা হলো গাঁয়ের কাপড় খুলে গেছে । ফলের কাছে যাওয়ার পর সর্বপ্রথম যে ঘটনা ঘটেছে জান্নাতে নিজেদের গাঁয়ের কাপড় খুলে গিয়েছে ।এরপরে গাছের ছাল এবং গাছের বড় বড় পাতা জান্নাতের এগুলো দিয়ে তাদের লজ্জাস্থান ঢাকা শুরু করেছিলেন । এটাও কুরআনে আছে ।

মাদইয়ানে শোয়াইব আলাইহিস সালামের কাছে

এখন আল্লাহপাক যখন নামিয়ে দিচ্ছেন দুনিয়াতে। আদম সন্তানদেরকে আল্লাহ পাক বলছেন তোমরা শয়তান সম্পর্কে সতর্ক থেকো ।শয়তান কিন্তু তোমাদের পিতা মাতার কাপড় খুলে নিয়েছিল ।খেয়াল করে দেখেন কাপড় খুলে নেওয়া দরকার হচ্ছে না মানুষ অটোমেটিক কাপড় খুলে দিচ্ছে। আল্লাহ পাক সূরা আরাফে বলছেন শয়তান থেকে সতর্ক থেকো তোমাদের পিতা মাতার কিন্তু কাপড় খুলে ফেলেছিল শয়তান। তোমাদের কাপড় কিন্তু খুলতে না পারে শয়তান আল্লাহপাক সতর্ক করে বলেছেন । এখন আপনি খেয়াল করে দেখবেন জোর করে না স্বেচ্ছায় কাপড় খুলে ফেলছে। এবং তারা পুরুষ নয় নারী। তো যে জায়গায় ছিলাম ওই মেয়ের হেটে আসা আল্লাহপাক কুরআনে ব্যাখ্যা করেছে। সেই মেয়ে দুইজন মেয়ের মধ্যে একজন মেয়ে হেঁটে হেঁটে আসছে মুসা আলাইহিস সাল্লাম এর কাছে লাজুক ভঙ্গিতে । লজ্জায় মুখ নত করে লজ্জাশীলতার সাথে । এসে বলছেন আমার বাবা আপনাকে ডাকছে। তার বাবা কে ? শোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম । আমার বাবা আপনাকে ডাকছে। এবার তিনি গেলেন শোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম এর কাছে। গিয়ে তার কেচ্ছা বা কাহিনীটা বললেন ।শোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম ও কিন্তু একজন নবী খুব জবরদস্ত নবী। বলে রাখি শোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম এর কওম সর্ব প্রথম সেই কওম যাকে ভূমিকম্প দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল। সর্বপ্রথম পৃথিবীতে ভূমিকম্প দিয়ে যেই কওম কে ধ্বংস করা হয়েছিল সেটা শোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম এর কওম। আর তিনটা বড় বড় ভূমিকম্প আমাদের সামনে অপেক্ষাও করছে শেষ জামানায়। তিনটা ভূমিকম্প হবেই । একটা পৃথিবীর পশ্চিম দিকে। একটা পৃথিবীর পূর্বদিকে। আর পূর্ব দিক বলতে কিন্তু আমাদের দিক ইন্দোনেশিয়া , মালয়েশিয়া , বাংলাদেশ , পাকিস্তান , শ্রীলঙ্কা , ইন্ডিয়া এই পুরো জায়গা হচ্ছে পূর্ব দিক। আর পশ্চিমার সভ্যতা তো বোঝেন পশ্চিম কোন দিকে। আরেকটা হবে পৃথিবীর মাঝখানে। মাঝখান কোনটা। জাজিরাতুল আরব এইখানে একটা হবে । এটা হবেই কোন বিজ্ঞানী ঠেকাতে পারবে না। তো শোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম এর সেই কওম যাকে ভূমিকম্প দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল। এখন মুসা আলাইহিস সাল্লাম তার কাছে গিয়ে তার ঘটনা গুলো বললেন। শোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম তাকে বললেন ঠিক আছে আমার মেয়ের একটা দাবি আমার মেয়ে বলেছে তুমি হচ্ছো বিশ্বস্ত এবং শক্তিশালী। তোমাকে যাতে আমি আমার কাজে নিয়োগ করি। আসলে মেয়ে বাবাকে ইঙ্গিতে একটা মনের ভাব ব্যক্ত করেছেন । আর বাবা তার মেয়ের বক্তব্য বুঝতে পেরেছেন। তিনি বলেছেন ঠিক আছে আমি আমার এই মেয়ের সাথে তোমাকে বিয়ে দিব। শর্ত কি ? শর্ত হচ্ছে তোমাকে আট বছর আমার এখানে কাজ করতে হবে ।আট বছর কাজ করার বিনিময় আমি তোমাকে আমার মেয়ের সাথে বিয়ে দিচ্ছি । আর যদি তুমি চাও দশ বছর পূর্ণ করতে পারো। তো মুসা আলাইহিস সাল্লাম বলল ঠিক আছে আমাদের মাঝে আল্লাহ পাক সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট।এবার এখানে মুসা আলাইহিস সাল্লাম তার সংসার শুরু করলেন । দশ বছর অতিবাহিত হল। তারপর এখন মিশরে ফিরে যাওয়ার পালা। মুসা আলাইহিস সাল্লাম তার স্ত্রীকে নিয়ে এখন মিশরে যাচ্ছেন। তার হোমটাউন মাদারল্যান্ড। কিন্তু যাত্রা পথে তুয়া উপত্যকায় বিভিন্ন কিতাবে এসেছে তার স্ত্রীর প্রসব বেদনা শুরু হয়। তখন তিনি আগুন তালাশ করতে থাকেন। আগুন তালাশ করতে করতে তিনি এমন একটা জায়গায় চলে যান তুয়া উপত্যকায়। যেখানে তিনি দেখেন গাছের উপরে আগুন জ্বলছে।

তুয়া উপত্যকায় নবুওয়াত লাভ

তো আগুনকে ফলো করতে করতে হঠাৎ তিনি একটা গায়েবী আওয়াজ শুনতে পান। আওয়াজটা হচ্ছে এমন নিশ্চয়ই আমি তোমার রব। তোমার জুতা খুলে ফেলো কারণ তুমি একটা পবিত্র উপত্যকায় আছো। এই কথাটা আল্লাহপাক বলেছে। আল্লাহ পাক মূসা আলাইহিস সাল্লাম এর সাথে কথা বলেছেন সুবহানাল্লাহ । আরো বলেছেন এবং আমি তোমাকে বাছাই করেছি হে মুসা। তুমি খুব মনোযোগ দিয়ে শোনো আমি তোমার কাছে যা ওহী করছি এটা মনোযোগ দিয়ে শোনো। আল্লাহ বলছেন নিশ্চয়ই আমি ছাড়া কোন ইলাহ নাই। আমার ইবাদত কর। আমার শরণের জন্য আমার সালাত কায়েম কর। নিশ্চয়ই কেয়ামত অবশ্যই আসবে। আমি এটাকে গোপন রেখেছি। যাতে করে প্রত্যেক নাফসকে তার প্রতিদান দেয়া যায়। যারা প্রবৃত্তির অনুসরণ করে তারা যেন তোমাকে এই বিষয়টার ওপর ইমান আনা থেকে দূরে রাখতে না পারে। আল্লাহপাক এই পর্যন্ত বললেন। এরপর আল্লাহ পাক বললেন মুসা তোমার ডান হাতে এটা কি? মুসা আলাইহিস সাল্লাম বললেন এটা আমার লাঠি । তার সাথে কি ছিল একটা লাঠি । এই লাঠি দিয়ে আমি গাছের ডাল ছাটি , গবাদি পশুদেরকে চড়াই এছাড়া আমি আমার বিভিন্ন কাজে এই লাঠি ব্যবহার করি। আল্লাহ পাক বলছেন মুসা এটা নিক্ষেপ কর দেখি। হাত থেকে ছুড়ে মারো । তিনি লাঠিটা ছুড়ে মারলেন এবং সাথে সাথে লাঠিটা ছুটা ছুটে শুরু করলো সাপের মতন । অন্য সূরা আছে এই দৃশ্য দেখার সাথে সাথে মুসা আলাইহিস সাল্লাম উল্টোদিকে দৌড় দিয়েছিলেন। স্বাভাবিক ভয় পাওয়ার স্বাভাবিক। তো তখন আল্লাহপাক বলেছিলেন তুমি ভয় পেয়ো না। আমার কাছে নবীগণ ভয় পায় না। অন্য সূরা এগুলো আছে। এরপরে আল্লাহপাক বললেন তুমি এটাকে ধরো এটাকে ভয় পেয়ো না। তুমি ধরা মাত্রই এটা স্বাভাবিক লাঠিতে রূপান্তরিত হবে । আরেকটা কাজ কর তোমার হাতটা কে বগলের নিচে নিয়ে যাও। এটাকে বের কর তারপর দেখবে এটা স্বচ্ছ আলো প্রদান করবে সুবহানাল্লাহ। এই দুইটা মোজেজা আল্লাহপাক তাকে দিলেন এটা আরেকটা নিদর্শন। তো এখানে কি হলো মুসা আলাইহিস সাল্লাম নবুওয়াত পেলেন। নবুয়াত পাওয়ার সাথে সাথে আল্লাহ পাক তাকে দুইটা মোজেজা দিলেন। একটা হল লাঠি আরেকটা হল হাত বগল থেকে বের করলে কি হবে আলো বের হবে ।এবার তার ডিউটি কি? আল্লাহ পাক ডিউটি দিচ্ছেন তাকে। এবার তোমার কাজ তুমি ফেরাউনের কাছে যাবে কারণ ফেরাউন সীম লংঘন করেছে । তখন মুসা আলাইহিস সাল্লাম বললেন আল্লাহ আমার বক্ষটাকে প্রশস্ত করে দিন। মানে আমার তো সেখানে যাওয়া সাহস হচ্ছে না। আমি তো ওদের দৃষ্টিতে একজন খুনের আসামী ওদের দৃষ্টিতে। ওরা তো আমাকে পেলে হত্যা করে ফেলবে। আল্লাহ পাক বলছেন কখনো না ওরা তোমাকে হত্যা করতে পারবেনা। তখন তিনি দোয়া করছেন আল্লাহ আমার হৃদয়টাকে প্রশস্ত করে দিন । আমার কাজকে সহজ করে দিন । আমার জিহবায় জড়তা আছে এটাকে দূর করে দিন। যাতে মানুষ আমার কথা বুঝতে পারে না। এই দোয়া করলেন কবুল হয়ে গেল । এবং আরো দোয়া করলেন। আমার পরিবারের মধ্য থেকে একজন অজির দেন। অজির মানে হচ্ছে সহায়ক যেটা হচ্ছে হারুন আলাইহিস সাল্লাম। যাতে করে আমরা আপনার জন্য বেশি বেশি জিকির করতে পারি এবং আমাদের কাজ সহজ হয়।

ফেরাউনের দরবারে যাদুকরদের মোকাবিলা

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার ভাই হারুন আলাইহিস সাল্লাম কেও নবুওয়াত দান করলেন । আল্লাহ পাক বলছেন এবার তোমরা দুজন ফেরাউনের কাছে যাও। সে সীমা লঙ্ঘন করেছে তবে তার সাথে নরম সুরে কথা বল । হয়তো বা সে উপদেশ গ্রহণ করতে পারে এবং আল্লাহকে ভয় করতে পারে। তো ডিউটি দেওয়া হল তোমাদের কাজ এখন এইটা।এবং তোমাদের ভয় পাওয়ার কোন কারণ নাই সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। তার কাছে যাও মোজেজা দেখাও আল্লাহর দিকে দাওয়াত দাও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ।যদি সে দাওয়াত কবুল করে আলহামদুলিল্লাহ। যদি না করে তাহলে আমি আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। এবার মুসা আলাইহিস সাল্লাম সেখানে গেলেন।যাওয়ার পরে ফেরাউনকে দাওয়াত দিলেন।উনি বললেন আমি তোমাদের মহান রব ।তো মুসা আলাইহিস সাল্লাম ব্যাখ্যা করলেন আমি সেই রবের কথা বলছি যে রব আসমান সৃষ্টি করেছেন , জমিন সৃষ্টি করেছেন , যেভাবে তাওহীদের দাওয়াত দিতে হয় সেই সব দিলেন । এরপরেও ফেরাউন ইসলাম গ্রহণ করল না। তারপর মূসা আলাইহিস সাল্লাম বললেন আমি যদি তোমাকে বড় নিদর্শন দেখাই তাও তার পরেও কি বিশ্বাস করবে না। তখন ফেরাউন বলল দেখাও দেখি। তখন তিনি লাঠি ছুড়ে মারলেন সাপ হয়ে গেল। এই দৃশ্য দেখে ফেরাউনের পরিবারের সবাই ভয় পেয়েছিল। কিন্তু পলিটিক্যাল স্বার্থে ফেরাউন বলেছিল যে সে একজন বড় যাদুকর জনগণকে তো বোঝাতে হবে কিছু । নিজে ভয় পেলেও জনগণকে বুঝাতে হবে কিছু। সে জনগণকে বুঝাচ্ছে যে সে একজন বড় জাদুকর। সে যাচ্ছে তোমাদের ন্যাশনের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করতে। তো এখন কি করা যাবে পরামর্শ করল। কাছে কিছু মানুষ থাকে না তার মন্ত্রী পরিষদ যারা শয়তানিতে পিএইচডি করেছিল। তারা তাকে পরামর্শ দিল যে একটা কাজ করা যাক একটা বড় ময়দানে যাওয়া যাক সেখানে আমরা বড় বড় জাদুকরকে ডাকবো এখানে একটা জাদুর ব্যাটেল হবে । তো সব বড় বড় জাদুকড় কে ডাকা হল মিশরের ।এবং বলে রাখি যে যাদুবিদ্যা কিন্তু সত্য। সুলাইমান আলাইহিস সাল্লাম এর সময় থেকে এটা চলে আসছে। হারুত এবং মারুত ফেরেশতাকে দিয়ে এটা পরীক্ষা করা হয়েছে মানবজাতিকে । যাই হোক জাদু থেকে বাঁচার জন্য আমাদের কুরআন এবং সুন্নাহ যে দোয়া কালাম আছে এগুলো নিয়মিত পড়বেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ পাক আমাদের হেফাজত করুন আমীন। এবার জাদুকররা একদিকে আর মুসা আলাইহিস সাল্লাম এক দিকে। মূসা আলাইহিস সাল্লামকে বললেন তুমি আগে ছুড়ে মারবে না কি আমরা আগে ছুড়ে মারবো। মুসা আলাইহিস সাল্লাম বলছেন তোমরা আগে ছুড়ে মারো। তখন তারা তাদের লাঠি ছুঁড়ে মারলো এগুলো সাপ হয়ে গেল। এটা একটা চোখের ভেলকি বাজি ছিল। এই জাদুটাকে আল্লাহপাক বলেছিল কুরআনে বড় একটা জাদু করেছিল তারা। মানে তারা যাদুবিদ্যায় বড় পারদর্শী ছিল। এখন যেমন সাইন্সের যুগ তখন কিন্তু যাদুবিদ্যার যুগ ছিল। তো মুসা আলাইহিস সাল্লাম কিছুটা ভয় পেয়ে গেলেন। আল্লাহপাক বললেন তুমি ভয় পেয়ো না বরং তোমার লাঠিটা ছুড়ে মারো। তুমি বিজয় হবে ইনশাল্লাহ তায়ালা। এবার মুসা আলাইহিস সাল্লাম তার লাঠিটা ছুড়ে মারার সাথে সাথে তার লাকিটা যে সাপে রূপান্তরিত হলো এই সাপটা বাকি সবগুলো সাপকে খেয়ে ফেলল। এই দৃশ্য দেখার সাথে সাথে ওখানে যতগুলো জাদুঘর ছিল তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বড় জাদুকর একটা সমাজের মধ্যে ।সবচেয়ে বড় বড় জাদুকর সাথে সাথে মুসলিম হয়ে গেল। আমরা মুসা এবং হারুনের রবের প্রতি ঈমান নিয়ে আসলাম। তখন ফেরাউন বলল ও আচ্ছা ও আচ্ছা তাহলে মুসাই হচ্ছে তোমাদের লিডার। যে তোমাদেরকে জাদু শিখিয়েছে তাহলে। তাহলে মুসা হচ্ছে সবচেয়ে বড় জাদুকর ।

সাধারণ প্রশ্ন

ফেরাউন শব্দের অর্থ কী বলা হয়েছে?

বক্তা জানিয়েছেন, ফেরাউন একটি রাষ্ট্রীয় পদের নাম, যেমন প্রেসিডেন্ট বা প্রাইম মিনিস্টারের মতো একটি পদ।

মুসা আলাইহিস সালাম কেন মিশর ছেড়ে মাদিয়ানে গিয়েছিলেন?

একটি মৃত্যুর ঘটনার পর ফেরাউন তাঁকে ধাওয়া শুরু করলে এক ব্যক্তি তাঁকে মিশর থেকে পালানোর পরামর্শ দেন, এবং তিনি বাধ্য হয়ে মাদিয়ানে চলে যান।

মুসা আলাইহিস সালামকে আল্লাহ কী কী মোজেজা দিয়েছিলেন?

বক্তার বর্ণনায় দুটি মোজেজার কথা আছে: লাঠির সাপে রূপান্তরিত হওয়া এবং হাত বগলের নিচে নিয়ে বের করলে স্বচ্ছ আলো প্রদান।