Islamবাংলা

বিয়ে নিয়ে অসাধারণ একটি লেকচার

বিয়ের সঠিক সিদ্ধান্ত ও পাত্রী নির্বাচন

এই যে নসিয়ত গুলো করছি যারা আনম্যারিড তোমাদের জন্য এই নসিহত হচ্ছে সোনার চেয়েও দামী। আর এই ডিসিশন টা যে এত গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে যদি কখনো ভুল করে ফেলেন এইটাতে তাহলে সারাটা জীবন আপনাকে এই বোঝা টানতে হবে । আমরা এখন কি কি কাজ করলে এবং কিভাবে স্টার্ট করলে এসব সমস্যা সমাধান করতে পারি সলিউশন করতে পারি। এটার সলিউশন হচ্ছে দুই রকম প্রথম হচ্ছে যারা অলরেডি পরিবার এ ঢুকে গেছে এদেরকে অন্য কোন জায়গা থেকে শুরু করতে হবে। যারা পরিবার ঢুকে গেছে তাদেরকে তওবা করে ফিরে আসতে হবে। আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। আর যারা এখনো পরিবারে ঢুকেন নাই তারা অনেক সৌভাগ্যবান । এখন থেকে যদি আপনি এই নসিহত গুলো মেনে চলতে পারেন ইনশাল্লাহ আপনার পরিবারটা আর দশটা পরিবারের মত হবে না। রিজিকের ব্যবস্থাটা আগে করে নেন তারপরে ওইদিকে যান। আপনার আপন ভাই হিসেবে আমি কতগুলো বলছি মনে করেন। এরপরে আপনি যখন বিয়ে করবেন মেয়ের জাস্ট দ্বীন দাড়িটা দেখবেন। এর উপর যদি সৌন্দর্য থাকে আলহামদুলিল্লাহ ।বংশ ভালো থাকে আলহামদুলিল্লাহ। মেয়ের অর্থ সম্পদ আছে আলহামদুলিল্লাহ। আর যদি কোনটাই না থাকে শুধু দ্বীনদারিতা থাকে জাস্ট ওইটাকেই দেখেন। আর কিচ্ছু দেখার দরকার নাই। আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছি যে আপনি এই লেভেলে যাওয়ার আগে নিজে আগে পবিত্র থাকার চেষ্টা করবেন। আপনি নিজের জেনায় জাবেন না আপনি নিজে পর্নোগ্রাফিতে জাবেন না। নিজে হারাম অ্যাফেয়ার্স এ যাবেন না। তাহলে আল্লাহ পাক আপনাকে পবিত্র স্ত্রী নাও দিতে পারে। এটাই আল্লাহ পাকের নীতি। যে একজন পবিত্র মানুষ পবিত্র মানুষ পায়। ঠিক আছে যে যেমন আল্লাহ পাক তাকে তেমন মিলিয়ে দেন। এটা আল্লাহ পাকের একটা সুন্নাহ। এর ব্যতিক্রম হতে পারে। আপনি যদি পবিত্র না থাকেন আপনি পবিত্র স্ত্রী নাও পেতে পারেন। তো আপনি আগে নিজে পবিত্র থাকেন তারপরে মেয়ে দেখেন আলহামদুলিল্লাহ। এখানে দ্বীনদরিতা প্রাধান্য দেন। এখানে হাদিসে বলা হয়নি চারটা গুন দেখে বিয়ে কর। এখানে হাদিসে বলা হয়েছে চারটা গুন দেখে সাধারণত বিয়ে করা হয়। করো আদেশটা এমন নয়। কেউ দ টাকা দেখে , কেউ সৌন্দর্য দেখে , কেউ বংশ দেখে , তুমি দেখো দ্বীন । তা না হলে তোমার হাত ধুলোয় ধূসরিত হবে।দ্বীন দেখার ক্ষেত্রে শুধু তার বাইরের গেটাপটা যথেষ্ট নয়। তার পড়াশুনা দেখেন , হিস্ট্রি ঘাঁটবেন অতীতের সে কোথায় কোথায় পড়াশোনা করেছে। কি করেছে খোঁজখবর নিবেন? হুট করে তাড়াহুড়া করে কোন ডিসিশন নিয়ে ফেলবেন না। এটা খুব ভুল করে মানুষ। সে কোথায় পড়াশোনা করেছে কি করেছে না না, করেছে। তার পরিবারের বায়োডাটা ঘাটেন। তার পরিবারের সদস্যরা কেমন নামাজ পড়ে কি না।তারা ইসলামের প্রতি কেমন ধারণা পোষণ করেন। তার মাকে দেখেন তার মা পর্দা করে কি না। তার মা ইসলামের উপরে আছে কি না। তার নানীকে দেখেন ।তারপরে আপনি একটা ডিসিশন নেন সহজ হবে। এগুলোর চেয়ে ব্যতিক্রমও হতে পারে। ওই আজাবের পরিবারে ইব্রাহিমের জন্ম হতে পারে। ফেরাউনের আন্ডারে আছিয়াও থাকতে পারে। কিন্তু এটা ব্যতিক্রম। নরমালি কিন্তু সবসময় এরকমটা হয় না। যে প্যারেন্টিইন্স দিয়ে তারা বড় হয়েছে ওই প্যারেন্টিং তাদের মধ্যে থেকে যায় এ কারণে মেয়ের ব্যাপারে খুব সেনসিটিভ থাকবেন । আগে পুরো বিষয়টা ঘেঁটে নিয়ে তারপরে আপনি অন্য জায়গায় পা দিবেন। তারও আগে আল্লাহর কাছে ইস্তেখারা করবেন।

ইস্তেখারা ও মোহর নিয়ে পরামর্শ

হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে ইস্তেখারা করছি আমি জানি না কোনটা আমার জন্য। কোনটা খারাপ। আল্লাহ এটা যদি আমার জন্য ভালো হয় তাহলে সহজ করে দাও আর যদি খারাপ হয় তাহলে দূরে ঠেলে দাও। নিজের ওপর চাপ নিয়েন না। দেখার দরকার নাই। যদি আপনি মনের মত দ্বীনদার পবিত্র একজন মেয়ে পেয়ে যান। আর মেয়ে যদি সুন্দরীও হয় মাশাআল্লাহ আর ভালো বংশের হয় যদি। তাহলে সারাটা জীবন তাকে নিয়ে কাটিয়ে দেন। আপনি হ্যাপি হবেন ইনশাল্লাহ। ডানে বামে দেখার আর দরকার নাই। যদি একাধিক বিয়ের অনুমতি আছে কিন্তু এখন বাস্তবতা দেখতে হবে। যেমন কোরআন সুন্নাহতে এমন অনেক কিছুই আছে যা এখন বাস্তবে ইমপ্লিমেন্ট করা সহজ নয়। যদি কেউ করতেছে তাহলে তাকে অনেক হ্যাসেল পোহাতে হয়। কারণ কুরআন সুন্নাতে আছে তবুও সমাজটা এখন এমন না যদি সে পালন করতে চায় তাহলে তাকে দেখা যায় যে সমাজের অনেক ব্যাপক সমস্যা মুখোমুখি হতে হয়। যদি ও এটা তার দোষ না এটা হয়তো আল্লাহপাক তাকে পরীক্ষা করছেন।অথবা এ অসিলায় আল্লাহপাক তার গুনাহ গুলো সব মাফ করে দিবেন ।কিন্তু নরমালি যেটা চলছে সেটা আপনি নেন যেটা অপশনাল সেখানে যাওয়ার দরকার নেই। এটা আমার নসিহত। কারণ সবার সেই শক্তি সামর্থ্য থাকে না যে সবকিছু সুন্দরভাবে হ্যান্ডেল করতে পারবে। আর বলা যতটা সহজ করার ব্যাপারটা ততটা সহজ নয়। আর এখনকার জেনারেশন এর মেয়েদেরকে তো দেখছেন পান থেকে চুন খসলেই বিশাল ঝামেলা হয়ে যাবে। যদি আপনার ঈমান আমলের কারণে আল্লাহ তাআলা আপনাকে দ্বীনদার নেককার সুন্দর সুশীল মেয়ে দিয়ে দেয় তাহলে আর ডানে বামে দেখবেন একদম তাকে নিয়ে পুরো লাইফটা কাটিয়ে দেবন ।এরপর দোয়া করবেন আল্লাহ তাআলা এটার মধ্যে কল্যাণ দান কর। বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়ের বাবারা মুহুর টা কম করবেন। সামর্থ্য অনুযায়ী মোহর করবেন। ছেলের সামর্থ্য অনুযায়ী করবেন তার উপর কোন বোঝা চাপিয়ে দিবেন না। কেয়ামতের হাদিসের আমলে আমি এটাও পড়েছি শেষ জামানায় মোহর অনেক বেশি করা হবে দেওয়া হবে কম ।এমনই তো হচ্ছে এখন। আর কোন আলামতের বাকি আছে। আপনি বলছেন এক লাখ একলা কি দিবেন নগদে এসব চিটারির মধ্যে থাকবেন না।যদি ৫ লাখের সামর্থ থাকে 5 লক্ষ দিবেন আর আমল শেষ। পরে মাফ নিয়ে নিব এসব বার্গিনি এর মধ্যে আপনি নেই। এখনকার বিয়ে দেখলে মনে হয় মেয়ের বাবা ছেলেকে বিক্রি করছে। আর ছেলের বাবা মেয়েকে কিনছে। সবচেয়ে বেশি মোহর দেখা যায় চিটাগাং এরিয়াতে। এবং আপনারা জানেন নাকি জানিনা কিন্তু সবচেয়ে বেশি বিচ্ছেদ ওইখানেই হয়। বাংলাদেশের বিবাহ বিচ্ছেদ দেখা যায় প্রতি 24 ঘন্টায় ২৮ টা ।শুধু তাই নয় এখন দেখা যায় ১০ লক্ষ মেয়ে অধিক আছে পুরুষের তুলনায় সমাজে স্বামী নাই। এবং ডিভোর্সের ক্ষেত্রে দেখা যায় মেয়েদের প্রবণতা বেশি ৭০% মেয়েরা এখন ছেলেদেরকে ডিভোর্স দিয়ে দিচ্ছে কিন্তু ছেলেরা দেয় না। ৩০% ছেলেরা ডিভোর্স দেয়। তাহলে মেয়েদের সাইকোলজি চিন্তা করেন।ও মনে করছে আমি তো শিক্ষিত হয়ে গেছি তোমার এখন আমার দরকার নেই আমি একাই চাকরি করে খেতে পারব। তাই খুব বেশি শিক্ষিত প্রয়োজন নেই দিনের শিক্ষা আছে নাকি সেটা দেখবেন। ফ্যামিলিস মেয়েদেরকে নেওয়া দরকার নেই। আপনি নিবেন ইসলামিক শিক্ষা আছে নাকি এমন মেয়েকে। এরপর যখন পরিবার স্টার্ট হবে তখন আপনি বরকত চাবেন বিয়েটা সহজ করে নিবেন। হাদিসে আছে যে বিয়েতে খরচ যত কম সে বিয়েতে বরকত তত বেশি।

স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা ও পর্দা

ওলিমা হবে মাশাআল্লাহ আপনার বিবাহ জীবন মোবারক হক দোয়া করি। এরপরে দেখবেন উভয়ের মাঝখানে আল্লাহ পাক আপনাদের মাঝে ভালোবাসা ঢালবেন ইনশাল্লাহুতালা।সূরা রুমের মধ্যে আল্লাহপাক বলেছেন আমি আল্লাহ স্বামী স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসার ঢেলে দিয়েছি। এটা আল্লাহ পাকের একটা আয়াত নিদর্শন। এবার আপনি পরিবার গঠন করেছেন। এখানে আমি কয়েকটা কথা বলব। উভয়ের মাঝখানে খুব চূড়ান্ত লেভেলের ভালোবাসা এটা যথেষ্ট নয় পরিবার সুখী হওয়ার জন্য। পরিবারে থাকতে হবে সালাত , পরিবারে থাকতে হবে কুরআন, পরিবারের থাকতে হবে সুন্নাহ , পরিবারে থাকবে ইসলামের অনুশাসন , পরিবারে থাকবে খাস পর্দা। আপনার বউকে মানুষ দেখেই নাই এরকম পর্দা। কাপড় খোলা তো অনেক দূরের কথা। এরকম স্ত্রী আপনার স্ত্রীকে দেখে নাই বাহিরের মানুষ । প্রার্থনা করেছে বাইরে আসবে না। বাধ্য হয়েছে আসছে। মা বাপ আছে আসছে ।মা-বাবার সঙ্গে বাহিরে আসছে। আপনার স্ত্রী মানুষের বাসায় গিয়ে রাত কাটাবে না। এবং কি মানুষের বাসায় টয়লেটে গিয়েও সে কাপড়টা চেঞ্জ করবে না। কারো বাসা আপনার স্ত্রীকে রেখে আসবেন না। অপরিচিত কারো বাসায় আপনার স্ত্রীকে রেখে কাজে যাবেন না। আপনার কাছে ধরেন একটা কোহিনুর হীরা আছে যার মূল্য ধরেন যে লক্ষ কোটি ডলার। এটা কি আপনি যেমন তেমন করে ইউজ করবেন নাকি খুব যত্ন করে আপনার কাছে আগলে রাখবেন ।ইসলাম এভাবে নারীদেরকে সম্মানিত করেছেন যে তারা আমাদের কাছে এত বেশি স্পেশাল যে তাদেরকে আমরা যত্ন সহকারে ঢেকে রাখছি। কথা কি বুঝতে পারছেন? তোমাদের কাছে মেয়েদের দাম নেই। তোমরা লেংটা হয়ে ঘুরো তোমাদের কে বাধা দিয়েছে। ঘুরছো ও তো তাই। নগ্নতা বলতে আপনি কি মনে করছেন। খালি কি বিকিনি সংস্কৃতি নগ্নতা।যে নারী পোশাক পরেও নগ্ন হয়ে আছে এটাও তো নগ্নতা। আল্লাহপাক বলছেন আরবদের ধ্বংস। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। কি ভয়ংকর আজাব ধেয়ে আসছে। তার স্ত্রী জায়নাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলছেন ইয়া রাসুলুল্লাহ আমাদের মধ্যে সলেহ এবং সৎ মানুষ থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব। নবীজি বলছেন হ্যাঁ। যখন অশ্লীলতা বেহায়াপনা নগ্নতা ছড়িয়ে পড়বে তখন ভালো-মন্দ সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। এজন্য নিজে ভালো আছি ওরা খারাপ ওদেরকে কিছু বলার দরকার নাই। ভালো হয়ে থাকার কোন সুযোগ নাই। ওগুলো যত ছড়াবে আলেম-জালেম সব ধ্বংস হয়ে যাবে। আল্লাহপাক বোঝার তৌফিক দান করুন আমিন। এবার আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে এভাবে হৃদ্যতা ভালোবাসার সম্পর্ক রাখবেন আল্লাহর জন্য। পরিবারের সবার পিছনে আপনি খরচ করবেন তাদের হক দিবেন কার জন্য? আল্লাহর জন্য। পরিবার বর্গের কাছে কোন কিছু পাওয়ার আশায় না। এই

ফিলোসোফিটা বুঝেন। পরিবারের কারো কাছে থ্যাংকস পাওয়ার আশায় ও না। আপনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ওদের পিছনে খরচ করবেন ওদেরকে ভালোবাসবেন ওদের হক আদায় করবেন ওদেরকে সময় দিবেন। কার জন্যে। আল্লাহর জন্য। এর জন্য আপনি নেকি পাবেন ইনশাল্লাহ। আর যদি আপনি কারো কাছে বেশি আশা করতে চান এবং মনে মনে বেশি এক্সপেক্টেশন রাখেন। তাহলে কি হবে জানেন? আপনি পদে পদে বেশি কষ্ট পাবেন দেখে নিয়েন ।

সন্তানের প্রতিভা ও প্যারেন্টিং

শুধু আল্লাহর হয়ে যান। মানে আল্লাহ আপনার আপন আল্লাহ ছাড়া আপনাকে কেউ চিনেনা ।আল্লাহ পাক বলেছেন এসব করতে তাই আমি করি। আল্লাহপাক ভালবাসা দিয়েছেন সন্তানের প্রতি স্ত্রীর প্রতি তাই ভালবাসি তাদেরকে।কিন্তু ভালোবাসা এত অধিক না যে আল্লাহকেই ছেড়ে দিব। স্ত্রী সন্তান যদি আল্লাহর পথে বাধা দেয় আল্লাহকে ছাড়তে পারবো না ওদেরকে ছাড়তে পারবো। আদর্শ দাম্পত্যের জন্য শুধু ভালোবাসাই যথেষ্ট নয়। এখানে প্রয়োজন হচ্ছে সম্মান বিশ্বাস ।একে অপরের প্রতি এসব না থাকলে তাহলে ওই সংসারে শান্তি থাকে না। আপনার স্ত্রী যদি আপনাকে বিশ্বাস না করে তাহলে আপনি শান্তি পাবেন না।আপনি যদি ইনোসেন্ট ও অনেস্ট হয়ে থাকেন আপনার স্ত্রী আপনাকে বিশ্বাস করছে না ওই সংসারে শান্তি থাকে না।বিশ্বাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভালোবাসা থেকেও বিশ্বাস বেশি important। আগে বিশ্বাস তারপর আমল। ভালোবাসা হচ্ছে আমল আর বিশ্বাসটা হচ্ছে ঈমান। আমার প্রতি যদি আপনার ঈমান না থাকে তাহলে আপনি আমাকে ভালোবাসবেন কিভাবে? স্বামী স্ত্রীকে একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে। পুরুষদেরকে এখানে সহনশীল হতে হবে কারণ আপনাদের স্ত্রী আপনাদেরকে সারা জীবন পেইন দিতে পারে। এটা হচ্ছে মেয়েদের ফিতরত। এখানে সবরের জাজিয়াত করতে হবে। নসিহত করতে থাকতে হবে। তত দিন পর্যন্ত করতে হবে যতদিন দেখছেন হ্যাঁ এটাই কাজ হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত করতে থাকেন ।যদি করতে করতে দেখেন এটা কাজ হচ্ছে না এই ফিতনা থেকে আপনার দিনের পথে চলা ব্যাহত হচ্ছে তখন আপনার উচিত হবে কাহাপের চিন্তা করা। পরিবারে পর্দা থাকবে এখন আর সন্তান হবে আলহামদুলিল্লাহ। সন্তানকে প্রতিপালন করবেন ওই যে মা হাজেরা তার মতো করে ।হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালামের সাহাবাদের মত করে। আমাদের নবীজির চাচারা যেভাবে তাদেরকে লালন পালন করেছে তাদের মতো করে। সন্তানকে ভালোবাসবেন সন্তানের কথাগুলো শুনবেন। বাচ্চাদেরকে মূল্যায়ন করবেন বাচ্চারা কি খাচ্ছে তা খেয়াল রাখবেন।বাচ্চা নেওয়ার সময় বা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টা করার সময় দোয়া করবেন। সব সময় নামাজে সেজদায় দোয়া করবেন ।পরিবারের জন্য বাচ্চাদের জন্য পরিবারের শান্তির জন্য বাচ্চাদের সুস্থতার জন্য জন্য দোয়া করবেন। আপনার একটা নেক সন্তান আগামী দিনের উম্মতের দায়িত্ব নিতে পারবে ইনশাআল্লাহ।হাজার হাজার গবাদি পশুর দরকার আছে। একটা ইব্রাহিম , একটা ওমার, একটা খালেদ ইবনে ওয়ালিদ জন্ম দিয়ে দেখান। ওই একজনই যথেষ্ট ইনশাল্লাহু তাআলা। সন্তানের কথা শুনতে হবে। প্যারেন্টিং একটা বই আছে বাজারে কিনতে পাওয়া যায় কিনে নিবেন। ওখানে প্যারেন্টিংস এর অনেক টিপস আছে সন্তান কি খাচ্ছে কার সাথে মিশছে বন্ধুর সাথে খেলছে কোন স্কুল-কলেজে পড়ছে খেয়াল রাখতে হবে। কোন ডিভাইস ইউজ করছে। বাসা সন্তান কি পরিবেশ দেখে বড় হচ্ছে। পিতা মাতার মধ্যে ভালোবাসা দেখে বড় হচ্ছে নাকি ঝগড়া দেখে দেখে বড় হচ্ছে। এটা খুব ইফেক্ট করে। সবচেয়ে বড় কথা সন্তানকে পিছন থেকে আপনাকে বুস্ট আপ করতে হবে। আপনার সন্তানকে আল্লাহ পাক নির্দিষ্ট একটা প্রতিভা দিয়ে পাঠাবেন। হয়েছে ভালো লিখতে পারবে বা ভালো বলতে পারবে বা ভালো খেলতে পারবে ভালো চিন্তা করবে ভালো আর্ট করবে । ওর প্রতিভাকে ওর উপরে চাপিয়ে দিবেন না। ওর যে প্রতিভা আছে ওই প্রতিভা অনুযায়ী বেড়ে উঠতে দিনে। হাতের আঙ্গুলগুলোকে টেনে টেনে সোজা করতে যাবেন না তাহলে আঙ্গুল ভেঙে যাবে। আঙ্গুল কে পাত্তা দেন ওকে আল্লাহপাক একটা রং দিয়েছে একটা প্রতিভা দিয়েছে।ওকে বিকশিত হতে দেন ওর গন্ধটা যেন আমরা পাই।

সন্তানের উপর চাপ ও শাসন

বাচ্চাদেরকে চাপ দিবেন না। এখনকার পরিবারদের প্রচুর চাপ। পরিবারে সন্তানদেরকে পিতা-মাতা চাপ দিতে দিতে দেখা যাচ্ছে যে সন্তানরা আত্মহত্যা করে ফেলছে। রেজাল্ট খারাপ হলে কি করলি সারা জীবনে এসএসসিতে এ প্লাস পাইতে পারলি না। বেচারা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে ফেলছে। কি হয়েছে এসএসসিতে খারাপ রেজাল্ট হয়েছে তো কি হয়েছে? জীবনে কি এটাই সব কিছু। একটা না হয় জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে এটাতে কি জীবন নষ্ট হয়ে গেছে। পিতা মাতার চাপের কারণে এই যে বলে চাকরি পাস না সারা জীবন খাওয়ালাম পড়ালাম সবকিছু করলাম এখনো চাকরি পাস না। আমাদেরকে দেখতে পারিস না। চাপ দিতে দিতে বেচারা এখন মাদকের দিকে। পরিবারের চাপ নিতে পারে না মাদকের আসক্ত হয়ে শান্তি খুজতেছে। ওই যে পতিতালয় গিয়ে শান্তি খুঁজতেছে। গার্লফ্রেন্ডের কাছে গিয়ে শান্তি খুঁজতেছে। তো পরিবার থেকে চাপের এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। পরিবারের সন্তানদেরও পিতা মাতাকে চাপ দেওয়া উচিত নয়। পিতা মাতারও উচিত নয় সন্তানদেরকে চাপ দেওয়া।বরং তার প্রতিভা গুলোকে ফাইন আউট করে আপনি বিচক্ষণ বাবা হিসেবে আপনি দেখবেন তার প্রতিবাদ গুলো কোন দিকে আছে ।সেদিকে আপনি তাকে নিয়ে যাবেন। আর আপনি যদি আল্লাহওয়ালা হন তাহলে ইনশাআল্লাহ দেখবেন তার প্রতিভা আল্লাহ দিকেই থাকবে ইনশাল্লাহ । ইমাম বুখারীর মায়ের কথা শুনেন নাই । তার মা সারাদিন কান্নাকাটি করত আল্লাহ আমার ছেলেটাকে দ্বীনের জন্য কবুল কর আল্লাহ আমার ছেলেটাকে দ্বীনের জন্য কবুল করো। তার চোখে সমস্যা ছিল। তিনি চোখে ভালো করে দেখতে পারতেন না। তার মায়ের দুয়ার বদলতে আল্লাহ পাক তার চোখের সমস্যা দূর করে দিয়েছেন। এখন ইমাম বুখারীর কিতাব সবাই পড়ছেন না। একজন মায়ের তাড়না দেখেন মা সন্তানকে দোয়া করবে। একজন মা তার সন্তানের জন্য দোয়া করবে আল্লাহ আমার সন্তানটা কে দ্বীনের জন্য কবুল করো।একজন বাবা দোয়া করবে যে আল্লাহ আমার সন্তানটাকে দ্বীনের জন্য কবুল কর। এইযে বাবা নূহ আলাইহিস সাল্লাম এর তাড়না দেখেন ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাহামের তাড়না দেখেন। আল্লাহ আমাকে সুসন্তান দান করো। চাপ দিয়েন না। সন্তানের প্রতিভা অনুযায়ী আপনি তাকে বিকশিত হতে দেন। ইনশাল্লাহ দেখবেন একদিন আপনার সন্তান আপনার মুখ উজ্জ্বল করবে ইনশাল্লাহু তায়ালা। আর চাপ দিলে কি হবে জানেন। অকালে ঝরে পড়বে। অকালে ঝরে পড়বে তার মাইন টা বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে। তখন পরিবারের থেকে তার দূরত্বটা সৃষ্টি হবে। তখন ওই সুযোগ শয়তান নিবে খারাপ বন্ধুর পাল্লায় পড়বে। আয় গাজায় একটু টান দে , আই ইয়াবা খায় , এটা কর সেটা কর আস্তে আস্তে দেখবেন অন্ধকার যুগে হারিয়ে গেছে। আর অন্ধকার যুগে একবার হারিয়ে গেলে আর ফিরে পাবেন না। এটা কি প্র্যাকটিক্যাল কথা না ভাই? মেয়ে কে চাপ দিবেন দেখবেন বেঁকে বসছে। যদি ছোটবেলা থেকে এই মেয়েকে হিজাব পোশাক পর্দায় রাখেন তাহলে বড় হয়ে ইনশাআল্লাহ এই মেয়ে বেলাইনে যাবে না। ছোটবেলা থেকে আপনি যদি তাকে নায়িকাদের মত বানিয়ে মানুষ করেন। বড় হলে পস্তাবেন যে আমার মেয়ে কেন ছেলের হাত ধরে পালায় গেল। আপনার জন্য হয়েছে। ছোটবেলা থেকে সন্তানের অনুশাসন ঠিক রাখতে হবে।

পরিবারে ভালো পরিবেশ ও আদর্শ শিক্ষা

ওই যে বললাম পিতা-মাতা যদি দ্বীনদার পরহেজগার মুত্তাকী হয়। তাদেরকে দেখেই সন্তানরা শিখবে। আমরা যখন সেজদা করি আমাদের ছেলে মেয়েরা আমাদের পিঠের ওপরে উঠে আসে না। ওরাও কি সেজদা করার ট্রাই করে না? মসজিদে বাচ্চাদেরকে নিয়ে আসলে দেখবেন তারা দেখে কি করছে এরা কি করছে? ওরা তখন নিজেও হাত বাধার চেষ্টা করে। হাত তুলেন। বাচ্চারা দেখে শিখে। পরিবারে বাচ্চারা দেখে শিখে পিতা মাতা কেমন ভাবে কথা বলে। কবিতা কেমন করে মায়ের সাথে কথা বলছে মা কেমন করে পিতার সাথে কথা বলছেন সে দেখে শিখে।এবং সে ওই ভাবেই কথা বলে। যে পরিবারে ওমর এর মত পিতা আছে ওই পরিবার কি খারাপ হতে পারবে। যে পরিবারে হাজেরা আলাইহিস সাল্লাম এর মত মা আছে ওই পরিবার কি খারাপ হতে পারে। তো প্যারেন্টিং টা ঠিক করতে হবে। নৈতিক আদর্শের সাথে তাদেরকে ভালো খাবার দিবেন। খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন। কার্বোহাইড্রেট ঠিকমতো পাচ্ছে কিনা প্রোটিন ঠিক মত পাচ্ছে কিনা ভিটামিন ঠিকমত পাচ্ছে কিনা সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পরিবারটা থাকবে নীট এন্ড ক্লিন চকচকা। হাদিসে আছে না পবিত্রতা হচ্ছে ঈমানের অর্ধেক। ইসলামে আছে না। মানে পরিবারটা হবে নিট এন্ড ক্লিন ঝকঝকা রুচিশীল । এখানে যেন নোংরা বিষয়গুলো না থাকে। নোংরা আবর্জনা বাথরুম ঠিক নাই এটা ঠিক নাই এমন না। ঝকঝকা পরিবার। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী আপনি করবেন। অপুস্কার থাকলে বাচ্চাকাচ্চা অসুস্থ হবে বেশি। অসুস্থ হলে আপনার পেরেশানি। ওরা খাবেনা ঠিকমত রুটি থাকবে না ঠিকমত ওরা বাড়বে না ঠিকমত। তো পরিচ্ছন্নতার সাথে সঠিক খাবার সঠিক প্যারেন্টিং ইসলামের তরবিয়ত এবং তার উপরে চাপ প্রয়োগ না করে তাকে তার প্রতিভার বিকশিত হতে দেওয়া। চাপ না দেওয়ার মানে এই নয় যে আপনি শাসনই করবেন না পরিবারের ওপর শাসনের লাথি থাকবে কিন্তু ওটা জন্ততন্ত্র প্রয়োগ করবেন না। যদি আপনি একদিন খুব বেশি পিটায় দেন তাহলে তারপর থেকে আপনার সন্তান আপনাকে খুব বেশি ভয় পাবে না কিন্তু। আল্লাহ পাক কুরআন এর মধ্যে বারবার একটা কথা উল্লেখ করেছেন যে জাহান্নামের শাস্তি কিন্তু দেব। জাহান্নামের শাস্তি কিন্তু দেব শাস্তি কিন্তু দেবো শাস্তি কিন্তু দিবো। এই যে একটা ভয় আমরা কিন্তু এই ভয় এর জন্যই জাহান্নাম থেকে দূরে আছি। তো এটা একটা সাইকোলজি। এভাবে পরিবার এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ । সন্তান বড় হবে। আপনি যার যার হক তাকে দিবেন। পরিবারের ভেতরে নিয়মিত কুরআনের চর্চা থাকবে। সন্তান-সন্ততি তারা ইসলামিক অনুশাসন পাচ্ছে কিনা ইসলামের চর্চা করছে কি না সেদিকে খেয়াল করতে হবে।জেনারেল লাইনেও পড়ে তাও আপনি ইসলামিক পাঠটা মাদ্রাসার কাউকে দিয়ে পড়ানোর চেষ্টা করবেন। কোরআন শিখান হিবস করান। ওকে এদিকেও গড়ে তুলেন এবং ওদিকেও গড়ে তুলেন ইনশাল্লাহুতালা। আমরা এমন প্রজন্ম চাচ্ছি না যারা কিনা এক কেন্দ্রিক। আমরা চাচ্ছি এমন প্রজন্ম যারা কুরআন সুন্নাহকে হাতে নিয়ে ওয়ার্ল্ড কে ডিল করতে পারে ওয়ার্ল্ড কে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। এই চ্যালেঞ্জ কে ডিল করতে হলে আপনাকে সব ধরনের জ্ঞান অর্জন করতে হবে। খেয়াল রাখবেন পরিবারে যেনো ফ্রি মিক্সিং টা না আসে। পরিবেশে যেন নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা না আসে। বেশিরভাগ ধর্ষণ হচ্ছে বাংলাদেশে কাছের মানুষদেরকে দিয়ে।

বেশিরভাগ ধর্ষণ হচ্ছে বাংলাদেশের কাছের মানুষদেরকে দিয়ে। চাচার মাধ্যমে মামার মাধ্যমে খালাতো ভাইয়ের মাধ্যমে ফুফাতো ভাইয়ের মাধ্যমে। কাছের মানুষ দ্বারা বেশি রেপ হচ্ছে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান দেখেন। অতএব ইসলাম যে বলেছে পর্দার বিষয়ে এটা এমনি এমনি বলে নাই। ও কাজিন হয় ওর সামনে এত পর্দা করা কি দরকার এগুলো একদম চলবে না। পর্দাটা হচ্ছে একদম মেন্টেটরি। পরিবারের সালাত , পর্দা, সালাম, অনুশাসন এগুলো ম্যান্ডেটরি বিষয় ।না, খেয়ে মরে যাব তাও পর্দা ছাড়া যাবে না। বিষয়টা এমন স্ট্রিটলি নিতে হবে। যদিও বাধ্যগতভাবে আল্লাহ পাক ছাড় দিয়েছেন। কিন্তু আপনাকে এভাবে শক্তভাবে ধরতে হবে । আল্লাহ পাক আপনাকে তৌফিক দান করুন আমীন।

পরিবারের জন্য নিষিদ্ধ বিষয় ও তওবা

এর পাশাপাশি কিছু বিষয় বলবো যেগুলো মোটেই পরিবারে ঢুকানো যাবে না। এক পরিবারের শিরক ঢুকানো যাবেনা। শিরিক কি কি কত প্রকার এটার একটা বই আছে কিতাবুল তাওহিদ নামে একটা বই আছে ইনশাল্লাহ পারবেন। দুই নাম্বার পরিবারে বেদাদী আমল ঢুকানো যাবেনা। তিন নাম্বার পরিবারের হারাম রিজিক ঢোকানো যাবে না। পরিবারে হারাম রিজিক ঢুকবে এবং সে হারাম রিজিক দিয়ে আপনার রক্ত মাংস তৈরি হবে এই রক্ত মাংস কিন্তু আল্লাহর অনুগত্য হবে না। হারাম রিজিক থেকে দূরে থাকতে হবে। পরিবারের মধ্যে কন্দ্রল যেন না থাকে। এই চেষ্টাটা আপনাকে করতে হবে। বললাম তো এটা এভয়েড করার জন্য আপনি আল্লাহর হয়ে যান। নসিহত করেন হাজার নসিহত করেও যদি কাজ না হয়। আপনি নিজে আসহাফুল কাহাফ হয়ে যান। তাও ভালো। পরিবারের মধ্যে যেন অপসংস্কৃতি না ঢুকে। পরিবারের মধ্যে অশ্লীলতা যেন না ঢুকে। পরিবারে এখন যে চলমান যে ফিতনা গুলো চলছে ডিভাইসের মাধ্যমে গেমিং এর মাধ্যমে পাবজি পাবজি হাবিজাবি। ইন্টারনেট সেকশনের চেয়ে নগ্নতা অনলাইনে যে জুয়া ঢুকেছে লুডু কত কি ঢুকেছে আমি আসলে এগুলো শুনেছি আসলে দেখিনি।আমি জাস্ট এগুলো শুনেছি দেখি নেই এই বিষয়গুলো। এগুলা আপনার পরিবারের নৈতিকতা নষ্ট করে দিবে।বিনোদন যদি পেতেই হয় তাহলে আপনি কায়েক বিনোদন নেন। পরিবারের সদস্যদেরকে বা আমাদের সন্তানদেরকে জিম করতে বলেন খেলাধুলা করতে বলেন ফুটবল খেলুক ক্রিকেট খেলুক প্রয়োজনে । যদি গান শুনতে চান তাহলে ইসলামিক নাসিক শুনোন। কৌতুক চান ইসলামিক রসিকতা করেন। প্রয়োজনে পরিবারবর্গকে নিয়ে ঘুরেন দেশটাকে ঘুরে আসেন। আল্লাহর নিদর্শন দেখেন এটাও তো ইন্টারটেনমেন্ট। পরিবারকে সময় দেন। প্রাকৃতিক বিনোদনের দিকে যায়। ডিভাইস বিনোদন কেন্দ্রিক হয়েন না। না, হলে হবে কি মাথাটা ওই ডিভাইস কেন্দ্রিক হয়ে যাবে অস্থির । এই মাথার মধ্যে আর কোরআন সুন্নাহর সঠিক জ্ঞানটা ঢুকবে না। এই কাজগুলো যদি আমরা না করি আমাদের পরিবার অবশ্যই ভালো হবে ।আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে আদর্শ পরিবার গড়ে তোলা তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। এখন তাদের কথা বলি তারা অলরেডি ঢুকে গেছে এবং এই সমস্যাগুলো ফেস করে। এক নম্বর আগে তওবা করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসতে হবে। হে আল্লাহ আমরা আগে যে ভুল করেছি করেছি এখন থেকে ইনশাআল্লাহ আমরা আল্লাহর দ্রোহী এই কাজ গুলোর দিকে আর যাব না। এই তওবা ইস্তেগফার করে আমরা স্ত্রীকে ঠান্ডা মাথায় বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে। আস্তে আস্তে সব ওপরে ফিরে আসলে তারপর আপনি নফল নামাজ বেশি বেশি পড়েন ডান্স অফ কা বারান এবং বেশি থেকে বেশি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। আল্লাহ আমার পরিবারটাকে হেফাজত করেন আল্লাহ আমার পরিবারটাকে হেফাজত করে। এবং দ্বীনই কাজের পরিবারটাকে ব্যস্ত রাখেন। এবং এরকম আদর্শ পরিবারের মধ্যে একটা কমিউনিটি গড়ার চেষ্টা করেন। অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করেন। না, হলে তো একা একা চলার যাবে না। আপনি আদর্শ পরিবার করে তুলেছেন পাশের পাশের লোকটা করে নাই। সেখানে গিয়ে আপনার সন্তান শিখবে সেখানে গিয়ে আপনার স্ত্রীর শিখবে। দ্বীনই পরিবারের মধ্যে একটা হৃদ্ধতা ভালোবাসা নেটওয়ার্কিং তৈরি করেন। এভাবে তাওহীদের চর্চা এক, দুই সুন্নতের প্রতিষ্ঠা। তিন হালাল রিজিক। চার হৃদ্যতা ভালোবাসা। ৫ সবর ধৈর্য। আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া চাওয়া। সাত পর্দা । আট অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থাকা ।নয় সন্তানদেরকে আগামী প্রজন্ম আগামী মুসলিম জেনারেশন কে লীদ দেওয়ার মতো করে তৈরি করা। আমাদের মেয়েদেরকে শিশু হোক মা হোক বোন হোক ও না হোক এদেরকে স্পেশালি নজরে রাখা।

সাধারণ প্রশ্ন

বিয়ের ক্ষেত্রে লেকচারে কোন বিষয়কে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে?

লেকচারে বলা হয়েছে, মেয়ের দ্বীনদারিকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং বিয়ের আগে পাত্রী ও তার পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সন্তান লালনপালনে কোন পরামর্শ দেওয়া হয়েছে?

সন্তানের কথা শোনা, তার প্রতিভা অনুযায়ী বিকশিত হতে দেওয়া এবং তাকে চাপ না দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

পরিবারে কোন বিষয়গুলো ঢুকতে দেওয়া যাবে না বলা হয়েছে?

লেকচারে বলা হয়েছে, পরিবারে শিরক, বেদআত, হারাম রিজিক এবং অশ্লীলতা ঢুকতে দেওয়া যাবে না।