Islamবাংলা

কিয়ামতের ১০টি বড় আলামত: দাজ্জাল, ইয়াজুজ-মাজুজ ও তিনটি মহাভূমিকম্প

কিয়ামতের দশ আলামতের ভূমিকা

আমি আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি আমি যেহেতু আখিরুজ জামানা নিয়ে স্টাডি করছি। এখনো কিন্তু তিনটা বড় বড় ভূমিকম্প আসা বাকি আছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন মসজিদের সামনে দিয়ে যাচ্ছে। সাহাবীরা ভিতরে বসে আছে। সাহাবীরা কোন এক বিষয় নিয়ে কথোপকথন করছিলেন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন তোমরা কি নিয়ে কথা বার্তা বলছো? সাহাবীরা বলছেন আমরা কিয়ামতের আলামত নিয়ে কথাবার্তা বলছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন দশটা আলামত আসার আগে কেয়ামত হবে না। এই দশটা আলামত আসার আগ পর্যন্ত কেয়ামত হবে না নিশ্চিন্তে থাকেন। কিন্তু এই দশটা কবে চলে আসবে এর কোন গ্যারান্টি আছে? তার প্রথমটা হচ্ছে মাসি হুদ দাজ্জাল মানুষের রূপে বের হবে। দুই ঈসা আলাইহিস সাল্লাম এর আগমন। নবী ঈসা আলাইহিস সাল্লাম আসবেন এবং তার হাতের দাজ্জাল নিহত হবেন। কোথায় নিহত হবেন সেটাও বলা হয়েছে। প্যালেস্টাইনের বাবোলুত নামক জায়গায়। যে জায়গা অলরেডি প্রস্তুত। তিন নাম্বারটা হচ্ছে ডাব্বাতুল আরথ। জমির থেকে এক ধরনের অদ্ভুত প্রাণী বের হবে যে মানুষের সাথে কথাবার্তা বলবে। এটা হাদিসে আছে কিন্তু। আমরা এখন নিঃসন্দেহে ৯০% মানুষ এটা বিশ্বাস করব না। যারা একটু বেশি চেতনা ধারি তারা বলবে যে মোল্লা মনীষীদের কথা শুনো প্রাণী বলে আবার কথা বলবে। কিন্তু হ্যাঁ এই কথাটা যদি নাসা বলে যে পৃথিবীর গভীরে একটা প্রাণী আছে। সে প্রাণী অচিরেই বের হবে এবং মানুষের সাথে কথা বলবে তখন সবাই বিশ্বাস করবে ।দেখেন চিন্তা গত শিরক এটা। চিন্তা গত শিরিক। যখন ওইসব মিডিয়া থেকে কোন কথা আসে তখন আমরা নিঃসন্দেহে নিশ্চিন্তায় বিশ্বাস করি। আল্লাহ পাক হাদিসে বলেছেন নবীজি হাদীসে বলেছেন তাব্বাতুল আরথ বের হবে এবং মানুষের সাথে কথা বলবে। মানুষ বিশ্বাস করতে চায় না। আর কি ধোঁয়া। এই ধোয়ায় আকাশ ছেয়ে যাবে। এই ধোয়া দিয়ে আকাশ ছেয়ে যাবে এবং এত বড় ধোয়া বিশ্ববাসী কখনোই দেখে নাই। এখন অনেকেই বলছেন এখনকার আধুনিক স্কোলার যারা এটা হাদিসে নাই এটা তাদের মত হতে পারে নিউক্লিয়ার এক্সপ্রেশন হবে এবং সারা দুনিয়া নিউক্লিয়ার এ ধোয়াই ছেয়ে যাবে যেহেতু এখন বিশ্ববাপী যুদ্ধ হচ্ছে। তখন হয়তো ধোঁয়ায় সারা বিশ্ব ধোয়াই ছেয়ে যেতে পারে এটা তাদের মত।এটা হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। হওয়ার সম্ভাবনা কিন্তু আছে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ৫ নাম্বার হচ্ছে ইয়া আজুজ আর মায়াজুজ এরাও কিন্তু এই প্রকৃতিতে বের হবে এরা কিন্তু আদম সন্তান। এবং তারা পৃথিবীর পানি খেয়ে শেষ করে ফেলবে। মহাসাগরের পানি খেয়ে শেষ করে ফেলে দিবে। তারপর এই ছয় সাত আট এই তিনটা হচ্ছে তিনটা বড় বড় ভূমিকম্প। যেটা বলতে গিয়ে আমি এই জায়গায় আসলাম। এই ভূমিকম্প গুলো এখনো আসা বাকি আছে। নবীজি বলেছেন এই ভূমিকম্প একটা পৃথিবীর পূর্বদিকে হবে। পূর্ব দিক কোন দিক এই যে ইন্দোনেশিয়া , বাংলাদেশ, মায়ানমার, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলংকা। কোন কান্ট্রি এটা বলা হয়নি খালি বলা হয়েছে পূর্ব দিকে বহু বড় ভূমিকম্প হবে। আর এখানে ভূমিকম্প বলা হয়নি এখানে বলা হয়েছে ভূমি ধসে যাবে।মানে পুরো ভূমিটা নিচে চলে যাবে। এখন যারা এগুলো নিয়ে গবেষণা করে তারাও কিন্তু সেইম একই কথা গুলোই বলছে খেয়াল করে দেখেন। এখানে বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে কিন্তু হাদিসএ এগুলো বলা আছে।

পশ্চিম দিকের ভূমিধস ও কারণ

আরেকটা হচ্ছে পৃথিবী পশ্চিম দিকে। পশ্চিম দিকে কেন হবে জানেন ? সমকামিতার কারণে। সুদের কারণে জেনার কারণে পর্নোগ্রাফির কারণে। এবং সারা বিশ্ব যে জুলুমগুলো করছে সে জুলুমের জন্য আল্লাহপাক ধষিয়ে দিবে। এর কোন অস্তিত্ব থাকবে না। ভূমি ধস হয়ে যাবে। আরেকটা হচ্ছে পৃথিবীর মাঝখানে। মাঝখানে কারা আছে? মাঝখানে আমাদের আমিনুল মুমিনরা আছে।যারা আজরাইলের সাথে আদান-প্রদান করছে এরা আছে। সেখানে একটা ফেতনা অপেক্ষা করছে।পৃথিবীতে এখনো বড় বড় তিনটি ভূমিকম্প বাকি আছে ।আর সর্বশেষ আলামত হচ্ছে ইয়ামান থেকে একটা আগুনের গোলা বের হবে। এ আগুনটা মানুষকে হাশরের ময়দানের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে। এ দশটা আলামত না আসা পর্যন্ত কেয়ামত হবে না। আপনি এখন রিলাক্স এ নাকে তেল দিয়ে ঘুমান তাই না। এ দশটা আলামত না আসা পর্যন্ত কেয়ামত হচ্ছে না তবে এ দশটা আলামত আসার পটভূমি তৈরি হয়ে যাচ্ছে। এই যে সোয়াব আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে ভূমিকম্প যে ধ্বংস করা হলো। এই ভূমিকম্প কখন আসে? আল্লাহতালা রাসূলের মাধ্যমে বলেছেন যখন সমাজে অনেক পাপ বেড়ে যাবে অশ্লীলতা বেড়ে যাবে মানুষ মাদককে হালাল মনে করবে যেনাকে হালাল মনে করা শুরু করবে এবং এই যে সমাজের মধ্যে বেপর্দামি বেড়ে যাবে তখন ভূমিকম্প দেখা দিবে। ভূমিধস দেখা দিবে। নাচ গান যখন বেড়ে যাবে তখন ভূমিকম্প দেখা দিবে। এখন কি মনে হচ্ছে? আল্লাহ পাক আমাদেরকে হেফাজত করুন আমিন ।বাচার উপায় কি ওই যে বলুন এভাবে ইতিহাস পুনরায় আবৃত্ত করেছে ।মনে আছে লুত আলাইহি সালামের কউম ।ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভাতিজা ছিলেন লুত আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।তাকে আল্লাহ পাক একটা কওমের দাওয়াত দিতে পাঠালেন। যে কওম এমন পাপ করছে যে পাপ কোন ইতিহাসে করেননি। ওই পাপটা ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কেউ করেননি। কি পাপ? সমকামিতার ।এখন তো এসব এভেলেবল দেখা যায়। এখন এসব এভেলেবল দেখা যায় ছেলে ছেলে বিয়ে করছে মেয়ে মেয়ে বিয়ে করছে। এমন বড় বড় কানকি যেগুলো আছে আমেরিকা ব্রিটেন অস্ট্রেলিয়া সব জায়গায় এসব এখন হালাল হয়ে গিয়েছে। স্বাধীনতা এইসব বাকস্বাধীনতা হয়ে গিয়েছে এখন আপনি চাইলে একটা মেয়েকেও বিয়ে করতে পারেন ছেলেকেও বিয়ে করতে পারেন। কোরআনে বলেছে ছেলে ছেলে সমকামিতা কিন্তু এ যুগে এসে আমরা মেয়ে মেয়ে সমকামী তাও দেখতে পাচ্ছি। সুবহানাল্লাহ ।আমাদের দেশে এখন ছড়িয়ে পড়ছে এটা এলার্মিক বিষয়। আমরা সবাই বাহিরে বাহিরে ভালো মানুষের মুখোশ ধরে আছি ঠিকই কিন্তু ভিতরে এসবই চলছে। যদি আমরা এখনই ডিফেন্ড করতে না পারি তাহলে কিন্তু সমস্যা। আগামীতে দেখা যাবে আমাদের পরিবারের মধ্যে এসব ঢুকে যাচ্ছে নাউজুবিল্লাহ। ২০ থেকে ৩০ জনের মধ্যে একজন মনে করে যে সমকামিতা ভালো জিনিস। বা এটা একটা স্বাধীনতা। আগে বলা হতো এটা একটা মানসিক রোগ।আপনি ১০ বছর আগের ডাটা দেখেনা আর দশ বছর পরের ডাটা দেখেন। এখন আপনাকে এটা বলা হবে বাকস্বাধীনতা কিন্তু আগে এটা বলা হতো মানুষিক রোগ। এই কওম ছিল কওমিলুত। আল্লাহ পাক এটাকে এমন ভাবে ধ্বংস করেছেন যেভাবে পৃথিবীতে আল্লাহ পাক কোন কওমকে ধ্বংস করেন নাই। কাউকে না। কিভাবে? আল্লাহপাক দুইটি ফেরেস্তা পাঠিয়েছেন।

লুত আলাইহিস সালামের কওমের ধ্বংস

আল্লাহপাক দুই জন ফেরেশতা পাঠিয়েছিলেন। জিব্রাইল আলাইহিস সাল্লাম এবং মিকাইল আলাইহিস সাল্লাম ।তাদেরকে সুন্দর যুবকের আঁকৃতে পাঠিয়েছিলেন সুন্দর সুন্দর যুবক। সুবহানাল্লাহ এগুলো এখন বলতে খারাপ লাগে ।ছোট ছোট বালকদের কেউ এখন দেখি বলাৎকার করা হচ্ছে। নিউজগুলো পান না। আর আমরা এটাকে জঘন্য প্রতিবাদ করছি। কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় ইসলামিক কিছু প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও এই রোগ ঢুকে গিয়েছে । তো এটা কিভাবে হলো? কিভাবে এই রোগ ঢুকে গেল সেটা আমি আপনাকে বলছি এখন । আমি আপনাকে মূল জায়গাটা ধরিয়ে দিচ্ছি দেখেন। এই যে মানুষের মানসিক বিকৃতি বা অসুস্থতা হয়েছে অনলি ফর পর্নোগ্রাফির কারণে। পর্নোগ্রাফি দেখতে দেখতে যখন সবাই বাসায় যখন ইন্টারনেটে দেখতে অবস্থা হয়ে গেছে। তখন ইন্টার্নালী আমরা সবাই পশু হয়ে গিয়েছি।এখন সামনে যেই থাক বাচ্চা থাক বা ছোট মেয়ে থাক একটা পাঁচ বছরের বাচ্চা মেয়েকে দেখলাম রেপ করে ফেলছে। এই পাঁচ বছরের মেয়েটির রেপ হয়েছে কোথায়? বলতে চাচ্ছি না কারণ এগুলো বললে তো নিজের দোষ প্রকাশিত হয়। আসলে ধর্ষকের কোন ধর্ম নাই। সে হিন্দু মুসলিম না আলেম জালেম খ্রিস্টান বৌদ্ধ এগুলো দেখার তার সময় নাই। আল্লাহপাক বলেছেন তার রাসূলের মাধ্যমে ধর্ষক হলেই তার মৃত্যুদণ্ড দিয়ে দিবে প্রকাশ্যে সে যেই হোক। সে যেই হোক না কেন তার কোন ধর্ম নাই। সে যদি একজন দাড়িওয়ালা মানুষও হয় তাকেও এই কাজ করতে হবে। চোরের কোন ধর্ম আছে। ডাকাতের কোন ধর্ম আছে। মিডিয়াকে দেখবেন ওখানে বেশি হাইলাইট করবে কারণ এখানে একটা সুযোগ আছে। ইসলামকে ডমিনেট করার জন্য। কিন্তু সেম ঘটনা কিন্তু অনেক বড় বড় সেকুলারে প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে ওগুলোকে কিন্তু আমরা হাইলাইট করতে দেখি না। এটাও আমরা বুঝি ইন্টেনশনটা কি? তবে এখানে একটা বিষয় ক্লিয়ার করতে হবে । পাপ পাপই যেই করুক তাকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।আল্লাহপাক বোঝার তৌফিক এনায়েত করুন।এখন এমন একটা সময় চলছে বাচ্চারাও নিরাপদ না। পাঁচ বছরের মেয়ের ৭ বছরের মেয়ে কয়দিন আগে দেখলাম দুই বছরের মেয়ে নাউজুবিল্লাহ। তার সাথেও নাকি এরকম ঘটনা ঘটেছে আর এটা নাকি উত্তরবঙ্গেরই ঘটনা। আর এগুলো শহরের চাইতে এখন গ্রামে বেশি হচ্ছে। কারণ কি জানেন? গ্রামের তো আগে মানুষ এরকম উন্মুক্ত পোশাক-আশাক দেখত না সাধারণত। এখন যখন পর্ন চলে আসছে হাতে বাসায় সবাই এইসব দেখছে এখন ধর্ষণ বাড়ছে বেশি। এই বছরই রিপোর্টে দেখবেন ১৩৩৭ টা রেপের ঘটনা ঘটেছে এই বছরই আমাদের বাংলাদেশে । এগুলো অ্যালার্মিং বিষয়। আর আমেরিকাতে প্রত্যেক ৬ জনের মধ্যে একজন রেপ হয়। আর রেপের রাজধানী হচ্ছে সাউথ আফ্রিকা প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন রেপ হয়। তো এগুলো কিভাবে হচ্ছে? অনলি বিকজ অফ পর্নোগ্রাফি। এটা যদি এখনো বন্ধ করা না যায় তাহলে আগামী ভবিষ্যৎ খুব খারাপ হবে। যেখানে সেখানে মানুষ যেনা করবে যাকে তাকে মানুষ রেপ করবে দেখে নিয়েন । বিকজ এটা ভিতর থেকে মানুষকে পশু বানিয়ে দিচ্ছে।

পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণের সামাজিক প্রভাব

আমরা জানি এর পিছনে একটা বড় ইন্ডাস্ট্রি কাজ করে। যারা সারা বিশ্বে প্রায় আটানব্বই বিলিয়ন ডলার আর্ন করে পর্ন দিয়ে। শুধু আমেরিকায় বিজনেস করে ১২ বিলিয়ন ডলার শুধু পর্ন দিয়ে।১২ বিলিয়ন ডলার বুঝেন। এক বিলিয়ন মানে কত টাকা জানেন? ১০০ কোটি টাকা।এর পেছনে খালি টাকা কাজ করে টাকা খালি টাকা। আর এখানে যা দেখানো হয় সবই ফেক এগুলো কোনটাই সত্য না ।এটা শুধু একটা অভিনয় আর কিছু নয়। স্পেশালি মুসলিম যুবকদের মধ্যে এমন একটা পশুত্ব ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে ।জেনা ধর্ষণ বেহায়াপনা ব্যভিচার বারতেই আছে বাড়তেই আছে। এটা না কমানো গেলে এবং আইনের সুশাসন নিশ্চিত করা না গেলে ধর্ষণ কমবে না জেনা কমবে না ইভটিচিংও কমবে না এবং মেয়েদের অধিকার আদায় করা সম্ভব হবে না। এগুলো আপনারা ভেবে দেখেন আপনারা অনেক বিজ্ঞ মানুষ আছেন আপনার এগুলো ভেবে দেখেন। যদি না ভাবি আল্লাহ পাকই করবে জানেন। একটা হাদিস বলছি শোনেন। জয়নব বিনতে জাহশ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে সৎ লোক থাকাতেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? আমাদের মধ্যে অনেক সৎ ব্যক্তি আছে তারা থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব ।নবীজি বলছেন হ্যাঁ তোমরা ধ্বংস হবে। যখন নোংরামি অশ্লীলতা বেহায়াপনা বাড়তে থাকবে আলেম জালেম সব ধ্বংস হয়ে যাবে। তো আমরা আমাদের স্বার্থে এই কথাগুলো বলব। কারন আমরা যদি এই গুলোকে প্রতিহত করতে না পারি। তাহলে আমাদের বাড়িতেও এই ইফেক্টা ঢুকে আসবে। তো দেখে নিয়েন। আল্লাহ পাক তৌফিক এনায়েত করুন আমীন।তো কওমে লুতে আল্লাহপাক কি করেছেন জিব্রাইল আলাইহিস সাল্লাম এবং মিকাইল আলাইহিস সাল্লামকে সুন্দর রূপে পাঠিয়েছেন ।এখন লুতের লোকেরা বলছে তোমার ঘরে যে দুজন মেহমান এসেছে তাদেরকে আমাদেরকে দাও নাউজুবিল্লাহ । তোমাদের ঘরে যে দুইজন মেহমান এসেছে ওই দুইজন মেহমানকে আমরা নিতে এসেছি। লুত আলাইহিস সাল্লাম বলছেন তোমাদের যদি বিয়ে করার ইচ্ছা থাকে তাহলে আমার ঘরে মেয়েরা আছে তাদেরকে বিয়ে কর। একজন নবী তার মেয়েকে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন তাও তোমরা এ পথে যেও না। তখন কওমে লুতে লোকেরা বলছে তুমি খুব ভালো করেই জানো হে লুত আমরা কি জন্য এসেছি ।তখন তিনি বলছেন তোমাদের মধ্যে কি একজন ও ভালো মানুষ নাই। এরপরে আল্লাহর আজাব আসলো। লুত আলাইহিস সাল্লাম এবং তার স্ত্রী চলে যাচ্ছেন। তার স্ত্রী কিন্তু ঈমানদার ছিলেন না সে পিছনে ফিরে ফিরে বারবার দেখছিলেন। নূহ আলাইহিস সাল্লাম এর স্ত্রী যেমন ঈমানদার ছিলেন না লুত আলাইহিস সাল্লামের স্ত্রী তেমনি ঈমানদার ছিলেন না। নবীদের স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তারা কিন্তু জাহান্নামে যাবে নাউজুবিল্লাহ। কওমে লুতকে ফেরেশতাদের পাখা দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে আবার মাটিতে ধ্বসে দেওয়া হয়েছে। এই জায়গাটা এখনো নিদর্শন হয়ে আছে দেখবেন জর্ডানের পাশে ডেকছি একটা মৃত সাগর আছে না ওইটা ছিল সেই জায়গা। এখানে সাদুম গোত্র থাকতো । এই কওমের নাম ছিল সাদুম ।এরা সমকামী ছিল।

সাধারণ প্রশ্ন

লেখায় কিয়ামতের কয়টি আলামতের কথা বলা হয়েছে?

লেখায় বলা হয়েছে, দশটি আলামত আসার আগে কিয়ামত হবে না। এর মধ্যে প্রথমটি হলো দাজ্জালের আবির্ভাব।

লেখা অনুযায়ী দাজ্জাল কীভাবে নিহত হবেন?

লেখায় বলা হয়েছে, নবী ঈসা আলাইহিস সালাম আসবেন এবং তাঁর হাতে দাজ্জাল নিহত হবেন। এটি প্যালেস্টাইনের বাবোলুত নামক জায়গায় হবে বলে উল্লেখ আছে।

লুত আলাইহিস সালামের কওমকে কীভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল?

লেখায় বলা হয়েছে, আল্লাহ পাক জিবরাইল ও মিকাইল আলাইহিমাস সালামকে সুন্দর যুবকের আকৃতিতে পাঠিয়েছিলেন। এরপর কওমে লুতকে মাটিতে ধসিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এই স্থানটি মৃত সাগরের পাশে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।