সামনে কি ঘটতে যাচ্ছে
কেয়ামতের নিদর্শন ও আসন্ন ঘটনাবলি
আমরা যখন বলি কেয়ামত নিকটবর্তী তার মানে এই নয় যে কালকে কেয়ামত হবে। মূলত এই বিষয়টা বুঝানো হয় কেয়ামতের সাইন গুলো নিদর্শনগুলো একটা একটা করে এমন ভাবে আবির্ভূত হয়েছে। যেন পুঁথি থেকে মালা ছিড়ে ছিড়ে পড়লে যেভাবে দ্রুত আবির্ভূত হয়। এভাবে এসেছে বিপদ ১০০ বছরে এমন ভাবে এটা আবির্ভূত হয়েছে। যেটা আপনি বিগত আগে সময়গুলোতে কল্পনা করতে পারবেন না। যেমন ফেমিস্ট রেভুলেশন, যেমন জিওসদের উত্থান, যেমন জাওনেস্ট মুভমেন্ট, যেমন পেট্রনলের মনিটরি সিস্টেম , যেমন সারা বিশ্বে মুসলিমদের ওপর মেশাকার জুলুম এবং দ্বীনের সংকীর্ণতা। এই জিনিসগুলো লাস্ট ১০০ বছরে বেশি এসেছে । আমরা জানি এগুলো লাস্ট ১০০ বছরে একটু বেশি এসেছে । এসেছে আবার ঠিক হয়েছে এসেছে আবার ঠিক হয়েছে। কিন্তু ২০০০ বছর পর জেরুজালেমে ইহুদী রাষ্ট্র গঠিত হয়েছে। এটা আগে হয়নি কখনো। এবং এরাই তারা যারা মাসিহুদ দাজ্জালের সাথে এই বিশ্ব শাসন করবে এবং ওর সাথে তারা ঈসা আলাইহিস সাল্লামের হাতে মারাও পড়বে ইনশাল্লাহু তায়ালা । সামনে মালহামা আছে। আর কি আছে ? মহাযুদ্ধ আছে।। জেরুজালেমের উত্থান আছে জিউজদের উত্থান আছে। দাজ্জালের শাসন আছে ইমামুল মেহাদির আগমন আছে তার হাতে মুসলিমদের বিজয় আছে। ঈসা আলাইহিস সাল্লামের আগমন বাকি আছে তার হাতে দাজ্জালের নিহত হওয়ার ঘটনা বাকি আছে । ঈসা আলাইহিস সাল্লাম এর হাতে জেরু জালেম থেকে ওয়ার্ল্ড ওয়ার ইসলামিক শাসন এখনো বাকি আছে। ইয়াজুজ এবং মায়াজুজের আগমন বাকি আছে এবং ওদের ধ্বংস বাকি আছে। এরপরে পুরা বিশ্বে ইসলামিক শান্তির যে সুবাতাস বয়ে যাওয়াটা বাকি আছে। তারপরে আলামতের ছা পশ্চিম দিক থেকে সূর্য ওঠাটা বাকি আছে। তারপর ইনশাল্লাহুতায়ালা এত দ্রুত যে কেয়ামত হবে নবীজি বলেছেন একজন ব্যক্তি আরেকজন ব্যক্তির সাথে কাপড় নিয়ে ব্যবসা করতে বসবে কাপড় খুলে দেখাবে গটানোর আগে কেয়ামত শেষ। একজন ব্যক্তির উটের দুধ দোহানো শুরু করবে দুধ পান করার আগে কেয়ামত শেষ। তারপর তিনি ইনস্ট্যান্ট বুঝাতে এই শব্দ টা ব্যবহার করছেন। এক গ্লাস পানি খাওয়ার জন্য গ্লাসটা ওপরে নিবে। পানির ঢোক গেলার আগে কেয়ামত শেষ। এত দ্রুত এই বিশ্ব মেশাকারী ব্লাস্ট হয়ে যাবে। আমরা ঐ দৃশ্য দেখতে চাই না। তাহলে এই যে সামাজিক অরাজকতা চলছে। কেয়ামতে নিদর্শন গুলা চলছে এগুলো সব কি আল্লাহর দেয়া গজব নাকি আমাদেরও কোন ভূমিকা আছে? আল্লাহ পাকের মুখ থেকে শুনেন আল্লাহপাক বলছে সূরা রুমের মধ্যে জলে স্থলে জল তো বিপদজয় ছড়িয়ে ফেলেছে। এগুলো মানুষের হাতের কামাই। ঢাকা শহরে একটা মেয়ে রিকশা করে যাচ্ছে তার বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ।সে আর বাসায় ফিরলো নাই। মা হাউ মাউ করে কাঁদছে । মাহ হাউমাউ করে কাঁদছে মেয়েকে আর খুঁজে পাওয়া গেল না ধরে নেওয়া হচ্ছে হয়তো মেয়েটা নাই মেটান নিখোঁজ বা তার রেপ হয়েছে বা হত্যা হয়েছে। মাই স্টেটমেন্ট দিচ্ছে সাংবাদিককে যে আমি ছেলেটাকে বললাম তুমি যদি ভালোইবেসে থাকো তাহলে আমার মেয়েকে বাসায় পৌঁছে দিলে না কেন? এই মায়ের কাছ থেকে আপনি কেমন সন্তান আাসা করছেন?
পাপের ফল ও সামাজিক অবক্ষয়
পরিণতি সবকিছু আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে আসে এটা তো সত্যই।কিন্তু আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কখনো কখনো আমাদের পাপের শাস্তি আমাদেরকে দুনিয়াতেই দিয়ে থাকেন । যেমন কর্ম করেছি তেমন ফল ভোগ করতে হবে তো। সুদ খেয়েছেন এখন দারিদ্রতা বহন করতে হবে তো। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করেছেন উম্মার ঐক্য তো নষ্ট হবেই। আমি যখন দুর্নীতি করছি আমাকে একদিন ধরা পড়তেই হবে। আমি চুরি করেছি আমাকে তো পিটুনি খেতেই হবে। আমি ডাকাতি করেছি আমাকে তো পিটুনি খেতেই হবে। আমি রেপ করেছি আমাকে তো শাস্তি পেতেই হবে। একটা মেয়ের কয়েকটা ছেলের সাথে অ্যাফিয়ার । কয়জন ছেলে মিলে প্ল্যান করল তাকে শিক্ষা দিবে। তাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার কথা বলে একজন বয়ফ্রেন্ড তাকে ডেকে নিল। নির্মম ভাবে তাকে হত্যা করল তিনজন মিলে। লাশ ফেলে দিয়ে চলে গেছে। এখন তিনজন মিলে হত্যা করল না লোক ছেলেটা একাই করল এটা পুলিশ খুঁজে বের করবে কিন্তু আমরা অনলাইনে দেখেছি মেয়েটা ডেট। এবং সেটা রংপুর এরিয়ার ঘটনা ঢাকা শহরের নয়। রংপুর তো অনেক দূরের এরিয়া এটাকে তো আমরা গ্রামই মনে করি। দেখেন কর্মের ফল নয় কি এগুলো? মদ খাচ্ছেন দিদার সে তাহলে তো আপনাকে তো সারা জীবন একটা ব্যাধি ভোগ করতেই হবে আপনার তো ক্যান্সার হবেই। বড় বড় রোগতো হবেই। আল্লাহর দ্বীনকে বাদ দিয়ে আপনি অনৈতিক দর্শনের চর্চা করছেন আপনাকে তো ফল ভোগ করতে হবেই। তো আল্লাহ পাক তো এটাই বলছেন জলে এবং স্থলে যত বিপর্যয় এগুলো মানুষের হাতের কামাই। পরিবেশ দূষিত করেছি আমরা। পুরো বিশ্বের পলিটিক্যাল সিস্টেম ধ্বংস করে দিয়েছি আমরা। ইকোনমিক্স সিস্টেমের সুদ দিয়ে দিয়েছি আমরা। ব্যক্তি জীবন থেকে দ্বীন কে বিদায় করে দিয়েছি আমরা। এবং দ্বীনের কথা যারা বলছে টুকটাক টুটা ফুটা তাদেরকে আমরা বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক ট্যাগ লাগিয়ে তাদেরকে আমরা বয়কট করে দিচ্ছি। যাও নাকে তেল দিয়ে ঘুমাও। দুনিয়াটা আমাদের পরকাল তোমাদের। তোমরা পরকাল নিয়ে থাকো দুনিয়াটা আমাদের। শুনে রাখো তোমরা এই দুনিয়াটাও অতি শীঘ্রই মুসলিমদের হতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ । কত বছর এভাবে চলবে ১০০, ২০০, ৩০০, ৪০০, ৫০০ কিন্তু ইমামমূল মাহাদীর আগমন সত্য। ঈসা আলাইহিস সাল্লামের হাতে সারা দুনিয়া সুশাসন কায়েম হবে এটা ঐরকম সত্য সূর্য পূর্ব দিক থেকে উঠে পশ্চিমে ডুবে যায়। এখন যা চলছে সারা ওয়ার্ল্ড ওয়ারে এখন যা চলছে এটা এমনি মিথ্যা। এমনই মরীচিকার মতো মিথ্যা যেমন ইব্রাহিম আলাই সাল্লাম বলেছিলেন তুমি যদি রব হয়ে থাকো তাহলে সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত করে দেখাও। তোমরা একটা মিথ্যা সানরাইজ দেখাচ্ছ সারা দুনিয়াকে। এটা সানরাইজ নয়। সত্যিকারের সানরাইজ দেখাবে ঈসা আলাইহিস সাল্লাম ইনশাল্লাহুতালা । সামনে এগুলো আছে। এখন এই যে পরিণতিগুলো হচ্ছে এগুলো আমাদের পাপের ফল। এখন আমাদের কি করনীয় আছে। প্রথমত আমরা আগে নিজেদেরকে নিয়ে ভাবি। আমরা এসেছি একা যাবো একা। বিশ্ব বাদ দেন , পলিটিক্যাল বাদ দেন, বড় বড় শব্দ বাদ দেন আগে নিজের কাছে আসেন। আমি পৃথিবীতে ভাই এসেছি একা আমাকে যেতে হবে একা। এবং আমি যাব সাদা কাপড় পড়ে কালো কবরে তাই নয় কি? কালো নিকষ কবরে আমি সাদা কাফন পড়ে যাব তাই না।
কবরের জীবন ও যুবসমাজের পরিণতি
আমি একটা কথা বলি শুনেন। যখন অন্ধকার ঘুটঘুটে অন্ধকার নিকষ কালো কবরের মধ্যে সাদা কাফন পড়ে যখন মানুষ যাবে। তখন সাদা সাদা এবং কালো কালো গানের আসল মর্ম উপলব্ধি করতে পারবেন। যখন সাদা কাপড় পড়ে অন্ধকার নিকষ কালো কবরে মানুষ যখন যাবে না মোমেন্টে যখন মুনকার এবং নাকিরের সাথে দেখা হবে মালাকুল মউতের সাথে সাক্ষাৎ হবে তার আগে। লাশ নিয়ে যাবে আর সে বলবে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো আমাকে। কোথায় নিয়ে যাচ্ছ ভয়ে আতকে উঠবে। মালাকাতুল মওতের চেহারা দেখেই ভয়ে আঁতকে উঠবে। সারা জীবন তো দ্বীনের পরোয়া করে নাই নামাজ-কালামের তো খবর নাই। ইসলামকে পাঁচ পয়সা মূল্যায়ন করে না। এবং ইসলামকে ধ্বংস করার জন্যে মুসলিম সমাজের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এই কাজগুলো করে বেড়াচ্ছে। যখন এই অবস্থা তাদের হবে কবরে প্রশ্ন করা হবে এবং হাতুড়ি দিয়ে পিটানো হবে ৭০ গজ মাটির নিচে আত্মা যাবে সিজ্জিনে তখন বুঝা যাবে কোনটা সাদা ছিল এবং কোনটা কালা ছিল। মুসলিমদেরকে স্পেশালি যুবকদেরকে যুবক যুবতী আমাদের ইয়াং টীন এজারদের এমনভাবে ইনফ্লিয়েন্স করা হচ্ছে তাদেরকে মনে হচ্ছে পর্নই আসল জগত, মনে হচ্ছে সিগারেটই আসল জগত, মাদকই আসল জগত, গান-বাজনা মিউজিকই আসল জগত, এই কনসার্টই আসল আর এগুলোতে যেহেতু মজা আছে একটা লাজ্জাত ফ্লেভার পাওয়া যায় ইনস্ট্যান্ট। যুব সমাজ দ্রুত এর পিছনে দৌড়ানো শুরু করেছে। আর একটা জাতির যুবকদের মেরুদন্ড যখন আপনি ভেঙে দিবেন। তখন এই জাতি কখনো আপনার এগেন্তে দাঁড়াতে পারবে না। সুদূর প্রসারিত নীল নকশা এইটা।মুসলিম যুবকদেরকে আল্লাহর দ্বীন থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য। এদিকে প্রমোট করার মিডিয়ার অভাব নাই পত্রিকার অভাব নাই । তাহলে আপনি কি করবেন এখন? প্রথমে আপনাকে আপনার নিজেকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে আমি মুসলিম আমাকে বাঁচতে হবে আমার ছেলে এবং আমার মেয়েকে আমি অন্তত এই পথে দিবো না । যদি এদেরকে পড়ানোর কোন প্রতিষ্ঠান না পাই তাহলে নিজে প্রতিষ্ঠান করে এদেরকে পড়াবো ইনশাআল্লাহ। যদি না পারি আমার কাছে একা একা বসে শিখবে কি সমস্যা।যদিও এটার পক্ষে আমি খুব স্ট্রং মত দেই না। আমাদেরকে চেঞ্জ করতে হবে সিচুয়েশনটা। যদি দেখেন কোন অপশনই খোলা নাই সবখানেই ফিতনা সবখানেই ফ্যাসাদ। কি করবেন? আপনার ছেলে মেয়েকে তো পড়াতেই হবে। কতদিন আপনি আটকে রাখবেন সন্তানকে। যখন সে বাইরে যাবে দেখবে জেনা উন্মুক্ত, মেয়েরা উন্মুক্ত , বেপর্দা উন্মুক্ত , পর্ন উন্মুক্ত , সব উন্মুক্ত মাদক উন্মুক্ত। এখন সৎসঙ্গ না থাকলে ভালো প্যারেন্টিং না থাকলে। আপনার ভালো পরিবেশ না থাকলে ভালো সোসাইটি কমিটি না গড়তে পারলে। আপনি আমি আমাদের সন্তানদেরকে বাঁচাতে পারবো না। ওরা ওদের দেহকে নষ্ট করবে না ঠিকই কিন্তু নিজেদের আত্মাটাকে পুড়িয়ে ঝাজড়া করে ছেড়ে দিবে। আত্মাটাকে কুলুষিত করে শেষ করে দিবে। আর সমাজে এই অসংগতি যখন চলছে আর আমাদের আত্মা যখন কাঁদে না। আমাদের খারাপ লাগে না আমাদের পাপ বোধ জাগ্রত হয় না। তাহলে বুঝতে হবে ওই ঈমান আমাদের মধ্যে আর নাই। যেই ঈমান থাকলে এই পাপ দেখলে আমাদের খারাপ লাগা সৃষ্টি হয়।
এভারেজ জীবনের বাইরে লক্ষ্য ও জ্ঞান
একজন আলেম বলেছেন যখন দেখবেন আপনার বাসায় কোরআন শরীফের ওপর ধুলা পড়ে গিয়েছে তখন বুঝে নিবেন আপনার কলবেও ধুলা পড়ে গিয়েছে। কি করব? নিজে বাঁচার জন্য আগে নিজেকে চিন্তা করতে হবে আমি আখেরাতের বান্দা। দুনিয়াতে এসেছি মেহমানের মত আল্লাহপাক কিছু দায়িত্ব কর্তব্য দিয়েছেন টাইম শেষ হবে আল্লাহপাক টান দিয়ে নিয়ে যাবেন। কাউকে এখানে রাখেন নাই দুনিয়াতে কেউ চিরস্থায়ী হয় নি। যত্ত বড় বড় শক্তির ছিল ফেরাউন , নমরুদ , হামান কারুত কেউ চিরস্থায়ী হয় নাই আজকের বিশ্বে যারা বড় বড় শক্তি আছে পৃথিবীতে কেউ চিরস্থায়ী হবে না। শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার সময় চলে যাবে এরাও শেষ। কেউ থাকবে না চিরস্থায়ী না মুমিন না কাফের না মুশরিক। অতএব যারা এসেছি তারা চলে যাবে এই ফিলিংসটা আশা জরুরী। এই ফিলিংসটা আসলে পরে আমার প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে এলম অর্জন করা ।তারপর লক্ষ্য স্থির করা আমার জীবনে তো একটা লক্ষ্য আছে। এভারেজ লাইফ লিড করবে সবাই। হাজারে ৯৯৯ জন মানুষ এভারেজ লাইফ লিড করে। খাই দাই ফুর্তি করে স্ত্রীর সাথে সহবাস করে বাচ্চা পয়দা করে ব্যাস শেষ ডেট । শেষ বয়সে ক্যান্সার ডায়াবেটিস মারা গেল। এটাই করতে কি দুনিয়াতে এসেছি। দ্বীন ইসলাম নিয়ে আমাদের কোন স্বপ্ন নাই। ইতিহাস পড়ে দেখেন যারা যুগে যুগে ইসলামের অগ্রগতি ছিলেন তারা কি আমাদের মত এভারেজ মুসলিম ছিলেন। নাকি এক্সট্রা অর্ডিনারি কিছু করতেন। আর আমরা কি আমাদের উম্মার মধ্যে ছোটখাটো বিষয় নিয়েই কি পড়ে থাকবো। আর কতদিন আমরা এগুলো নিয়ে পড়ে থাকবো। আর কতদিন আমরা একে অপরের গীবত তহমন সমালোচনার হাত বাধা পায়ে পা লাগানো এসব নিয়ে পড়ে থাকবো। তাও শান্তি পান দ্বীনের জন্য আমাদেরকে কিছু করতে দেন। যুব সমাজকে করতে দেন যারা করতে চায়। আগ্রহীদের কে কোন রাস্তা দেখান। লক্ষ্য স্থির করতে হবে এবং কনস্ট্রাক্টিভ কাজ করতে হবে। আবেগের বশে হুটহাট কোন কাজ করা যাবে না। আবেগের বশে দ্বীনই কাজ করা যায় না। পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে কনস্ট্রাক্টিভলী দ্বীনের কাজ করতে হবে। গঠনমূল কভাবে না শৈতলতা বাদ না উগ্রপন্থা না কোন চরমপন্থা। মাঝামাঝি জায়গা থেকে হক বাতিলের পার্থক্য বুঝে। পরিবেশ , সমাজ, দেশ বিশ্বের পরিস্থিতি উপলব্ধি করে। যখন যে ডিসিশন নেওয়া উচিত কনস্টেভলী এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তা প্রথম শুরুটাই হবে জ্ঞান অর্জন দিয়ে । জ্ঞান অর্জন নাই কিছু নাই। তারপর হচ্ছে আমল দিয়ে । যার জ্ঞান আছে তার আমল করতে হবে । যারা আমল করে না প্র্যাকটিসিং মুসলিম না এদের দ্বারা উম্মার খেদমত নিবেন না। বড় বড় কথা বললে তো হবে না আমল করে দেখাতে হবে। ইকোনমিক লাইফে হারাম হালাল বেঁচে চলতে হবে। পারিবারিক লাইফে নিজের স্ত্রীর সন্তানদেরকে ইসলামিক ইনভারমেন্টে পরিবেশে রাখতে হবে। পরিবেশ তৈরি করতে হবে। আমি যদি আমার পরিবারের মধ্যে দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করতে না পারি তাহলে কিভাবে আমার উম্মার মধ্যে দ্বীনকে নিয়ে চিন্তা করব প্রতিষ্ঠা করব। ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম এর বাবা ইসলাম কবুল করেন নাই এটা হতে পারে। নূহ আলাইহিস সাল্লাম এর সন্তান ইসলাম কবুল করে নাই এটা হতে পারে। কিন্তু এগুলো রেয়ার ঘটনা।
আগামী প্রজন্ম ও সমাজ সংস্কারের পথ
আমাদের আগামী প্রজন্মকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা শিখতে হবে। আগামী প্রজন্মকে কিভাবে মানুষ করব কি পড়াবো কি খাওয়াবো কোন ইনভাইরনমেন্টে বড় করব। এমন ভাবে পরিস্থিতি পরিবর্তন হচ্ছে খারাপের দিকে যাচ্ছে। কোন কোন ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে সদস্য গুলো আছে তারা হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে যে মানুষ এরকম পাপ করতে পারে। তাদের মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে যে মানুষ এভাবে পাপ করতে পারে। একটা কথা আমি বলি এখন এই যুগের মানুষ এমন এমন পাপ করছে এমন এমন ক্রাইম করছে যা কোন চোখ দেখে নাই কোন কান শুনে নাই কোন অন্তর কল্পনাও করতে পারবে না। আপনি প্র্যাকটিক্যালি দেখে নেন ইনভারমেন্ট টা চেঞ্জ করতে হলে আমাদেরকে পারিবারিকভাবেই চেঞ্জ করতে হবে সোশ্যালি চেঞ্জ করতে হবে। কমিউনিটি দরকার। যারা ইসলামিক ফিলোসফি গুলো লালন করে তাদের মধ্যে একটা মিউচুয়াল বন্ধন দরকার হৃদ্ধতার ভালোবাসার ওপেন মাইন্ডের হবে । সংকীর্ণ মানসিকতা না হয়। এবং সাম্প্রদায়িক থটগুলো বাদ দিতে হবে। যে আমি একাই সঠিক বাকি সব বাতিল। আমি একাই ইসলামের মধ্যে আছি বাকি সব হারেজি। মানে মানুষকে খারেজি বলতে বলতে নিজেই কখন খারেজি হয়েছে তার ঠিক নাই। ও নিজে বাদ দিয়ে বাকি সব খারেজি। মানে কোন মিউচুয়াল আন্ডাস্ট্যান্ডিং নাই। যদি বাংলাদেশের কোন মানুষ সব আলেমদেরকে নিয়ে একটা জায়গায় বসাতে পারে। বসিয়ে এক কাপ চা খাওয়াতে পারে। আমার মনে হয় এই কাজের ওসিলায় আল্লাহ তাকে জান্নাত দিয়ে দিবে ইনশাআল্লাহ। সব ওলামা একরামদের কে এক জায়গায় বসাবেন এক জায়গায় বসিয়ে এক কাপ চা খাইয়ে দেখাবেন আমাকে দেখি পারেন কিনা। তারপরে দ্বীনের কথা বলতে আসবেন। আল্লাহর রাস্তা অমুক তমুক পরে বলতে আইসেন। দেখি পারেন কি না। স্বপ্ন দেখতে শিখতে হবে পরবর্তী প্রজন্মকে নিয়ে আমাদেরকে নিয়ে। ইকোনোমিক লাইফ টাকে হালাল হারাম মেনে চলতে হবে। যে যেখানে থাকবো আমরা যদি গভারমেন্ট জব করি কৃষি কাজ করি বেসরকারি জব করি বা ব্যবসা করি সৎ মানুষের পরিচয় দেওয়া দরকার। আগে একজন ভালো মানুষ হই তারপরে মুসলিমের দিকে আসেন। আগে একজন ভালো মানুষ তো হই মানুষ তো হন। একজন ভালো মানুষের মন লালন করি। এরপর ইনশাল্লাহ আপনি যে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করেছেন আমল করেছেন পরিবার গড়েছেন আলহামদুলিল্লাহ হালাল হারাম মেনে চলছেন । ইসলামের দাওয়াত আপনি প্রচার করতে শুরু করেন এবং সেটা মধ্যমপন্থায় উগ্রপন্থ আয়না এবং শৈথল্ল্যবাত প্রদর্শন করেও না। পলিটিক্যাল ছাড়া আছেন তাদের সাথে কোন কনফিটটে যাবেন না। মানে রাষ্ট্রবিরোধী কোন বিদ্রোহের দিকে যাবেন না। এতে করে করলাম দেখা যায় না। যারা এ কথাগুলো বলে শুনতে খুব চটকদার মনে হয়। কিন্তু বাস্তবতা এমন নয় এতে রাষ্ট্রের ক্ষতি জাতির ক্ষতি উম্মার ক্ষতি। যতটুকু ফ্রি কাজ করার একটা এক্সেস আছে এটাও কনজাস্টার হয়ে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। অতএব এইসব উদ্ভট ফিলোসোপির দিকে যাওয়ার কোন দরকার নেই। বরং যারাই থাক উত্তম নসিহত করেন ভালো নসিহত করেন। ভুল হলে সংশোধন করে দেন গঠনমূলকভাবে। এরপরেও যদি কথা না শুনলে আলহামদুলিল্লাহ ছেড়ে দেন। খালি উপদেশ দেন আপনি উপদেশদাতা আপনি তাদের ওপর দারোগা নন। যার যার কর্মফল সে সে ভোগ করবে। যখন এরকম অত্যাচার পাপাচার চলতে থাকবে আল্লাহ পাক বলেছেন তখন আমার পক্ষ থেকে আমি বড় আজবের আগে পরকালে বড় শাস্তির আগে পৃথিবীতে ছোট ছোট আযাব পাঠাতে থাকবো। আল্লাহ পাক তো বলেছেন ই পাঠাবেন রিলাক্স থাকেন । ইনশাল্লাহুতায়ালা কনস্ট্রাক্টলি এই কাজগুলো করতে থাকলে আশা করা যায় একদিনে ফল কোনদিনও পাওয়া যাবে না আমাদের নবীজির ২৩ বছর লেগেছে। আস্তে আস্তে ইনশাল্লাহু তায়া’লা আমরা না হোক আমাদের পরের জেনারেশন । তারা না হোক তার পরের জেনারেশন। তারা না হোক তারপরের জেনারেশন একটা জেনারেশন আসবে পৃথিবীর বুকে নিশ্চিত থাকেন। যারা ইনশাআল্লাহ তায়ালা এই দুনিয়া থেকে সমস্ত জুলুমের শিকড় উঠিয়ে ফেলে দিবে ইনশাআল্লাহ ।
সাধারণ প্রশ্ন
কেয়ামত নিকটবর্তী বলতে কী বোঝানো হয়?
লেখার ভাষ্য অনুযায়ী এর অর্থ এই নয় যে কালকেই কেয়ামত হবে। বরং কেয়ামতের নিদর্শনগুলো একটি একটি করে প্রকাশ পাওয়াকে বোঝানো হয়।
লেখক মানুষের কর্মকে কী সম্পর্কে যুক্ত করেছেন?
লেখক বলেন, জলে ও স্থলে বিপর্যয়ের কথা উল্লেখ করে তা মানুষের হাতের কামাই হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি মানুষের পাপের ফলের কথাও উল্লেখ করেছেন।
লেখা অনুযায়ী এখন মুসলমানদের কী করণীয়?
লেখায় প্রথমে নিজেকে নিয়ে ভাবা, ইলম অর্জন, আমল করা, হালাল-হারাম মেনে চলা এবং সন্তানদের ইসলামি পরিবেশে রাখার কথা বলা হয়েছে।