ডিজিটাল টয়লেট যেভাবে আমাদের ক্ষতি করছে
টয়লেট ও পানি অপচয়ের ক্ষতি
ঘুমান নবীর মত করে ঘুম থেকে ওঠেন নবীর মত করে। প্রত্যেকটা জায়গায় দোয়া পড়েন। বাথরুমের জান তার মত করে। দোয়া পড়েন বের হন। বাথরুমে বলছে আমাদের দুইটা কথা মনে পড়ে। এখনকার অনেক টয়লেট আছে যা আপনাকে বসতে দিবে না। এয়ারপোর্টে জান যাওয়া আসা করলে দেখতে পাবেন সিস্টেমটাই এমন দাঁড়িয়েই করতে হবে। চিন্তা করতে পারেন কমনসেন্স এখন সভ্যতা কোথায় চলে গেছে। বসার অবকাশ নাই দাঁড়ায় দাঁড়ায় এবং ওই মাপই। একটা মাপ দিয়ে দিবে আর এই মাপ যদি সবার ফিট না হয় তাহলে। আশ্চর্য বিষয়। তারপরে দেখবেন হাই কমোড ইংলিশ কমোড। কাপড় পাক কিভাবে থাকতে পারে আমাকে বলেন তো । আর যখন সেটা পাবলিক টয়লেট হয় তাহলে কিভাবে কাপড় পাক থাকে পারবে । সেখানে কি আপনি বসে করতে পারবেন ? আবার খেয়াল করে দেখেন এই টয়লেট সিস্টেম গুলোতে আমরা যত পানি খরচ করি। যত্ত পানি খরচ করি চিন্তা করে দেখবেন পুরো ঢাকা শহরে যত টয়লেট আছে এই টয়লেট গুলোতে যত পানি খরচ হয়। এগুলোকে যদি কিছুটা অংশ সেভ করা যেত। আগামীর ঢাকাকে পানির শুন্যতার হাত থেকে বাঁচানো যেত। দেখবেন হিউজ শাওয়ার নিচ্ছে ১০ বালতি পানি দিয়ে একজন গোসল করছে। অথচ গোসলের জন্য নির্দিষ্ট পানির পরিমাণ ছিল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর। অজু করছে দেখবেন মসজিদেও। যার ঈমানের তেজ যত বেশি তার তাপের স্পিডও তত বেশি। অথচ ওযু করতে কতটুকু পারি লাগে। নবীজির একটা নির্দিষ্ট পাত্র ছিল অজু করার জন্য। সেই পাত্রে একটা পরিমাপ ছিল। এক দের লিটার ও মনে হয় না এক লিটারেরও কম। ৭০০, ৮০০, ৯০০ গ্রাম এর মত হবে। এতোটুকু পানি দিয়ে তিনি অজু করত। প্রতিটা সেক্টরে ফাসাদ দেখবেন। টয়লেটের কথা বলতে গিয়ে আমার এই কথাগুলো মনে পড়ল। আমার কাছে মনে হয় ইয়াজুজ আর মাজুজ এর টয়লেট এগুলো। ইয়াজুজ এবং মাজুজের খাসলত হচ্ছে কি জানেন? এই যে পৃথিবীর পানি গুলো শোষণ করে ফেলে দিবে। পৃথিবীর পানি গুলো মিষ্টি পানির নোনা পানি গুলো সব খেয়ে শোষণ করে ফেলে দিবে। টয়লেট গুলো পানি খেয়ে ফেলছে সব। হিউজ পরিমাণ পানি অপচয় হচ্ছে দেখবেন। আর এমন শহরে যেই শহরে দিন দিন পানি লিয়ার নিচে নেমে যাচ্ছে। ঢাকার পানি গুলো দিন দিন দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে এখানে পানি অপচয় হচ্ছে। ঝরনার পাশে গিয়েও অজু করতে গিয়ে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন অতিরিক্ত পানি খরচ করো না। এবং সূরা মূলকের শেষ আয়াতটা পড়ে দেখেন তোমরা যদি সকালে উঠে দেখো পানি নেই নিচে নেমে গেছে তাহলে কে আছে তোমাদেরকে কে পানি এনে দিবে। আল্লাহ পাকের নিয়ামতগুলো অপচয় করছে। শয়তানের ভাই আমরা সবাই। মসজিদেও মসজিদে যেভাবে পানি অপচয় হচ্ছে সাহাবা একরামরা দেখলে লাঠি দিয়ে পেটাতেন একেক টাকে। দেখবেন প্রচুর পানি অপচয় করছে প্রচুর। শয়তানের ভাই হয়ে আবার সালাতের কাতারে দাঁড়িয়ে। শয়তানের ভাই হয়ে সালাতের কাতারে। তারপর আবার বলে সালাতে মনোযোগ থাকে না । অজু তো হচ্ছে না প্রপারলি অজু হচ্ছে না। আল্লাহ বোঝার তৌফিক দান করুন।
দ্রুততা ও ডিভাইস-নির্ভরতার প্রভাব
টয়লেট করেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মত। নেকি হবে ঘুমানোর তাও নেকি হবে ঘুম থেকে ওঠাটাও নেকি হবে। এরপরে আপনি নামাজে যাবেন প্রত্যেক পদক্ষেপে নেকি হবে নামাজটাকে ডিজিটাল ভাবে পড়বেন না থ্রিজি ফোরজি ফাইভ জি নামাজ ছেড়ে দেন। এখনকার যান্ত্রিকতা আমাদের মাথাটাকে ফাস্ট করে তুলেছে ফাস্ট। দ্রুত চাই সবকিছু দ্রুত চাই। এই অর্ডার করলে এখনই পেতে হবে। শবর ইস্তেকোমা উঠে যাচ্ছে। কি বলব এগুলো বলতেও খারাপ লাগে দেখবেন যে বিয়ে এবং ডিভোর্স এর মধ্যে ব্যবধান হবে এমন প্লেনটা টেক অফ করেছে এবং ল্যান্ড করেছে শেষ । দ্রুত খুব দ্রুত সবকিছু আমরা খুব দ্রুত চাই। এত দ্রুত ডিসিশন নিতে চাই যে আমরা ভালো মন্দের মাপকাঠি টা হারিয়ে ফেলছি। এই দ্রুতটা আমাদের কি করেছে স্থিরতা নষ্ট করে ফেলেছে। নামাজও দেখবেন দ্রুত অনেক বিষয়ে চিন্তা আসতেছে মাথার মধ্যে। স্থির , স্থির থাকাটা একটা আল্লাহর পক্ষ থেকে নেয়ামত। স্থিরতা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে অস্থিরতা শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। চেষ্টা করবেন সালাত টাকে রিলাক্সে এ পড়ার জন্য। টাইম দেন তেলাওয়াত করেন তেলাওয়াত টাকে লম্বা করেন। অর্থ বোঝার চেষ্টা করে রুকুতে সময় দেন সেজদায় সময় দেন। নামাজের পর একটু দোয়া করেন একটু সময় দেন একটু বসে থাকেন একটু বসে থাকেন। নামাজ পড়েই চলে যায়েন না একটু বসে থাকেন। তাজবীর তাহালির করেন জিকির আজগার করেন। পারলে মুসল্লিদেরকে নিয়ে ইমাম সাহেব দুই তিনটা হাদিস পড়লেন। একটু বসানোর চেষ্টা করেন মানুষ বসতে চায় না দ্বীনের জন্য এখন পড়তে চায় না বক্তব্য শুনতে চায় কিন্তু পড়তে চায় না । নামাজ পড়ে দ্রুত চলে আইসেন না একটু সময় দেন। এরপরে বাসায় আসেন এরপরে নাস্তা করেন খান রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর সুন্নাহ মতাবেক। ওই যে বললাম এমন ভাবে খায়েন না আখেরুজ্জামানের হাদিস আপনার উপরে এপ্লাই হয়ে যায়। পরিশ্রম করেন ফিজিক্যাল পরিশ্রম করেন কাইক শ্রম করেন খেলাধুলা করেন ।ভালো কিছু খেলাধুলা করেন যেই খেলাধুলায় আপনার কাইক পরিশ্রম হবে। আমি বলব যদি আপনারা খেলাধুলা করেন তাহলে খেলার মধ্যে জুয়া রাখবেন না কোন ফিতনা রাখবেন না নামাজ যেন ছুটে না যায় খেলতে গিয়ে। এভাবে যদি খেলেন কিছুটা সময় খেলেন ফিজিক্যালি ফিট থাকার জন্য আই থিঙ্ক এটার জন্য আপনি নেকি পাবেন। আপনি শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য শরীরকে ফিজিক্যালি ফিট থাকার জন্য এবং শারীরিক সুস্থ থেকে আল্লাহর ইবাদত করবেন এই নিয়তে আপনি করলে আপনি নেকি পেতে পারেন। এবং এগুলো আপনাকে আরো অনেক পাপ থেকে বাঁচাবে। যারা খেলাধুলা করত তারা পর্নোগ্রাফি আড্ডাবাজি গীবত তহমত করা এগুলো সার্কেল থেকে বের হয়ে আসতো। একটু প্র্যাকটিক্যালি সে কায়িক পরিশ্রম করত এবং ফিজিক্যালি সে ফিট থাকতো। সেটা মানুষ করছে না। এখন সারাক্ষণ মানুষ ডিভাইস আদেকশন ডিভাইস। একটা জড় পদার্থের মতো ডিভাইস নিয়ে পড়ে আছে। এবং যারা ডিভাইস নিয়ে পড়ে থাকে এদের মাথাটা খুবই অস্থির হয়। অস্থির প্রজাতির প্রাণী হয় সবর ধৈর্য বলে কিছুই থাকেনা। প্রি ম্যাচিয়ুর অনেকটা। দেখবেন বুদ্ধি প্রতিবন্ধীর মত অনেকটা। এবং খেয়াল করে দেখবেন যারা ডিবাইস অ্যাডিক্টেড এরা জীবনে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারে না। এবং চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে একটা বিষয়কে উল্টে দেওয়া বা এটাকে ফেস করে এগিয়ে যাওয়া এই মনোবলটা তাদের থাকে না। আস্তে আস্তে সে মিন মাইন্ডের হয়ে যায় হীনো মনোতায় ভুগে। অনেক সময় এরা এত বেশি ক্রেজি হয় যে আত্মহত্যা করে ফেলে। সিলি রিজন। রিজনটা খুব সিলি আত্মহত্যা করে ফেলছে। বিষয়টা একটু বোঝার চেষ্টা করেন। এই লেকচারটা আপনাদের জন্য অনেক উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ এখানে অনেক প্র্যাকটিক্যালি কথা বলছি আমি।
পরিমিত খাবার ও ফ্রেশ খাদ্যাভ্যাস
আর তিন ভাগ খান। কখনোই ফুল পেট খাবেন না। খাবারের মধ্যে বিভিন্ন আইটেম রাখেন শুধু ভাতই খাবেন। আমাদের এগুলো শিখানো হতো। মানে কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো সেকুলার সমাজের জন্য অনেক ভালো আছে। অনেক বিষয় আছে যেগুলো ওদের মধ্যে অনেক ভালো। আপনাকে সব জায়গা থেকে ভালো গুলো নিতে হবে। নিউট্রিশন একটা কোর্স ছিল। এবং যারা খেলাধুলা করে এখন পর্যন্ত। তাদেরকে এই জিনিসগুলো মেনটেইন করতে হয়।। কি খাবে কি খাবে না? ইভেন কি, কোন ব্র্যান্ডের পানি খাবে? কোনটা খেতে পারবেনা। কখন কি খেতে হবে সবকিছু ওদের কে মার্ক করে দেওয়া হয়? ওরা ওদের প্রফেশন গুলোকে ওয়ার্কশীপের মত নিয়েছে।ওরা প্রফেশন গুলোকে কি বলবো ধর্ম বানিয়ে নিয়েছে। একটা ধর্মের মধ্যে যেমন ভক্তি শ্রদ্ধা থাকে না? এ রকম ওরা প্রফেশনগুলোকে গ্রহণ করে। পেশা গুলোকে গ্রহণ করে ।খাবারের মধ্যে নিউট্রিশিয়াস মিশিয়ে নিয়ে আসে। নিউট্রিশিয়ান টা যাতে ফুল হয়। শুধু কার্বোহাইড্রেট খাবেন না কিছু প্রোটিন রাখেন কিছু অন্যান্য বিষয় রাখেন একটা ব্যালেন্স ডায়েট করেন। এবং নবীর সুন্নাহ ফুল পেট খাবেন না। ফাঁকা রেখে দেন। একটু পানি খান ফাঁকা রেখে দেন। ইনশাল্লাহ আপনি ইবাদত করতে গিয়ে ঘুম চলে আসবে না ইনশাল্লাহ । সাহাবা একরামরা কখনো এভাবে খেতেন না। শুনেন সাহাবা একরাম কক্ষনো এভাবে ভর পেট খেতেন না। খেজুর খোরমা খেয়ে বদরের যুদ্ধ করেছেন। খুরমা খেজুর। তাও খেজুরটা মুখ থেকে ফেলে দিয়েছেন। যে খেজুর খেতে সময় লেগে যাবে। আগে আমার এই কাজ। পেটে পাথর পরের নেই শিরাতে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেটে পাথর বেঁধেছেন কখন পেটে পাথর বাঁধতে হয়। খুদায় যন্ত্রণায় পেট পিট এক হয়ে যাচ্ছে। পেটে পাথর বেঁধেছেন ডাবল পাথর। কোনদিনও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই বেলা টানা দুই বেলা। একদিন তিন বেলা হয়। টানা দুই বেলা তিনি সারীত খাননি একদিনে দুইবার। আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহা এমনও বলেছেন যে মাসের পর মাস চলে যেত আমাদের বাসায় চুলাও জ্বলতো না। যত্ত বেশি আপনি পেটুক হবেন, ভোজন রসিক হবেন। ততো বেশি আপনার রোগ ব্যাধি হবে। এবং দ্বীনের জন্য কাজ করতে গিয়ে আপনি পিছিয়ে পড়বেন। মাথাটা অলস হয় যাবে। ক্রিয়েটিভ কিছু বের হবে না মাথার থেকে। খাওয়ার ব্যাপারে অনেক গুলো কথা বলে ফেললাম এগুলো আগে কখনো বলিনি। খাওয়ার ব্যাপারে সচেতন হন। আরেকটা ব্যাপারে সচেতন হন ।আরেকটা কথা বলি ম্যানুফ্যাকচার খাবার খাবেন না। বারবার বলেছি অনেক দিন আগের থেকে ম্যানুফ্যাকচার খাবার খাবেন না। মেনুফ্যাকচার কি? এটা মানুষরা তৈরি করছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল । এই খাবার গুলো খাইয়েন না। নিউটেরিয়াস এবং রুট লেভেলের ফ্রেশ খাবারগুলো খাওয়ার চেষ্টা করবেন। আমার ধারণা যে আপনাদের এখানে এটা পাওয়া যায় বেশি।এগুলো খান। এবং আমি দেখেছি আপনাদের এখানের মানুষদের মধ্যে একটা গঠনের মিল আছে। ফিজিকাল স্টেনটেতে মিল আছে শারীরিক কাঠামোতে মিল আছে শক্তিতে মিল আছে। এটা ভালো পরিবেশ ভালো বাতাস ভালো খাবার ভালো আপনি ভালো থাকবেন ইনশাআল্লাহ। এবং এই ধরনের জায়গাতেই থাকা উচিত শেষ জামানায়। যত পলিউশন যত পচা খাবার যত বিষাক্ত খাবার যত ফিতনা যত সামাজিক অবক্ষয় এখানে দেখবেন মানুষ দিন দিন অকালে মরতেছে। অকালে মরবে মানুষ। আল্লাহপাক বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন।
জীবনের সব ক্ষেত্রে ইবাদতের চেতনা ও পরিবার
এরপরে আপনি শিক্ষা ক্ষেত্রে যাবেন বা ব্যবসায় ক্ষেত্রে যাবেন বা অন্যান্য ক্ষেত্রে যাবেন। যে যেই ক্ষেত্রে যাবেন আপনার কাজটা যেন হয় কুরআন এবং সুন্নাহর অনুকূলে। পড়াশোনা করতে গিয়েছেন এমন জ্ঞান অর্জন করেন যেই জ্ঞান দিয়ে আপনি দ্বীনের খেদমত করতে পারবেন। আপনি চাকরিতে গিয়েছেন ব্যবসায়ে গিয়েছেন এখানে হারাম হালাল বজায় রাখেন । প্রশাসনিক দায়িত্বে গিয়েছেন এখানে হারাম হালাল বজায় রাখেন। সোশ্যাল লাইফে আছেন আপনি আল্লাহর বিধান বজায় রাখেন। আপনি আল্লাহর বিধানটাকে সর্বোচ্চ পিয়োরিটি দেন। এখানে ন্যায়ের উপরে থাকেন অন্যায় করতে যাইয়েন না। আল্লাহ যদি আরও বড় কোন দায়িত্ব দেন আপনি চেষ্টা করেন কোনটা আল্লাহর বিধানের কাছাকাছি সেখানে আপনি থাকার চেষ্টা করবেন। দেখবেন আপনার পুরো জীবনের কাজই নেকির কাজে পরিণত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ তা'আয়ালা।আর এটা শুধু মুসলিমদের ক্ষেত্রে সম্ভব জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্র কে ইবাদতে পরিণত করা অন্য কারো পক্ষে সম্ভব নয়। জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে কি ইবাদতে পরিণত করা আমাদের পক্ষেই সম্ভব। শর্ত একটাই এক নম্বর হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। নাম্বার হচ্ছে আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত পদ্ধতি অনুযায়ী । তিনি হলেন সেই নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিনি আপনার জন্য সুপারিশ করবেন। তিনি আপনাকে ইনশাল্লাহু তায়ালা যদি আপনি কবিরা গুনাহগার হয়ে থাকেন। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কালিমা পড়ে থাকেন সুপারিশ করে তিনি জান্নাতে নিয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ। যিনি হাদিস বলেছেন আমাদেরকে যে আল্লাহর বান্দা এই উম্মতের সে যদি শিরিক না করে শিরিকের পাপ না করে। যেকোনো গুনাহ আল্লাহ পাক তাকে মাফ করে দিতে পারেন। তাকে কবরে আপনাকে দেখানো হবে এবং তিনি আমাদেরকে ভাই বলেছেন। তিনি বলেছেন আমরা তার ভাই। সাহাবীরা বলেছিলেন আমরা কি আপনার ভাই হই? নবীজি বলেছেন তোমরা আমার সাহাবী । আমার ভাই তারা যারা আমাকে না দেখেই তার ঈমান নিয়ে আসবেন সুবহানাল্লাহ। সেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ আমরা ফলো করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহু তায়ালা। আমরা আমাদের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে কে তার সুন্নাহ দিয়ে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করব ইনশাল্লাহু তায়ালা। বেশি বেশি তার প্রতি দুরুদ পড়বো। এবং জুম্মার দিনে আরও একটা কাজ করার চেষ্টা করব। আমার সালাত এ একটু আগে আগেই যাবেন খুতবা শুরু হওয়ার আগে। এই দিন একটা সূরা অবশ্যই করবেন। কি নাম সূরার? একমাত্র সূরা যা আপনাকে মাসিহুদ দাজ্জালের ফেৎনা থেকে বাঁচাবে। আজকে আমি ওই টপিকে আলোচনা করব না। এতোটুকু বলব শুধু ওই সূরার মধ্যে আশহাবুল কাহাব যা যা করেছেন যদি আপনিও এই ফিতনাময় পরিবেশে সেটাই করতে পারেন ইনশাল্লাহ আপনিও এই দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচে যাবেন।ওই সূরা বোঝার আগে বা দৃষ্টি ভঙ্গি পরিবর্তন করার আগে। খিজির আলাইহিস সাল্লাম এর মত নূর এবং ওসিরা অর্জন করতে হবে যেটা এই সূরার মধ্যেই দেওয়া আছে। এই সূরার মধ্যেই আপনার ইকোনোমিক সম্পর্কে বলা আছে। এই সূরার মধ্যে দাজ্জালের সভ্যতার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া আছে। এই সূরার মধ্যে যুলকার নাঈম এর ঘটনা বর্ণনা করা আছে। এই সূরার মধ্যে ইয়াজুজ আর মাজুজের কথা ও আছে। বিষয়গুলোকে পড়ার এবং বুঝার জন্য আগে খিজির আলাইহিস সাল্লামের মত দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করেন। এরপর সূরাটাকে ভালো করে অর্থসহ পড়েন পাপ্পি গুলো পড়েন ইনশাআল্লাহ তায়ালা আল্লাহ পাক আপনার অন্তর দৃষ্টি খুলে দিবেন ইনশাআল্লাহু তায়ালা। মা বোনদের জন্য আমি একটা কথাই বলতে চাই যে আল্লাহ পাকের অনন্য সৃষ্টি হচ্ছে মা বোনেরা। তারা যদি চান একটা সমাজকে ধ্বংস করতে পারেন। তারা যদি চান একটা সমাজকে আলোকিত করতে পারে। আপনি আপনার স্বামীকে ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাম এর মত করতে পারেন আবার আপনি আপনার সন্তানকে স্মাইল আলাইহিস সাল্লাম এর মত করতে পারেন। আপনি আপনার মেয়েকে খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার মত মানুষ করতে পারেন। ইনশাল্লাহ দেখবেন এই মা বোনদের গর্ভ থেকে যে জেনারেশন টা উঠে আসবে। এই প্রজন্মের হাতে ইসলামের পতাকা দিবেন আল্লাহ পাক ইনশাআল্লাহ। চারটা কাজ করতে বলেছেন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। পাঁচ ওয়াক্তের সালাত রমজান মাসের সওম , স্বামীর আনুগত্য করা স্বামীর দাসত্ব না স্বামীর আনুগত্য করা। এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করা পর্দা করা। জান্নাতে যে কোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন ইনশাল্লাহু তায়ালা। নিজের পরিবারকে সময় দেন স্বামীর ওপরে বিশ্বাস রাখেন ভরসা রাখেন। স্বামীকে সম্মান দিতে শিখেন। মাথায় বাড়তি বোঝা দিবেন না। স্বামী বা পুরুষ আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী নয় আপনার সহযোদ্ধা।তাকে কনফিডেন্স দেন তাকে আল্লাহর পথে নিয়ে আসেন জন্য দোয়া করেন আল্লাহর পথে তার সাথে থাকেন। নিজের সন্তানকে মানুষ করেন। একটা হাসবেন্ড অনেক বিষয় ডিল করতে হয়। তার মাথাকে দ্বীনের জন্য ফ্রেশ রাখেন। সমাজের মধ্যে এবং পরিবারের মধ্যে বিশ্বাস ,আমানতদারিতা , ঋদ্ধতা, ভালোবাসার বন্ধন তৈরি করেন দেখবেন এই মাদের দ্বারা এই বোনদের দ্বারা আমাদের এই মেয়েদের দ্বারা এমন পরিবার প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাল্লাহু তায়ালা পরিবারের থেকে ওসমান খালেদ আবু বক্কর আল্লাহু আনহুর মত সাহাবীদের মত আদর্শ সন্তান বেরিয়ে আসবে ইনশাল্লাহু তায়ালা।
সাধারণ প্রশ্ন
লেখায় পানি অপচয় নিয়ে কী বলা হয়েছে?
লেখায় বলা হয়েছে টয়লেট, গোসল ও অজুতে অনেক পানি খরচ হয়, এবং নবীজি ﷺ অতিরিক্ত পানি খরচ করতে নিষেধ করেছেন। অজুর জন্য নবীজির একটি নির্দিষ্ট পাত্র ও পরিমাপের কথাও উল্লেখ আছে।
লেখক ডিজিটাল ডিভাইস আসক্তি সম্পর্কে কী বলেছেন?
লেখক বলেছেন, ডিভাইসে বেশি আসক্ত ব্যক্তিদের মন অস্থির হয়, ধৈর্য কমে যায় এবং তারা জীবনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারে না। নামাজ ধীরস্থিরভাবে ও রিলাক্সে পড়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
খাওয়ার বিষয়ে লেখায় কী পরামর্শ আছে?
লেখায় পেট পুরো না ভরে তিন ভাগ খাওয়ার, ফুল পেট না খাওয়ার এবং ম্যানুফ্যাকচার খাবারের বদলে ফ্রেশ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।