সিঙ্গাপুরে কেয়ামতের আলামত প্রকাশ
কেয়ামতের জ্ঞান ও প্রশ্নকারীর চারটি প্রশ্ন
হে মোহাম্মদ আমাকে কেয়ামত সম্পর্কে বলুন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন এ বিষয়ে প্রশ্নকারী এবং উত্তর দাতার উভয়ের জ্ঞান সমান। প্রশ্ন কারীর চাইতে উত্তরদাতা বেশি জানেনা। এ বিষয়ে আল্লাহ ছাড়া চূড়ান্ত জ্ঞান কারো কাছে নাই। কবে কোন সালে কোন ডেটে কেয়ামত হবে কেউ বলতে পারবে। কেউ পারবেনা। প্রশ্ন করলেন এই ব্যক্তি। এবং চারটা মৌলিক প্রশ্নের একটা করলেন যে কেয়ামত কবে হবে? তাহলে কেয়ামত সম্পর্কে সচেতনতা এটা আসলে নিছক কোন জ্ঞান নয়। কেয়ামত নিয়ে সচেতনতা এটা কিন্তু অহেতুক কোন জ্ঞান চর্চা নয়। কারণ চারটা মৌলিক প্রশ্নের একটা করা হয়েছে কেয়ামত কবে হবে? যদি আপনি সবকিছুকে ভাগ করেন তাহলে 25% হচ্ছে এই প্রশ্নটা। এরপর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আমি জানিনা। এরপরে তিনি আবার প্রশ্ন করলেন তাহলে আমাদেরকে কিয়ামতের কিছু আলামত বলে দিন। আবার প্রশ্ন করার কি দরকার ছিল যখন নবীজি বলেছেন আমি জানিনা। যদি বিষয়টা গুরুত্ব পূর্ণ নাই হয়ে থাকে। যদি বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ নাই হয়ে থাকে তাহলে আবার কাউন্টার প্রশ্ন করার কি দরকার ছিল। তাহলে আলামত গুলো বলে দিন। এখন নবীজি বলছেন দুইটা আলামত। যখন দেখবে দাসী তার মনিবকে জন্ম দিচ্ছে। মানে যখন সমাজের সত্য মিথ্যা ন্যায়-অন্যায় হক বাতিলের মানদণ্ড উল্টে যাবে হালাল হারাম এর মানদণ্ড উল্টে যাবে। মানুষ হারামকে হালাল করবে হালাল কে হারাম করবে। মানুষ নায়িকা অন্যায় বানাবে অন্যায়কে নাই বানাবে। সত্যকে মিথ্যা বানাবে মিথ্যা কে সত্য বানাবে। মানদণ্ড উল্টে যাবে। এবং এগুলোর পরোয়া করবেনা মানুষ। আরেকটা ব্যাখ্যা হচ্ছে সত্যিকারের অর্থেই দাসী মনিবকে জন্ম দিতে পারে। এটা জলজ্যান্ত এক্সামপল হচ্ছে সিঙ্গাপুর।ফ্যামিলি রেভুলেশন এর কারণে এবং সুদের কারণে এমন একটা অবস্থায় মুখোমুখি হয়েছে বিশ্ব। অনেক সময় মেয়েরা সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় পাচ্ছেনা ফুরসত নাই। এবং সন্তান জন্ম দেওয়াটা কে তারা পিছিয়ে যাওয়া বলছে অনেক কান্ট্রিতে।শেষে কি হয় দরিদ্র কান্ট্রি থেকে মেয়েদেরকে হায়ার করা হয়। এবং তাদের গর্ভটাকে ভাড়া নেওয়া হয়। এই গর্ভের মধ্যেই স্পাম ইনজেক্ট করা হয়। যায়গোটগ্রহণ করে বাচ্চা কনসেপ্ট করে। নয় মাসে বাচ্চাটা বড় হবে এই ৯ মাস এই দরিদ্র মেয়েটাকে ভালো ভালো ফল মূল খাওয়ানো হবে সুন্দর সুন্দর কাপড় পড়ানো হবে। কারণ ওই সন্তান তার ভালোর জন্য। যখন বাচ্চাটা হয়ে যাবে সে রিলিস সে খালাস তখন সে ডলার নিয়ে চলে যাবে। সন্তান জন্ম দেওয়ার বিনিময়ের দশ হাজার ডলার ৫০০০০ ডলার ২০০০০০ ডলার নিয়ে এসে চলে যাবে। এই যে গর্ভ ভাড়া নেওয়া হয়েছে। এই যে বাচ্চাটা হল এই বাচ্চাটা কার মনিবের। দাসী তার মনিবকে জন্ম দিল হাদিস বাস্তব। এই ব্যাখ্যাটা আজকে থেকে ১৪০০ বছর আগে করা সম্ভব ছিল না। এই ব্যাখ্যাটা এখনকার সময় আপনি করতে পারবেন। এজন্য কুরআন সুন্নাহকে শুধু লিটারেলি পড়লে হবে না যুগের সাথেও মিলাতে হবে। যুগের সাথে যদি না মিলাই তাহলে কুরআন সুন্নাহর সাথে যে যুগ সুন্নাহর জবাব বের করতে পারবো না। এই ব্যাখ্যাটা আপনি আজকে থেকে ১০০ বছর আগেও করতে পারতেন না কিন্তু এখন পারবেন। সত্যিকারের অর্থে দাসী এখন তার মনিবকে জন্ম দিচ্ছে বর্তমান বিশ্বে।নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন যে যখন দাসী তার মনিবকে জন্ম দিবে।
কেয়ামতের দুটি আলামত ও সমাজের মানদণ্ড
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরেকটা বলেছিলেন যখন তুমি দেখবে সমাজের সবচেয়ে শ্রেণীর রাখাল শ্রেণীর নগ্ন পদের খালি পায়ের নগ্ন গায়ে মানে যাদের গায়ে জামা নেই এমন নিম্ন শ্রেণীর মানুষগুলো উঁচু উঁচু দালান কঠা নির্মাণের প্রতিযোগিতা করবে। কেয়ামতের অপেক্ষা করতে থাকো। বিগত ২০০ বছরের বিশ্ব দেখে নাই এত হাইলি টলেস্ট বিল্ডিং এর প্রতিযোগিতা। অমুকের ১০০ তালা তোর মুকে ২০০ তমুকের ২০০ তো মুকের ৩০০ তালা এটা সমাজ থেকে শুরু করে রাষ্ট্র বিশ্ব সব জায়গায় দেখা যাচ্ছে। সমাজে দেখেন কিছু মানুষ ছিল তাদের টাকা পয়সা ছিল না আজকে দেখেন তারা বিল্ডিং তুলছে ১০ তালা বিশতলা ৫০ তালা। অনেক রাষ্ট্র ছিল বিদুয়েন রাষ্ট্র ছিল মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকাবেন আগে জামা পরার টাকা ছিল না। ব্ল্যাক গোল্ড পেয়েছে তেল উঠাইছে আর খাইছে ।উঠেছে আর খাইছে না উঠাইছে আর আমেরিকা কে দিছে। দিয়ে ডলার নিছে। নিয়ে উঁচু উঁচু বিল্ডিং তোমার ১০০ আমার ১১০ তালা। এটা এখন তাদের কাছে গর্বের বিষয়। এই দৃশ্যর কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন যখন তুমি দেখবে সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র মানুষেরা উচু উঁচু বিল্ডিং নির্মাণের প্রতিযোগিতা করবে। একটা কমন প্রশ্ন করি এখন। যে ব্যক্তির টাকা নাই সে কেমন করে উচু বিল্ডিং তুলবে? এই উত্তরটা দেওয়ার জন্য আপনার পিএসডি করার কোন দরকার নাই। উত্তর খুব সহজ। একজন ব্যক্তির টাকা নাই। সে কিভাবে বিশ তালা বিল্ডিং করতে পারে উত্তর দেন। শুধু অবৈধভাবেই নয় অবৈধভাবে তো একটা অপশন আছে। সুধের মাধ্যমে। সুদ ছাড়া অন্য কোন অপশন নাই। আমি এখন যে ফ্ল্যাটে ভাড়া আছি মনে করেন। যে ফ্ল্যাটে ভাড়া আছি এই ফ্ল্যাটের ভাড়া যে আমি দিচ্ছি। এই যে বাড়িওয়ালারা প্রতি মাসে ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ভাড়ার টাকা তুলে। এই ভাড়ার টাকা থেকে লোন শোধ করছে ব্যাংকের। এখন আমি সুদ খাচ্ছি না। আমি এখন নিজেও সুদের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে গেলাম তাহলে। এটা সেই যুগ যে যুগে একটা মানুষ ও সুদ থেকে বাঁচতে পারবে না ইল্লা মাশাল্লাহ। বাঁচতে পারবে কারা যারা ছোট্টখাট্টো দ্বীপে যারা বাস করে।সোসাইটির সাথে কোন সম্পর্ক নাই ওরা হয়তো বাঁচতে পারে। নাগরিক জীবনে কেউ সুদ থেকে বাঁচতে পারবেনা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গিয়েছেন এই যুগের কথা নবীজি বলেছিলেন একটা যুগ আসবে সেই যুগে সমাজে প্রায় প্রতিটা মানুষ সুদ খাবে। যে খাবে না তার গায়ে ও সুদের ধুলা লাগবে এটা সেই যুগ। অনলি রিভার মাধ্যম দিয়ে এবং ব্যাংকিং এই সুদের মাধ্যম দিয়ে সম্ভব নগ্ন পদের মানুষ এর বিল্ডিং নির্মাণ করা। তাছাড়া আর কোন অপশন নাই। আরেকটা অপশন আছে দুর্নীতি করা এবং মানুষের টাকা পয়সা মেরে খাওয়া। অবৈধ পথে। ন্যায়ের পথে কোটি কোটি টাকা জমিয়েও নট পসিবল সো ভেরি ডিফিকাল্ট। এটা সম্ভব না। এই যুগের কথা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গেছেন। এই হাদিসের মধ্যে মাত্র দুইটা আলামত বলেছেন তার মধ্যে একটা হচ্ছে এইটা যখন তুমি দেখবে নগ্ন পদের নগ্ন দেহের মানুষেরা উঁচু উঁচু বিল্ডিং নির্মাণ করছে না বরং নির্মাণের প্রতিযোগিতা করছে। ভাষাটা বুঝেন নির্মাণ করছে না বরং নির্মাণের প্রতিযোগিতা করছে। যে কোন আলেমকে জিজ্ঞাসা করেন ব্যাখ্যা কি। এই হল হাদিস। এবার সেই ব্যক্তি উঠে চলে গেল। এবং ওমর খাত্তাব রাধিআল্লাহু আনহু বললেন আমরা চুপ করে বসে ছিলাম যেন আমাদের মাথার উপর কাক বসে আছে পাখি বসে আছে চুপ করে । নবীজি কোন কথা বলছেন না সাহাবীরা ও কোন কথা বলছেন না। সে ব্যক্তি উঠে চলে গেল।
জিবরাইলের প্রশ্ন ও দ্বীনের মৌলিক বিষয়
হে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তুমি কি জানো এই ব্যক্তি কে ছিল? যে এসে প্রশ্ন করল চারটা। তিনি বললেন আল্লাহ এবং তার রাসূল ভালো জানেন আমি জানিনা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন সেই ব্যক্তি ছিলেন জিব্রাইল আলাইহিস সাল্লাম। তিনি এসেছিলেন তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন ইসলাম শিখাতে। তিনি এসেছিলেন তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন শিখাতে। তো দ্বীনের মৌলিক প্রশ্ন কয়টা পেলাম। ইসলাম কাকে বলে? ঈমান কাকে বলে? এহেসান কাকে বলে? কেয়ামত কবে হবে? এই একটা হাদিস যথেষ্ট আমাদের হেদায়েতের জন্য। এই একটা হাদিস যদি আমরা বুঝে থাকি আমাদের হেদায়েতের জন্য এই একটা হাদিস ই যথেষ্ট।আসেন সামারি করে ফেলি। আল্লাহর জন্য যখন আসবেন মসজিদের টিপটপ হয়ে আসবেন পরিপাটি হয়ে আসবেন। ওস্তাদের কাছে যখন যাবেন জ্ঞান শিখতে আদবের সাথে বসবেন। এবং প্রশ্ন করবেন আদবের সাথে। প্রথম প্রশ্ন ইসলামের সম্পর্কে ছিল। দ্বীন ইসলামের বেসিক পিলার কয়টা পাঁচটা। যার মধ্যে আসবে তাওহিদ এবং সুন্নাহ। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। এর পরে আসবে সালাত। পাঁচ ওয়াক্তের সালাত সময় মত আদায় করা।রমজান মাসের সওম এবং সামর্থ্য হলে হজ করা। ইসলাম হয়ে গেল। ইসলামী একমাত্র জীবন ব্যবস্থা এর বাইরে কিছু আছে। কেউ তালাশ করলে কবুল করা যাবে যাবে না। এটা মেনে নিলে আমল করার পর ভুল হলে কি করতে হবে তওবা করে ফিরে আসতে হবে। আল্লাহ পাক ইনশাল্লাহ মাফ করে দিবেন। যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরিক না করে থাকে কবিরা গুনাহ করে থাকে আশা করা যায়। আল্লাহ পাক তার সমস্ত সগিরা গুনাহ ক্ষমা করে দিবে ইনশাল্লাহ। হতাশ হবেন না। আল্লাহ আপনার অপেক্ষায় আল্লাহ চান তার কাছে ফিরে আসুন। তারপরে ঈমান। কয়টা পিলার? ছয়টা পিলার । প্রথমটা কি আল্লাহ ওপর বিশ্বাস নবীগণের ওপর বিশ্বাস ফেরেশতাগণের উপর বিশ্বাস আসমানী কিতাবসমূহের উপর বিশ্বাস পরকালের জীবনের ওপর বিশ্বাস এবং ভাগ্যের ভালো মন্দতে বিশ্বাস। এই ছয়টা কি কি করব মনে বিশ্বাস করব মুখে স্বীকৃতি দেব এবং কাজে বাস্তবায়ন করব। কাজে বাস্তবায়ন করতে গিয়ে যদি ভুল হয়ে যায় তখন কি করবেন কাফের হয়ে যাবেন। তওবা করে ফিরে আসার সুযোগ আসছে। এহেসান কাকে বলে? ইসলাম পালন করতে গিয়ে এমন ভাবে করা আল্লাহর ইবাদত এমনভাবে করা যাতে করে আমি আল্লাহকে দেখতে পাচ্ছি। আল্লাহকে হাজির নাজির মনে করে কাজ করা। আর যদি আমি আল্লাহকে দেখতে না পাই কিন্তু মনের মধ্যে চেতনা থাকবে কি যে আল্লাহ আমাকে দেখছেন। তারপরে কনসিউরসনেস সময় কম কিয়ামত কবে হবে। আমরা শেষ জামানায় বাস করি সময় কম।এখানে দুইটা আলামত বলা আছে বাকি অনেক আলা মত আছে হাজার হাজার আলামত আছে হাজার হাজার।এই যে মানুষ দুনিয়াদার হয়ে যাচ্ছে বেশি বেশি এটা কেয়ামতের একটা আলামত। মসজিদের মধ্যে এখন ফিতনা হচ্ছে না আলামতের ছা। মসজিদ চাকচিক্য হচ্ছে না এখন তাজমহলের মতন কেয়ামতের সাইন।মেয়েদের সংখ্যা বাড়ছে না ছেলেদের সংখ্যা কমছে না কেয়ামতের সাইন। মেয়েরা ছেলেদের পোশাক পরছে না ছেলেরা মেয়েদের পোশাক পরছে না। সময় সংক্ষিপ্ত হয়ে আসছে না। বেশি বেশি মহামারী বন্যা ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাস এসব ছড়াচ্ছে না বেশি থেকে বেশি হচ্ছে।
ব্যক্তিগত জীবন গোছানো ও ফিতনা থেকে দূরে থাকা
অসংখ্য সাইন। মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বাড়ছে না। বিশ্বে হত্যা বাড়ছে না। কিলিং বাড়ছে না। মুসলিম বিভক্ত হচ্ছে না দলে দলে সাইন। কত সাইন নিবেন। শেষ করা যাবে না। এবং কি চাঁদ যেটা দেখছেন সেটা ফেটে গেছে। এই যে চাঁদ দেখছেন যে সেটা ফাটল ধরেছে। এটাও কেয়ামতের সাইন। এবং পৃথিবী পানি শূন্য হচ্ছে এগুলো সাইন। জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে এগুলো সাইন। অনেক কিছু আছে যেগুলো আপনি আখেরুজ্জামান বই গুলোতে পাবেন। কিতাবুল ফিতান অধ্যায় গুলো পড়েন আলামত সা বইগুলো পড়েন দেখবেন পাবেন। এখানে দুইটা আলামতের কথা বলা হয়েছে। এখানে জাস্ট দুটো বলা হয়েছে দাসী মনিবকে জন্ম দেয়া মানে সমাজের মানদণ্ড উল্টে যাওয়া। ন্যায় অন্যায় সত্য মিথ্যার হক বাতিলের মানদণ্ড উল্টে যাবে। আর সমাজের সবচাইতে নিকৃষ্ট মানুষরা দেখবেন ওই যে উঁচু উঁচু বিল্ডিং নির্মাণ এর প্রতিযোগিতা করবে। রিভার মাধ্যমের দুর্নীতির মাধ্যমে এবং অন্যায় অত্যাচারের মাধ্যমে। জুলুমটা বাড়বে। আরেকটা হাদিসে আছে যখন আমানতের খিয়ানত করা হবে। সাহাবীরা তখন বললেন আমানতের খেয়ানত মানে বুঝলাম না কিভাবে। যখন অযোগ্য ব্যক্তিকে উপযোগী ব্যক্তিকে যখন দায়িত্ব দেওয়া হবে তখন বুঝে নেবে এটা আমানতের খেয়ানত। আর এটা সব ক্ষেত্রে ধর্মীয় ক্ষেত্রে সামাজিক ক্ষেত্রে সব ক্ষেত্রে। আলাপ পাক আমাদেরকে কেয়ামতের আলামত গুলার বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন। এবং সচেতন থাকার তৌফিক দান করুন এবং জীবনটাকে গুছিয়ে নেওয়া তৌফিক দান করুন আমীন।এই জায়গায় গিয়ে আমাদেরকে ব্যক্তিগতভাবেই কাজ করতে হবে। এখানে বড় করে চিন্তা করার কোন সময় নেই আগে নিজে বাচেন। নিজে জ্ঞান অর্জন করেন আল্লাহ পাক সবাইকে তৌফিক এনায়েত করুন। আপনি নিজে হালাল খান এবং পারিবারিক আদর্শকে সাধ্যমত ঠিক রাখার চেষ্টা করুন। যদি পরিবার কথা না শুনে তাহলে আপনি একা থাকেন। এর চেয়ে ডাইরেক্ট কোন কথা আমি বলতে পারবো না। পরিবার যদি দাওয়াত দিতে দিতে আপনার কথা না শুনে তাহলে আপনি একা থাকেন তার চেয়ে ভালো। সম্পর্ক রাখেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখেন এবং একা একা চলেন। কারণ আপনি ফেৎনায় ডুবে থাকলে ওরা আপনাকে আরো ফেতনায় টেনে নিয়ে আসবে। এত বড় কলিজা দেখাবেন না যে আমি ফিতনার মধ্যে থেকে আমার ঈমানের জোরে সকলকে সংস্কার করে ফেলে দেব। এই যুগ সেই যুগ না। এটা বড় ফেতনাময়ী যুগ আপনাকে বরং টেনে নিয়ে চলে আসবে। অতএব ডিসকানেক্টেড হয়ে যান ফেতনা থেকে।আশরাফুল কাহাফ এর মত। তারপরে আল্লাহ পাক আপনাকে যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছে এই সামর্থ্য দিয়ে আপনি ইসলামের দ্বীনের কাজ করেন । মসজিদ ভিত্তিক মাদ্রাসা ভিত্তিক দাওয়াতের ক্ষেত্রে হোক সামাজিক ক্ষেত্রে হোক মানবিক কল্যাণে কাজ হোক কোন প্রোজেক্ট গঠনমূলক হোক। জীবন হোক এমন যেন দ্বীনের কিছু উপকার হয়। এবং দ্বীনের নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। অমুসলিমদের ওপরে দ্বীনটাকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। ইসলামকে নিয়ে এমন কোন কাজে লিপ্ত হবে না যাতে করে ইসলামের জন্য পরিবেশটা আরো ঘোলাটে হয়ে যায়। ইসলাম উগ্রতা শিখায় নেই আমাদের। ইসলাম আমাদেরকে শিখিয়েছে যদি মাজলুম হই তখন জুলুমের প্রতিবাদ করতে। এর বেশি ইসলাম আমাদেরকে কিছু শিখাচ্ছে না। এখন ইসলামকে কেন্দ্র করে এমন কিছু করতে যাবেন না। যাতে করে উল্টো ইসলামের ক্ষতি হয়ে যায়। এবং ইসলামের শত্রুরা চাই যে মুসলিমরা এমন কিছু করুন যাতে করে তারা আমাদেরকে দমন করার আরো সুযোগ পেয়ে যায়।অতএব ব্যক্তিগত জীবনটাকে গোছানো পরিবারটাকে গোছান। রিজিকের ব্যবস্থাটা হালাল করেন। সাধ্যমত দিনের কল্যাণ করার চেষ্টা করেন। এবং অন্যের উপকারে কাজ করেন কারো ক্ষতি করতে যাইয়েন না। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে দ্বীনের মৌলিক বিষয়গুলোর উপর ফোকাস করা তৌফিক এনায়েত করুন আমীন।
সাধারণ প্রশ্ন
কেয়ামত কবে হবে, এ বিষয়ে নবীজি কী বলেছেন?
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তিনি জানেন না। লেখায় বলা হয়েছে আল্লাহ ছাড়া এ বিষয়ে চূড়ান্ত জ্ঞান কারো কাছে নেই।
লেখায় কয়টি আলামতের কথা বলা হয়েছে?
লেখায় বলা হয়েছে নবীজি এই হাদিসে মাত্র দুটি আলামত বলেছেন। প্রথমটি দাসী কর্তৃক মনিবকে জন্ম দেওয়া এবং দ্বিতীয়টি নিম্নশ্রেণীর মানুষের উঁচু দালান নির্মাণের প্রতিযোগিতা।
ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিষয় কী কী বলা হয়েছে?
লেখায় দ্বীন ইসলামের বেসিক পিলার পাঁচটি হিসেবে তাওহিদ ও সুন্নাহ, সালাত, রমজানের সওম এবং সামর্থ্য থাকলে হজ উল্লেখ করা হয়েছে। তাওহিদের কথা বলতে লেখায় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ উল্লেখ আছে।
ঈমানের কয়টি পিলার বলা হয়েছে?
লেখায় ঈমানের ছয়টি পিলার উল্লেখ করা হয়েছে: আল্লাহ, নবীগণ, ফেরেশতা, আসমানী কিতাব, পরকাল এবং ভাগ্যের ভালো-মন্দে বিশ্বাস।