সমসাময়িক প্রেক্ষাপট এবং আমাদের করনীয়
জুমার রাতের আমল ও আয়াতুল কুরসির ফজিলত
আমি আল্লাহ পাকের দরবারে প্রশংসা জ্ঞাপন করছি। আজকে জুমার রাত শুরু হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। তো রাত সম্পর্কে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশ কিছু আমল আছে। সে আমল গুলো আমাদের সবাইকে পালন করার আল্লাহপাক তৌফিক দান করুন আমীন। তার মধ্যে প্রথম আমলটা হচ্ছে সূর্য ঢলে গেলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের নামাজ আদায় করতেন। এবং সালাত আদায় করার পর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরো রাতের জন্য কিছুই ইবাদত করতেন। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে একবার আইতাল কুরসি তেলাওয়াত করা। কোন সূরার কত নাম্বার আয়াত কে আয়তাল কুরসি বলে। সূরা বাকারার ২৫৫ নাম্বার আয়াত মাশাল্লাহ। আয়তাল কুরসির ব্যাপক ফজিলত আছে। যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয নামাজের পর আয়তাল কুরসি তেলাওয়াত করবে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন সেই ব্যক্তি জন্য জান্নাতে যাওয়ার পথে শুধু একটা বাধা হচ্ছে সেটা হচ্ছে তার মওত। তার মৃত্যু হয়ে গেলে সে ইনশাল্লা জান্নাতে যাবে। রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ও আয়তাল কুরসি তেলাওয়াত করতে হয়। এই হাদিসের রাবি হচ্ছেন আবু হুরাইয়া রাদি আল্লাহু তাআলা আনহু যাকে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনি মতের মাল পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। প্রথম রাতে হুরাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু লক্ষ করলেন যে মাল চুরি করার জন্য একজন এসেছে। তিনি চোরকে ধরলেন এবং চোর খুব অনুনয় বিনয় করল। যে আমার অবস্থা খুব খারাপ আমি খুব দরিদ্র আমাকে ছেড়ে দাও। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে ছেড়ে দিলেন। পরের রাতে সেই চোর আবার আসলো তিনি আবার তাকে ধরলেন। আবারো ছেড়ে দিলেন। তৃতীয় রাতে তিনি চোরকে ধরলেন এবং তাকে বললেন এবার তোমাকে আমি ছাড়বো না। তখন সেই ব্যক্তি বিখ্যাত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বলছেন যে আমি তোমাকে বিশেষ একটা আমল শিখিয়ে দেবো। যে আমলটা করলে পরে শয়তান তোমার নিকটবর্তী হবে না। তো আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলছেন কি সেই আমল শিখিয়ে দাও। যদি শিখিয়ে দাও তাহলে ছেড়ে দেবো তোমাকে। তখন সেই ব্যক্তি বলছে যে রাতের বেলায় কেউ যদি আয়তাল কুরসি তেলাওয়াত করে ঘুমানোর সময় সে ব্যক্তির ধারের কাছে শয়তান আসবে না ইনশাআল্লাহ । এবং আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা তাকে পাহারা দিবে ইনশাল্লাহুতালা। তো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরের দিন ফজরের নামাজে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু কে দেখে মুচকি মুচকি হাসছেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন তোমার রাতের সাথীর কি খবর। ওহির মাধ্যমে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগে জেনেছেন কি হয়েছে গত রাতের । এটা আল্লাহর ওহী যেটা কোন বিজ্ঞান দর্শন ব্যাখ্যায় আসবেনা। তো আবু হুরাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু বলছেন ইয়া রাসূলুল্লাহ আমি তো তাকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। আবার এসেছে আবার ধরেছি আবার ছেড়ে দিয়েছে আবার এসেছে আবার ধরেছি আবার ছেড়ে দিয়েছি এবার আর ছাড়বো না ফোন করেছিলাম কিন্তু সে এসে আমাকে একটা আমল শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছে। তো এই আমল শিখানোর বদলতে আমি তাকে ছেড়ে দিয়েছি। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন কি আমল? তিনি বললেন রাতের বেলা আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করলে শয়তান ধারের কাছে আসবে না। এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা ওই ব্যক্তিকে পাহারা দিবে ইনশাল্লাহ তায়ালা।
সত্য জ্ঞান গ্রহণ ও ইসলামের সৌন্দর্য
তো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথা শুনে বলছেন যে যে তোমার কাছে এসেছিল সে হচ্ছে ইবলিশ শয়তান। সে যত গুলো কথা বলে সবগুলোই মিথ্যে বলে তবে এই কথাটা সে সত্যি বলেছে। তাহলে আয়তাল কুরসির ফজিলত কে জানিয়ে দিল। ইবলিশ শয়তান। তাহলে জ্ঞান যদি সত্য হয়। মানে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের দলিল থাকে সেখানে। তাহলে সে সত্য জ্ঞানটা নেয়ার কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে। অবশ্যই থাকবে না। যেকোনো ব্যক্তি এমন কোন কথা বলুক যেটা কুরআন এবং সুন্নাহর সাথে মিলে গেছে। এই কথা নিতে কি কোন আপত্তি আছে? না নাই। আর যে কোন ব্যক্তি সে যত আলেম হোক বা স্কলার হোক বা বুদ্ধিজীবী হোক না কেন তার কথা যদি কোরআন-সুন্নাহার সাথে না মিলে সে কথা কি আমরা গ্রহণ করব। না। সহজ কথাটা যদি মেনে নেয় তাহলে মুসলিমদের মধ্যে কোন এখতেলাফ থাকে না। তারপরও কিছু মত পার্থক্য থাকবে। সেটা ইসলামের সৌন্দর্য। যেমন আপনি ফজরের আগে বেতরের নামাজ পড়ছেন। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে বেতেরের নামাজ পড়ছেন তারপরে দু রাকাত সুন্নত নামাজ পড়ছেন তারপরে ফরজ পড়ছেন ঠিক আছে। এই আমলটি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কর্তৃক স্বীকৃত এবং সুন্নাহ। কেউ যদি ঘুমানোর আগেই বেতের নামাজ পড়ে ফেলে। শেষ রাতে যদি নফল নামাজ পড়ার সুযোগ হয় পরল। পড়ে সুন্নত পড়ল ফজরের দুই রাকাত ফরজ পড়ল তার আমল কি বাতিল। তো বেতরের নামাজ ঘুমানোর আগে পড়লেও চলে শেষ রাতে পড়লেও চলে। ইসলামে এটা সৌন্দর্য না সুন্দর্য। মনে করেন আপনি যোহরের আগে চার রাকাত সুন্নত নামাজ পড়লেন। এটা হাদিস থেকে প্রমাণিত তো। কেউ যদি দুই রাকাত সুন্নত পরে হবে না। এটার হাদিস নাই। তাহলে এটা কি সৌন্দর্য না। কখনো এটা এমন করলে কখনো এটা আমল করলেন। অসংখ্য আমল আছে যেটা ইসলামের সুন্দর্য।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সাহাবীরা এভাবে আমল করেছে।আর এখন কি হয়েছে আমরা সাতকানার হাতি দেখার গল্প আছে না। কেউ বলেছে হাতি দেখতে খাম্বার মত কেউ বলেছে কুলার মত। পুরো হাতি সম্পর্কে এদের কারোই কোন ধারণা ছিল না। আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমরা ইসলামের অংশ বিশেষ কে ফলো করি। এর বাইরে আমরা কিছু পেলে মনে করি এটা ইসলামের নাই।তাই হয় না। আমি যত টুকু জানি বুঝি ততটুকু আমল করি । এর বাইরেও যদি কোন দলিল থাকে এটা মানার প্রতি আমাদের কোন আগ্রহ থাকে না। তখনই কিন্তু আমরা ইসলামকে নিয়ে দলীয়করণ এ চলে যাই। আর আস্তে আস্তে মুসলিম উম্মার ঐক্য টা নষ্ট হয়। ঐক্য নষ্ট হতে হতে আজকে কি অবস্থা তা তো দেখতেই পাচ্ছেন।নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলায় এই আমলটা করতেন। কি করতেন? আয়তাল কুরসি তেলাওয়াত করতেন। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ আমল করতেন সেটা হচ্ছে। সুরা বাকারার শেষে তিনটা আয়াত তেলাওয়াত করতেন। কোন কোন হাদিসে আছে দুইটা আয়াত তেলাওয়াত করতেন । এই যে কোন কোন হাদিসে আছে দুইটা আয়াত আবার কোন কোন হাদিসে আছে তিনটা আয়াত কেউ যদি দুইটা আয়াত পড়ে তাহলে কি তার আমল বাতিল হবে। আর যদি কেউ তিনটা পড়ে তাহলে আরো ভালো উত্তম।
রাতে সূরা বাকারার শেষ আয়াত ও রাতের নিরাপত্তা
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন রাতের বেলায় যদি কেউ এই আমলটা করে। শুধু এতোটুকুই পড়ে সুরা বাকারার শেষের তিন আয়াত বা দুটো আয়াত। সারা রাতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে ইনশাল্লাহুতালা। সারারাত নফল নামাজ পড়লে যেই নেকিটা হতো আপনার এই আমলটা করলে সেই নেকীটা হয়ে যাবে ইনশাল্লাহুতালা। এবং আরেকটা ব্যাখ্যা আছে সারারাতের দৃশ্য অদৃশ্য যে ক্ষতি আছে। বিশ্ব অদৃশ্যের অনেক ক্ষতি আছে এগুলো এখনকার সাইন্স বিশ্বাস করে না। আর সাইন্স বিশ্বাস করে না বলে আমরাও বিশ্বাস করব না এমনটা নয়। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন রাতের বেলায় বা সন্ধ্যা বেলায় তোমরা বাচ্চাদেরকে ছেড়ে দিও না। সন্ধ্যাবেলায় বাচ্চাদেরকে ছেড়ে দিও না। আগে ভালোভাবে সন্ধ্যাটা হয়ে যাক তারপরে ছাড়তে হলে ছেড়ো। তারপরে রাত যখন গভীর হবে তোমরা তখন এলোপাথারি ঘোরাফেরা করো না। কারণ এই সময়ে এমন কিছু মাখলুক আল্লাহপাক ছেড়ে দেন যাদেরকে তোমরা দেখো না। রাস্তাঘাটে বনে জঙ্গলে এইসময় ঘোরাফেরা করো না। এই সময় এমন কিছু মাখলুক আল্লাহ পাক ছেড়ে দেন যাদেরকে তোমরা দেখো না। এখন যদি বিজ্ঞান এটা প্রমাণ করতে না পারে এটা কি বিজ্ঞানের ব্যর্থতা নাকি ইসলামের ব্যর্থতা। যদি বৈজ্ঞানিকভাবে আপনি ব্যাখ্যা করতে না পারেন তাহলে তাহার অস্তিত্ব নাই। এটা ডাহা মিথ্যা কথা। যদি মুমিন হতে চান তাহলে এই কথার উপরে এসে ইসলাম কবুল করতে হবে। যদি মুমিন মুসলিম হতে চান তাহলে এই কনসেপ্টটার ঊর্ধ্বে এসে ইসলাম কবুল করতে হবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এবং তার নবী রাসুল যা বলেছেন সেটাই হচ্ছে চূড়ান্ত সত্য। সেটা আমরা প্রমাণ করতে পারি বা না পারি। এটা কি আমাদের অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে হবে। এটা হচ্ছে একটা মৌলবাদী কনসেপ্ট।আর এভাবে কেউ ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোকে না মানলে কেউ মুসলিমই হবে না। কথা কি বুঝতে পেরেছেন। তিনি বলেছেন রাতের বেলায় এমন কিছু মাখলুক বের হয় যাদের তুমি দেখো না। দুষ্ট জিন বের হয়। জিন জাতি নাই পৃথিবীতে। আল্লাহ পাক একটা জিন নামক গুট গোটা সূরা নাযিল করেছেন পড়েন নাই । জিনদের একটা দল কোরআন শুনে বলেছিল আমরা অদ্ভুত আজব একটা কোরআন শুনেছি। তারপর তারা গিয়ে তাদের কওমকে ইসলামের দাওয়াত দেয়। ওই কওম ইসলাম কবুল করে। এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের সেই সময়ের ঘটনা। যখন তিনি তায়েফ থেকে ফিরে আসছেন তায়েফবাসী যখন তাকে অত্যাচার করলো। তিনি নাখলাও উপত্যকায় এসে নামাজ পড়ছেন। ওই নামাজের কেরাত শুনে জিনরা ইসলাম কবুল করেছে। তো সূরা জিনা আল্লাহপাক এই কথা নাযিল করেছেন। তো আল্লাহ পাক যে বলছেন জিন জাতি আছে তো আল্লাহ পাক কি মিথ্যা কথা বলেছেন নাউজুবিল্লাহ । নাকি ন্যাসা যখন বলে এলিয়ান আছে সেটা সত্য। আর আল্লাহ বলছেন জিন জাতি আছে এটা মিথ্যা। তো আমাদেরকে আবার নতুন করে মুসলমান হওয়া লাগবে এখন। আমাদের কনসেপ্ট চেঞ্জ হয়ে গেছে। তো যেটা বলছিলাম রাতের বেলায় এইসব প্রাণী বের হয় যেটা নবীজি বলেছেন। অতএব আপনাদের বাচ্চারা যারা আছে এদেরকে সন্ধ্যাবেলায় বাহিরে ছেড়ে দিবেন না। এখন কিন্তু প্রচুর ঘটনা ঘটছে। প্রচুর জিন জনিত ঘটনা ঘটছে। রুকিয়া করা হচ্ছে যাদুটনা করা হচ্ছে বান করা হচ্ছে। হচ্ছে না।
জাদু, বদ নজর ও কুরআনের বর্ণনা
আর অনেক সময় আমরা মনে করি এখন সাইন্সের যুগ তো তাই আমরা মনে করি এগুলোর ভিত্তি নাই। কোরআন বলছে জাদু সত্য। কে বলছে? কোরআন বলছে। কোন সূরায় বলছে? সুরা বাকারা ১০১ নাম্বার আয়াত ১০২ নাম্বার আয়াত পড়ে দেখেন। বিশাল একটা আয়াত আছে। সোলাইমান আলাইহিস সাল্লামের সময় এই জাদু বিদ্যা ছড়িয়ে পড়ে। এই যাদু-টোনা শিখে মানুষ কি করছিল নারী পুরুষের মাঝখানে স্বামী স্ত্রীর মাঝখানে বিভেদ সৃষ্টি করছিল। এখন দেখেন না পরিবারের স্বামী স্ত্রীর বন্ধন ভেঙ্গে যায় না খুব ভালো সম্পর্ক। হঠাৎ করে সম্পর্ক খারাপ। কেউ কাউকে দেখতে পারেনা এমন হচ্ছে না। এই যাদুবিদ্যার সত্য। এবং এখনকার যে অনেক ভন্ড যে কবিরাজ গুলো বের হয়েছে। এরা জিনকে তাবে করে নিয়ে এই জিনদের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে জাদু ছড়িয়ে দিয়েছে। এবং এর ফলশ্রুতিতে বহু পরিবার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এই যাদুবিদ্যা সত্য। আরো একটা জিনিস সত্য। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন চোখের নজর সত্য। চোখের বদ নজর সত্য। এই যে আমরা বলি যে ফেসবুকে এত বেশি ছবি দিয়েন না। ভাই ছবি তুলেন না ভাই ছবি তুলে না কারণ কি জানেন। একটাই কারণ চোখ লাগাটা সত্য। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন চিরন্তন সত্য। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন আল্লাহ যা বলেছেন তার সবই চিরন্তন সত্য। এর বাইরে কোন সত্য আছে। দেখেন আমি বললাম যে যাদুবিদ্যার সত্য। এই জাদু বিদ্যার চর্চা মানুষ এখনো করে। আর এই যাদুবিদ্যা দিয়ে মানুষের ক্ষতি করার জন্য জ্বীনের প্রয়োজন হয় দুষ্ট জিন। এই জিন গুলোকে মানুষ তাবে করে মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করে। দেখবেন এখন গ্রামে গঞ্জে শহরে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে না। খুব সতর্ক থাকবেন। আমি আপনাদেরকে পরে সলিউশনটা বলে দিচ্ছি। আরেকটা বলেছেন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে চোখের বদনজর এমন সত্য একটা উটকে একটা রান্নার ডেক্সির মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলতে পারে। একজন সাহাবী গোসল করছিলেন গোসল এটা হাদিসে সহি যারা আলেম ওলেমা আছেন তারা জানেন এটা হাদিসের সহি। একজন সাহাবী গোসল করছেন তার গায়ে চামড়াটা খুব সুন্দর ছিল তার স্ক্রিনটা খুব ভালো ছিল। থাকেনা এমন কিছু মানুষ। এখন আরেকজন সাহাবী দূর থেকে দেখছেনএই সাহাবীকে। সাহাবীটা দেখে বলছেন কি চমৎকার তার গায়ে রংটা। মন যেন মনে হয় কুমারী নারীর মতো অনেকটা এমন ধরনের কথা বলেছিলেন। সাথে সাথে এই সাহাবী অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে। কোন সাহাবী? যেই সাহাবী গোসল করছিলেন। আপনি এখানে কোন ব্যাখ্যা করতে পারবেন না তো। কোন সায়েন্স দিয়ে বা মেডিকেল সাইন্স দিয়ে আপনি এখানে কোন ব্যাখ্যা দিতে পারবেন । কেন সেটা হল সেটার আনসার আপনি পাবেন না। তো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে যাওয়া হল সেই সাহাবীকে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যে এই ব্যক্তির ব্যাপারে ভালো-মন্দ কিছু বলেছিল। তখন একজন সাহাবী বললেন যে অমুকে বলেছিল এর স্কিন টা অনেক সুন্দর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যাও তাকে ডেকে নিয়ে আসো। দেখে আমার পরে নবীজি তাকে অনেক সাসালেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তোমরা তোমাদের ভাই কে কি মেরে ফেলতে চাও। তখন এই সাহাবী অবাক তিনি বললেন আমি আবার কখন মারতে চাইলাম ইয়া রাসুলুল্লাহ। আমি তো মারতে চাই নাই। আমি শুধু বলেছিলাম এর গায়ের রংটা অনেক সুন্দর। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন কেন তুমি সুবহানাল্লাহ বললে না কেন তুমি মাশাআল্লাহ বললে না।
নজর লাগা থেকে বাঁচা ও সোশ্যাল মিডিয়া
যখন মাশাল্লাহ বলবেন সুবহানাল্লাহ বলবেন তখন নজরটা লাগবেনা। যখন আপনি মাশাল্লাহ বলবেন না সুবহানাল্লাহ বলবেন না তখন দেখবেন নজরটা লেগে গেছে । আপনি বিশ্বাস করেন ব্যবসা খুব ভালো চলছে। তখন মানুষ বলবে বাহ তোর তো ব্যবসা হেব্বী লালে লাল শাহজালাল। দেখবেন আপনার কেনাবেচা বন্ধ হয়ে গেছে এবং এরকম হবে আমার কথাটা বিশ্বাস করেন। এটা কিন্তু সাইন্স প্রমান করতে পারবে না আল্লাহ এবং তার রাসূল বলেছেন। তার ওপরে কোন সত্য নাই আছে। সূরা কাহাফ ২৯ আয়াত পড়ে দেখেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলছেন সত্য সেটাই যেটা তোমার রবের পক্ষ থেকে আসে। যার ইচ্ছা হয় সে বিশ্বাস করুক যার ইচ্ছা হয় সে অস্বীকার করুক। এর জন্য বলি ফেসবুকে এত ছবি দেওয়ার শোডাউন করা আই ওয়াশ করা ইসলামের কিছু কাজ করলেন যেগুলো মানুষকে না দেখালে ঘুম হচ্ছে না এগুলো এগুলো বন্ধ করেন। এগুলো বন্ধ করে দেন আল্লাহর ওয়াস্তে। অফলাইনে কাজ করেন নিজেকে গোপন করার চেষ্টা করেন। যত বেশি মানুষের কাছে নিজেকে এক্সপোস করবেন কাজের বরকত কমে যাবে। কাজের বরকত কমে যাবে চোখ লাগবে নজর লাগবে। চোখ লেগে বহু আলেম আস্তে আস্তে মাঠ থেকে মাইনাস হয়ে গেছে না। এখন কি আলমের সংখ্যা বেশি না কম। কম। যতদিন যাবে আলিমের সংখ্যা আরো কমে যাবে।
নবীজি বলেছেন আলেমদের সংখ্যা কমতে থাকবে মানুষ জাহেলদেরকে আলেম বানিয়ে নেবে। তো প্রিয় ভাইরা যাদুবিদ্যা সত্য চোখের বদনজর সত্য। রাতের এই অনিষ্ট গুলো সত্য। রাতের বেলায় অনেক ক্ষতি আছে। এর জন্য নবীজি বলেছেন বাচ্চাদেরকে বাইরে বের করোনা। এবং তোমরাও রাত যত গভীর হবে এদিক ওদিকে ঘোরাফেরা করো না। দেখবেন রাত যত গভীর হয় আমাদের শহরগুলো তত জীবিত হয় তাই না। চায়ের দোকানে আড্ডা বেশি সিনেমা দেখছে ওই ক্যারাম খেলছে আড্ডা দিচ্ছে লুডু খেলছে। ঘুম নাই। ঘুম কখন ফজরের আগে আগে। ফজরের নামাজ কিন্তু নাই। ফজরের ঠিক আগে আগে এবং ওই যে জোহরের নামাজের আগে ঠিক ঘুম থেকে উঠতেছে। এখন আমাকে বলেন এইরকম জেনারেশনকে দিয়ে আসলে কি ইসলামের খেদমত হবে।নবীজির রাতের বেলায় তাড়াতাড়ি ঘুমাতেন। আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর তৌফিক দান করুন আমীন। হ্যাঁ আপনি ইলিম চর্চা কলে রাত জেগে থাকতে পারেন। আপনি জ্ঞান চর্চা করলে রাত জেগে থাকতে পারেন । আপনি কোন গবেষণা করছেন বা নামাজ পড়ছেন বা কোরআন হেপস করছেন এটা আলাদা বিষয়। আপনি রাতে তাড়াতাড়ি উঠবেন এটা আলাদা বিষয়। কিন্তু কমন ভাববে আমরা ফেসবুকিং ইউটিউবিং ইত্যাদিতে আমরা লিপ্ত থাকি সারাটা রাত আড্ডাবাজি করে কাটায়। এগুলো বন্ধ করতে হবে। এগুলো বন্ধ না করলে আমরা ফিজিক্যালি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারবো না। সারাদিনটা আমাদের অলসতা ভাবে যাবে। এবং দিনের বেলা কাজগুলো ব্যাহত হবে এতে করে আমাদের উম্মার বড় যে তরুণ প্রজন্ম আছে এদেরকে আপনি সম্পদে পরিণত করতে পারবেন না। তাই এই সিস্টেমকে চেঞ্জ করা দরকার। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা বাকারার শেষের তিনটা আয়াত তেলাওয়াত করতেন। আমরা করবো ইনশাআল্লাহ।
সূরা মুলকের ফজিলত ও কবরের আযাব
আরেকটা আমল বলে দেই নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলায় সূরা মূলক তেলাওয়াত করতেন। কোন সূরা? সূরা মুলক। এই সূরায় কয়টি আয়াত আছে। ৩০ টি আয়াত আছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন এই সূরা আপনাকে কবরের আজাব থেকে বাঁচাবে ইনশাল্লাহুতালা। কবরের আযাব থেকে ভাই বাঁচা খুব সহজ তাই না কি? আমাদের মধ্যে এমন কেউ নাই আলেম জালেম মুফতি রাজনৈতিক নেতা পলিটিশিয়ান বিরোধী দল সরকারের দল যে আছে না কেন কবরের শাস্তি ফেস করবেনা এমন একটা মানুষও নাই। কেউ নাই পৃথিবীতে। এই যে আপনি দেখছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ওই চায়না সভ্যতা ওই পশ্চিমা সভ্যতা এমন কেউ নাই এখন পৃথিবীতে যাকে কবরের শাস্তি ভোগ করতে হবে না এমন। আর আমাদের তো কবরের সবাই সাথে যাবে তাই না। গার্লফ্রেন্ড যাবে না বাপ মা ভাই বোন সবাই সাথে যাবে না কবরে। একজন ব্যক্তির সুদ খাচ্ছে তাকে জিজ্ঞেস করেন কেন খাচ্ছেন সুখ তাহলে বলবে আমার সন্তানের জন্য খাচ্ছি তার বউয়ের জন্য খায় তার বাবা-মাকে দেখতে হবে তার জন্য খায়। একজন ব্যক্তি ঘুষ খায় বলবে তার পরিবারের জন্য খায়। একজন ব্যক্তির দুর্নীতি করছে পুকুর চুরি করছে বলবে দুর্নীতি করছে আমার পরিবারের জন্য করছি। পরিবার ভালো থাকবে। সবার একই এক্সকিউজ। পরিবার যেন ভালো থাকে আমার সন্তানরা যেন ভালো থাকে। আগামী প্রজন্মের জন্য কিছু রেখে যেতে পারি তাই না। এরকম একটা মানুষ ও কি আপনার সাথে কবরে যাবে। আরে এই বোকা মানুষ কেন বোঝেনা যে আপনার কবরে আপনাকেই যেতে হবে। আপনি কি কারণে অন্যের কারণে আপনার পরকাল নষ্ট করছেন। অন্যের সুখের জন্য আপনি আপনার নিজের পরকাল নষ্ট করছেন। সুদ খাচ্ছেন দিব্যি মায়ের সাথে জেনা করছেন। আমি তিনটা হাদিস শোনাতে এসেছি। এক নাম্বার হচ্ছে আল্লাহর নবীর মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন সুদের পাপের ৭৩ টা শাখা আছে। কোন হাদিসের ৭০ টা আছে কোন হাদিসের ৭৩ টা আছে।বলছেন সুদের সবচেয়ে নিচে যে শাখা টা আছে যেন কোন ব্যক্তি তার মাকে রেপ করলো তার মাকে ধর্ষণ করল। এক দিরহাম যে ব্যক্তি সুদ খায় সহীহ বুখারীতে আরেকটা হাদিসে এসেছে সে যেন ৩৬ টা মেয়েকে ধর্ষণ করল। নবীজি বলেছেন এক দিরহাম যে ব্যক্তি সুদ খায়। দিরহাম মানে কি রূপ্য মুদ্রা এটা এখন দেখতে পারবেন না জাদুঘরে আছে। এখন সব কাগজের মানি একসময় ছিল দিরহাম। বিখ্যাত একজন খলিফা ছিল হারুনুল রশিদ নাম শুনেছেন। বলা হয় হারুনুর রশিদ আব্বাসের খলিফা সময় ছিলেন তিনি বলা হয় তিনি প্রতিদিন ১০০০ দিরহাম মানুষকে দান করতেন। দৈনিক ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়তেন। ওই যে দিরহাম মানে একটা রূপ্য মুদ্রা। এক দিরহাম যে ব্যক্তি সুদ খায় সে ব্যক্তি ৩৬ টা মেয়ের সাথে জেনা করলো বা ৩৬ টা মেয়েকে ধর্ষণ করল নাউজুবিল্লাহ। আরো একটা হাদিসে এসেছে। এটা কোরআনেও আছে হাদিসে তো আছে এটা কোরআনেও আছে। আল্লাহ পাক বলছেন হে মুমিনগণ তোমরা আল্লাহ পাককে ভয় কর। সুদের অবশিষ্ট যেই টাকাগুলো আছে চক্রবৃত্ত ভাববে সেগুলো ছেড়ে দাও। যদি তোমরা এটা না করো তাহলে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের সাথে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে রাখো।
সুদের ভয়াবহতা ও পাপের পরিণাম
এই যে সুদের মাপের সবচেয়ে উঁচু শাখাটা হচ্ছে এইটা। যে ব্যক্তি সুদ খাচ্ছে যে দিচ্ছে যে ব্যক্তি লিখে রাখছে যে ব্যক্তি সাক্ষী থাকছে। চারজনকে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন সমান পাপি। এবং প্রতি দিরহানে ৩৬ বার ধর্ষণের পাপ লিখা হচ্ছে। এখন আমি বলি একজন ব্যক্তি যদি আপনাদের এলাকায় পাওয়া যায়। একজন ছেলে হোক বা একজন মেয়ে হোক। যে ব্যক্তি নিয়মিত জেনা করে আপনি তাকে কিভাবে ট্রিট করবেন। আপনি কি তাকে সম্মান করবেন তাকে সালাম দিবেন। তার বাসায় গিয়ে খাবেন। সে যদি আপনাকে দাওয়াত করে তাহলে তার বাসায় যাবেন। একটা মেয়ে যদি একদিন জেনা করে তাহলে আপনি তার সাথে এমন করবেন। আর একটা মানুষ যে প্রতিদিন সুদ খাচ্ছে প্রতিদিন যেনা করছেন তাও আপনার কোন ফিলিংস নাই। আপনার ফিলিংস নাই কেন সেটা আমি বলছি। ফিলিংস নাই এই কারণে যে আপনার এই দেহের মধ্যে একটা আত্মা আছে। যেটাকে রুহু বা কলক বলে একটা কথা আছে না। এই কলবটা আপনার মরে গেছে জীবিত নাই। আপনার দেহের মধ্যে কোন কলব নাই। আর কলব থাকলেও সেটা মুরদা সেটা জিন্দা না। এটা জিন্দা হবে কোথায় ওই যে আল্লাহ ওয়ালা মানুষের কাছে যান। গিয়ে দেখবেন তিনি আপনাকে মৌতের কথা স্মরণ করাবে। কোরআন ধরায় দিবে জিকির ধরায় দিবে নামাজ ধরায় দিবে। আস্তে আস্তে দেখবেন আপনার কলবটা আবার জিন্দা হবে ইনশাল্লাহ তায়ালা। এই মৃত কলব নিয়ে আপনাকে নসিহত করে আমারও কোন লাভ নাই। আমি যে নসিহত করছি আসলে আমার কোন লাভ নাই কারণ আপনার কলবটা মৃত। আগে কলবটা জিন্দা করতে হবে। কলব জিন্দা হবে দুইটা কাছে মাত্র ২ টা কাজ। এক বেশী বেশী কোরআন তেলোয়াত পারা যাবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাকে তৌফিক দিক এবং আপনাদেরকেও তৌফিক দেন। আর দুই বেশি বেশি আল্লাহর জিকির।চলতে ফিরতে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। চলতে ফিরতে পড়তে হবে। যত জিকির জানেন চলতে চলতে করতে থাকেন কলব জিন্দা থাকবে। কলব জিন্দা না হলে নসিহত ঢুকে না ভেতরে। এই যে আপনি একটা কথা শুনছেন আপনি নসিহত গ্রহণ করছেন। কিন্তু আরেক ভাই শুনছে তিনি গ্রহণ করছেনা। কারন কি জানেন? কারণ হচ্ছে আপনার কলবটা জিন্দা আর তার কলবটা হচ্ছে মৃত কারণ এতোটুকু। কুরআন-সুন্নাহ সবার কাছে আছে না। সবাই তো পড়ে হেদায়েত পাচ্ছে না পাচ্ছে। কিছু মানুষ পাচ্ছে কিছু মানুষ পাচ্ছে না। কারণ কি? কারণ এক তার মনের মধ্যে অনেস্টি নাই সততা নাই। দুই হচ্ছে তার কলবটা মুর্দা যদি কলবটা জিন্দা থাকতো মনের মধ্যে সততা থাকতো। আল্লাহ পাক তাকে হেদায়েত দিতেন ইনশাল্লাহুতালা। যদি অমুসলিম ভাই-বোনেরা থাকে তাদের মনের মধ্যে সততা থাকে। আল্লাহ পাক কোন না কোনদিন তাদেরকে হেদায়েত দিবেন ইনশাআল্লাহ তায়ালা দেখে নিয়েন। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তরোয়াল নিয়ে যান নাই আঘাত করতে। যান নাই আঘাত করতে ঘটনাটা কি জানেন না। তিনি কিন্তু সৎ মনের মানুষ ছিল হয় ডানে যাব না হয় বামে। মাঝে মাঝি এসবের মধ্যে আমি নাই। হয় মানবো না হলে মানবো না। তিনি সৎ ছিল সৎ মনের মানুষ ছিল।
অন্তর জীবিত রাখার উপায়
কেউ জুলুম করলে তিনি জালেমের পক্ষ নিতে না মাজলুমের পক্ষ নিতেন সরাসরি। একদম সরাসরি ডানে-বানে দেখার তার সময় ছিল না। যে সততা ছিল তার মনের মধ্যে দেখেন আল্লাহ পাক হেদায়েত দিয়ে তাকে দ্বিতীয় খলিফা বানিয়ে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ । অবশ্যই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দোয়া ছিল এখানে অবশ্যই তিনি দোয়া করেছিলেন। তিনি দোয়া করেছিলেন আল্লাহ দুইজনের মধ্যে একজনকে তুমি হেদায়েত দিও। কে কে? হয় আবু জাহেল ইবনে হিশাব না হলে ওমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু। আল্লাহ পাক ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কবুল করেছেন আলহামদুলিল্লাহ । এখনো যদি আল্লাহ পাক কারো মনের মধ্যে সততা দেখেন ইনশাল্লাহুতালা আল্লাহ পাক আপনাকে হেদায়েত দিবেন ইনশাল্লাহ। আপনি নামাজ পড়ছেন না মনটা অনেস্ট আপনার কারো ক্ষতি করছে না। কারো ক্ষতির মধ্যে আপনি নাই কারো সম্পদ লুট করছেন না। ইচ্ছা করে কারো ক্ষতি করছেন না। কাউকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছেন না। আপনি সৎ আছেন মনের দিক থেকে। আল্লাহ চাইলে আপনাকে নামাজি বানিয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ তায়ালা। বানাই দিবে ইনশাল্লাহ তায়ালা একদিন না একদিন কারণ আপনার মনের মধ্যে সততা। একজন ব্যক্তি মিউজিক করছে কিন্তু মাদকাস গ্রহণ করছে না জাস্ট মনে তৃপ্তির জন্য করছে আল্লাহ কে সে বিশ্বাস করে আল্লাহর সাথে ওই ইবলিশের মত আচরণ করে না। আল্লাহ চাইলে তাকে একদিন হেদায়েত দিতে পারেন ইনশাল্লাহুতালা। একজন ব্যক্তি মাদক গ্রহণ করছে সে মাদক গ্রহণ করছে তার মনের কষ্টে হতাশায়।হতাশায় চাকরি বাকরি পায় না পরিবারের চাপ গালফ্রেন্ড ছেড়ে চলে যাচ্ছে। এখন মদ খাওয়া শুরু করেছে। ও মনে করছে এখানে গেলে শান্তি পাবে। কিন্তু আল্লাহ বলে একজন আছে সে বিশ্বাস করে। নামাজ মানে কুরআন মানে কেবলা মানে নবীকে ও মানে। কিন্তু সে জানে আমি একটা পাপ করছি কিন্তু তার মনটা সৎ। আল্লাহ চাইলে ওই ব্যক্তিকে তওবার সুযোগ দিতে পারে ইনশাল্লাহ তায়ালা। কাকে দিবেন না জানেন? এখনকার বুদ্ধি বিক্রেতা গুলোকে নাও দিতে পারে। যারা জানে কোরআন সত্য। যারা জানে হাদিস সত্য। যারা জানে ইসলামী চূড়ান্ত ধর্ম। যারা জানবে সত্য মিথ্যার চূড়ান্ত মানদণ্ড আল্লাহর ওহী তারপরেও দুনিয়ার স্বার্থে পলিটিক্যাল স্বার্থে সমাজের স্বার্থে সেই ইসলামের বিরোধিতা করছে আল্লাহ পাক এদেরকে হেদায়েত দিবেন না। এত সহজ না মনটা সৎ হতে হয় আগে। যারা জানে কুরআন সুন্নাহ চিরন্তন সত্য তারপরও তারা এর বিরোধিতা করে আল্লাহ পাক তাদেরকে হেদায়েত দেন না। আল্লাহপাক বলেছেন কুরআনে যে সবাইকে আমি হেদায়েত দিবো না। সবাইকে দিব না বরং বেশিরভাগ কেই দিব না। আমার শুকুর গুজার বান্দা হবে খুবই অল্প। আমার এই উম্মতের মধ্যে ৭৩ টি দল। তার মধ্যে একদল জান্নাতে যাচ্ছে তাই না। আমি যার উপরে আছি আমার সাহাবীরা যার উপরে আছে। আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে সৎ হৃদয়ের লালন করার তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। যেটা জানি না হয়তো আমল করতে পারছি না। যেটা জেনেছি হাদিসে আছে যেটা জেনেছি কুরানে আছে যেটা জেনেছি ইসলামে আছে এটা মানবো ইনশাল্লাহ। এটা আমার বুঝে আসুক আর না আসুক। জানছি এটা অন্যায় এটা পাপাচার এটা অশ্লিতা এটা নাজায়েজ কোরআন সুন্নাহর মানদণ্ডে এটা চলেনা। কুরআন সুন্নাহ চলে না আমিও মানবো না সিম্পল।
সততা ও হেদায়েতের প্রসঙ্গ
পড়াশোনায় চলে না কিন্তু কেউ যদি জোর করে মানায় তখন কি করবেন। শেষ রাতে দুই হাত তুলবেন আর আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন আল্লাহ আমি তোমাকে এই শত্রুদের সামনে দাঁড় করিয়ে দিলাম এখন তুমি বুঝ। কথা বুঝতে পারেন নাই আপনি আল্লাহকে বলবেন আল্লাহ আমরা তোমাকে ইসলামের বিরোধী শক্তি এবং মুসলিমদের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে দিলাম। তুমি এদের সাথে বোঝাপড়া করো আল্লাহ আমার ক্ষমতা নেই। আল্লাহ পাক পারবেন না। আল্লাহ কি দুর্বল? না আল্লা দুর্বল নয়। আবার এভাবে বলতে পারেন আল্লাহ যেভাবে ইচ্ছা তুমি এদের বিরুদ্ধে আমার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাও। এই দোয়াটা কে করেছিল? সূরা বুরুজ পড়েছিলেন। সূরা বুরুজে একটা বালকের কথা বলা হয়েছে না। সে বালককে যে তীর মারা হলো। বালককে মারা হয় বালক মরে না। বালককে পাহাড় থেকে ফেলে দেয় মরে না সমুদ্র থেকে ফেলে দেয় মরে না। পরে বালক বলছে একটা কাজ করেন রাজা কে বলছে একটা কাজ করেন। সব জনগণকে একটা মাঠে জড়ো করেন। তারপর একটা তিন নেন নিয়ে বলেন বিসমিল্লাহি রাব্বিল হাদাল গোলাম। এই বালকের রবের নামে আমি তীর ছুরলাম এটা বলেন আমি মারা যাব। এই বালক নিজের জীবনটা উৎসর্গ করলো এইভাবে। তখন ওই স্বৈরাচারিক শাসক কি করল? ওই তীরটা বের করে বিসমিল্লাহি রাব্বিল হাদাল গোলাম বলে তীর ছুরলো বালকটি মারা গেল। বালকটি শহীদ হয়ে গেল। এ দৃশ্য দেখে এলাকার সমস্ত মানুষ বুঝলো এই রাজা আল্লাহ নয় এর ওপরেও একজন আল্লাহ আছে যার নামে তীর ছুড়েছে তারপরে এই বালকটি মারা গেছে। তখন এই সবগুলো লোক মুসলিম হয়ে যায় । তখন ঐ রাজা কি করেছিল এই সকল মানুষকে আগুনে ফেলে দিয়েছিল। পড়ে দেখেন। মারেফেল কুরআন পড়েন, পড়ে দেখেন। ওখানে দেখেন সবাইকে আগুনে ফেলে দিয়েছে শেষমেশ একজন মা এবং তার কোলে একটা ছোট্ট বাচ্চা। মা এখন লাফ দিতে ভয় পাচ্ছে বাচ্চা আছে কোলে। ঠিক সেই মুহূর্তে সে বাচ্চা কথা বলে উঠেছে। সে বাচ্চা বলছে হে আম্মা তুমি লাফ দাও ভয় পেয়ো না যে আগুন তুমি দেখছো তার নিচে জান্নাত আছে সুবহানাল্লাহ । ইতিহাসে তিনজন শিশু কথা বলেছে দুগ্ধ পোষ্য শিশু তার মধ্যে এই বাচ্চা একজন। আরেক জনকে ঈসা আলাইহিস সাল্লাম তিনি কথা বলেছিলেন না। আল্লাহ পাক চাইলে এটা করতে পারে না। এখনকার বিজ্ঞান কি বলবে একটা বাচ্চা কথা বলতে পারে তাও দুই মাসের বাচ্চা। তারমানে আল্লাহ ভুল বিজ্ঞান সত্য। নাকি বিজ্ঞান ভুল আল্লাহ সত্য কোনটা। আপনাদের আকিদা ঠিক করেন। এক কথা কুরআন-সুন্নাহ যা আছে এর বাইরে সত্যের কোন উৎস নাই। আছে না নাই। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে কুরআন সুন্নাহর সাথে যা কিছু মিলে যাক না কেন যে কোন থিওরি যে কোন মতবাদ মানতে কোন আপত্তি আছে। না নেই। আর কুরআন সুন্নাহর সাথে যা মিলবে না মানবো। না মানবো না। মানবো না বললে কি আমরা আক্রমণ করতে যাব। না। আমরা কি করব? আমরা আমাদের মতামত টা প্রচার করব। ধর্মে কি বাড়াবাড়ি আছে। না নেই। জোর করে কি মুসলিম বানানো যাবে। না যাবে না।
কঠিন সময়ে দোয়া ও আল্লাহর উপর ভরসা
আমরা ইসলামের দাওয়াতটা দিব কিভাবে? জ্ঞান দিয়ে দর্শন দিয়ে দলিল প্রমাণ দিয়ে মানুষের সামনে উপস্থাপন করব। যারা গ্রহণ করার করবে যারা গ্রহণ না করার করবে না। তোমাদের দ্বীন তোমাদের আমাদের দ্বীন আমাদের। আল্লাহর নবীকে আল্লাহপাক বলেছেন তুমি শুধু উপদেশ দাও তুমি শুধু উপদেশ দাতা। তুমি কারো প্রতি দারোগা নও। জোর করে চাপিয়ে দিতে হবে না ইসলাম। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে পরিপূর্ণ ইসলাম পালন করার তৌফিক দান করুন আমিন । রাতটা কিভাবে ইনজয় করতে হয় এটাই আমাদের আজকের লেকচারের টপিক। মানে আমরা জীবনটাকে অনেক বোওর মনে করছি না। এই যে ব্যবসা-বাণিজ্য চাকরি বাকরি বিবি বাচ্চা অনেক যন্ত্রণা তাই না অনেক সমস্যা তাই না । কিন্তু আল্লাহ পাক ইসলাম দিয়েছিলেন জীবনটা উপভোগ করার জন্য। আমরা আগে ভাবতাম আল্লাহ পাক ইসলামটা আসলে কি জন্য দিলেন। এক ইহকালীন সাফল্য। দুই পরকালের মুক্তি। আর তিন হচ্ছে জীবনটাকে উপভোগ করার জন্য। আপনি জীবনটা কে ইসলাম দিয়ে যেভাবে উপভোগ করতে পারবেন অন্য কোন বিষয় দিয়ে পারবেন না। পারবেন। আসেন দেখেন কিভাবে? রাত নিয়ে কথা বলি । এই যে রাতটা হয়ে গেল আমরা আইতাল কুরসি পড়বো। আমরা সুরা বাকারার শেষের তিন আয়াত পড়বো। আমরা সূরা মূলক পড়বো।আল্লাহ পাককে যে ভয় করবে আল্লাহ পাক তার জন্য রাস্তা খুলে দিবে ইনশাআল্লাহ তা'আলা। এবং এমন উৎস থেকে আল্লাহ পাক রিজিক দিবেন যেটা সে কল্পনাও করতে পারবে না। এটা আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখেন জাস্ট। ওই ইসমাইল আলাইহিস সাল্লাম এর মায়ের মত হাজেরা আলাইহিস সাল্লাম ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাম কে বলছেন আপনি আমাকে এখানে ছেড়ে যাচ্ছেন কি জন্যে? ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাম বলছেন আল্লাহর আদেশে। তখন তিনি বলছেন তাহলে আল্লাহ আমাকে ফেলে দিবে না ইনশাআল্লাহ। সে মায়ের গর্ভ থেকে ইসমাইল আলাইহিস সাল্লাম এর মতো সন্তান জন্ম হলো। যেই সন্তানকে বাবা বলছে আমি তোমাকে জবাই করছি স্বপ্নে দেখেছি। তোমার রায় কি? সে বলেছে আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে আপনি সেটাই করেন। ইনশাল্লাহ আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন। দেখেন কোন মায়ের গর্ভ থেকে কোন সন্তান। তাকে কি তার বাবা মানুষ করেছিলেন? না তাকে তার মা মানুষ করেছিলেন। ঐ রকম তাওয়াক্কুল হাজেরা আলাইহিস সাল্লাম এর মত মা যদি ঘরে ঘরে থাকে বোন আর স্ত্রী যদি ঘরের ঘরে থাকে তখন ইসমাইলই প্রজন্ম আসবে ইনশাল্লাহ। আর আমাদের মধ্যে দেখছেন না এখন কি হচ্ছে মারামারি কাপড় খোলা কাপড় ছাড়া ব্লাউজ ছাড়া শাড়ি কি চলছে এগুলো মাশাল্লাহ । মানে কি যে চলছে ভাই জগতে এখন। বলতেও গা ঘিনঘিন করে ভাবতেও গা ঘিনঘিন করে। কিছু যে নসিহত করব এটাও মন থেকে বাধা চলে আসে। আসলে কি করবো কি বলবো। একটা বিষয় থাকে না যে পরিস্থিতি এমন খারাপ যে কথা বলার ভাষা ও থাকেনা। যে আপনি বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন।এমনি বাকরুদ্ধের সময় চলতেছে। মানে বলার আর কিছুই নাই কি বলবেন। আস্তে আস্তে কাপড় খুলতে খুলতে খুলতে এখন বিকিনি পড়ে ঘুরতে চায়। মেয়েদেরকে দেখেন মেয়েরা কলেজে পড়তে গিয়ে এখন কি করছে? আপনি আপনার মেয়েকে ওখানে কলেজে পড়তে পাঠাচ্ছেন ওখানকার হোস্টেলে রাখছেন।
ধৈর্য ও দাওয়াতের পদ্ধতি
যেখানে একটা মেয়েকে মাহরাম ছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর করতে নিষেধ করেছেন। সেখানে আপনার মেয়েকে কোন শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য রাতের পর রাত কাটাতে দিচ্ছেন। তারা নিজেরাই বলছে মেয়েদেরকে ফোর্স করে যৌন কাজে বাধ্য করা হচ্ছে। মানে ইজ্জত চলে যাক, যাক ভাই আমার সার্টিফিকেট চাই। কতজন আমার সাথে কি করার করুক কিন্তু আমার সার্টিফিকেট চাই। একটা অনার্স এবং একটা মাস্টার্স এর সার্টিফিকেট চাই এটা দিয়ে আমি বিসিএস ক্যাডার হব এটা দিয়ে আমি প্রাইমারি স্কুলের টিচার হব। এটা দিয়ে আমি জাতি গঠন করব। পরে এরাই তো আপনার ঘরে বউ হিসেবে আসবে। তখন আপনার কি অবস্থা হবে চিন্তা করেন এখন। তো আমরা ভাই এখন কোথায় আছি।আল্লাহ পাক আমাদেরকে বোধগম্য দান করুক। তো একটা হাদিস না বললেই নয়। এই কথায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন হুবহু এই কথাই। একদম এটাই। যে ফেতনা ধেয়ে আসছে। তার স্ত্রী জাইনাব ইবনে জাহাজ বলছেন ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে সৎ মানুষ থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব। সুন্দর প্রশ্ন না। নবীজি বলছেন তোমরা ধ্বংস হয়ে যাবে যখন এরকম নগ্নতার অশ্লীলতা বেহায়াপনা ছড়িয়ে পড়বে তখন সৎ অসৎ আলেম জালেম সব ধ্বংস হয়ে যাবে। জাতি গঠন করবেন। আল্লাহ পাকের গজব সময়ের ব্যাপার মাত্র। আল্লাহপাক শুধু আসমানি বালা দেয় না জমিনের বালা দিতে পারেন। আল্লাহ পাক মুসলিম মুসলিমদের মধ্যে ফাসাদ লাগিয়ে দিতে পারেন। আল্লাহপাক বহি শত্রুকে আপনার উপর চাপিয়ে দিতে পারেন। আল্লাহ পাক দুর্ভিক্ষ দিতে পারেন আল্লাহ পাক মহামারী দিতে পারেন। আল্লাহ পাক কুম্ভল ফায়া কুম্ভ হতে পারেন। সে এ সবকে ভুলে গিয়ে এসব প্রগতি শীলতার নামে যখন নগ্নতার চর্চা হচ্ছে।অশ্লীলতার চর্চা হচ্ছে আর আমরা এসব মুখ বুজে সহ্য করছি। মাদক পর্ন ব্যভিচার যেন সব চলছে চোখের সামনে। আমাদের কিচ্ছু বলার নাই সব চলছে চোখের সামনে। এটা সময়ের ব্যাপার যে আল্লাহ পাকের গজব কখন আসবে। আর যখন আসবে আলেম জালেম কাউকে ছাড়বে না ইনশাল্লাহুতালা। আমাকে আপনাকে কাউকে ছাড়বে না ইনশাল্লাহতালা দেখে নিয়েন। আর একটা কথা বলেছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই শ্রেণীর মানুষ আসবে কেয়ামতের আগে যাকে আমি দেখি নাই, আমি দেখি নাই। তখন সাহাবীরা বলছেন কারা ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। একজন বলছেন এক শ্রেণী হচ্ছে এমন এক শ্রেণীর পুরুষ। কারা এরা? যাদের হাতে লম্বা লম্বা লাঠি থাকবে লাঠি। এই লাঠি দিয়ে তারা মানুষকে পিটাবে। এটা হচ্ছে আমরা নিজেরাই। আপনি এবং আপনার ভাই দুজনেই মারামারি করছেন। সবার হাতেই লাঠি। অথচ উভয়েই মুসলিম। অথচ একজন মুসলিম যখন আরেকজন মুসলিমের এগেনস্টে যুদ্ধ করতে যায় বা মারামারি করতে যায়। যে মরবে এবং যে মারবে উভয়ই অপরাধি। হাদিস রিয়াদ এ সলিহীন বইয়ের মধ্যে আছে দেখে নিয়েন। তারপর নবীজি বলছেন দ্বিতীয় শ্রেণীর হচ্ছে এক শ্রেণীর মহিলা আসবে আমি দেখি নাই। মানে ওই যুগে ছিল না। আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগেও এই রকম বর্বর ধরনের মেয়ে ছিল না তারমানে বুঝতে পারছেন । আইয়ামে জাহিলিয়াত যুগটাকে এখন যেমন বর্বর বলে না। বর্বর সেকেলে মধ্যযুগীয় এই সব কথা বলে না। ওই যুগে এই মানুষগুলো ছিল না তার মানে। নবীজি বলেছেন আমি ওদেরকে দেখি নাই। তারা কারা? একশ্রেণীর মহিলারা যারা কাপড় পরবে তাও নগ্ন থাকবে। কাপড় পড়বে কিন্তু নগ্ন থাকবে।
হাজেরা ও ইসমাঈল আলাইহিমাস সালামের ঘটনা
এক শ্রেণীর নারী যারা কাপড় পড়েও নগ্ন থাকবে। যারা নিজে মানুষকে আকৃষ্ট হবে এবং নিজেও আকৃষ্ট করবে। এরা জান্নাতের গন্ধও পাবে না। এখন ভেবে দেখেন আমার ঘরে সে রকম মেয়ে আছে কিনা আমার ঘরে সে রকম বোন আছে কিনা। আমার ঘরে তেমন ওয়াইফ আছে কিনা। এখন আপনি যদি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে সর্বোচ্চ স্থানে রাখেন তাহলে আল্লাহর ওয়াস্তে তাদেরকে ঠান্ডা মাথায় বুঝানোর চেষ্টা করেন। বুঝান তাদের ফাংশন টা কি। দুনিয়ায় তাদের ফাংশন টা কি। দুনিয়ায় মেয়েদের ফাংশন টা কি। একটা পরিবার একটা মেয়ের ফাংশনটা কি। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে একটা স্ত্রীর ফাংশনটা কি। এগুলো ওদেরকে বুঝান। তবে হ্যাঁ এক শ্রেণীকে আপনি বুঝিয়ে কুল পাবেন না । তারা কারা এটাও হাদিসে এসেছে? পরিস্থিতি বুঝেন। পরিস্থিতি বুঝলে আমাদের করণীয় বের হয়ে আসবে। আমি অনেকদিন বলেছি জ্ঞান অর্জনের কোন বিকল্প নাই। জ্ঞান অনুযায়ী আমলের কোন বিকল্প নাই। আদর্শ পরিবার গড়ার কোন বিকল্প নাই। পরিবারের মেয়েদেরকে পর্দায় রাখার কোন বিকল্প আছে। না, নাই। এমনকি আমাদের ছোট ছোট ছেলে মেয়ে যারা এখন জন্ম নিয়েছে। এদেরকে ছোটবেলা থেকে ইসলামের অনুশাসন দিতে হবে। না হলে বড় হয়ে বিগড়ে যাবে। চতুর দিকে ফিতনা এরা তো বিগড়ে যাবেই।হালাল রিজিকের কোন বিকল্প নাই। দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করে দ্বীনি মানুষের সাথে থাকার কোন বিকল্প নাই। একা একা থাকতে যাবেন না। দ্বীনের বুঝ আছে এমন মানুষের সাথে থাকবেন একসাথে থাকবেন। যেখানেই থাকেন যে নামেই হোক একসাথে থাকবেন। ইসলামে তো অনেক দলাদলি আছে না যে নামেই হোক একসাথে থাকবেন। যেকোনো ব্যানারেই হোক আপনি থাকেন। এটলিস্ট আপনি ভাল মানুষদের সাথেই থাকেন এটা ভালো হবে । ইনশাল্লাহ আল্লাহ পাক চাইলে সবার মাঝে এক সময় ঐক্য দিয়ে দিতে পারেন ইনশাল্লাহু তায়ালা। আর যারা ইন্টেনশেলালিআল্লার ঐক্যের বিরোধী এদেরকে আল্লাহপাক ধ্বংস করে দিবেন সমস্যা নাই । কারণ আল্লাহ বলে তো একজন আছেন তিনি সব দেখেন ইনশাল্লাহ। আর হচ্ছে আপনার জ্ঞানটাকে আল্লাহর কল্যাণে কাজে লাগান। আপনার সম্পদ আপনার জানমাল ইসলামের কল্যাণে কাজে লাগান। আক্রমণাত্মক হবেন না শৈথুল্যবাদী হবেন না। চরমপন্থী হবেন না আবার ওই যে গোল আলু মার্কাও হবেন না। গোল আলু কি ওই যে সব তরকারিতেই চলে। যখন দেখবে একটা বিষয় আসছে। আস্তে করে পাশ কেটে এমন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলবে যেটা নিয়ে এখনকার বিষয়ে কোনো সম্পর্কে নাই। দেখবেন পুরো বিষয়টা বিষয় নিয়ে চলছে দেশ একটা বিষয় নিয়ে গরম তখন কথা হচ্ছে মেয়েরা নেলপলিশ দিতে পারবে কিনা। এই সুড়সুড়ি মার্কা ইসলাম নিয়ে চলার দরকার নাই। যখন যেটা সামনে আসবে সেটা ফেস করতে হবে। এবং সেটা চরমপন্থায় না আক্রমণতক ভাবে না। মানুষকে হেকমার সাথে নসিহতের সাথে ঠান্ডা মাথায় যুক্তি প্রমাণ দিয়ে বোঝাতে হবে। এরপরে যারা বুঝবে আলহামদুলিল্লাহ। আর যারা বুঝবে না এদের দায়িত্ব কার হাতে আল্লাহর হাতে। আল্লাহ চাইলে হেদায়েত দিতে পারেন আল্লাহ চাইলে গজব দিয়ে শেষ করতে পারেন। এটা আল্লাহ পাকের এক্তিয়ার। তো আসেন এই আমলের সাথে আরো কয়েকটা আমল বলে দেই।সেটা হলো রাতের বেলায় অবশ্যই সুরা কাফিরুন একবার পড়বেন। এই সূরা যে ব্যক্তির রাতের বেলা একবার করে পড়বে আল্লাহপাক তাকে শিরিকের পাপ থেকে বাঁচাবে। আর শিরিকের পাপ সবচেয়ে মারাত্মক। যার আমলনামায় শিরিকের পাপ আছে সে ব্যক্তি জান্নাতে যাচ্ছে না। এটা স্পষ্ট কথার সূরা নিসার মধ্যে আছে এবং অন্য অনেক জায়গাতেই আছে।
নারীর পর্দা ও পারিবারিক শিক্ষা
আল্লাহ পাক সবগুলো মাফ করতে পারেন শিরিকের পাপ মাফ করবেন না। তওবা করলে আল্লাহ পাক মাফ করবেন। তওবা করে আবার ইসলামের দিকে ফিরে আসতে হবে। আল্লাহ পাক তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। শিরিকের পাপ থেকে বেঁচে থাকেন। আর শিরিকের পাপ সম্পর্কে জানার জন্য কিতাবুল তাওহীদ নামের একটা বই আছে সেই বইটি পড়ুন। আর রাতের বেলায় ৩৩ বার সুবহানআল্লাহ পড়বেন ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ পড়বেন এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পড়বেন। এরপরে আপনি রাতে আরলি ঘুমিয়ে যান। এরপরে আপনি রাতের বেলা যতোটুকু ঘুমাবেন এই সময়টুকু ইনশাআল্লাহ আপনার আমলনামায় ইবাদত বলে গণ্য হবে ইনশাআল্লাহ । যদি দেখেন রাতের বেলায় দুঃস্বপ্ন দেখছেন। যখন দুঃস্বপ্ন দেখবেন তখন বাম দিকে তিনবার থুথুর ফেলবেন। কারো গায়ের থুথু ফেলবেন না থুথু ফেলার ভান করবেন। তারপরে পাশ পরিবর্তন করে ঘুমাবেন। দুঃস্বপ্ন মানুষ দেখতে পারে। আর দুঃস্বপ্ন মানুষকে শয়তানের পক্ষ থেকে দেখানো হয়। আর আপনি যদি পবিত্র অবস্থায় ঘুমান। অজু করে ঘুমান। আমুল গুলা করতে করতে ঘুমান। দুরুদ শরীফ পড়তে পড়তে ঘুমান। আল্লাহর জিকির করতে করতে ঘুমান। আপনি আল্লাহর হুকুমে সত্য স্বপ্ন দেখতে পারেন। এটাও হাদিসে আছে। সত্য স্বপ্ন বলতে একটা বিষয় আছে। সত্য স্বপ্ন যদি আপনি দেখেন মনের মধ্যে যদি সেটা আপনাকে আনন্দ দেয়। তাহলে আপনি প্রিয় কোন মানুষকে বলবেন। আপনার মা আপনার স্ত্রী বা আপনার কাছের কেউ। আর দুঃস্বপ্ন দেখলে কাউকে বলতে যাবেন না। যদি দুঃস্বপ্ন দেখে উঠে আল্লাহর কাছে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বেন। আল্লাহ আমি এই দুঃস্বপ্ন দেখেছি আল্লাহ তুমি আমাকে এই অনিষ্ট থেকে তুমি আমাকে বাঁচাও। প্রয়োজনে একটু সদাকা করবেন। আর দাম সদকা এখন তো মানুষ কমিয়ে দিয়েছে তাই নাকি। আল্লাহ সমিতিতে টাকা দিতে প্রস্তুত কিন্তু আল্লাহর পথে দান করতে চায় না। তো এদের সম্পদে কোনদিন বরকত হবে না ইনশাল্লাহুতালা। এভাবে রাতের আমলগুলো গুছিয়ে শেষ রাতে ওঠার চেষ্টা করেন। আমি যে বললাম রাত কে ইনজয় করার জন্য আল্লাহপাক বলেছেন। একদম শেষ রাতে আল্লাহ পাক তার তৌফিক সবাইকে দান করুন আমীন। আমাকে আপনাকে সবাইকে আল্লাহপাক আল্লাহর তৌফিক দান করুন আমিন। শেষ রাত বলতে কোনটা রাতটাকে তিন ভাগে ভাগ করতে হবে। একদম শেষের অংশ। মনে করেন ১টা থেকে ৪টা বা ৫টা বা ১:৩০ থেকে চারটা বা পাঁচটা। এই অংশটা এত বেশি মূল্যবান। এ সময় মানুষ ঘুম থেকে উঠে যদি আল্লাহর কাছে দোয়া করে যা চাইবেন তাই পাবেন।আল্লাহ রাব্বুল আলামীন হাদিসে কুচছির মধ্যে বলেছেন শেষ রাতের এই অংশে আল্লাহপাক প্রথম আসমানে নেমে আসেন। আরশে আজিম কত উপরে। আল্লাহ পাক প্রথম আসমানে নেমে আসেন মানে আল্লাহ পাকের রহমত একদম কাছাকাছি চলে আসেন। আল্লাহ পাক দোয়া কবুল করার জন্য বলেন কে আছো আমাকে ডাকবে। আল্লাহপাক আহবান করেন কে আছো পৃথিবী বাসি আমাকে ডাকবে আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছে আমার কাছে দোয়া করবে আমি তার দোয়া কবুল করবো। কে আছো আমার কাছে ক্ষমা চাইবে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। কে আছো অসুস্থ আমার কাছে সেফা চাইবে আমি তাকে শেফা দিয়ে দিব। আল্লাহপাক আহবান করতেই থাকেন করতেই থাকেন ফজর পর্যন্ত।
রাতের যিকির, দুঃস্বপ্ন ও শেষ রাতের আমল
আর ওই সময় মানুষ সারারাত জেগে মানুষ ঘুম দেয়। ঠিক ওই সময় দেখবেন শহর কেন্দ্রিক মানুষ লক্ষ লক্ষ মানুষ জেনা করছে দেখবেন। ওই সময় দেখবেন লক্ষ লক্ষ মানুষ মদ খাচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ পর্নোগ্রাফি দেখছে মুভি দেখছে শপিং করছে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছে কিনা করছে। আল্লাহপাক আহবান করছে তখন আল্লাহ পাক যে কে আছো কে আছো ডাকো আমাকে। মানুষ কাজ করতে থাকে। অথচ আল্লাহ পাক জাহান্নাম সৃষ্টি করেছে কাদের জন্য আমাদের জন্য। জান্নাত কাদের জন্য আমাদের জন্য ।আল্লাহ পাকে সময়টাকে কাজে লাগানোর আমাদের তৌফিক দান করুক। এ সময় উঠে যতটুক আপনার সামর্থ্য হয় দুই রাকাত পারলে দুই রাকাত চার রাকাত পারলে চার রাকাত ৮ রাকাত পড়লে ৮ রাকাত দুই দুই রাকাত করে নামাজ আদায় করুন। আদায় করার আপনার সামর্থ্য হয় আপনি করতে থাকুন। এ সময় নবীজি এমন ভাবে নামাজ পড়তেন যেয়ে তার পা ফুলে যাইত। এক রাকাতে তিনি সাড়ে চার পারা কোরআন তেলাওয়াত করেছেন। আমাদের তো এত ক্ষমতা নেই আছে। তো সূরা ইখলাস টাই পড়েন একবার না পড়ে দশবারই পড়েন। এক রাত কাটে কয়েক বার সূরা পড়া যাবেনা দশ বার বিশ বারের মত।একটা আয়াতও বারবার পড়া যাবে।আপনি রাকাত তাকে লম্বা করেন রুকু টাকে লম্বা করেন সেজদা তাকে লম্বা করেন। যত দোয়া আছে সেজদার মধ্যে ঢেলে দিন ।ডিজিটাল নামাজ বাদ দেন। ডিজিটাল নামাজ কি মানে রুকু করলে সেজদা পাওয়া যায় না আর সেজদা করলে পরের তারি পাওয়া যায় না পাওয়া যায় না। তাশাহুদ পড়লে দরুদ পাইনা দুরুদ পড়লে কি পাইনা। মানে মিলাইতে পারি না আমি কি পাচ্ছি না কি পাচ্ছি। ইমাম সাহেব দৌড়ের উপর রাখছেন আমাদেরকে। তো এইসব ডিজিটাল নামাজ পড়া বন্ধ করেন। রিল্যাক্স আপনি যে কয়টা সূরা পারেন বারবার রিপিট করতে থাকেন রিপিট করতে থাকেন। সূরা গুলার অর্থদিকে ফোকাস করতে থাকেন। আরবি বুঝেন না অর্থটা মুখস্ত করেন। আর প্রত্যেক রাকাতে একই সূরা পড়বেন না। তাহলে নামাজটা কিন্তু স্বাধীন হয়ে যাবে। সূরা চেঞ্জ করবেন সূরা চেঞ্জ করবেন দেখবেন আপনার মাথাটা বিজি থাকবে। নামাজে মনোযোগ বাড়বে ইনশাল্লাহ এগুলো টিপস। আর কি করবেন যতক্ষণ নামাজে মনোযোগ আসে নাই নামাজে থাকেন। রুকু করাচ্ছেন একটু হলেও মনোযোগ ডানে গিয়েছে ফিরায় নিয়ে আসেন। আবার তাজবি পড়তে থাকেন ৩ বারই পড়তে হবে। আপনি চাইলে একশোবারও পড়তে পারেন। নামাজের সময় টা বাড়ান। সেজদার সময় বাড়ান। দুই সেজদার মাঝখানে দোয়া করেন। সেজদা কি পড়ছেন এগুলোর অর্থ বোঝার চেষ্টা করেন। যদি আপনি নফল নামাজ পড়েন। আপনি আরবি জানেনই না আপনার আরবি সম্পর্কে কোন নলেজই নাই। একটা দোয়াও জানেন না পারলে বাংলায় দোয়া করেন ইনশাআল্লাহ । পারা যাবে না। আপনি আরবি জানেনই না তাহলে শেখার চেষ্টা করেন। বাংলায় দোয়া করেন যতদিন না পর্যন্ত আপনি আরবি শিখছেন। আল্লাহপাক তৌফিক দান করুন আমীন। আবার ফরজ নামাজে এ কাজ করতে যাইয়েন না। এগুলো নকল নামাজের জন্য বললাম। এত যে দোয়ার জন্য ফিকির করেন মায়ের জন্য দোয়া বাপের জন্য দোয়া হুজুর দেখে দোয়া করেন। কুলখানি চল্লিশা কত কি করেন। শেষ রাতে হাতটা তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। দোয়ার আগে একবার বলবেন আগে আল্লাহর প্রশংসা করবেন বলবেন আলহামদুলিল্লাহ। তারপর বলবেন আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ মানে প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা তারপরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওপর দরুদ। তারপর বলবেন আল্লাহ আমাকে মাফ কর। এরপরে আপনি আপনার দোয়া করবেন যত দোয়া আছে।
শেষ রাতে নামাজ ও দোয়ার আদব
আধাঘন্টা লাগুক এক ঘন্টা লাগুক দোয়া করতেই থাকবেন করতেই থাকবেন করতেই থাকবেন। চোখ থেকে পানি বের হওয়া না পর্যন্ত দোয়া করতেই থাকবেন পারবেন না। একটা বড় ওসীলা আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় ওসিলা দিয়ে দোয়া করবেন। ।অনেক ওসিলা আছে। আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন আল্লাহ আমি যে এতক্ষণ যাবত আট দশ রাকাত নামাজ পড়লাম তুমি আমার এই নামাজের উসিলা আমার এই দোয়াটা কবুল করো। আল্লাহ আমি এই কোরআন খতম করলাম তুমি আমার এই উছিলায় আমাকে তুমি এটা দান করো। আল্লাহ আমি কালকে এক হাজার টাকা দান করেছি তুমি এই উসিলায় আমার বিপদ সব দূর করে দাও। একটা ভাল কাজ হচ্ছে উসিলা। আর সবচেয়ে বড় উসিলা হচ্ছে আল্লাহ পাকের তাওহীদ। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আল্লাহ পাক কে বলবেন আল্লাহ তোমার তাওহীদের উসিলায় আমি তোমার কাছে এটা চাচ্ছি ওইটা চাচ্ছি দেখবেন। আপনার রিজিক যদি হালাল হয় সেই রিজিকে যদি সুদ না থাকে ঘুষ না থাকে আর দুর্নীতি না থাকে ইনশাল্লাহ আপনার দোয়া কবুল হবে। আর এরকম দোয়ার অনুবত্ত মুহূর্তেও দোয়া কবুল হবে না। যদি আপনার রিজিকের মধ্যে হারাম থাকে। এবার আপনি ভাবেন নিজের টা কত ইম্পরট্যান্ট। আয়তাল কুরসি সকালে একবার সন্ধ্যায় একবার ঘুমানোর আগে এক বা তিনবার পড়তে হবে। সুরা বাকারার শেষের তিন আয়াত রাতের বেলায় ঘুমানোর আগে পড়তে হবে। সুরা ইয়াসিন ফজরের নামাজের পরে একবার ইনশাল্লাহ এসব অনিষ্ঠ থেকে বেঁচে থাকবেন। দুরুদ শরীফ পড়বেন সকালে ১০ বার রাত্রে দশবার। আরেকটা হচ্ছে সুরাতুল কাফিরুন রাত্রেবেলা পড়বেন। এছাড়া আরো অনেক আমল আছে যেগুলো একবারে বলা সম্ভব না। এ আমল গুলো নিয়মিত করলে এই যে চোখ লাগা বলেন বদ নজর বলেন। আপনার জিন শয়তান অনিষ্ট বলেন বা তাবিজ কবজ বলেন বা বান টোনা বলেন। কবিরাজের তন্ত্র মন্ত্র বলেন। দৃশ্য অদৃশ্য কোন অনিষ্ঠ আপনার অনিষ্ট করতে পারবেনা ইনশাল্লাহুতালা। সর্বশেষ কথা হচ্ছে নিজের বাসায় কোরআন তেলাওয়াত বাড়িয়ে দিবেন সূরা বাকারা এবং সুরা আল ইমরান কখনো ছাড়বেন না পড়া। সূরা বাকারা যে বাসায় তেলাওয়াত করা হয় সেখান থেকে শয়তান পালিয়ে যায়। আলাপাক আমাদের সবাইকে এই আমল গুলোর মধ্য দিয়ে রাতকে ইনজয় করার তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। এবং এভাবে আমাদের প্রতিটি রাতকে উপভোগ করার তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন আমিন। দোয়া করি আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে কুরআন এবং সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন যাপন করার তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। এবং আমাদের মধ্যে যারা অসুস্থ আছে আল্লাহ পাক সবাইকে শেফা একরাম দান করুন। যারা আমাদের মধ্যে মারা গেছেন সবাইকে আল্লাহ পাক জান্নাত বাসী করুন।
সাধারণ প্রশ্ন
রাতের বেলা কোন কোন আমলের কথা বলা হয়েছে?
ডকুমেন্টে বলা হয়েছে, রাতে আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করা, সূরা বাকারার শেষের তিন (বা কোন হাদিসে দুই) আয়াত তেলাওয়াত করা এবং সূরা মুলক তেলাওয়াত করার কথা।
সূরা মুলক সম্পর্কে নবীজি কী বলেছেন?
লেখায় বলা হয়েছে, নবী করীম (সা.) বলেছেন এই সূরা কবরের আজাব থেকে বাঁচাবে ইনশাল্লাহ।
আয়াতুল কুরসি কোন সূরার কত নম্বর আয়াত?
ডকুমেন্ট অনুযায়ী আয়াতুল কুরসি সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত।