দাজ্জা-লের জন্ম হয়ে গেছে
কেয়ামতের ছোট আলামতসমূহ
মাসিহুদ দাজ্জাল এসেছে। আসে নাই মানে সে এখনো আত্মপ্রকাশ করে নাই মানুষের রূপে। কিন্তু তার জন্ম হয়েছে। সে আছে যেখানে থাকা সেখানেই আছে। তার যেটা মিশন সেই মিশন চলছে বিশ্ব জুড়ে। এবং তার মিশন এখন বাস্তবায়ন করছে ইহুদিরা। কারণ ইহুদিদেরকে নিয়েই সে বিশ্ব শাসন করবে। সামনের সময় আরো ভয়ংকর। যতদিন যাবে কেয়ামতের যে আলামত গুলো আছে সেগুলো আস্তে আস্তে চোখের সামনে দেখা যাবে। দশটা বড় বড় আলামত এখনো দেখা যাচ্ছে না।বাকি ছোট ছোট যত আলামত আছে ১০০ টার মধ্যে ৯৯ টাই দেখা যাচ্ছে।কি কি দেখা যাচ্ছে? কয়েকটা বলি : উচু উচু বিল্ডিং দেখা যায়। উঁচু উচু বিল্ডিং এর প্রতিযোগিতা দেখা যায়। সমাজের নিম্ন শ্রেণীর মানুষ । রাখার শ্রেণীর মানুষ। উচু উঁচু বিল্ডিং এর নির্মাণের প্রতিযোগিতা পড়ছে দেখা যায়। সমাজে ম্যাক্সিমাম মানুষ এখন সুদ খাচ্ছে দেখা যাচ্ছে। ছেলেরা মেয়েদের পোশাক পড়ছে মেয়েরা ছেলেদের পোশাক করছে দেখা যাচ্ছে। সমাজে মেয়েদের সংখ্যা বাড়ছে ছেলেদের সংখ্যা কমছে দেখা যাচ্ছে। বেশি থেকে বেশি আল্লাহর গজব আসছে। আসমানী গজব জমীনের বালা। বন্যা বলেন ভূমিকম্প বলেন ভূমিধস বলেন জনশ্বাস বলেন দিন দিন বাড়ছে না কমছে। মুসলিমদের ওপর অমুসলিমদের অত্যাচার বাড়ছে না কমছে। বাড়ছে। মুসলিম উম্মার বিভক্তি বাড়ছে না কমছে। বাড়ছে। বড় বড় আলেম-ওলামার ইন্তেকাল দিনে দিনে বাড়ছে না কমছে। বড় বড় আলেম ওলামা যারা আছেন তারা আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছেন না। মানুষ অনেক জাহেলকে আলেম মনে করছে না। এমনও কিছু মানুষ মুসলিম সমাজে দ্বীন প্রচার করছে। যাদের ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি। এমন অনেক মানুষ দ্বীন প্রচার করছে ইসলামের যাদের দাড়ি ফ্রেঞ্চ কাট মাশাল্লাহ । এবং সে বলছে দাঁড়ি টুপি পাগরীর মধ্যে ইসলামকে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছেন এই জন্যেই প্রতিবাদস্বরূপ সে আর লম্বা দাড়ি রাখবেনা। আপনারা দাড়ি টুপি পাগড়ীর মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ করে রেখেছেন তাই সে আর লম্বা দাড়ি রাখবেনা। ইসলাম প্রচার করে বেড়াচ্ছে। মানুষ ওদের পিছনে ছুটছে। দেখলাম একজন নারী স্টেজে উঠে ওয়াজ মাহফিলের বক্তব্য দিচ্ছে। এই যে সাইন আলেমের মৃত্যু হবে জাহেলদেরকে মানুষ আলেম মনে করবে। মেয়েদের সংখ্যা বাড়বে ছেলেদের সংখ্যা কমবে। ছেলেরা মেয়েদের পোশাক পরবে মেয়েরা ছেলেদের পোশাক পরবে এগুলো দেখতে পাচ্ছেন না। সময় সংক্ষিপ্ত হয়ে আসছে না। নবীজি বলেছেন একটা বছর চলে যাবে একটা মাসের মত। একটা মাস চলে যাবে একটা সপ্তাহের মত। সপ্তাহ যাবে একটা দিনের মতো। দিনের বরকত কমে যাচ্ছে না। হঠাৎ মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে না মানুষের। যাচ্ছে এক্সিডেন্টে মারা যাচ্ছে হঠাৎ মৃত্যু। ছোট ছোট বাচ্চা যারা আছে এদের সাথে যৌন সম্পর্ক বাড়ছে না। বাচ্চাদেরকে ধর্ষণ বাড়ছে না।। সমাজে এমনি নরমালি জেনা ধর্ষণ বাড়ছে না। পরিবারের ভাঙ্গনগুলো হচ্ছে না বেশি। ভাঙ্গন বাড়ছে না বেশি। পরকীয়া বাড়ছে না। এই যে ভাই ভাইয়ের দ্বন্দ্ব সম্পত্তির জন্য বাবার সাথে ছেলের দ্বন্দ্ব মায়ের সাথে ছেলের দ্বন্দ্ব। প্রতিবেশী প্রতিবেশী মারামারি খুনাখুনি এগুলো বাড়ছে না কমছে। এগুলো বাড়ছে না কমছে। সবগুলো কেয়ামতের সাইন। আমানতদারিতা উঠে যাচ্ছে না। যে ব্যক্তি মিথ্যাবাদী তাকে সমাজের সত্যবাদী বলা হচ্ছে না। আর সমাজের সত্যবাদী লোকদেরকে মিথ্যাবাদী বলা হচ্ছে না। কোথায় আছেন আপনি নিজে পড়াশোনা করেন দেখবেন সবগুলো কেয়ামতের সাইন আপনি নিজের চোখে দেখতে পারবেন।
দাজ্জালের জন্ম ও বর্তমান অবস্থান
কিন্তু দশটা বড় বড় সাইন এখনো আসে নাই। এক মাসিহুদ দাজ্জাল এসেছে। আসে নাই মানে সে এখন আত্মপ্রকাশ করে নাই মানুষের রূপে। কিন্তু তার জন্ম হয়েছে সে আছে যেখানে তার থাকা সেখানেই আছে। তার যেটা মিশন সেই মিশন চলছে বিশ্বজুড়ে। এবং তার মিশন গুলো বাস্তবায়ন করছে এখন ইহুদিরা। কারণ ইহুদীদেরকে নিয়েই সে বিশ্ব শাসন করবে। যাদেরকে নিয়ে সে বিশ্ব শাসন করবে তারা কিন্তু দাজ্জালের মিশন ঠিকই বাস্তবায়ন করছে। দেখেন দাজ্জাল কিন্তু পৃথিবীতে আছে। কোথায় আছে তার দেহের গঠন কেমন হবে তার চুল কেমন হবে চোখ কেমন হবে ইত্যাদি ইত্যাদি সবকিছু হাদিসে বলা আছে । কিছু মানুষ আছে দেখলাম দাজ্জাল কোথা থেকে বের হবে এটা নিয়ে খুব আলোচনা করছে। দাজ্জাল জেরুজালেম থেকে বিশ্ব শাসন করবে। পাঁচ বছর আগেও এই কথা বলেছি ইনশাল্লাহ জীবনের শেষ পর্যন্ত এই কথাই বলবো। যে দাজ্জাল জেরুজালেম থেকে সারা বিশ্ব শাসন করবে। এবং সে খুব লিখা লিখছেন না এখানে খুরাশনের কথা এসেছে এখানে ইস্পাহানের কথা এসেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। তো পন্ডিত মশাইকে একটা কথা বলতে চাই যে দাজ্জাল কোথা থেকে বের হবে এ কথা কি আপনি বেশি জানেন না আমি বেশি জানি নাকি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি জানেন। কে বেশি জানেন? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। দাজ্জাল মক্কা মদিনায় ঢুকতে পারবে? পারবেনা। দাজ্জাল মক্কা মদিনায় ঢুকতে পারবে না। দাজ্জাল কোথা থেকে বের হবে সেটা আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভালো জানেন। তার পরেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনে সাইয়েদ নামক একজন ব্যক্তিকে মদিনায় মাসিহুদ দাজ্জাল মনে করতেন। এবং অনেক সাহাবী তাকে মাসিহুদ দাজ্জাল মনে করতেন। সহীহ মুসলিমে অনেকগুলো হাদিস আছে পড়ে দেখেন যে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনে সাইয়াদ কে ইনভেস্টিগেশন করছেন আড়াল থেকে। ইবনে সাইয়েদ কে ডেকে তিনি বলছেন তুমি কি দেখো। সে বলছে আমি তো সিংহাসন দেখি। উক্ত নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে তোমার এখন কোথায়? সে বলছে সিংহাসন সমুদ্রের ওপরে। নবীজি বলছেন তুমি তো শয়তানকে দেখেছো। তুমি শয়তানকে দেখেছো। এরপরে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তুমি কি বিশ্বাস কর আমি যে শেষ নবী। ইবনে সাইয়াদ বলছে আপনি কি বিশ্বাস করেন আমি নবী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মনের মধ্যে একটা শব্দ গোপন করলেন শব্দটা হচ্ছে দুখান। সূরা দুখান আছে না। সূরা দুখান শব্দটা গোপন করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন বলতো আমি মনের মধ্যে কি শব্দ গোপন করে রেখেছি। তখন ইবনে সৈয়দ কি বলল জানেন। বলল দুখ দুখ। রহস্যময় ক্যারেক্টার না একটা। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলছেন ইয়া রাসূলুল্লাহ আপনি আমাকে অনুমতি দেন এর গর্দানটা আমি এখনই উড়িয়ে দেই। তখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন না। যদি সে, যদি ইবনে সাইয়াদ সত্যি দাজ্জাল হয়ে থাকে। তাহলে তুমি তাকে হত্যা করতে পারবে না। কারণ তার হত্যা লিখা আছে ঈসা আলাইহিস সাল্লামের হাতে। আর যদি সে দাজ্জাল না হয়ে থাকে তাহলে নিরপরাধ ব্যক্তি কে হত্যা করার মধ্যে কোন সার্থকতা নেই। যদি সে দাজ্জাল হয়ে থাকে এই চান্সটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন নিবেন।
দাজ্জালের বের হওয়ার স্থান নিয়ে আলোচনা
অথচ ব্যাপারটা মদিনার যে মদিনায় দাজ্জাল ঢুকতে পারবে না। ব্যাপারটা কি রহস্যময় নয়। এত সহজে দাজ্জালের কনসেপ্ট নিয়ে এত আলোচনা করা যায় না। দুই চারটা হাদিস মিলালেই সবকিছু কনক্লিউশন আসে না। দাজ্জালের খুরুজ একটা জিনিস দাজ্জালের জন্ম নেওয়া আরেকটা জিনিস। সে পৃথিবীতে আছে সৃষ্টি শুরু থেকেই আছে। স্বয়ং নুহ আলাইহিস সাল্লাম যখন নবী ছিলেন। তখন নূহ আলাইহিস সাল্লাম ও তার কওমকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেছিল। নূহ আলাইহিস সাল্লাম এর যুগে সে কোথায় ছিল? এটা কি চিন্তার বিষয় না। এবং তাবিলদাঁড়ি দেখে আসেন তাকে দ্বীপের মধ্যে বাধা অবস্থায় এটা হাদিসে আছে না। একটা হাদিসে আছে যে দাজ্জাল ইরাক এবং সাম এর মাঝামাঝি একটা রাস্তা থেকে দাজ্জাল বের হয়ে আসবে। এটা একটা হাদিস এ আছে ইস্পাহান থেকে বের হয়ে আসবে।ইস্পাহান কিন্তু ইরানের মধ্যে। আরেকটা হাদিসে আছে খোরাসান থেকে বের হয়ে আসবে। আপনি কিভাবে মিলাবেন? আবার নবীজি মদিনায় ওমরকে বলছেন যে ওমর ইবনে সাইয়াদ যদি দাজ্জাল হয়ে থাকে তুমি তাকে মারতে পারবে না। ব্যাপারটা কি রহস্যজনক না। অনেক চেইন মিলাতে হবে এখানে একটা দুইটা হাদিস দিয়ে তো আমি কনক্লিউশন মিলাতে পারবো না। একটা কথা বলে এখানে সাম এবং ইরাকের মাঝখানে রাস্তার কথা এসেছে এই জায়গাটা এখন ইজরাইলের আন্ডারে পড়েছে। অথচ যখন এই হাদিসটা বলা হয়েছিল তখন কিন্তু ইসরাইলের অস্তিত্ব ছিল না। যখন দাজ্জাল সম্পর্কিত এই শাম ইরাকের হাদিসটা বলা হচ্ছিল তখন তো ইসরাইলের জন্ম হয় নাই। এর জন্ম হয়েছে তো ১৯১৪ সালে। ১৭ সালে ৪৫ সালের দিকে এসে। এখন ওই যে ইস্পাহান খোরাসান যেগুলো বলছেন এমনও হতে পারে অদূর ভবিষ্যতে ইসরাইল ওই জায়গাগুলো দখল করে ফেলবে। হতেই পারে সিরিয়ালের ওই উপত্যকা কি আগেই ইজরাইলের ছিল। মিশরের গোলাম আগে ছিল ওদের। আস্তে আস্তে তারা দখল করেছে। এত সহজে একটা হাদিসের কনক্লুশনে এসে হাদিসে ধুয়ে দেওয়ার মতো কোনো সার্থকতা নেই। খোরাসান থেকে যদি দাজ্জাল বের হবে ইস্পাহান থেকে যদি দাজ্জাল বের হবে তাহলে মদিনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনে সাইয়াদ কে কেন দাজ্জাল সন্দেহ করেছিলেন। এগুলো একটা দুইটা হাদিস দিয়ে আমি আপনাদেরকে বুঝাতে পারবো না। আল্লাহ পাকে এই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদেরকে গভীর গবেষণা তৌফিক দান করুন আমীন। এতোটুকু জেনে রাখেন সে এই বিশ্ব শাসন করবেই। এবং চল্লিশ দিন সে বিশ্বটাকে ম্যাসাকার করবে। এক হাতে জান্নাত এবং এক হাতে জাহান্নাম থাকবে। মানে এটা সত্যিকারের জান্নাত জাহান্নাম নয়। মানে যে তার আনুগত্য করবে সে তাকে প্রগ্রেস দিবে। আর যে তারা আনুগত্য করবে না সে ধ্বংস।সে আকাশ নিয়ন্ত্রণ করবে বায়ুমণ্ডল নিয়ন্ত্রণ করবে সে মানুষকে দুর্ভিক্ষ দিবে সে মানুষকে সচ্ছলতা দিবে এগুলো কিভাবে দিবে? এগুলো তার আনুগত্য এবং বিরোধিতার মধ্য দিয়েই দিবে। দাজ্জাল এমন একটা গাধার পিঠে সফর করবে যার কান হবে অনেক লম্বা। এই গাধা মানে কি সত্যিকারের গাধা। এই গাধা কি আকাশে উড়বে? কিছু protest মার্কা মুসলিম আছে এরা মনে করে গাধা মানে সত্যিই গাধা। এমন এক গাধা আসবে যে গাধা চোরে আকাশে সফর করবে। আসলে কি এখানে গাধাকে কি গাধাই বোঝানো হয়েছে। দাজ্জালের হাতের রুটির পাহাড় থাকবে। কিছু মানুষ মনে করে রুটির পাহাড় মানে আসলেই রুটির পাহাড়। রুটির পাহাড় মানে খাবারের নিয়ন্ত্রণ। এগুলো বোঝার জন্য কি আপনার পিএইচডি করার দরকার আছে। অনেক ডিপ এই সাবজেক্টে এটাকে আপনাকে গভীরভাবে পড়তে হবে। এই সাইনটা এখনো দেখা যাচ্ছে না সে এখনো আত্মপ্রকাশ করে নাই। অচিরে করবে। তবে এতোটুকু জেনে রাখেন সে আত্ম প্রকাশ করলে জিউসদেরকে নিয়ে সে সারা বিশ্ব শাসন ঠিকই করবে। তবে আল্লাহ পাক তাকে এবং সমস্ত জিওসদের কে ওই জেরুজালেমে ধ্বংস করবেন কিভাবে ঠিক যেমন ভাবে ফেরাউন এবং তার দলবলকে ধ্বংস করেছে লোহিত সাগরে। একই সুন্নাহ সেইম সুন্নাহ আল্লাহ পাক এপ্লাই করবেন। আল্লাহপাক সবর করেছেন ধৈর্য ধরেছেন সবগুলোকে একত্রিত করে সবগুলোকে একত্রিত করেছেন লোহিত সাগরের কাছে তারপর একদিনের সবাইকে ডুবিয়ে দিয়েছেন। একই সুন্নাহ আল্লাহপাক সবাইকে জেরুজালেমের একত্রিত করছেন। সকল জালেমদেরকে জেরুজালেমের একত্রিত করছেন ঈসা আলাইহিস সালামের হাতে ইমাম মেহেদীর হাতে সমস্ত জালেমের পতন এক মুহূর্তে হয়ে যাবে ইনশাল্লাহুতালা। এটা হবে সামনে টা দেখা যাচ্ছে।
সাধারণ প্রশ্ন
লেখক অনুযায়ী দাজ্জাল কি এখন পৃথিবীতে আছে?
লেখক বলছেন দাজ্জালের জন্ম হয়েছে এবং সে যেখানে থাকার সেখানেই আছে, তবে এখনো মানুষের রূপে আত্মপ্রকাশ করেনি।
কেয়ামতের কতটি আলামত এখনো দেখা যাচ্ছে না বলে লেখা হয়েছে?
লেখায় বলা হয়েছে দশটা বড় আলামত এখনো দেখা যাচ্ছে না, আর ছোট আলামতের মধ্যে ১০০ টার মধ্যে ৯৯ টাই দেখা যাচ্ছে।
লেখক দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ সম্পর্কে কী বলেছেন?
লেখক বলেছেন দাজ্জাল এখনো আত্মপ্রকাশ করেনি এবং অচিরে করবে, আর আত্মপ্রকাশ করলে সে জিউস/ইহুদিদের নিয়ে বিশ্ব শাসন করবে।