Islamবাংলা

পোশাক, পর্দা এবং নামাজ

নামাজ প্রতিষ্ঠা ও সন্তানকে নামাজের তালিম

নিজে নামাজ পড়বো ইনশাল্লাহ পরিবার বর্গ কেউ পড়াবো। এবং আমার অধীনস্থ যারা যারা আছে তাদের মাঝে নামাজটাকে কায়েম করব ইনশাআল্লাহ পারবো না। যদি আপনার সন্তান খুব আদরের হয় কলিজার টুকরা হয়। ওকে বুঝানোর চেষ্টা করবেন ছোটবেলা থেকে ওকে নামাজের ট্রেনিং দিবেন। ১০ বছর বয়স হয়ে গেছে নামাজ পড়ে না নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তাকে পিটাইতে হবে। আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দয়ালু মানুষ ছিলেন নাকি কঠোর ছিলেন। সে দয়ালু মানুষ বলছেন ৭ বছর হয়ে গেছে সন্তানকে আদেশ করবে নামাজের জন্য। আর নামাজ না পড়লে ১০ বছর বয়সে তাকে পিটাবে নামাজের জন্য। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখানে কি কঠোর হয়ে গেলেন। কেন এত তাগিদা। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ছেড়ে দিল সে ব্যক্তি কুফরি করল। কুফরি করলে কেউ মুমিন থাকে। এখন পরিস্থিতি দেখেন মুসলিমদের মধ্যে ব্যক্তি জীবন থেকে নামাজ চলে যাচ্ছে। বেশিরভাগ মানুষ নামাজ পড়ছে না। অতএব প্রথম মেহনত কিসের হওয়া উচিত নামাজের। একটা হাদিস মনে রাখবেন যে ব্যক্তি এক ওয়াক্তের নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিল যে আমার নামাজ পড়লেও হয় না পড়লেও হয় সে ব্যক্তি কুফরি করল। আল্লাহর বান্দা কুফর শিরকের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামাজ। আর পাক্কা নামাজি কারা এটা জানার জন্য আমাদের দুইটা সময়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এক ফজর আর দুই হচ্ছে এশা এই সময় গুলোর মধ্যে দেখবেন মসজিদে কারা কারা আসে। তারাই হচ্ছে আল্লাহর জমিনে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মানুষ। যারা ফজর এবং এশার নামাজ জামাতে আদায় করে তারা নিঃসন্দেহে মুনাফিক না ইনশাল্লাহুতালা। কারণ আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মুনাফিকদের ওপর সবচেয়ে ভারী নামাজ হচ্ছে দুইটা এক হচ্ছে ফজর আর একটা কি এশা। তো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে গুরুত্ব দিব। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিব কিসে? ফরজ এবং এশায়।এই ফরজ নামাজ যখন আপনি ঠিকঠাক পড়বেন। এখন মুসলমানের না খাতায় আপনার নাম আছে। নামাজ ঠিকঠাক নাই মুসলমানের খাতায় নাম নাই তো। আর কেয়ামতের মাঠে সবার আগে কিসের হিসাব হবে ভাই। নামাজের। যা নামাজ ঠিকঠাক থাকবে তার বাকি হিসাব ওকে কোন সমস্যা নাই। যার নামাজ ঠিকঠাক নাই তার বাকি হিসাব ধরা খাবে। একজন ব্যক্তি ধরার অনেক দান সদকা করেছে হজ ওমরা করেছে কিন্তু নামাজ নাই তাহলে কি হবে ধরা খাবে না।আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে আমাকে এবং আপনাদেরকে নামাজ পড়ার তৌফিক এনায়েত করুন আমীন । আমাদের মা বোন যারা আছে আমাদের যুবক ভাইয়েরা যারা আছে সবাইকে নসিহত করব আজকের পর থেকে নামাজ ছাড়বেন না ইনশাল্লাহুতালা। আল্লাহ পাক তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। এরপর আসেন দেখেন ব্যক্তির জীবন থেকে হালাল রিজেক্টটা উঠে যাচ্ছে খেয়াল করেন নাই। এখন মানুষ রিজিকের ক্ষেত্রে হালাল-হারাম পরোয়া করে। যে দিক থেকে টাকা আসুক এটা হারাম হোক আর হালাল হোক এখানে সুদ থাক ঘুষ থাক বা জেনা থাক আর দুর্নীতি থাক আর কি থাকার থাক। মানুষ চিন্তা করে পেটটা বাঁচলেই বাপের নাম তাই না। যেভাবেই হোক রিজিক আসলেই হলো। মানুষের সম্পদ আত্মসাৎ করতে বুক কাঁপে না খেয়াল করে দেখবেন। সুদ খাইতে বুক কাঁপে না ঘুষ খাইতে বুক কাপে না অন্যের সম্পদ লুটেপুতে খাইতে ছিন্তাই করতে আত্মসাৎ করতে বুক কাঁপে না।

হালাল রিজিক ও হারাম থেকে বাঁচা

তাহলে আমরা এখন হালাল-হারামের কোন মূলনীতি মেনে চলি। আল্লাহপাক আমাদেরকে বোঝার তৌফিক দেন যে হালাল রিজিটা যদি আপনার আমল নামায় থাকে। সেই রিজিকটা যদি আপনার পেটে যায় সেই রিজিক দ্বারা আপনার ইবাদত কবুল হবে না। এর উপর কোন কথা নাই। যতই ঘুরায় ফিরায় ব্যাখ্যা করা হোক না কেন। রিজিক যদি হারাম হয় এবাদত কবুল হচ্ছে না। দোয়া কবুল হবে নামাজ কবুল হবে দান সদকা কবুল হবে। তাহলে ব্যক্তি জীবনে ইবাদত কবুল করানোর জন্য হারাম রিজিক ট্যাগ করার দরকার আছে। তাহলে এখন থেকে আমরা হালাল খাবো নাকি হারাম খাব? যদি আপনি অন্যের সম্পদ নিয়ে থাকেন আজকে পরিশোধ করে দিবেন। যদি কারো সম্পদ আত্মসাৎ করে থাকেন তাহলে তাকে তার সম্পদ দিয়ে দিবেন। যদি ঘুষ নিয়ে থাকেন তাহলে ফেরত দিয়ে দিবেন। আপনার বোনের সম্পদ যদি আত্মসাৎ করে থাকেন ফেরত দিতে হবে। রিজিক যতক্ষণ পর্যন্ত হালাল হচ্ছে না ততক্ষণ পর্যন্ত ইবাদত কবুল হচ্ছে না। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন। ব্যক্তি জীবনে আরও সমস্যা আছে দেখেন। এখনকার ব্যক্তি জীবনে পরিবার থেকে পর্দা উঠে যাচ্ছে না। জিন এবং শয়তান এরা তোমাদেরকে এমন জায়গা থেকে দেখে যেখান থেকে তোমরা ওদেরকে দেখতে পারো না। অতএব শয়তান আপনাদের কে দেখছে। অতএব আদম সন্তানকে আল্লাহ পাক বলছে দেখো তোমাদের বাপ মাকে শয়তান কিন্তু জান্নাতে নগ্ন করে দিয়েছিল। তোমরা দুনিয়াতে যাচ্ছ যাও কিন্তু খেয়াল রেখো সেখানে যেন তোমাদেরকে শয়তান ফিতনায় ফেলতে না পারে। এখন আপনারাই বলেন দুনিয়াতে যে বা যারা আমাদের কাপড় খুলে ফেলার সাংস্কৃতি চালু করেছে এরা কার এজেন্ট বলেন । আর এটা কি নতুন কথা। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন শেষ জামানায় ছেলেরা মেয়েদের পোশাক পরবে এবং মেয়েরা ছেলেদের পোশাক পরবে। হাদিস কি বানিয়ে বললাম? দেখেন শেষ জামানায় ছেলেরা মেয়েদের পোশাক পরবে এবং মেয়েরা ছেলেদের পোশাক পরবে। নবীজি এমনও বলেছেন শেষ জামানায় এমন এক শ্রেণীর মেয়ে আসবে যাদেরকে আমি চোখে দেখি নাই। এমন সব মহিলা যারা কাপড় পড়বে কিন্তু নগ্ন থাকবে। ব্যাখ্যা করতে হবে ব্যাখ্যা করার কোন দরকার আছে। মানুষ কাপড় পড়েও কেমন করে নগ্ন থাকতে পারে ব্যাখ্যা করতে হবে। এরা নিজেরাও অন্যে কে আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও অন্যের প্রতি আকৃষ্ট হবে। এটা ব্যাখ্যা করতে হবে। আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা মূলনীতি দিয়েছেন। আপনি পুরুষ হলে আপনার সতর হবে নাভির উপর থেকে নিয়ে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত ঠিক আছে। এই সতর ঢেকে রাখা আপনার জন্য সব সময় ফরজ। এর ওপর আপনি তাকওয়ার পোশাক করবেন দিলে-ঢালা পোশাক পরবেন। যে পোশাক পরলে আপনার শালীনতা বজায় থাকে এমন পোশাক পরবেন।এটা আপনি পুরুষ হিসেবে পরবেন। এরপর আপনি টুপি পাগড়ী জুব্বা দাড়ি সব রাখবেন ইসলামের সুন্নাহ। আর যদি আপনি মেয়ে হয়ে থাকেন আমার বোন হন আমার মা হন আমার খালা মামি চাচি যেই হন আপনাদের জন্য আমার নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন চারটা মূলনীতি ফলো করতে হবে। সংক্ষিপ্তভাবে বলছি। এক আপনার পোশাক এত আটশাট হবে না। যাতে আপনার গায়ে কাঠামো বোঝা যায়। আমাদের নবীজি বলেছেন আমাদের মেয়েদেরকে আমাদের বোনদেরকে আমাদের মাদেরকে যাতে আটশাট পোশাক না পড়তে। তাদের প্রতি যেরকম ফরজ আমাদের প্রতিও সেই রকমই ফরজ তাইতো।

পোশাক, পর্দা ও শালীনতার মূলনীতি

দুই নবীজি বলেছেন এমন পোশাক পরবে না। যেই পোশাক পরলে বাহির থেকে ভেতরের অঙ্গ দেখা যায়। এটা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দ্বিতীয় মূলনীতি। তিন নাম্বার কি বলেছেন। তিন নাম্বার হচ্ছে কোন পুরুষ কোন মহিলার পোশাক পরতে পারবে না কোন মহিলা কোন পুরুষের পোশাক পরতে পারবে ন।আপনি কি মেক্সি পড়ে ঘুরবেন আপনার কি রুচিতে কুলাবে। তাহলে একটা মেয়ে কিভাবে গেঞ্জি পড়ে ঘুরতে পারে। একটা পুরুষ হিসেবে ও তো আপনার খালি গায়ে ঘুরতে লজ্জা লাগে না।একটা মেয়ে মানুষ কিভাবে খালি গায়ে ঘুরতে পারে। তাহলে চিন্তা করেন কোথায় আমাদের শালীনতার জায়গা চলে আসছে। একটা হাদিস আছে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমার মধ্যে যদি লজ্জা না থাকে তোমার দ্বারা যে কোন পাপ করা সম্ভব। যদি তোমার মধ্যে লজ্জা না থাকে তাহলে তোমার দ্বারা যে কোন পাপ করা সম্ভব এটা তিন নাম্বার। চার নাম্বার হচ্ছে অমুসলিম যারা তাদের ধর্মীয় কৃষ্টি কালচারের সাথে সাদৃশ্য আছে এমন কোন পোশাক মুসলিমদের পরা যাবে না। আপনি কি কুরুশের পোশাক পরতে পারবেন। এই মূলনীতিগুলো আপনাকে ফলো করে চলতে হবে আল্লাহ পাক আপনাকে তৌফিক এনায়েত করুন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যেন আমাদের না ছুটে যায় পারা যাবে না ইনশাল্লাহ ভাই। ওয়াদা করেন আজকে থেকে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ ছাড়বেন না ওয়াদা করেন। বলেন ইনশাল্লাহ হে আল্লাহ আমরা তওবা করছি জীবনে যত নামাজ ছেড়েছি। তার জন্য আমরা তোমার কাছে ইস্তেগফার করছি। বলেন আস্তাগফিরুল্লাহাল আজিমাল্লাজি লা-ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।যত নামাজ কাজা হয়েছে হিসাব করে নামাজ আদায় করে নিবেন পারবেন ইনশাল্লাহ ।আজকে থেকে ইনশাল্লাহ আমরা নামাজ ছাড়বো না। আল্লাহপাক সবার তওবা কবুল করুন।আজকে থেকে আমাদেরকে পাক্কা নামাজি বানিয়ে দিন আমিন। শুধু নিজেই নামাজ পড়বেন আপনার স্ত্রী সন্তান কেন নামাজ পড়াবেন না। আল্লাহ পাক তৌফিক এনায়েত করুন। দুই নাম্বার কি বলেছিলাম হালাল রিজিক। রিজিক যদি হারাম হয় তাহলে কি ইবাদত কবুল হবে। আল্লাহ পাক বলেছেন আল্লাহ পাক পবিত্র তিনি পবিত্র ছাড়া গ্রহণ করেন না। তিন নাম্বার কি বললাম ভাই আপনার পরিবার বর্গকে শালীন পোশাকে রাখবেন পর্দায় রাখবেন। রাখা যাবে না ইনশাল্লাহ এখানে কি কেউ আপনাকে বাধা দিবে। যে যাই বলুক না কেন সারা দুনিয়ার মানুষ নগ্ন হয়ে ঘুরুক আপনার পরিবারের কর্তা কে। আপনি না আপনি আপনার পরিবারকে ঠিক করার চেষ্টা করুন। আল্লাহ পাক তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। চার নম্বর নসিহত এটা যুবকদের জন্য স্পেশালি যাদের পড়ালেখা করা সামর্থ্য আছে তাদের জন্য। কোরআনুল কারীম তেলাওয়াত করা শিখতে হবে পারবেন। কোরআন পড়তে হবে শুধু তোতা পাখির মত নয়। কোরআন তেলোয়াত করলে প্রত্যেক হরফের জন্য ১০ নেকি পাবেন সমস্যা নাই। কিন্তু এতে করে কোরআনের সামগ্রিক হকটা আদায় হয় না। আমি কি বলেছি কোরআন তেলোয়াত করলে নেকি হবে না এটা বললাম। কোরআন তেলাওয়াত করলে প্রত্যেক হরফে কয় নেকি হবে ১0 নেকি। কিন্তু কোরআন বোঝা এবং এর ভিতরে কি আছে এই শিক্ষাগুলো কি আপনি পাবেন। বিশুদ্ধ করে কোরআন পড়তে হবে বিশুদ্ধ করে।

বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত ও শেখা

বিশুদ্ধ করে কোরআন পড়তে হবে। একটা উদাহরণ দিব। এই যে আমরা নামাজে দাঁড়িয়ে বলি আল্লাহু আকবার তারপরে কি পড়েন সানা পড়েন। তারপরে কি পড়েন আলহামদুলিল্লাহ রাব্বিল আলামিন। যদি আপনি আলহামদুলিল্লাহ বলেন তার অর্থ হবে সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের। আর যদি আপনি বলেন আলহামদুলিল্লাহ রাব্বিল আলামিন এখানে হাঁ হলো হাউওয়াস মানে ছোট হা।এই একটা হা ভুল করার কারণে অর্থ পরিবর্তিত হয়ে অর্থ দাঁড়ায় সমস্ত নিন্দা আল্লাহর জন্য নাউজুবিল্লাহ। আমি কি বুঝাতে পারলাম বিশুদ্ধ করে কোরআন তেলাওয়াত করা কতটা ইম্পোর্টেন্ট। মনে করেন আপনি বলছেন কুল ইয়াআইয়ুহাল কা-ফিরুন।বলেন হে কাফেররা লাআ‘বুদুমা-তা‘বুদুন।এই সূরা মুখস্ত আছে না। এখানে লা আবুদু মানে আমি তার ইবাদত করিনা মা- তা 'বুদু যার ইবাদত তোমরা কর। এখানে লা এর মধ্যে মদ আছে না টেনে পড়তে হয় না। যদি কেউ লায়ের মধ্যে মদ না করে এভাবে করে লা আবুদু মা তা আবুদুম যারা গ্রামার জানে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন অর্থটা এমন হবে আমি অবশ্যই তার ইবাদত করি যার ইবাদত তোমরা কর। তোমরা বলতে কারা কাফেররা। তাওহিদের মধ্যে শিরক হলো। অতএব বিশুদ্ধ করে কোরআন তেলাওয়াত করা খুবই জরুরী। আপনি মসজিদে যান মাদ্রাসায় যান এবং ওস্তাদকে প্রাইভেটে পড়ান যেভাবেই পড়েন আপনাকে বিশুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করা শিখতে হবে। আল্লাহ পাক তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। যারা বয়স্ক হয়ে গেছেন আফসোস করবেন না। হীনমন্যতায় ভুগবেন না আপনি ঐ অবস্থায় চেষ্টা করেন। আল্লাহপাক আপনাকে ডাবল নেকী দিবে ইনশাল্লাহ। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি কুরআনের একটা আয়াত বা একটা হরফ তেলাওয়াত করবেন তার জন্য দশটা নেকি আছে ইনশাল্লাহুতালা। আর যে ব্যক্তি কোরআন তেলাওয়াত করে এবং তার ওপরে দক্ষ হয়। সে ব্যক্তি সম্মানিত ফেরেশতাদের সাথে হাসর করবে ইনশাল্লাহুতালা। যে ব্যক্তি কোরআন তেলাওয়াত করতে করতে আটকে যায়। তেলাওয়াত করছেন করছেন আটকে যাচ্ছেন আবার তেলওয়াত করছেন আবার আটকে যাচ্ছেন আবার চেষ্টা করছেন আবার চেষ্টা করছেন আবার আটকে যাচ্ছেন আবার চেষ্টা করছেন আবার আটকে যাচ্ছেন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন তার জন্য ডাবল পুরস্কার আছেন ডাবল নেকি। তো হতাশ হওয়ার কোন কারণ আছে। কোরআনের সমাজ গড়তে চান এটা অনেক দূরের কথা। আগে কুরআনের কারীম বিশুদ্ধ ভাবে তেলাওয়াত করতে শিখেন। আল্লাহর ওয়াস্তে কোরানের কিছু অংশ হিপস করেন। এরপরে কোরআনটা আগে নিজে মেনে চলার চেষ্টা করেন। নিজে ভালো না হলে কি মানুষকে ভালো করা যাবে। নিজে আমার মধ্যে জ্ঞান নেই মানুষকে কি জ্ঞান দেওয়া যাবে। অতএব নিজেদেরকে আগে কোরআন পড়তে হবে কোরআন মানতে হবে। এবং সাথে কোরআনের হাদিস এবং ব্যাখ্যা আপনি পড়বেন। কোরআন কি একা একা পড়লে আপনি হবে নাকি ওস্তাদ লাগবে। ওস্তাদের কাছে গিয়ে আপনি কোরআন তেলাওয়াত করা শিখবেন। আরবি ভাষা শিখবেন এবং কোরআনের অর্থটা শিখবেন আল্লাহপাক তৌফিক এনায়েত করুন আমীন। কয়টা বললাম চারটা। এক নাম্বারটা কি ছিল। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত। দুই নাম্বার কি ছিল হালাল রিজিক ছাড়বেন। নাকি আজকে থেকে আবার হারাম খাবেন। শুনেন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একটা যুগ আসবে যে যুগে মানুষ হারাম হালাল এর কোন পরোয়া করবে না। এটা কোন যুগ।মানুষ হারাম হালাল এর কোন পরোয়া করে। খুব কম সংখ্যক মানুষ আছে যারা হারাম হালাল এর পরোয়া করে। কিন্তু আল্লাহ পাকের যারা একনিষ্ঠ বান্দা হবে তারা আরামে যেতে পারবে না। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে হালাল রাজিক দান করুন। একটা কথা বুঝেন। মনে করেন আপনার আমল নামাতে বা আপনার তকদিরে আল্লাহ পাক লিখেছেন যে আপনি ১০০ বিঘা জমির ধান খাবেন। এতোটুকু আপনার রিজিকের মধ্যে লিখা আছে। ওই রিজিকের একটা দানা ছেড়ে আপনার মওত হবে কিনা। আপনি কি মারা যাবেন। রিজিক শেষ না করে কি আপনি মারা যাবেন। আপনার জন্য এখন পথ হচ্ছে দুইটা হয়তো আপনি ওই রিজিকটা হালাল পথে অর্জন করে গ্রহণ করতে পারেন। ওই রিজিক কি পাবেন ইনশাল্লাহ।

সাধারণ প্রশ্ন

লেখায় নামাজের ব্যাপারে কী বলা হয়েছে?

লেখায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ছাড়তে না করা হয়েছে এবং ফজর ও এশার নামাজ জামাতে আদায়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে যে কেয়ামতের দিন নামাজের হিসাব আগে হবে।

হালাল রিজিক সম্পর্কে লেখায় কী বলা হয়েছে?

লেখায় বলা হয়েছে যে রিজিক হারাম হলে ইবাদত কবুল হয় না। সুদ, ঘুষ ও অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে।

কোরআন তেলাওয়াত সম্পর্কে লেখায় কী বলা হয়েছে?

লেখায় বিশুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত শেখার গুরুত্ব বলা হয়েছে, কারণ একটি হরফের ভুলে অর্থ বদলে যেতে পারে। যারা আটকে আটকে পড়ে তাদের জন্য ডাবল নেকির কথাও বলা হয়েছে।