Islamবাংলা

মিলে গেল ৫ বছর আগের ভবিষ্যৎ বাণী |

কেয়ামতের দিন ও মজলুমের ন্যায়বিচার

আল্লাহর কাছে শুধু যে কেয়ামতের দিনটাই আমাদের হিসেবে ৫০০০০ বছরের দিনের সমান। কত বছর? ৫০০০০ বছরের সমান একদিন কেয়ামতের দিন। কেয়ামতের দিনে কি দরকার ছিল কি মনে হয় আপনাদের। কেয়ামতের দিনের কি দরকার ছিল। হ্যাঁ, ছিল। যদি কেয়ামতের দিন না থাকতো তাহলে পৃথিবীর সব জালিম পার পেয়ে যেত। কেয়ামতের দিন আছে বলে কোনো জালেম পাড় পাবে না ইনশাল্লাহ। কোন মাজলুমের চোখের পানি বৃথা যাবে না ইনশাল্লাহ। কারণ কেয়ামতের দিন আছে। এটা হচ্ছে মাজলুমের আসার দিন আর জালেমের জন্য হতাশার দিন। কেয়ামতের দিন যদি না থাকতো তাহলে সব ব্যায় বিচারী ধর্ষণকারী জালেম ফাসেদ এরা সবাই পার পেয়ে যেত। আল্লাহ পাক পার দিবেন না বলে কিয়ামতের দিন রেখেছেন। ছোটবেলায় মনে করতাম মানুষ হয়ে জন্ম নিছে বলে কি ভুলটা করলাম। হিসাব-নিকাশ জান্নাত জাহান্নাম কত সমস্যা ।যত দিন যাচ্ছে তত বুঝতে পারছিস যে ভাগ্যিস কেয়ামতের মত একটা দিন আছে।না হলে জালেমের এই জুলুমের কোনো বদলা হত না। আর মজলুম তার অধিকার ফিরে পেতো না।। ৫০০০০ বছরের সমান ঐ দিন মানুষ অস্থির হয়ে যাবে এই কারণে যে বিচার শুরু হচ্ছে না কেন?একবার হযরত আদম আলাই সালাম এর কাছে দৌড় দিবে একবার ইসা একবার মুসা একবার নূহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার ইব্রাহিম আলাই সালাম এর কাছে দৌড় দিবে। সবাইকে রিকোয়েস্ট করবে মানুষ দলে দলে গিয়ে বলবেন যে আল্লাহকে বলেন এট লিস্ট বিচারটা যাতে শুরু করা হোক। অপেক্ষা করা কাজটা কষ্টকর না। কারো জন্য অপেক্ষা করা কষ্টকর না। অপেক্ষা করতে করতে গলা একদম ঘামে ডুবে যাবে আল্লাহ পাক হেফাজত করুন আমাদেরকে।ওই সাত শ্রেণীর মানুষের মধ্যে আমাদেরকে আশ্রয় দান করুন আমিন। আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন আঙ্গুল তাক দিয়ে যে কে আপনাকে অধঃপতন হচ্ছে আমরা তো দেখছি সব উন্নতি হচ্ছে। আমি অগ্রগতির সাথে বলব আর দশ থেকে বিশটা বছর অপেক্ষা করুন। পাঁচ বছর আগে বিনয়ের সাথে বলেছিলাম যে দশ বছর অপেক্ষা করেন। কাগজের টাকা বলে কিছুই থাকবে না। আস্তে আস্তে সোসাইটি ওইখানে যাবে। এর কোনটা অ্যাক্সিডেন্টলি বা অটোমেটিকলি হচ্ছে না এর পিছনে একটা মাস্টারমাইন্ড কাজ করছে ।পুরো বিশ্বের বিচারটা মাস্টারমাইন্ড কাজ করছে। একটা সভ্যতা চাচ্ছে পুরো বিশ্ব তার দাস হয়ে থাক। এর এক একটা এজেন্ট তার বাস্তবায়ন হচ্ছে। আমরাও মাশাল্লাহ সেমাই রুটি খাচ্ছি। মাশাল্লাহ আমরাও খাচ্ছি খোরমা জিলাপি হালুয়া রুটি সেমাই এগুলো আমরাও খাচ্ছি। আল্লাহ পাক আমাদের হৃদয় চোখগুলো যাতে খুলে দেন আল্লাহুম্মা আমীন। ক্যাশলেস সোসাইটি চায় তারা ক্যাশলেস সোসাইটি। সোসাইটির মধ্যে কোন ক্যাশ থাকবে না ডিজিট থাকবে

এক হালি কলা কিনবেন আপনি ৪০ ডিজিট পাস করে দিবেন ।কলা ওয়ালা ৪০ ডিজিট পেল। ওর দরকার এখন ধরেন মাছ।ও ৪০ ডিজিটের মাছ কিনবে। মাছওয়ালার মনে করেন দরকার চাল। ও চলি ডিজিটের চাল কিনবে। ডিজিট ঘুরবে খালি। এক হাত থেকে আরেক হাত। এমন একটা মানি আপনাদেরকে দিবে এমন একটা মুদ্রা আপনাদেরকে দিবে যে মুদ্রা ধরতেও পারবেন না পকেটেও রাখতে পারবেন না। এখন তো তাও ধরতে পারেন পকেটে রাখতে পারেন।একটা সময় আসবে মুদ্রা ধরতে পারবেন না পকেটেও রাখতে পারবেন না। এগুলোর মান তারাই নিয়ন্ত্রণ করবে। যখন দেখবে আপনার মধ্যে তাওহীদ বেশি আছে ইসলামের চেতনা বেশি আছে। দিনের ফিকির বেশি ইসলাম ইসলাম বেশি করেন। আপনার মান কমে যাবে।যদি দেখে আপনার মধ্যে দাসত্ব আছে। ওরা যা বলছে আপনি তাই করছেন ইয়েস স্যার ইয়েস স্যার বলছেন। আপনি উন্নতি অগ্রগতি অবগতি সব পাবেন ইনশাল্লাহ।

ডিজিটাল মুদ্রা ও বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কা

যারা আবার এগুলো লঞ্চ করছে তারা আবার তাদের সম্পত্তি গুলোকে গোল্ড এবং সিলভারে কনভার্ট করছে অলরেডি দেখবেন। বড় বড় কোম্পানিগুলোকে দেখেন গোল্ড এবং সিলভারের কনভার্ট করছে। ওই ইসরাইলের দিকে তাকিয়ে দেখেন ওর বেশিরভাগ সম্পদ গুলোকে সাস্টিনেবল গোল্ডেন মাধ্যমে কনভার্ট করছে। ও আমাদের মত বোকা নয়। শুনেন তেমন বোকা নয়? বিগত সত্তর বছরে মুসলিমদের নাকের ডগায় বসে চার চারটা যুদ্ধে মুসলিমদেরকে পরাজিত করে দিয়েছে ইসরাইল। বিগত সত্তর বছরে প্রথমে বৃটেন তারপরে আমেরিকার হাত ধরে তারা এমন একটা জায়গায় এসেছে। এই জায়গা থেকে বিশ্বের পলিটিক্স ইকোনোমিক মিডিয়া প্রযুক্তি ফাইন্যান্স সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি অর্জন করেছে ।অর্জন করেছে অলরেডি। আপনি মনে করছেন এটা করবে অনেকে মনে করে এটা ভবিষ্যত বক্তা মনে হয়। আমি বলি বর্তমান সম্পর্কে আপনি খবর রাখেন না বলেই বর্তমান সময়টা আপনার ভবিষ্যৎ মনে হচ্ছে। এটা বর্তমানে এটা ভবিষ্যৎ না। ভবিষ্যতে তো সে সারা বিশ্বকে রুল করবে ইনশাল্লাহুতালা । তা না হলে তো সে মাছিহুদ দাজ্জালের ফরওয়ারী হতে পারবে না। আর দারজাল তো সারা বিশ্বকে শাসন করবে। আর তাকে ফলো করবে জিউস রাই। তবে হ্যাঁ এটা আমরা জানি কুরআন এবং হাদিস থেকে আলহামদুলিল্লাহ ওদের এই দমন পিরন শাসন জুলুম হবে না ইনশাল্লাহুতালা। এটা একটা সাময়িক সময়ের জন্য থাকবে। এরপর আল্লাহপাক এটাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিবে ইনশাল্লাহুতালা। কিভাবে সরাবেন? ওই যে লোহিত সাগরের আল্লাহ পাক যেমন করে বনী ইসরায়েলকে ধাওয়া করছিল ফেরাউনের বাহিনী মনে আছে ।লোহিত সাগর ফেরাউনের বাহিনীকে একত্রিত করেছিলেন এবং আল্লাহ পাক লোহিত সাগরের ফেরাউনের বাহিনীকে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন মনে আছে। আল্লাহ পাক সেম সুন্নাহ অ্যাপ্লাই করেছেন প্যালেস্টাইনের ক্ষেত্রে। আল্লাহপাক সমস্ত জালেমদেরকে ওখানে একত্রিত করেছেন ধ্বংস করার জন্য। এটা হবে ইনশাল্লাহ। আমরা জানি এটা সরে যাবে পৃথিবী থেকে। তারপরে এমন একটা যুগ আসবে যেই যুগে ইনশাল্লাহু তায়ালা একজন নবী সারা বিশ্ব পরিচালনা করবে। তার নাম ঈসা আলাইহিস সাল্লাম। এবং তার অনেক আগেই আমাদের ইমাম আল মাহদী তিনি ইন্তেকাল করবেন। মনে রাখবেন শেষ জামানায় সবচেয়ে ভাইটাল চরিত্র ইমাম মাহাদী নন।শেষ জামানায় সবচেয়ে ভাইটাল চরিত্র হচ্ছে ঈসা আলাইহিস সাল্লাম। ঈসা আলাইহিস সাল্লাম সবচেয়ে ভাইটাল চরিত্র কারন তিনি জেরুজালেম থেকে পুরো ওয়ার্ল্ড ইসলামিক খেলাফত কায়েম করবেন। এবং ৪০ বছর এই চল্লিশ সংখ্যা এক্সাক্টলি ৪০ নাকি আরো বেশি আল্লাহ ভালো জানে। পৃথিবী জুড়ে ইসলামের অনুশাসন বজায় থাকবে ইনশাল্লাহুতালা। একটা কাঁচা বাড়ি বা একটা পাকা বাড়ি এমন কোন বাড়ি পাবেন না যেখানে আল্লাহর কালিমা প্রবেশ করবে না। জুলুম বলে কিছু থাকবে না ইনশাল্লাহুতালা। যা দেখছেন এখন ওয়াল্ড হোয়াইট যে দাপট যা দেখে মনে হচ্ছে বিশ্ব ওদের। এদের কোন অস্তিত্ব এই বিশ্বে থাকবে না। এখন সারা বিশ্ব দেখে আপনার কাছে মনে হচ্ছে মাশাল্লাহ ন্যাটো ইউনাইটেড নেশন এটা সেটা। বিশ্বে যে কি হচ্ছে সারাদিন। একজন বলছে শুক্র গ্রহ আমার একজন বলছে না শুক্র গ্রহ আমার। একজন মিসাইল তৈরি করছে আরেকজন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করছে।ওয়াল্ড অ্যাফেয়ার্স পড়লে মনে হয় যে ওয়ার্ল্ডটা এদেরই ।

ইসরাইল, দাজ্জাল ও ঈসা আলাইহিস সালামের আগমন

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে বিশ্বটা আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। এটা চিরস্থায়ী হবে না। এবং একে অপরের সাথে কালিউশন করে এরা শেষ হয়ে যাবে। মুসলিমদের উপর যেমন দমন পিরন বাড়বে ঠিক একইভাবে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বংশধরদের মধ্যে থেকে একজন ইমামকে বের করে নিয়ে আসবেন। তিনি ইনশাল্লাহুতালা মুসলিমদেরকে নিয়ে এই জুলুমের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাবেন। পরে যখন মাছিরুদ দাজ্জাল বের হবে তাকে তিনি হত্যা করতে পারবেন না। কারণ তাকে এত বেশি ক্ষমতার দেওয়া হবে যে মুসলিমরা তার সাথে পারবেন না ।তখন আল্লাহ পাক হযরত ঈসা আলাইহিস সাল্লাম কে পাঠাবেন। এবং তিনি প্যালেস্টাইনের বাবেলুদ নামক জায়গায় এই মাসিহু দাজ্জালকে হত্যা করবেন ইনশাল্লাহুতালা। আমাদেরকে বিশ্ব নেতারা এখন বোঝায় এই বিশ্বের এখন শেষ নাই। এই পৃথিবী জয় করার পরে আমরা মঙ্গলে গিয়ে থাকব তারপর শুক্রতে তারপর বৃহস্পতিতে। মাইন্ড সেটটা এমন তৈরি করেছে না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই মহাবিশ্ব টাই ধ্বংস হয়ে যাবে। এই পৃথিবীতে ধ্বংস হবেই তবে এই মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার আগে ঈসা আলাইহিস সাল্লাম এর হাতে সারা বিশ্বের ইসলামিক খেলাফতের কায়েম করাবেন ইনশাআল্লাহতালা। মাঝখানে একটা সময় আপনাকে পার করতে হবে। কত বছর ননসেন্স প্রশ্ন।কত বছর ১০০, ২০০, ৫০০ বছর ভাই আল্লাহ ভালো জানেন আমরা জানি না। এবং জানার কথাও না। কেউ যদি বলে এত সাল তাহলে সে নিশ্চিত মিথ্যাবাদী। এবং এটা একটা অহেতুক কথা যে এত সাল বা এত বছর পর। এটা আমরা বলতে পারব না। শুধু এতোটুকু বলব পৃথিবী চিরদিন এরকম থাকবে না। পৃথিবীতে এখন যা দেখছেন তা চিরস্থায়ী হবে না। আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে রাত যত গভীর হবে ভোর তত কাছাকাছি আসবে। এবং এই পুরো বৈশ্বিক জুলুম, ফাসাদ, জেনা, পর্নোগ্রাফি মাদক, সুদ, জুলুম অত্যাচারের মধ্যেও দেখবেন প্রত্যেকটা জায়গায় জায়গায় আল্লাহ পাক আল্লাহর কিছু না কিছু বান্দাকে রেখে দিবেন। আর আমার বিশ্বাস যে তাদের বেশিরভাগই হবে যুবক শ্রেণীর।এটা আমার মত আল্লাহ ভালো জানেন। আমার মনে হয় যে বেশিরভাগই হবে যুব সমাজ।এবং আমার কাছে একটা দলিল আছে যে কেন মনে হয়। কারণ আশহাফুল কাহাব যারা ছিলেন তারা যুবক ছিলেন। প্রত্যেক যুগে যুগে আশহাফুল কাহাব থাকবেনন ইনশাল্লাহুতালা। তাদের হাতে ইনশাআল্লাহুতায়ালা এই দ্বীন টাকে আমানত হিসাবে রাখবেন। ওলামা একরামরা তাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আস্তে আস্তে দেখবেন পরবর্তী জেনারেশনের পতাকা তারা বহন করবেন ইনশাল্লাহুতালা। এখন যে কথাগুলো বলতে এতগুলো কথা বললাম যখন আল্লাহপাক মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন ছয় দিনের মধ্যে। তখন মানুষের কোন অস্তিত্ব ছিল না ছিল। মানুষের কোন অস্তিত্বই ছিল না। সূরা তাহার পড়েন এক নাম্বার আয়াত আল্লাহপাক বলছেন মানুষের ওপর একটা আলোচ্য বিষয় চলে গেছে যখন মানুষের কোন অস্তিত্বই ছিল না। এখন সারা ওয়ার্ল্ডের দিকে তাকালে মনে হয় মানুষই সবকিছু। অথচ মানুষের বাইরে যে একটা জাতি আছে জিন জাতি এটাকে মানুষ বিশ্বাসই করে না। মানুষের আশেপাশে ঘুরছে ফেরেস্তারা এটা মানুষ বিশ্বাসই করে না ।আল্লাহপাক আছেন আরশে আজিমে তার উপরে মানুষ বিশ্বাসই করে না। মানুষ বিশ্বাসই করেনা যে আল্লাহ বলে কেউ আছে। মানুষ বিশ্বাস করে বিগ ব্যাংক থেকে সব সৃষ্টি হয়েছে। অনেক মানুষ মনে করে যে আল্লাহ বলতে কেউ নাই বিগ ব্যাংক থেকে সব সৃষ্টি হয়েছে।

দাজ্জাল, মুসলিম ইমাম ও শেষ জামানার আলামত

অথচ আল্লাহ পাক কুরআনে বলেছেন কাফেররা কি লক্ষ্য করে দেখেনা এই মহাবিশ্ব এবং পৃথিবী একটা বিন্দুর মধ্যে ছিল। আমি সেটা পৃথক করে দিয়েছি পার্থক্য করে দিয়েছি। প্রত্যেক জীবন্ত প্রাণীকে সৃষ্টি করেছি পানি দ্বারা। এরপরেও কি তারা বিশ্বাস করবে না। যারা সাইন্সের ছাত্র তারা নিউক্লিয়ার সম্পর্কে পড়ে দেখেন। সাইডোপ্লাজম এর সম্পর্কে পড়ে দেখেন সেখানে কতটুকু পানি আছে। কত অংশ পানি আছে? আল কুরআন বৈজ্ঞানিক সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক। কিন্তু বিজ্ঞান কুরআনিক হতে হবে জরুরি না। বিজ্ঞানে কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা এটা কোরআন দিয়ে যাচাই করা যাবে ।কোরআনে কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা এটা বিজ্ঞান দিয়ে যাচাই করা যাবে না। আল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেন এরপরে মানুষকে। আল্লাহপাক মানুষকে সৃষ্টি করে একা ছেড়ে দেননি। আল্লাহপাক মানুষ কে প্রথমে নাম শিখিয়েছেন। সমস্ত জ্ঞান শিখিয়েছেন কাকে? আদম আলাইহিস সালামকে ।মহাবিশ্বের সমস্ত নাম আমি আদমকে শিখিয়েছি সুবহানাল্লাহ। আমাদের পিতা আদম আলাইহি সাল্লাম এর ডি এন এর মধ্যে জ্ঞান ছিল যা আল্লাহপাক শিখিয়েছিল। বাই ডি এন এ আমাদের মধ্যে জ্ঞানগুলো এসেছে এমনি এমনি আসেনি। মানুষ একটা বুদ্ধিভিত্তিক প্রাণী না। অটোমেটিকলি কি মানুষ জ্ঞান শিখে ফেলেছে। আল্লাহ এই জ্ঞান আদম আলাইহিস সাল্লাম কে শিখিয়েছেন। তার বংশধরদের মধ্যে এই জ্ঞান ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর আল্লাহ পাক জান্নাতে রেখেছেন শর্ত দিয়েছেন কি? তোমরা দুজন এই গাছের নিচে যাবে না এটা একটা পরীক্ষা। গাছটার নাম কি? এটা হচ্ছে ওই প্রশ্নের মত ঈসা আলাইহিস সাল্লাম কবে আসবেন? গাছটার নাম ওই প্রশ্নের মত যে দাজ্জালের আসল নাম কি হবে? ইমাম মাহাদি কত সালে আসবেন? এগুলো ওই প্রশ্নের মত যে ওই গাছটার নাম কি ছিল? প্রয়োজন নাই গাছের নাম আমার। গাছটা ছিল একটা টেস্ট পরীক্ষা। গাছটার কাছেও যেওনা। চলে গেলেন কার প্ররোচনায় চলে গেলেন? ইবলিশের। তার নাম কি ইবলিশ। আচ্ছা ইবলিশ কি আমল করতো না? ইবলিশ ফেরেশতাদের সর্দার ছিল না। কি কারণে আল্লাহপাক তাদেরকে বহিষ্কার করলেন? অহংকার এর জন্য আল্লাহপাক তাকে বহিষ্কার করেছেন। ইবলিশ কে সৃষ্টি করা হয়েছে আগুন দিয়ে এবং মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে মাটি দিয়ে এটা হচ্ছে তার আত্ম অহংকার। মনে রাখবেন আপনার যত বড় সার্টিফিকেট থাকুক ক্যামব্রিজ থেকে অক্সফোর্ড থেকে হারবাট থেকে যদি আপনার কাছে অনেক বড় বড় সার্টিফিকেট থাকে কিন্তু মনের মধ্যে অহংকার থাকে। আপনার মনের মধ্যে নূর আসবে না। যদি আসতো তাহলে ইবলিসের মনে আসতো। তার জ্ঞানের কোনো কমতি ছিল না। কিন্তু তিনি অহংকার করেছিল। আর অহংকার কাকে বলে? সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা এবং অন্যদেরকে আনরেস্টমেন্ট করা মানে ছোট করা। এবং আমাদের সংস্কৃতি হচ্ছে অন্যদেরকে ছোট করা। আমাদের চরিত্রই হয়ে গেছে এরকম গীবত, তহমত, সমালোচনা, অপবাদ দেয়া কাদা ছোড়াছুড়ি চুল ছেড়ে এগুলোই সংস্কৃতি। যতক্ষণ আমরা এই কাজগুলো করতে থাকি ততক্ষণ ওই যে ইসরাইল সে আরো দশটা মিসাইল বানিয়ে ফেলে। এর জন্যই বলি যে আমরা মাঝে মাঝে জিলাপি খাই খুরমা খাই। আর তারা তাদের কাজের দিকে এগিয়ে যায়। প্রথমদিকে হালুয়া রুটি বলেছিলাম অনেকে রাগ হয়েছিল এর জন্য এখন আর হালুয়া রুটি বলি না এখন বলি জিলাপি আর রুটি খাবার কথা এখন আর কেউ রাগ হয় না।

মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও বর্তমান দুরবস্থা

একটা সময় ছিল। আবু বক্কর সিদ্দিকী রাদিয়াল্লাহু আনহু, উমাইয়ার খেলাফত , আব্বাসের খেলাফত, ফাতেমি, আলী আবু তালেব মামলত, কটওভার, ওসমানীয় এই যে খেলাফত ছিল। স্বর্ণযুগের মধ্যে ইসলাম বেশি ছিল। আস্তে আস্তে ইসলাম কমতে থাকলো। কিন্তু এটলিস্ট মুসলিমদের একটা শক্তি ছিল মুসলিমদের একটা ল্যান্ড ছিল।একটা ইমারা ছিল একটা যাবার আছিল একটা খেলাফত ছিল। আমীর ছিল ইকোনমিক পাওয়ার ছিল প্রযুক্তি ছিল সামরিক বাহিনী ছিল সবকিছু মুসলিমদের হাতে ছিল। এরপর একটা যুগ আসলো এই যুগের বয়স বেশি দিন না। ১০০, ২০০, ৩০০ বৎসর। লাস্ট ২০০ , ৩০০ বছর ধরে দেখবেন আপনি নো স্টেট কোন স্টেট নাই। যেগুলা আছে সেগুলো টুকরো টুকরো পিছ আপ করা। টুকরা টুকরা করে ভাগ করা হয়েছে। কার সাথে কারো মহাব্বত নাই। মানে ওই দেশের মানুষ মরলে এই দেশের মানুষ হাসে। এখানে আঘাত হানলে ওরা বলে আমি তো বাংলাদেশী না আমি বাংলাদেশের ব্যাপারে নাক গলানোর দরকার নাই। তারপর সিরিয়ায় যদি কেউ বোম মারে পাকিস্তানরা বলে ওরা তো সিরিয়ার মানুষ আমাদের সাথে কি সম্পর্ক। পাকিস্তানের মা বোনের যদি কেউ ইজ্জত নেয় তাহলে ইরাক বলে ওরা তো প্যালেস্টাইনের ওদের সাথে আমাদের কি সম্পর্ক। ইউনাইটেড কোন ফর্ম নাই প্রথম কথা। না কোন ইউনাইটেড নেশন না কোন খেলাফা না কোন আমীর না সবার মাঝে কোন হৃদ্যতা নাই ইকোনমিক বেইজ।না স্বতন্ত্র কোন মিডিয়া না স্বতন্ত্র সিস্টেম স্বতন্ত্র পলিটিক্যাল সিস্টেম ইকোনোমিক্স সিস্টেম মিডিয়া প্রযুক্তি ওভারওল যে বিষয়গুলো ছিল আমাদের স্বর্ণযুগের।এগুলো লাস্ট ২০০ ,৩০০ বছরে অনেকটা কমে গেছে । এবং যখন কমে গেছে এই সময়ের মধ্যে ইসলামের বিরোধী শক্তি যারা আছে। স্পষ্ট এবং প্রকাশ্য বিরোধী শক্তি যারা আছে ভিতরে এবং বাহিরে। এরা এই প্রত্যেকটা সেক্টরে উন্নতি করেছে। আর আমরা এই মূল বিষয়গুলোতে ফোকাস না করে পড়েছিলাম কোথায়? আপসে গীবত আমাদের তহমত এবং মানুষে কাদা ছোড়াছুড়ি। একটা ন্যাশন এর মধ্যে সবাই ভাই না আমরা। একটা নেশনে কি থাকতে? ল্যান্ড লাগে ভূখণ্ড লাগে সার্বভৌমত্ব লাগে জনসংখ্যা লাগে সরকার লাগে এগুলো লাগেনা। চারটা বিষয়ের দরকার হয়। রাষ্ট্রের সঙ্গে এগুলো পাবেন। ওভারঅল দেখবেন রাষ্ট্র থাকবে প্রশাসন থাকবে জনসংখ্যান থাকবে আলেম-ওলামা থাকবে যুবসমাজ থাকবে তরুণ প্রজন্ম থাকবে যুবতীরা থাকবে বাচ্চা কাচ্চা থাকবে। এই হচ্ছে আপনার প্রজন্ম একটা ন্যাশন। এই নেশনের সবাই আমরা একে অপরের ভাই নই। আমরা সবাই এক জাতি না। নাকি সবাই সবার শত্রু। আমরা কি কেউ কারো শত্রু। আমরা সবাই কিন্তু একটা জাতি।এখন এই এক জাতির কনসেপ্ট এর মধ্যে কত ভাটা পড়েছে দেখেন । এক ধর্ম নেতা আরেক ধর্ম নেতাকে দেখতে পারেনা ।এক বক্তা আরেক বক্তার সমালোচনা না করলে পেটের ভাত হজম হয় না। এক ভাই একটা দল করে আরেক ভাই আরেকটা দল করে । এই ভাই ওই ভাইয়ের ক্ষতি না করতে পারলে ঘুম হয় না। আমরা কি আপসে লড়াই করছি না। আমরা কি একে অপরের সাথে লড়াই করে সময় নষ্ট করছি না। পক্ষান্তরে আমাদের স্পষ্ট শত্রু যারা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড তারা কি একত্রিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে নাই। এই সহজ বাংলা ভাষাটা আমাদের বুঝে কেন আসে না। যে আমরা সবাই এক আমরা সবাই মুসলিম ।

উম্মাহর ঐক্য ও মৌলিক কাজের গুরুত্ব

আমরা সবাই মুসলিম এটাই আমাদের মৌলিক পরিচয়। আমাদের মধ্যে কাউকে আল্লাহপাক কর্তৃত্ব দিয়েছেন আবার কাউকে অধীনস্থ দিয়েছেন। কাউকে এলেম দিয়েছেন জ্ঞানের শরীয়তের কাউকে দেন নাই। কাউকে তরুণ বানিয়েছেন কাউকে তরুণী বানিয়েছেন। কাউকে বৃদ্ধ বানিয়েছেন কাউকে যুবক বানিয়েছেন। কেউ ঘর সামলাচ্ছে কেউ সমাজ সামলাচ্ছে। সবাই কি আমরা একে অপরের ভাই নই। নাকি আমরা সবাই একে অপরের শত্রু। কি করেছি আপোষে সমালোচনায় গীবতে তহমতে এতটা সময় পার করেছি যে এই সময়ের মধ্যে তারা অনেক দূরে এগিয়ে গিয়েছে। আর এই এগিয়ে যাওয়াটা তাদের আরো বাড়তে থাকবে। কারণ কিছু পাপের শাস্তি আমাদেরকে পেতে হবে দুনিয়ায় একটু মাথায়। কিছু ভুলের শাস্তি আমাদেরকে দুনিয়ায় পেতে হবে। ইনশাল্লাহ এরপর একটা প্রজন্ম আসবে যারা এই ভুলগুলো করবে না ইনশাল্লাহ। বিশ্বাস করেন এরপরে এমন একটা প্রজন্ম আসবে। আল্লাহ পাক বলেছেন তোমরা যদি দায়িত্ব পালন না করো তোমাদেরকে সরিয়ে দিয়ে নতুন সম্প্রদায় কে নিয়ে আসবো।তারা তোমাদের মত হবে না। আল্লাহ পাক এমন জেনারেশন নিয়ে আসবেন দেখবেন তারা সবাই তাওহীদপন্থী হবে। তারা সবাই সুন্নত পন্থী হবে। তারা হালাল খাবে হারাম থেকে দূরে থাকবে। তারা পারিবারিক আদর্শ ঠিক রাখবে ইনশাল্লাহু তায়ালা। তাদের যুব সমাজকে দেখবেন আল্লাহর জন্য নিজের জীবন কুরবানী দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে।দেখবেন তরুণদের সাথে প্রবীণের একটা সুন্দর সম্পর্ক থাকবে। প্রবীনদের থেকে দেখবেন তরুণরা এগিয়ে যাবে। দেখবেন ছোট ছোট বাচ্চারা এক একটা দিনামাইট হয়ে তৈরি হবে ইনশাল্লাহুতালা। অপেক্ষা করতে থাকেন সময় আসবে একসময় ইনশাল্লাহুতালা হতাশ হবেন না। মাঝখানের এই সময়টুকুতে প্রথম কাজ হচ্ছে পরিস্থিতি বোঝা। মৌলিক কাজগুলোর দিকে ফোকাস করা। এবং যে কাজগুলো মৌলিক নয় গৌণ কাজ এগুলোর দিকে বেশি ফোকাস না করা। মূল কাজের দিকে ফোকাস করা। মূল কাজ হচ্ছে সবাই আমরা ভাই ভাই। আপসে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য সবাইকে নতুন দল ধরার দরকার নাই। শুধু মন থেকে বিশ্বাস করে দেন সে আমার ভাই ব্যাস। শুধু মন থেকে ধরে নেন সবাই আমার ভাই দেখবেন মন থেকে ঐক্য হয়ে গেছে। ঐক্যটা মনের ব্যাপার। এটা কিন্তু ফিজিক্যাল বিষয় নয়। মন থেকে বিশ্বাস করে নেন আমরা যারা তাওহীদ পন্থী আসছি মুসলিম আছি বাংলাদেশের সবাই আমরা ভাই।এবং বিশ্বে যারা আছে যারা নির্যাতিত নিপীড়িত ওরা আমার উম্মার বাইরে নয় ওরাও আমার উম্মার অন্তর্ভুক্ত। চিন্তা জগতের পরিবর্তন আনেন। মৌলিক কাজে আসেন পড়াশোনা করেন ।খালি নারায়ন তাকবীর আল্লাহু আকবার স্লোগান দিলে আর আল কুরআনের আলো ঘরে ঘরে জ্বালো স্লোগান দিলে আই ওয়াস শোডাউন করলে সব হবে না। বেসিক জায়গায় এসে পড়াশোনা করেন তরুণ সমাজ কে পড়াশোনা করান। ভালো কিছু পড়ান ।যারা জেনারেল লাইন থেকে উঠে আসছে তাদেরকে ভালো কিছু পড়ান ।যারা মাদ্রাসায় পড়ছেন প্রয়োজনে কিছু প্রয়োজন হলে তাদের সিলেবাসে কিছু সংস্কার করে। করে এগিয়ে নেন। উভয় মাঝে একটা সমন্বয় সৃষ্টি করেন। ওলামা একরাম এর মধ্যে ঐক্যের সৃষ্টি করেন। আপসে বিভক্তি করার চেষ্টা করবেন না। যারা হিংসা গীবত তহমত সমালোচনা সংস্কৃতি লালন করে তাদেরকে এড়িয়ে যায়। ওদিকে ভ্রুক্ষেপও করবেন না। একটা সেকেন্ড ওখানে ভ্রুক্ষেপ করবেন আপনি একটা সেকেন্ড পিছিয়ে যাবেন।

যুবসমাজ, দাওয়াত ও তাওবার পদ্ধতি

তরুণ সমাজ এখন পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত জুয়াতে আসক্ত মাদকে আসক্ত। মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করছে। টিক টক প্রজন্ম হয়ে গেছে। সারাদিন মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকে কিচ্ছু বুঝেনা জীবনের উদ্দেশ্য কি? এদেরকে আল্লাহর দিকে ফেরান নামাজের দিকে ফেরান। দ্বীনের মেহনত বাড়িয়ে দেন। মসজিদগুলো আবাদ করেন মাদ্রাসা গুলো গড়ে তোলেন স্কুল কলেজ নির্মাণ করেন। আমাদের পরবর্তী জেনারেশনের বাচ্চাগুলোকে এমন ভাবে মানুষ করেন যেনো আগামী বিশ্বকে ওরা চ্যালেঞ্জ করতে পারে। আমাদের প্রশাসনে যারা আছে তাদেরকে স্বাধীনতার সাথে কাজ করতে দেন। ন্যায় পরায়নের সাথে কাজ করতে দেন। ন্যায় প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ তাদেরকে দেন। যারা তাদের উপরে আছেন তাদের মধ্যে ইসলামকে ঢুকিয়ে দেন। আল্লাহর ভয় ঢুকিয়ে দেন তাকুয়াকে ঢুকিয়ে দেন। তাদের সাথে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হবেন না। একটা রাষ্ট্রের মধ্যে অরাজকতা সৃষ্টি করে রাষ্ট্রের কোন কল্যাণ হয় না। বরং লাস্টের আরো ক্ষতি হয়। এমন কিছু করতে যাবেন না একটা রাষ্ট্রের জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছে এমন কিছু করতে যায়েন না। করতে গেলে উপকারের চাইতে ক্ষতি বেশি হয়ে যাবে। বরং সৎ কাজে আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ দিয়ে কাছে ডেকে ভালো করে বুঝান। এতোটুকু দায়িত্ব আপনার। আল্লাহ যদি তৌফিক দেন আল্লাহ যদি কবুল করেন দেখবেন এই মানুষগুলোর মধ্যে থেকে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর মত মানুষ বের হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। মনে রাখবেন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু অস্ত্র হাতে নিয়ে নবীকে হত্যা করার জন্য বের হয়েছিল। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সেই মানুষকে কবুল করে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা বানিয়েছেন সুবাহানাল্লাহ। তো সবার প্রতি সুধারণা রেখে দ্বীনের দাওয়াত সবা মহলে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন। আল্লাহ যদি কবুল করেন এবং ইসলামকে যদি সঠিকভাবে প্রেজেন্ট করতে পারেন। তারা যদি বুঝতে পারে তাহলে তাদের দ্বারা এমন খেদমত সম্ভব যা আমার দ্বারা সম্ভব না। এটাই আমাদের দায়িত্ব এতোটুকুই। আল্লাহপাক আমাদেরকে কতগুলো বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন। আল্লাহ পাক বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট বোঝার তৌফিক দান করুন। আমাদের উম্মার মধ্যে আল্লাহপাক ঐক্য দান করুন। আমাদের মধ্যে আল্লাহপাক হৃদ্ধতা ভালোবাসা দান করুন। আমরা যে একে অপরের ভাই আল্লাহপাক এই কনসেপ্টটা বোঝার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ পাক অন্যায় এবং জুলুম কারীদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে দাঁড়ানোর তৌফিক দান করুন। আল্লাহ পাক হেদায়েত দিয়ে যুবসমাজকে ইসলামের পথে নিয়ে আসছে আমি খাস দোয়া করছি। যারা আজকে আল্লাহকে ভোলা রাসূলকে ভোলা এই বান্দা গুলোকে আল্লাহ যেন এই বান্দাদেরকে খাস করে দয়া করে আল্লাহ পথে এবং রাসুলের পথে নিয়ে আসছেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে পড়ার তৌফিক দান করুন আমীন।বিত্তশালীদের কে দ্বীনের জন্য অর্থ ব্যয়ে এগিয়ে আসার তৌফিক দান করুন আমিন। আমাদের ঊর্ধ্বততম কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে নিম্ন পদে যারা আছি যার যার জায়গা থেকে দ্বীনের খেদমত করা তৌফিক আল্লাহপাক দান করুন। প্লান্জ একটা শান্তির ধর্ম মানবতার ধর্ম এবং সমস্ত বিষয় সমাধান ইসলামে আছে এটা বোঝার তৌফিক আল্লাহপাক তাদেরকে দান করুন। এবং আমাদেরকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা তৌফিক আল্লাহপাক দান করুন। আল্লাহ পাক আমাদের যেন ভুল ত্রুটি মাফ করে দেন। যদি আমাদের দ্বারা পসিবল না হয় এবং আমরা যদি যোগ্য না হই আল্লাহ পাক আমাদেরকে যেন সরিয়ে দিয়ে এমন একটা সম্প্রদায় নিয়ে আসেন। যারা এই কাজগুলো করতে পারবে ইনশাল্লাহুতালা। তারপরও আমরা চাই আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনটা যেন বিজয় হয়। আল্লাহ পাক এই দুনিয়ায় যে মানুষগুলোকে সৃষ্টি করে পাঠিয়েছেন ওই জান্নাত থেকে এমনি এমনি পাঠাননি প্রিয় ভাইয়েরা। সময় আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ৬০, ৭০, ৮০, ১০০ বা ১২০ বছর এর বেশি সময় আপনি পাবেন না। এই সময়টুকুর মধ্যে আপনার আমার কর্তব্য হচ্ছে জীবনটাকে ভাগ করে ফেলা। জীবনের কোন কোন জায়গায় কাজ করতে হবে ফিক্স করা। মনে করেন আপনার বয়স ত্রিশ বছর। রাত্রে ঠান্ডা মাথায় আপনি চিন্তা করেন এই ৩০ বছরে আপনি কি কি পাপ করেছেন। কাগজে কলমে লিখে ফেলেন। আপনি অনেকগুলো পাপ খুঁজে পাবেন এই পাপকে দুই ভাগে ভাগ করেন। আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত একটা বান্দার সাথে সম্পৃক্ত। যেগুলো আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত আপনি দুই রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহকে বলেন আল্লাহ না বুঝে না জেনে শয়তানের প্রয়োচনায় পড়ে জীবনে ভুল করেছিলাম। আল্লাহ ওয়াদা করছি কখনো এই পাপে আর লিপ্ত হব না । আপনি আস্তাগফিরুল্লাহ পড়বেন আপনি বিশ্বাস করেন আল্লাহ পাক আপনার সমস্ত গুনাহকে নেকী দিয়ে পরিপূর্ণ করবেন। আর কিছু পাপ থাকবে মানুষের সাথে সম্পর্কিত কারো বিপদ করেছেন তো কারো টাকা নিয়ে দেন নাই কারো কারো জিনিস আত্মসাৎ করেছেন কাউকে গালি দিয়েছে। এগুলো মানুষের সাথে সম্পর্কিত তাদের কাছে গিয়ে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে। এরপরে আপনি পাপমুক্ত হলেন। বাকি জীবনটাকে ভাগ করে নেন। বছরকে মাসে ভাগ করেন। মাসকে দিনে ভাগ করেন। শুরুতে যে সুন্নাহর কথা বললাম ২৪ ঘন্টা সুন্নাহ মোতাবেক সাজিয়ে ফেলেন। সময় নষ্ট করিয়েন না।

সাধারণ প্রশ্ন

ডকুমেন্ট অনুযায়ী কেয়ামতের দিনের গুরুত্ব কী?

বক্তা বলেছেন, কেয়ামতের দিন না থাকলে পৃথিবীর জালিমরা পার পেয়ে যেত এবং মজলুম তার অধিকার ফিরে পেত না। তাই কেয়ামতের দিন জালিমের জন্য হতাশা এবং মজলুমের জন্য প্রাপ্তির দিন।

ডকুমেন্টে গুনাহ মাফের জন্য কী করতে বলা হয়েছে?

আল্লাহর সাথে সম্পর্কিত পাপের জন্য দুই রাকাত নামাজ পড়ে তাওবা ও ইস্তিগফার করার কথা বলা হয়েছে। মানুষের সাথে সম্পর্কিত পাপের জন্য সংশ্লিষ্ট মানুষের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে।

ডকুমেন্ট অনুযায়ী মুসলিমদের ঐক্য কীভাবে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে?

বক্তা বলেছেন, ঐক্য মূলত মনের ব্যাপার; সবাইকে নতুন দলে যোগ দিতে হবে না, শুধু মন থেকে বিশ্বাস করতে হবে যে সে ভাই। গীবত, সমালোচনা ও বিভক্তি এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়েছে।