Islamবাংলা

পরিবারে দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব

খুতবার ভূমিকা ও নারীদের উদ্দেশ্যে বার্তা

যাবতীয় প্রশংসা ও গুনো গান একমাত্র মহিয়ান গরীয়ান আল্লাহর সুবহান তালার জন্যে ।যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের আরশে আজিমের ওপর সমন্বিত। যিনি নাজিল করেছেন মহাবিশ্বের মহা বিস্ময় মহান গ্রন্থ আল কুরআন। এবং প্রেরণ করেছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে। অতঃপর দরুদ এবং সালাম বর্ষিত হোক সাইয়েদু মুরসালিন খতিবি নাব্যি ইন মুহাম্মাদিন আমিন উম্মে নবী মোহাম্মদ সাঃ এর প্রতি তার পরিবার বর্গের প্রতি তার সাহাবা ইকরাম রাঃ আজমাইন তাদের প্রতি। এবং প্রত্যেক যুগে যারা মোহাম্মদ সাঃ এর অনুসৃত পথ অনুসরণ চলবে তাদের প্রত্যেকের প্রতি আল্লাহুম্মা আমীন। আজকের আলোচনার সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু হচ্ছে আখেরি জামান দাজ্জাল ফেমিনিস্ট রেভেলিউশান ।এর সাথে অবশ্য আজকে আমাদের কথাকথিত যে বিশেষ দিন valentines day এ বিষয়টা উঠে আসবে ইনশাআল্লাহ ।আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে আমরা দোয়া করছি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের প্রত্যেককে আলোচনা শুনে বুঝে যাচাই-বাছাই করে আমল করার তৌফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমীন। আজকের খুতবা মূলত নারীদের জন্য। এই খুতবা আমার মায়ের জন্য , আমার বোনের জন্য , আমার স্ত্রী এবং মেয়ের জন্য। এবং আমাদের মা বোন এবং দ্বীন ই বোন স্পেশালি তাদের জন্য। শেষ জামানার সাথে নারীদের একটা গভীর সম্পর্ক আছে। সাধারণত নারীরা শুধু বৈশ্বরিক ক্ষেত্রে অবহেলিত নন । তারা ধর্মীয় ক্ষেত্রে তার চেয়ে বেশি অবহেলিত । মেয়েরা ইস্কুল , কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয় দীন শিখতে পারে না । সবার মাদ্রাসায় যাওয়ার সৌভাগ্য হয় না।আমরা যারা পরিবারের বাবা , ভাই , পিতা , কর্তা তারা ইসলামিক পরিবেশ ঘরে তৈরি করে দেই না। এমনকি তাদেরকে মসজিদেও আসতে দেই না। আমরা মনে করি বা কিছু মানুষ মনে করেন তারা মসজিদে আসলে ফিতনা হবে। তারা বাজারে যাবে , তারা দেশ চালাবে , তারা ব্যাংকে বসবে ,কর্পোরেট সেক্টরে জব করবে। কিন্তু মসজিদে তারা আসতে পারবে না। কারণ যখনই তারা মসজিদে ঢুকবে তখন আমাদের ঈমান নষ্ট হয়ে , যাবে ফিতনার সৃষ্টি হবে। শুধু এই একটা দাজ্জালের যে টোপ এর কারণে যেটা হয়েছে যে আমরা আমাদের পরিবারের মধ্যে ইসলাম নিজেরা প্র্যাকটিস করতে অনেক বেগ পাই। কারণ দেখা যায় বেশিভাগক্ষেত্রে স্বামী আর স্ত্রীর আকিদা এক নয়। মায়ের সাথে ছেলের বনিবনা হচ্ছে না। স্বামীর সাথে স্ত্রীর বনিবনা হচ্ছে না। ভাইয়ের সাথে বোনের বনিবনা হচ্ছে না সমস্যাটা গোড়ায় ।কারণ আমরা যে সোর্স থেকে ইসলাম শিখছি দ্বীন শিখছি এই সোর্স গুলো আমরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারিনি। তো আজকের খুদবাটা স্পেশালি মেয়েদের জন্য ডেডিকেটেড। আমাদের প্রত্যেকের ঘরে মা বোন স্ত্রীর সন্তান আছেন। আমরা চেষ্টা করব এই মেসেজগুলো তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং উপযুক্ত পন্থায় এলেমের সাথে প্রজ্ঞার সাথে হিকমার সাথে আল্লাহপাক তৌফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমীন।

শেষ জামানা ও আখিরি নবীর আগমন

আদম আঃ থেকে মোহাম্মদ সাঃ পর্যন্ত যে সময়টা চলে গেছে। এই সময় শেষের দিকে একজন নবী এসেছেন মোহাম্মদ সাঃ।তিনি যে কথাটা বলেছেন যে আমাকে এবং কেয়ামত কে এভাবে পাঠানো হয়েছে। এই কথা বলে তিনি দুই হাত উঁচু করে দেখালেন। যে আমাকে এবং কেয়ামতকে এইভাবে পাঠানো হয়েছে। মানে তিনি যে সর্বশেষ জামানার নবী। এবং তার কাছে যে কুরআন নাযিল করা হচ্ছে এবং যে সুন্নাহ তিনি মানুষকে শেখাচ্ছেন। এগুলো যে সর্বশেষ হেদায়েতের উৎস এবং তিনি যে জামানায় প্রেরিত হয়েছেন। ওই সময় থেকে নিয়ে কেয়ামত পর্যন্ত সময়টুকু এইটুকু সময়ই আখিরুজ্জামান ।এটা বোঝার জন্য আসলে ৫ টাকার পরিমাণ বুদ্ধির দরকার হয় না। তিনি আখেরি নবী তার কাছে যে বইটি আসলো তা আখেরুজ্জামান এর বই। তিনি বলছেন আমাকে আর কেয়ামতের মাঝখানে এতোটুকু ডিসটেন্স আছে তিনি হাতটা উঁচু করে দেখালেন।এবং এই উঁচুটা করেছেন তিনি ১৪৪০ বছর আগে। আজকে এই হাদিসটা আমি ১৪৪০ বছর পর রিপিট করলাম এই মসজিদে। তাহলে যার মাথায় সামান্য বুদ্ধি আছে সেও বুঝতে পারবে আসলে কতটুকু সময় বাকি আছে ।আমরা এমন একটা এইজ এ বাস করছি যেখানে সত্যবাদীকে মিথ্যাবাদী বলা হচ্ছে এবং মিথ্যাবাদীকে সত্যবাদী বলা হচ্ছে। আমরা এমন একটা যুগে বাস করছি যখন সমাজের সবচেয়ে নিম্ন শ্রেণীর মানুষ যারা যাদের পায়ে কখনো স্যান্ডেল ছিল না গায়ে কখনো পোশাক ছিল না। দুবেলা দুমুঠো ভাত তাদের কখনো রিজিকে আসতো না তারা এখন উঁচু উঁচু বিল্ডিং নির্মাণের প্রতিযোগিতা করছে। আমরা এমন একটা যুগে বাস করছি যখন সমাজের প্রত্যেকটা সেক্টরে ঈমানের জাল দিয়ে খুঁজলে এক পারসেন্ট ব্যক্তি পাওয়া যায় না যারা নিজেদের জীবনের অর্থনৈতিক সুদ থেকে মুক্ত। আমরা এমন একটা যুগে বাস করছি যে যুগে মসজিদ গুলো হচ্ছে চাকচিক্যময় ।আর সেখান থেকে হেদায়েত উঠে যাচ্ছে। অনেকটা চার্চের মত হয়ে যাচ্ছে মসজিদগুলো সালাত শেষ মসজিদে তালা মারা। রাসূলুল্লাহ সাঃ মক্কায় দারুল আরকান দ্বীন শিখাতেন আর মদিনায় মসজিদে নাবনীতে দ্বীন শিখাতেন। ২৪ ঘন্টা মসজিদ খোলা। মসজিদ থেকে তালিম ,নিচের থেকে কোরআন শেখা , মসজিদ থেকে দাওয়াত দেওয়া , মসজিদ থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা ,হুদুদ কেশাস বাস্তবায়ন এবং খেলাধুলা মসজিদ থেকে হত। খেলাধুলাও হয়েছে মসজিদে দলিল আছে। আমরা এমন যুগে বাস করছি যখন মসজিদগুলো চাকচিক্য ময়। মুসলিম এবং মুসল্লী জুমার দিনে নামাজ পড়তে আসে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজীদের খুঁজে পাওয়া যায় না। খাঁটি মুসল্লিকে খুঁজতে হলে আমাদের ফজরের জামাতে আসতে হয় তখন দেখা যায় আসলে কারা মুসল্লি ।আমরা এমন একটা এইজ এ বাস করছি যখন পিতা-মাতার সাথে দাসীর মতো আচরণ করা হচ্ছে। সমাজে জেনা ব্যাভিচার বাড়ছে ধর্ষণের মাত্রা বাড়ছে। সময় গুলো সংক্ষিপ্ত হয়ে আসছে। বেশি বেশি বর্না ঝড় ঘূর্ণিঝড় জলশাস এ গুলো হচ্ছে। বেশি থেকে বেশি মহামারী হচ্ছে এবং হবে। এগুলা কিছুই না সামনে আরো ভয়ংকর কিছু হবে। আমরা এমন একটা এইজ এ বাস করছি যেখানে মানুষের রক্তের মূল্য নাই। একটা প্রাণীর মানবাধিকার আছে কিন্তু একজন মানুষের স্পেশালি মুসলমানদের রক্তের কোন মানবাধিকার নাই।

সমাজের বর্তমান অবক্ষয় ও মসজিদের অবস্থা

পৃথিবীর যে জায়গায় চোখ দিব সে জায়গায় দেখবো মুসলিমরা নির্ধন । কারণটা পরের কথা প্রেক্ষাপটটা এই। আমরা আসলে এমন একটা এইজ এ বাস করছি যখন সমাজের ফাংশন চেঞ্জ হয়ে গেছে। নারী-পুরুষের জায়গায় চলে আসছে পুরুষ নারী জায়গায় চলে যাচ্ছে ।পুরুষ নারীর পোশাক পরছে আর নারী পুরুষের পোশাক পরছে। নারীরা পোশাক পরেও নগ্ন থাকছে। সমাজে জিনা এবং ধর্ষণ এবং ব্যাবেচারটা বাড়ছে। এবং এটা এত ব্যাপক মাত্রায় বাড়ছে। যে একপর্যায়ে মানুষ মেয়েদেরকে বাদ দিয়ে ছেলেদের সাথে যৌন মিলনে লিপ্ত হচ্ছে নাউজুবিল্লাহ ।সমকামিতা বাড়ছে দিন দিন চাইল্ড এভিউজিং বাড়ছে । ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে দেখবেন এভিউজ করা হচ্ছে।এভিউজ মানে হচ্ছে সেক্সচুয়ালি হারেসমেন্ট করা। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটা করা হচ্ছে ।আবার আমরা দেখছি সমাজে মুনাফিকদের জয় জয়কার। জীবনে কোনদিন কোরআন , সিয়াম , সালাত এগুলোর কোন ধার ধারে না। কিন্তু ইসলাম নিয়ে কথা বলার বেলায় তারাই অগ্রগামী ।তারাই ফতোয়া শোনাচ্ছে ।আর সারা জীবন পড়াশোনা করার পরেও যারা স্কলার অফ ইসলাম তারা তাদের আনুগত্য করছে। তারা বলছে আমরা শুনলাম এবং মেনে নিলাম। আমরা দেখছিলাম সারা বিশ্ব একদিকে যাচ্ছে । আর আমরা যারা স্কলার অফ ইসলাম এবং আমাদের মুসলিমরা এই বিশ্বের অগ্রগতি সম্পর্কে খবরই রাখছি না। বিশ্বের বড় বড় খিতনাগুলো এই আসবে বলে এরকম একটা সময় আমরা বাস করছি। অথচ আপনি দেখবেন আমাদের উম্মার মধ্যে সেক্টারিয়াল ডিভিশন কাদা ছোড়াছুড়ি , দলাদলি , ছোট ছোট মাসালা যে গুলো আছে ছোট বলছি এই অর্থে এগুলো ফিকহী মাসালা । এগুলো নিয়ে আমরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে আছি ।এই যতগুলা আলামত আছে আখেরুজ্জামান এর যদি আপনি কুরআন এবং হাদিস স্টাডি করেন তাহলে আপনি বুঝবেন। এ বিষয়ে কোন ডাউট নাই যে আমরা আখেরুজ্জামান এ বসবাস করছি। একদিন রাসূলুল্লাহ সাঃ মসজিদে আসলেন এবং এসে দেখলেন সাহাবা ইকরাম কিছু একটা বিষয় নিয়ে কথা বলছেন । তখন রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন তোমরা কি বিষয় নিয়ে কথা বলছো। সাহাবীরা বলল আমরা কেয়ামতের আলামত নিয়ে কথা বলছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন শুনে রাখো যতক্ষণ পর্যন্ত দশটা আলামত দেখা যাবে না ততক্ষণ পর্যন্ত কেয়ামত হবে না। এতক্ষণ আমি সাইনগুলোর কথা বললাম এগুলো তো সব দেখাই যাচ্ছে। কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাঃ মেজর বা দশটা বড় বড় আলামত বা সাইনের কথা বললেন। আলামাতুল কুবরা যেটাকে বলা হয়।বড় বড় সাইন এগুলো দেখা না পর্যন্ত কেয়ামত হবে না । এক নাম্বার দাজ্জাল। দুই নাম্বার ইয়াজুজ-মাজুজের ।
তিন নাম্বার ঈসা আঃ এর পৃথিবীতে প্রত্যাগমন ।চার নাম্বার দাব্বাতুল আরদ (জমি থেকে কিছু প্রাণী বের হবে যেগুলো মানুষের সাথে কথাও বলবে )।
পাঁচ নাম্বার পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়।
ছয় নাম্বার, ৭ নাম্বার এবং আট নাম্বার এই তিনটা হচ্ছে বড় বড় তিনটা ভূমিকম্প।
একটা পৃথিবীর পূর্ব দিকে। অর্থাৎ আমাদের দিকে বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া , পাকিস্তান, মিয়ানমার,মালয়েশিয়া ইন্দোনেশিয়া এই কন্টিনেন্টে । আরেকটা পৃথিবীর পশ্চিম দিকে। ফ্রান্স ,ইতালি ,জার্মানি , ব্রিটেন , আমেরিকা এই সাইডে। আরেকটা হচ্ছে জাজিরাতুল আরব। আমাদের সৌদি আরব,কুয়েত ,কাতার,নিভিয়া জর্ডান এই জায়গায়। আরেকটা আলামত হচ্ছে ইয়ামান থেকে একটি আগুন বের হবে যেটা মানুষকে তাড়িয়ে নিয়ে আসবে আরাফার মাঠের দিকে । আরেকটা আলামত আছে দোখার বা ধোঁয়া ।সারা পৃথিবীর একটা বড় অংশ ধোঁয়ায় ছেয়ে যাবে আর এমন ভাবে ছেয়ে যাবে যে আসমান থেকে সূর্যের আলো পৃথিবীতে প্রবেশ করবে না। তারমানে পৃথিবীতে ওই সময় খাদ্য produce করা সম্ভব হবে না।যেহেতু সূর্যের আলো প্রবেশ করবে না। এই দশটা মেজর সাইন তিনি বললেন। এগুলোকে সিক্যয়েন্স অনুযায়ী তিনি বলেননি যে একটার পর একটা হবে।

কেয়ামতের বড় আলামত ও দাজ্জাল

একটার পর একটা হবে এভাবে তিনি বলেননি। এটা চার নাম্বারটা এক নাম্বারে হতে পারে এক নাম্বারটা চার নাম্বারে হতে পারে। কিন্তু এই দশটা হচ্ছে বড় বড় আলামতের কুবরা ।যেগুলো না দেখা পর্যন্ত কেয়ামত হবে না বলে রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন। তার মধ্যে প্রথম যে মেজর কুবরা সাইন সেটা হলো দাজ্জাল। আজকের যে টপিক এর সাথে দাজ্জালের সম্পর্ক আছে। আজকে আমরা অন্য নয়টি টপিক নিয়ে কথা বলার সুযোগ পাবো না। দাজ্জাল হচ্ছে এই আখেরুজ্জামান এর সবচেয়ে বড় সাইন । যারা ইহুদি তারা বিশ্বাস করে তাদের একটা মাসিহ আসবে। সে মাসিহ যখন আসবে তখন তারা জিলু জালেম থেকে সারা বিশ্ব শাসন করবে। ঠিক যেমন তারা দাউদ এবং সুলাইমান আঃ এর সময় করত। এটা ওদের তাওরাতে লেখা আছে এবং অথবা কেউ লিখে দিয়েছে। আর তাওরাতকে চেঞ্জ করে তার একটা বই লিখে তার নাম তালমুদ ।এটা গেল ইহুদিদের কথা। পক্ষান্তরে খ্রিস্টান যারা তারাও বিশ্বাস করে তাদের মাসিহ ঈসা আঃ আবার পৃথিবীতে আসবেন। এবং তিনি যখন আসবেন তখন তারা জিলু জালেম থেকে বিশ্ব শাসন করবে। আমরা মুসলমানরা এটা বিশ্বাস করি যে শেষ জামানায় ঈসা আঃ আবার পৃথিবীতে আসবেন। এবং তার আগে ইমাম মাহাদী আসবেন। তারা মিলে সারা বিশ্ব শাসন করবেন। ইসলামের খিলাফা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করবেন। দেখেন তিনটা রিলিজিনের মধ্যে কনসেপ্ট কিন্তু মিল আছে। শুধু ইহুদীদের কনসেপ্ট টা একটু আলাদা, একটু আলাদা কেমন? খ্রিস্টানরা মনে করে সেই মাসিহ ঈসা আলাই সাল্লাম আমরা ও বিশ্বাস করি সেই মাসিহ হচ্ছে ঈসা আলাই সাল্লাম। কিন্তু ইহুদিরা বিশ্বাস করে না সেই মাসিহ ঈসা আঃ । কেন বিশ্বাস করে না? ঈসা আঃ যখন মাসিহ হয়ে এসেছিল তখন ইহুদীরা তাকে ক্রুসে চড়িয়েছিল ।এবং তারা আনন্দ প্রকাশ করেছিল। তারা যে আনন্দ প্রকাশ করেছিলে এটা বললে তারা আমাকে জেলে পাঠাতে পারবে না কারণ কুরআন এর পক্ষে দলিল আছে। কোরআন বলেছে তারা বলেছিল তার আনন্দের সাথে বলেছিল আমরা হত্যা করেছি আল্লাহর মাসিহ ঈসা আঃ কে। মারিয়ামের পুত্র ঈসা কে আমরা হত্যা করেছি। এবং তারা উৎফুল্ল ছিল তারা হাসছিল তারা খুশি প্রকাশ করছিল। পক্ষান্তরে আর একটা দল নাসরা কষ্ট পাচ্ছিলো যে আমাদের মাসিহ কে হত্যা করা হলো ।এই যে পাপ ইসরাইল বাই পিপল বা ইহুদিরা করেছিল। এর ফলশ্রুতিতে আল্লাহ পাক তাদের পরীক্ষা করার জন্য দাজ্জালকে একটা ফিতনা রূপ এ উপস্থাপন করবে করবে। দাজ্জাল এই ইহুদীদের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্ব শাসন করবে। কিন্তু পরিশেষে ইহুদিরা বুঝবে পারবে আসলে যাকে আমরা মাসিহ মনে করছিলাম সে সত্যিকারের মাসিহ নয়। সে একটা মিথ্যা মাসিহ বা মাসিহুদ দজ্জাল বা কাদ্দার ।আমাদের নবী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলেছিলে সে সত্যিকারের মাসিহুদ দজ্জাল ।এখন কিছু পয়েন্ট মিলাতে হবে আল্লাহর রাসূল হাদিসে বলেছেন ভালো করে শুনুন নূহ আঃ তার কওমকে দাজ্জালের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন ।তিনি বলেছেন এমন কোন নবী নাই যিনি তার কওম কে দাজ্জালের সম্পর্কে সতর্ক করেননি ।কিন্তু আমি তোমাদেরকে একটা এক্সটা কথা বলতে চাই যা দাজ্জাল সম্পর্কে যেটা অন্য কোন নবী বলে নাই কখনো । সেটা কি? তিনি বলেছেন দাজ্জাল এক চোখে অন্ধ কোন বর্ণনায় এসেছে ডান চোখে অন্ধ ,আর তোমাদের রব আল্লাহ তিনি অন্ধ নন । রাসূল সাঃ এতোটুকুই এক্সট্রা বলেছেন।আরেকটা এক্সট্রা লাইন বলেছেন যে ব্যক্তি সূরাতুল কাহাফ প্রত্যেক জুম্মায় তেলাওয়াত করবে। বা সূরা কাহাফ বুঝে পড়বে বা সূরা কাহাফ এর প্রথম দশটা আয়াত মুখস্ত করবে। সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে বেঁচে থাকবে এতোটুকুই ।সূরাতুল কাহাফ এর মধ্যে এমন কিছু আছে যেটা আপনাকে দাজ্জালকে চিনতে সাহায্য করবে। যখন আপনি তাকে চিনতে পারবেন তখনই তার থেকে বাঁচতে পারবেন। আর যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ এর সাথে সম্পর্ক নাই তার দুই চোখ খোলা নাই। আমি আগেও দুই চোখ খোলা মানে বুঝিয়েছিলাম একটা হচ্ছে বাহ্যিক চোখ আরেকটা হচ্ছে হৃদয়ের চোখ।

দাজ্জালের ফিতনা ও তার বৈশিষ্ট্য

যার বাহ্যিক চোখ এবং হৃদয়ের চোখ খোলা নাই সে দাজ্জালকে চিনতে পারবে না। ওর ফিতনায় পড়ে যাবে। তো রাসূল সাঃ বলেছেন সে এই বিশ্বে ৪০ দিন রাজত্ব করবে। তার প্রথম দিনটা হবে একটা বছরের সমান। দ্বিতীয় দিনটা হবে একটা মাসের সমান। তৃতীয় দিনটা হবে একটা সপ্তাহের সমান। এবং বাকি দিনগুলো হবে তোমাদের মতই। এখানে অনেক ব্যাখ্যা আছে আজকে ওই দিকে যাব না। মাথা ঘুরবে সহজ কথাগুলো বলছি। রাসূল সাঃ বলেছেন সে যখন পৃথিবীতে শাসন করবে ইহুদীরা তখন তাকে ফলো করবে। সহজভাবে বললাম। তিনি বলেছেন সে যখন বিশ্ব শাসন করবে তখন মহিলারা তাকে ফলো করবে। তিনি বলেছেন দাজ্জালের সর্বশেষ অনুসারী হবে একশ্রেণীর নারী এক এক শ্রেণীর মা এক শ্রেণীর বোন এক শ্রেণীর স্ত্রী । যাদেরকে মমিন স্বামী , ভাই বা পিতা দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচানোর জন্য ঘরে বেঁধে রাখতে চাইবে। কিন্তু কিছুতেই তাদেরকে বেঁধে রাখতে পারবে না। তারা বাঁধন ছেড়ে বের হয়ে যাবে। দাজ্জালের সঙ্গীদের সাথে তারা নাচবে। দাজ্জলের সাথে মহিলাদের সম্পর্কের দিকে আসছি আমি সময় দেন।দাজ্জাল সম্পর্কের রাসূল আরো বলেছেন। সে এক হাতে জান্নাত নিয়ে আসবে এবং আরে এক হাতে জাহান্নাম নিয়ে আসবে। যে ব্যক্তি তার জান্নাতে প্রবেশ করবে সে ব্যক্তি মূলত জাহান্নামে চলে যাবে। যে ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে বা তিনি জোর করে জাহান্নামে প্রবেশ করাবে সে সরাসরি জান্নাতে চলে যাবে। সে এটাও বলেছেন দাজ্জাল আকাশ শাসন করবে আকাশে ফ্লাই করবে সে । তিনি বলেছেন সে এমন একটা গাধার পিঠে চড়ে ঘুরবে যে গাধার কান হবে অনেক লম্বা এবং এই গাধার পিঠে চড়ে সে আকাশ শাসন করবে। যদি রাসুলুল্লাহ সাঃ সাহাবীদের বলতেন শোনো ওমর রাঃ শোনো দাজ্জাল ইয়ার ট্রাফটে চোরে ঘুরবে। তখন ওমর রাঃ জিজ্ঞেস করতেন ইয়ার ট্রাফটা আবার কি রাসূলুল্লাহ? যেটা তখন বুঝানো যেত না সেই ভাষা তিনি ইউজ করেননি। এখন আমরা বুঝতে পারি আকাশ শাসন করতে হলে এয়ার ট্রাফট শাসন করতে হবে। যত রকমের প্রযুক্তি আছে আকাশে সব প্রযুক্তি দাজ্জাল নিয়ন্ত্রণ করবে। তিনি বলেছেন সে বৃষ্টি দিবে। যে তার প্রতি ঈমান নিয়ে আসবে তিনি তাকে বৃষ্টি দিবে। যে তার প্রতি ঈমান আনবে না তাকে মিথ্যাবাদী , কাদ্দার , প্রতারক বলবে সে তাকে দুর্ভিক্ষ দিবে। যে ব্যক্তি তার দাসত্ব মেনে নিবে তাকে অর্থনৈতিক ভাবে প্রগ্রেস দিবে। আর যে ব্যক্তি তাকে চিনতে পারবে। তার বিরোধিতা করবে তাকে সে দুর্ভিক্ষ দিবে। পুরো রাষ্ট্র এবং পুরো জাতিকে সে ধ্বংস করে দিবে। পৃথিবীর যত খনি আছে মূল্যবান ধাতু যেমন সোনা , রুপা , হীরা , তেল এগুলো সব তার কাছে থাকবে। এবং যে তার প্রতি ঈমান নিয়ে আসবে সে এগুলো মধ্যে দিয়ে তাদেরকে ধনী করে দিবে,স্বাবলম্বী করে দিবে। রাসুলুল্লাহ সাঃ আরো বলেছেন সে মহামারী দিবে। পয়েন্টটা ভালো করে মনে রাখবেন, সে মহামারী দিবে , সে ভূমিকম্প দিবে ,দুর্যোগ ঘটাতে পারবে। তাকে আল্লাহপাক এমন কিছু ক্ষমতা দিবেন যার ফলে মানুষ রিসিভড হয়ে যাবে প্রতারক হয়ে যাবে। ঈমানদার মানুষ পর্যন্ত বুঝতে পারবে না। আসলেই সে সত্যিকারের মাসিহ না মিথ্যা কারের মাসিহ । যেমন ঈসা আঃ যখন কোন কুষ্ঠ রোগীর গায়ে হাত দিতেন রোগ ভালো হয়ে যেত। অন্ধত্ব যার ছিল তার চোখে হাত বুলিয়ে দিতেন অন্ধত্ব ভালো হয়ে যেত। ঈসা আঃ মৃতকে জীবিত করে দেখিয়েছিলেন। এই যে মাসিহ যে গুন গুলো ছিল মজিজা গুলো ছিল। এরকম মজিজা বা শয়তানি ভেলকি দাজ্জাল দেখাবে। তখন ঈমানদাররা পর্যন্ত ঈমান ধরে রাখতে পারবে না। এখন তাই যদি হয় তার ক্ষমতা ।এখন আমাদেরকে কয়েকটা পয়েন্ট মিলাতে হবে। পয়েন্টটা হচ্ছে দাজ্জাল এর অনুশীলনীরা হয় যদি ইহুদি। যদি দাজ্জালকে জেরু জালেম থেকে বিশ্ব শাসন করতে হয়। তাহলে লজিক কি বলছে? লজিক বলছে তাকে জেরুজালেম জায়গাটা কে প্রথমত ইহুদিদের জন্য লিভারেট করতে হবে বা স্বাধীন করতে হবে। সে কি এটা করেছে? এখন কি জেরুজালেম ইহুদি প্রধান রাষ্ট্র?

ইহুদি, খ্রিস্টান ও মাসিহ সম্পর্কিত বিশ্বাস

১৯১৭ সালে ব্রিটেনের সহযোগিতা নিয়ে ।November 1917 ব্রিটেনের সহযোগিতা নিয়ে ব্রিটেন যখন অটোমা ইম্পেয়ার দেখে ডিফিট করলো। তখন এই জেরুজালেমকে ইসরাইলের জন্য বসতি স্থাপন করে দিল প্রথম ব্রিটেন। তার আগে ২০০০ বছর পর্যন্ত কখনোই বনি ইসরাইলরা জেরুজালেমে প্রবেশ করতে পারেনি। ২০০০ বছর পর্যন্ত। ১৯১৭ সালের পর দুই হাজার বছর পর তারা জেরুজালেমে আসলো এবং বসতি স্থাপন করল। 1917 November ব্রিটেন এর সহযোগিতায়। point 1 মিলে গেছে। point 2 যদি দাজ্জালকে জেরুজালাম থেকে বিশ্ব শাসন করতে হয়। আর সেখান থেকে বের হয়ে বলতে হয় আমি মাসিহ ।পৃথিবীর সমস্ত জায়গার ইহুদিকে জেরুজালেমে নিয়ে আসতে হবে। সে কি এটা করেছে? ১৯১৭ সাল থেকে ১৯৪৮ সালের মধ্যে এটা হয়ে গেছে পৃথিবীতে। পৃথিবীর যে কোন জায়গায় ইহুদি ছিল তারা সবাই এখন সেন্ট্রালাইজ ইসরাইলের জেরুজালেমে ।যখন আমরা হালুয়া রুটি খাচ্ছিলাম এবং ছোট ছোট মাসালা নিয়ে ঝগড়া করছিলাম। ততদিনে এই পৃথিবীতে এই ঘটনাগুলো ঘটে গিয়েছে। point number 3 যদি তাকে সেখান থেকে বিশ্ব শাসন করতে হয়। তাহলে তাকে জেরুজালেম থেকে সারা বিশ্বের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । সারা বিশ্বের পলিটিক্স নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সারা বিশ্বের প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সারা বিশ্বের মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে ,সারা বিশ্বের টেকনোলজি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তারা কি এটা করছে কিনা? point number 3 আপনারা ভাববেন। point number 4. যদি তাকে জেরুজালেম থেকে বিশ্ব শাসন করতে হয় তাহলে ইসরাইল কে হতে হবে রুলিং স্টেট। স্টেট মানে যে কোন রাষ্ট্রকে সে বলবে উঠো সে উঠবে সে বলবে বস সে বসবে। এটা this is above to be happen এটা হতে যাচ্ছে। এক সময় পৃথিবীর রোলিং স্টার্ট ছিল ব্রিটেন। সারা বিশ্বের সে কলোনি স্থাপন করেছিল। হঠাৎ করে ব্রিটেনকে সরিয়ে দিয়ে আরেকটা রাষ্ট্র রোলিং স্ট্রিট হয়ে গেল। সেটা হচ্ছে আমেরিকা। এখন আমরা দেখছি মিস্টেরিয়াসলি ইউএস এবং ব্রিটেন কোন একটা রহস্যময় কারণে ইজরাইলের সাথে বন্ধুত্ব করে রেখেছে। এবং তারা তাকে সহযোগিতা করেছে সার্বিক সহযোগিতা মনে হচ্ছে একটা ঘোড়াকে খাওয়াই দাওয়াই যেভাবে বড় করে যুদ্ধের জন্য তৈরি করে ঠিক সেই ভাবে। খেয়াল করে দেখেন একটা সময় ব্রিটেনের নাম মানুষ জানতো না। হঠাৎ করে বিশ্বের বুকে সে মাথা উঁচু করে দাঁড়ালো। বিশ্বের আনাচে কানাচে প্রত্যেকটা জায়গায় সে কলোনাজদ করল। যেখানে যেখানে সে কলোনাজদ করল সেখানে সমস্ত মানুষকে জুলুমে শিকার হতে হল। সে সারা বিশ্বে একটা কারেন্সি চালু করল সেটা হল পাউন্ড। সব তখন সে বিশ্বের পলিটিক্স নিয়ন্ত্রণ করল, ইকোনমিক নিয়ন্ত্রণ করল,প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করল । আপনারা কি ভাবছেন এগুলো এক্সিডেন্টলি সব হয়ে গেছে। না, কখনোই নয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হঠাৎ ওই জায়গায় চলে আসলো ইউএসএ। ঠিক একই ভাবে সে আগের থেকে বেশি শক্তি নিয়ে সারা ওয়ার্ল্ডের পলিটিক্স ,সারা ওয়ার্ল্ডের ইকোনমিক্স ,সারা ওয়ার্ল্ডের কারেন্সি মনিটরি সিস্টেম প্রত্যেকটা বিষয়ে সে নিয়ন্ত্রণ করতে লাগলো। এখন আমরা লাস্ট ৭০ বছর ধরে দেখছি সারা বিশ্বের এই জায়গা গুলো ইকোনোমিক ,পলিটিক্স , প্রযুক্তির টেকনোলজি এবং ফাইন্যান্স ,মিডিয়া ইউ এস এর হাত থেকে আস্তে আস্তে ইজরাইল কেড়ে নিচ্ছে। এখন এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র যে সে রোলিং স্টার্ট পরিণত হবে। আর সেখান থেকে একজন ব্যক্তি আত্মপ্রকাশ করবে এবং বলবে আমি হচ্ছি মাসিহ । সারা বিশ্বের মানুষ তাকে মেনে নেবে। যদি এই অবস্থায় ইসরাইলকে আসতে হয় তাহলে তাকে কি করতে হবে। তাহলে সারা বিশ্বটা কে তাকে ছোট করে নিয়ে আসতে হবে। এটা সে প্রযুক্তির মাধ্যমে করেছে স্মার্টফোনের মাধ্যমে করেছে স্যাটেলাইট এর মধ্য দিয়ে করেছে। তাকে আরো কি করতে হবে ? সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সে এই বিশ্বের ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে তা করছে। তাকে আর কি করতে হবে?সারা বিশ্বের পলিটিক্স তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সে প্রত্যেকটা কান্ট্রি কে কলোনাজদ করেছে। সেখানে সো কল ডেমোক্রেসি ঢুকিয়ে দিয়েছে। ইসলামের খেলাফতকে ধ্বংস করেছে। মুসলিমদেরকে টুকরো টুকরো করে অনেকগুলো রাষ্ট্রে বিভক্ত করেছে। এই সমস্ত হোম ওয়ার্ক তারা করে ফেলেছে।

জেরুজালেম, ব্রিটেন ও আমেরিকার ভূমিকা

আপনারা এখন শুনলে অবাক হবেন যে তারা তাদের দেশে কাগজের টাকা বাদ দিয়ে গোল্ড কয়েন, সোনার কয়েন এবং সিলভার কয়েন দিনহার চালু করেছেন । যখন আমরা হালুয়া রুটি খাচ্ছিলাম। তারা এটা খুব ভালো করে জানে যে কাগজের টাকার কোন ভ্যালু নাই। এগুলো ভোকাস প্রতারণা। সারা বিশ্বের মানুষের সম্পত্তি চুষে নেওয়ার মাধ্যম কাগজের টাকা। তারা আরো যেটা করছে।তারা এমন কিছু অস্ত্র তৈরি করেছে এগুলোর খবর রাশিয়া ও জানেনা ইউএসএ ও জানেনা। তারা এখন যেটা করছে সারা বিশ্বের তেল তারা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং গলফ কান্ট্রি বলতে আমরা যা বুঝি। আমরা যে কুয়েত কাতার যে গলফ কান্ট্রি বলতে বুঝি এদেরও তেল তারা নিয়ন্ত্রণ করছে। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। সৌদি আরব ও তারা নিয়ন্ত্রণ করবে। এই যে আমি প্রসেসটা বললাম এই প্রসেসে একটা বিষয় কমন। সেটা হচ্ছে এই পুরো বিষয়ইট এক্সিডেন্টলি হয়নি। এর পিছনে একজন মাস্টারমাইন্ড কাজ করছিল। এই মাস্টারমাইন্ড এ বিশ্বটাকে শাসন করতে চায়। আর রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেনও সেটা , সে সেটা করবেই । সে সেখানে সফল ও হবে,কেউ তাকে ঠেকাতে পারবে না।তার অনুসরণ করবে ইহুদীরা। তার অনুসরণ করবে নারীরা। আর এমন কিছু মানুষ যারা একচোখা,এক চোখ দিয়ে তারা দেখে। যাদের ভিতরে কোন ইন্টারনাল লাইট নাই তারা তাকে অনুসরণ করবে। যদি ওয়ার্ল্ড এ রোলিং স্টার্ট না হয়ে বলে আমি মাসিহ তাহলে ইহুদিরাও বিশ্বাস করবে না সে মাসিহ।যখন ইসরাইল এই পৃথিবীর রোলিং স্টার্ট হবে। তখন একজন ব্যক্তি বের হয়ে বলতে পারে আমি মাসিহ তখন হয়তো তারা বিশ্বাস করতে পারে এই আসলে মাসিহ । যার অপেক্ষা আমরা করছিলাম। কিন্তু না। রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন এর বিপরীতে আল্লাহতালা একটা শক্তিকে দাঁড় করাবেন ।যাদের নেতৃত্ব দিবেন ইমামূল মাহাদী। তার নেতৃত্বে একটা মালহামা হতে যাচ্ছে। রাসূলুল্লাহ সাঃ আবু দাহের হাদিসের বলেছেন যখন মদিনার গুরুত্ব কমে যাবে ,তখন জেরুজালেমের গুরুত্ব বেড়ে যাবে। যেটা এখন হয়েছে। ঠিক তখনই দেখা যাবে মালহামা অর্থাৎ মহাযুদ্ধ। এটা এমন একটা যুদ্ধ যে বিষয় বিশ্ববাসীর কল্পনাও নাই যে এটা কত বড় যুদ্ধ হতে পারে। সম্ভবত এটা হতে পারে এই পারমাণবিক যুদ্ধের কারণেই এই পৃথিবীটা ধোয়ায় ছেয়ে যেতে পারে । এটা কেয়ামতের দশটা বড় আলামতের মধ্যে একটা আলাম। সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসবেনা। এই যুদ্ধের শেষের দিকে গিয়ে আল্লাহ পাক মুসলিমদেরকে বিজয় করবেন। এবং মুসলিমরা কনস্টেনটিলি বিজয় করবেন এবং জেরুজালেম মুসলিমরা পূর্ণ উদ্ধার করবেন। ঈসা আঃ আবারো নেমে আসবে এবং তার হাতে দারজাল নিহত হবে। এটা হবে হিস্ট্রি শেষ কিন্তু এর মধ্যে একটা হাদিস নিয়ে আপনাদেরকে দিক নির্দেশ করাবো স্পেশালি মা বোনদের কে। রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন দাজ্জালের সবচেয়ে শেষ ফলোয়ার বা অনুসারী হবে একশ্রেণীর নারী । যাদেরকে ঘরে বেঁধে রাখাও সম্ভব হবে না। আমরা একটু দেখব বিগত ১০০ বছরে মেয়েদের সাথে কি এমন হলো যার ফলে তাদেরকে আর ঘরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা দেখব যে বিগত ১০০ বছরে প্রগতির নামে হোক, অগ্রগতির নামে হোক ,কালচারের নামে হোক মেয়েদের সাথে কি এমন হচ্ছে যার ফলে আমরা মেয়েদের ঘরে রাখতে পারছি না। তাদের আপনি যতই বোঝান ইসলাম, কোরআন , সুন্নাহ ,হাদিস হেদায়েতের কথা they are brain washed people. তাদের ব্রেনটা কিভাবে জানি ওয়াশ হয়ে গেছে ।তাদের কে ইসলামের কথা বলে স্যাটিস্ফাই করতে পারবেন না।আনুগত্য তারা প্রদর্শন করবে না। কি হলো লাস্ট ১০০ বছর? আমরা এটা দেখব ইনশাআল্লাহ। একটা ব্যাপার বলে নেই তার আগে রাসূলুল্লাহ সাঃ মিরাজে গিয়েছিলেন ।এই হাদিসটা আমার মা বোনেদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাঃ মেরাজে গিয়েছিলেন মেরাজ থেকে ফিরে আসার সময় তিনি একটা সুঘ্রান পাচ্ছিলেন। খুব সুন্দর সুঘ্রাণ তিনি জিব্রাইল আঃ কে জিজ্ঞাসা করলেন এই ঘ্রাণ কোথা থেকে আসছে। তখন জিব্রাইল আঃ বলল এই ঘ্রাণটা হচ্ছে ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়ার জান্নাতের ঘরের ঘ্রাণ। ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়ার জান্নাতের ঘর থেকে এই গানটা আসছে। ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া যে জান্নাতি এটা এই ঘটনার আগ পর্যন্ত মানবজাতি জানতো না। কারণ ফেরাউন এই বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেরোরিস্ট সবচেয়ে বড় জালিম। তার ঘরে আল্লাহু রাব্বুল আলামিন এমন একজন স্ত্রী দিয়েছেন। তিনি মুখমিলান আল্লাহ তাকে জান্নাত দিয়েছেন ।এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ একটা চেহারা দেখলেন। সেই চেহারাটা ছিল গম্ভীর, হাসি ছিল না সেই চেহারায়।হাসি ছিল না চেহারার মধ্যে। তিনি জিব্রাইল আঃ কে বললেন এ কে? তিনি বললেন এর নাম হচ্ছে মালেক ।এই নামটা সূরা যুখরুফ এর মধ্যেও আছে। তার নাম মালেক।

অর্থনীতি, কারেন্সি ও তেল নিয়ন্ত্রণের আলোচনা

জিব্রাইল আঃ বললেন এই মালিককে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের ফেরেস্তা হিসেবে তৈরি করেছেন, প্রহরী হিসাবে । সে হচ্ছে জাহান্নামের কমান্ডারীং চিফ ।আমরা দোয়া করি তার সাথে যেন আল্লাহ পাক আমাদের সাক্ষাৎ না করান। রাসূলুল্লাহ সাঃ তার কাছে পারমিশন চাইলেন আমি কি জাহান্নাম একটু দেখতে পারি। পারমিশন দেওয়া হল। রাসূলুল্লাহ সাঃ জাহান্নামে একটু উঁকি মেরে দেখলেন ।এবং পৃথিবীতে ফিরে এলেন। তিনি ফিরে এসে বললেন আমি জাহান্নামে দেখেছি তার অধিকাংশ অধিবাসী হচ্ছে নারী । জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী হচ্ছে নারী। আপনি ভুল করবেন যদি মনে করেন এখানে সমস্ত উম্মতের নারী বুঝানো হয়েছে তা নয় । মিরাজের ঘটনা গুলোর মধ্যে যে শাস্তি গুলো আছে সেগুলো এই উম্মতের জন্য খাস ।মিরাজের ঘটনায় নবীজি দেখেছেন একশেণীর মানুষের পেট ফুলে আছে। জিব্রাইল আঃ বলেছেন এরা সুদখোর। এই উম্মতের বেশিরভাগ মানুষ সুদ খাবে। তিনি দেখেছেন একশ্রেণীর মানুষ ভালো গোস্ত বাদে পচা গোশত খাচ্ছে।এদের ফলাফল হচ্ছে রাজ হচ্ছে ব্যাভিচারীনি ,এদের ঘরে পবিত্র স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও এরা বাইরে গিয়ে চেনা করতো ।আবার পবিত্র স্বামী থাকা সত্ত্বেও বাহিরে জেনা করতো ।ইমুতে বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে এই এই স্বভাবটা চলে আসবে। তারা ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে যাবে। এই উম্মতের জন্য খাস। গীবত করছিলা আর নিজের চেহারা আছরে গোস্ত খাচ্ছিল একটা হাদিসে আসছে। আসলে এই উম্মতের যে শেষ জামানা এখানে গীবত টা খুব বেশি হবে। ঠিক এইভাবে জাহান্নামের বেশিরভাগ নারী বলতে এই উম্মতের বেশিরভাগ নারীকে বুঝানো হয়েছে। দুইটা পয়েন্ট আমরা পেলাম। বিগত ১০০ বছরে মেয়েদের সাথে কি হয়েছে । আর জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী হল নারী।দুইটার মধ্যে একটা কানেকশন আর এই কানেকশনটা মিলে যাচ্ছে দাজ্জালের সাথে। তারমানে শেষ জামানায় দাজ্জালের একশ্রেণীর অনুসারী হবে এই উম্মতের মধ্য থেকেই হবে। যারা হবে ব্রেনওয়াশ যাদেরকে আপনারা ঘরে রাখতে পারবেন না ।ইসলামের অনুশাসনে শাসন করতে পারবেন না। বের হয়ে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে চলে যাবে এবং দাজ্জালকে ফলো করবে। তাকে মাসিহ বা উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করবে। তার তরিকা তার মতবাদ আর যত প্রতারণা এর ফাঁদে তারা পড়ে যাবে। এর ফলশ্রুতিতেই বেশিরভাগ মহিলারা জাহান্নামে যাবে। এই হল কনক্লিউশন । এবার ফ্যামিনিস্ট রেভেলিউশন এর শেষটা আমি টানছি এটা আমার বক্তব্যের শেষপাঠ। এটা বুঝতে হলে আপনাদেরকে কুরআনের একটা আয়াত জানতে হবে। আমি সেই জায়গায় যাচ্ছি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই জায়গাটা একটু খুব ভালো করে মন দিয়ে শুনবেন। আল্লাহ তালা আমপাড়ায় একটা সূরা নাযিল করেছেন সুরাতুল লাইল ।লাইল অর্থ রাত। আল্লাহ পাক বলেছেন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
ওয়াল্লাইলি ইযা-ইয়াগশা
রাতের শপথ যখন রাত ঘুনিভূত হয়।
ওয়ান্নাহা-রি ইযা-তাজাল্লা-।
দিনের শপথ যখন দিন আলোকিত হয়।
ওয়ামা-খালাকায যাকারা ওয়াল উনছা।
যেভাবে আল্লাহ রাত এবং দিন সৃষ্টি করেছেন।ঠিক সেভাবেই আল্লাহ নারী এবং পুরুষ সৃষ্টি করেছেন। ইন্না ছা‘ইয়াকুম লাশাত্তা-।
নিশ্চয়ই নারী এবং পুরুষ তোমাদের ফাংশন বা তোমাদের কার্যকলাপ ডিফারেন্ট বা ভিন্ন ভিন্ন। চারটা আয়াত রাতের কসম দিনের কসম নারী এবং পুরুষের কসম এবং আল্লাহ পাক বলেছেন তোমাদের ফাংশনটা আলাদা এক না ।এই চারটা আয়াতে আল্লাহ পাক নারীকে রাত হিসাবে উপস্থাপন করেছেন। আর পুরুষকে দিন হিসাবে উপস্থাপন করেছেন। আল্লাহপাক বলেছেন ছেলেরা বা পুরুষেরা হচ্ছে দিন। তুলনা বা উপমা দিয়েছেন তারা দিনের মতো। আর নারীদের উপমা দিয়েছেন তারা রাতের মত। চলেন অন্য জায়গায় চলে যাই। দিন যখন রাতে প্রবেশ করে ।দিন যখন সারাদিনের ক্লান্তি ভুলে রাতে প্রবেশ করে। সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখবেন সে খুব পুলকিত থাকে আনন্দিত থাকে,রোমান্টিক অবস্থায় থাকে আকাশটা পেইন্ট করে দেয়। গোধূলির দিকে তাকিয়ে দেখবেন আকাশটা পেইন্ট করে ফেলে ।দিনের একটা আনন্দ সে রাতের ভেতর প্রবেশ করতে যাচ্ছে ।সে তার জয় এই রোমান্টিকতা ধরে রাখতে পারেনা ।যখন সে রাতের ভেতর প্রবেশ করে সাজের বেলায় দেখবেন ঝাঁপ করে প্রবেশ করে।

জাহান্নামে নারীদের সংখ্যা সম্পর্কিত হাদিস

একটা পুরুষ সারাদিন তার কর্ম ব্যস্ততা শেষ করে যখন রাতের বেলায় তার স্ত্রীর কাছে যায় অনুভূতিটা ঠিক এরকমই। এরপর দিন সারারাতের কাছে অবস্থান করে সারারাত। এই রাতের মধ্যে থাকে প্রশান্তি থাকে প্রেম থাকে ভালোবাসা রোমান্টিকতা থাকে ইবাদত ,ঘুম ,সাকিনা, প্রশান্তি এগুলো রাতের ফাংশন এগুলো নারীর ফাংশন। রাত শেষ করার পরে দিন যখন আবার ও বেরিয়ে আসে সকালে খেয়াল করে দেখবেন দিন হঠাৎ করে বের হয়ে আসে না আস্তে আস্তে আস্তে বের হয়। ফজরটা হয় খুব আস্তে আস্তে অল্প অল্প করে। লাস্ট কখন আমরা দেখেছি গোধূলি এবং ফজর? এই কর্মব্যস্ত জীবন এই দাজ্জালের সভ্যতা আমাদেরকে এগুলো ভুলিয়ে দিয়েছে। ভাবটা এরকম রাত দিনকে ছাড়তে চায় না। রাত দিনকে ধরে রাখতে চাই ।সে চায় যে তুমি আরো কিছুক্ষণ আমার কাছে থাকো। কিন্তু দিনকে তার কর্মে ফিরে যেতেই হবে। এজন্য রাতে বাবু ছেড়ে সে বের হয়ে আসছে। অনেক অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সে বেরিয়ে যায় আবার সারাদিন কর্মব্যস্ত কাটিয়ে আবার রাতের কাছে ফিরে আসে। আল্লাহ পাক এই রাতটাকে বলেছেন নারী এবং দিনতাকে বলেছেন পুরুষ। আর দাজ্জালের সভ্যতা কি করেছে জানেন। এখন রাতকে দিনের জায়গায় নিয়ে আসছে আর দিনকে রাতের জায়গায় নিয়ে গেছে। এখন রাত আর রাতের জায়গায় নাই। রাত এখন দিনের জায়গায়। রাত এখন রাতের ফাংশন ভুলে গেছে।রাতকে অর্থাৎ নারীকে সকালবেলায় ট্রাফিক ফেস করতে হয় ।ট্রাফিক ফেস করে সে অফিসে চলে যায় ।সেখানে পুরুষের পোশাক পরে বসে থাকে এবং গলার ভয়েসটাও পুরুষের মতো হয়ে যায়। ইভেন সে যখন রিক্সাওয়ালাকে ডাকে তখন পুরুষের মতো লাউড ভয়েসে ডাকে। সাত সকালের ট্রাফিক ফেস করে অফিসে যায়। বিকেলে ট্রাফিক ফেস করে আবার সে বাসায় ফিরে আসে। আমরা একটা প্রশ্ন করতে চাই ।যে বোন আপনার সন্তানকে কে লালন-পালন করবে এখন। আপনি যখন দিনের ফাংশনে চলে গেলেন। আনসার অনেক প্রগ্রেসিভ আনসার আমার সন্তানকে আমি কাজের বুয়ার কাছে রেখে দেবো অথবা আমি কোন ডে কেয়ার সেন্টারে রেখে আসবো। এখন ডে কেয়ার সেন্টারের একটা বাচ্চাকে আমরা ফোন করি ,বাবা কেমন আছো? তুমি কি এখানে থাকতে চাও না মায়ের কাছে যেতে চাও? সে বলবে আমি এখানে থাকতে চাই না আমি মায়ের কাছে ফিরে যেতে চাই। কিন্তু মা ,মা কি তার ওই অধিকারটা হরণ করলেন না ।বাচ্চার সেই দুরন্ত শৈশব মমতার অধিকার কি আপনি হরণ করলেন না? আমরা আজকে আপনাদেরকে প্রশ্ন করতে চাই। মেয়েরা আজকে লেকচারটা শুনবেন এবং অনলাইনেও। তারপর কি হয়েছে? সে যখন পুরুষের রোল প্লে করছে সমাজে ,তখন তাকে পুরুষের পোশাক পরতে হচ্ছে। মহানবী সাঃ বলেছেন যখন কেয়ামত চলে আসবে নিকটে নারীরা পুরুষের পোশাক পড়বে এবং পুরুষেরা নারীর পোশাক পড়বে। পোশাকটা যখন পরিবর্তন হয়ে গেছে তখন তাকে কোট-প্যান্ট বা সুট পড়তে হচ্ছে বা এমন পোশাক পড়তে হচ্ছে যা পরেও সে নগ্ন থাকছে। কে বলেছেন এ কথাটা চৌদ্দশ বছর আগে যে একশ্রেণীর মেয়ে বের হবে যারা পোশাক পরেও নগ্ন থাকবে। আপনি কি ডট গুলো মিলাতে পারছেন? তিনি আরো বলেছেন যখন এই অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে এখন মেয়ে তার ফার্টিলিটি হারাচ্ছে উর্বরতা হারাচ্ছে কি রকম সে আর এখন চারটা পাঁচটা ছয়টা সন্তান জন্ম দিতে পারে না। কারণ সে যখন দিনের রোল প্লে করতে গেছে ,পুরুষের রোল প্লে করতে গেছে, তখন সে উর্বরটা হারিয়েছে। সে তার নারীত্ব হারিয়েছে। সে এখন সর্বোচ্চ একটা বাচ্চা জন্ম দিতে পারে। আর যখন একটা পুরুষের বাচ্চা হবে না তখন সে পুরুষ কি করবে? সে পুরুষ আরেকটা বিয়ে করতে চাইবে। সেই পথটাও আমরা এখন বন্ধ করে দিয়েছি। একটা মেয়ের সন্তান জন্ম দেওয়ার সবচেয়ে সুইটেবল টাইম হচ্ছে ১৫ থেকে ২৫ বৎসরের মধ্যে । এখন আমাদের সোসাইটি আমাদেরকে শেখায় ২৫ তো এখনো বিয়ের বয়স ই না। 30, 35 এটা হচ্ছে বিয়ের বয়স তার আগ পর্যন্ত আমাদেরকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। shame on you. আপনার মা কি এভাবে চিন্তা করেছিলেন বা আপনার নানি কি এভাবে চিন্তা করেছিলেন।

part 10 আপনার দাদিকে এভাবে চিন্তা করেছিলেন। ১৭ বছর ৬ মাস একটি মেয়ের বয়স তাকে আমরা বলছি নাবালিকা ।তার বিয়ে জায়েজ নাই । কোথায় জায়েজ নাই ?ইসলামে জায়েজ আছে কিন্তু আমাদের দেশে জায়েজ নাই। আমাদের দেশে না এই গডলেস পৃথিবীতে জায়েজ না। এই পৃথিবীটা গডলেস। এখানে কোন রাষ্ট্র একাকী কোন কিছু করতে পারে না যতক্ষণ না ওয়ান ওয়ার্ড অর্ডার আসে । ওই যে বললাম জেরুজালেম থেকে অর্ডার আসবে সারা বিশ্ব সেটা ফলো করবে । ওয়ান ওয়ার্ল্ড অর্ডার ।একটা অর্ডারে সারা বিশ্ব চলবে। এটাই দারজাল। এখানে কি হল সে তার ফার্টলিটি হারালো,সে তার উর্বরতা হারালো , তার সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা হারালো। আর তার সন্তান মানুষ হচ্ছে ডে কেয়ার সেন্টারে। এবার দেখেন এ সন্তানটা যখন বড় হবে শৈশবটা যেহেতু কেটেছে অনেক কষ্টে,একাকিত্বে , যন্ত্রণায় , না বলা কষ্টগুলো সে কাউকে বলতে পারেনি। অনেকের এরকম হয়েছে আমি জানি ।এই ছেলেটা বড় হয়ে জঙ্গি হবে জানেন। এই ছেলেটার ব্রেন ওয়াশ করা খুব সহজ হবে জানেন। এই ছেলেকে টেররিস্ট বানানো খুব সহজ হবে। কারণ সে ভেতর থেকে অ্যারোগ্যান্ট । তার ভিতরে অনেক ক্ষোভ আছে কষ্ট আছে। এই ছেলেটা যখন বড় হবে হতে পারে সে phd অর্জন করেছে। হার্ভার্ড, অক্সফোর বা কেমব্রিজ এ পড়েছে। কিন্তু এ যখন ফিরে আসবে সে তার ওই মাকে এক সময় বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবে। এখন আমরা যদি বৃদ্ধাশ্রমে ওই মাকে ফোন দেই। খালা কি খবর, কেমন আছেন ,আপনি কি এখানে থাকতে চান নাকি বাসায় ফিরে যেতে চান?সে বলবে আমি এখানে থাকতে চাই না আমি বাসায় ফিরে যেতে চাই। তখন ইসলাম আপনাকে রেসপন্স করবে আনসার দিবে। যে অন্যায় আচরণের প্রতিফল পরিপূর্ণরূপে পেতে হয় এটা ইসলাম বলবে আপনাকে। কারণ যে কাজটা আপনি করে আসছিলেন ছোটবেলায় আপনার সন্তানের সাথে ।ঠিক সেই আচরণ আপনার সন্তান করবে আপনার সাথে যখন আপনি বুড়ো হয়ে যাবেন। আপনি কাদার আগে চিন্তা করা উচিত ছিল যে আমি আমার সন্তানকে কিভাবে বড় করছি। আপনি আপনার সন্তানকে টাইম দেননি আপনি একজন পার্টটাইম মাদার। আর আমরা যারা এখন টুকটাক দীন নিয়ে কথা বলি বাদ দেশ সমাজ বা রাষ্ট্রকে কিছু দেয়ার চেষ্টা করি খেয়াল করে দেখবেন তাদের মা রা কখনো পার্ট টাইম ছিল না। তারা ছিল ফুলটাইম মাদার ফুল টাইম বা ফাদার। যখন একটা ছেলের মা ফুলটাইম মাদার হবে ফুলটাইম ফাদার হবে তখন ছেলেটার মধ্যে কনফিডেন্স তৈরি হবে। সে আত্মবিশ্বাসী হয়ে গড়ে ওঠে।সে হীনমন্যতায় ভোগে না। সে আত্মহত্যা করে না। একটা পরীক্ষায় মার্কস কম হলে সে কখন আত্মহত্যা করে না। তার বাবা-মা তাকে বোঝায় এটা কিছুই না বাবা জীবনে আরও অনেক কিছু আসবে ইনশাআল্লাহ ।Be brave be positive. এই হলো ফাংশন চেঞ্জ এর ফল। আবার দেখেন দিন রাতের জায়গায় গিয়েছে, রাতও কিন্তু দিনের জায়গায় এসেছে। যখন দিন রাতের জায়গায় যাবে মানে পুরুষ নারীর জায়গায় যাবে। প্লিজ আমার কথায় কেউ মাইন্ড করবেন না আমি কাউকে আঘাত করার জন্য কথাটা বলতে চাচ্ছি না। যখন দিন রাতে জাগায় যাবে তখন প্রথমে তাকে একটা কাজ করতে হবে একটা পুরুষকে যদি নারীর পোশাক পড়তে হয় সর্বপ্রথম তাকে যে কাজটা করতে হয় তাকে এরকম লম্বা দাড়ি ছেড়ে দেয়া বন্ধ করতে হবে তাকে ক্লিন সেভ করতে হবে। এটা হচ্ছে প্রথম ফাংশন এটা হচ্ছে প্রথম স্টেপ। একটা দিন রাতের দিকে যাচ্ছে একটা পুরুষ নারীর দিকে যাচ্ছে । তাকে সমাজের ফাংশন এর মধ্যে নারীর আসনে বসতে হবে। নারীকে উপরে তুলে দিয়ে তাকিয়ে ইয়েস স্যার ইয়েস স্যার বলতে হবে। আমরা বলছি না তাদের ইন্টেলেক্ট নাই। নারীরা অবুঝ তাদের ইন্টেলেক্ট নাই। আমরা মূল ফাংশনটা বলছি। কোরআন নারীকে অনেক উঁচু জায়গায় স্থাপন করেছেন। এগুলো নিয়ে পড়ার ভাবার সময় তো নাই। এই হল দিনের ফাংশন। আবার একটা ব্যাপার আছে যখন দিন রাতের মধ্যে কোন আগ্রহ খুঁজে পাচ্ছে না। আর দিন মেয়েদের মতো পোশাক পরছে ,মেয়েদের মত কথা বলছে , মেয়েদের মত চলাফেরা করছে। তখন দিন দিনকে আকর্ষণ করছে। তখন পুরুষ পুরুষকে আকর্ষণ করছে।

রাত, দিন ও নারী-পুরুষের ফাংশন

যখন পুরুষ পুরুষকে আকর্ষণ করছে। এখন পুরুষ পুরুষকে আকর্ষণ করবে। তখন সমাজে হোমো সেক্সচুয়ালিটি বা সমকামিতা বাড়বে । বলেছেন এই কথা ১৪০০ বছর আগে ? যে আমার উম্মতের মধ্যে আমি সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা ভয় পাই। সেটা হলো গোপন শিরক ও সমকামিতা। কে বলেছেন এই কথাটা ১৪০০ বছর আগে? দিস ইজ আখিরুজ্জামান ওয়েলকাম টু আখিরুজ্জামান। আপনি হয়তো ভাবছেন এটা কেমন কথা? ঢাকায় তাদের সংগঠন আছেন যারা সমকামী। রংপুরে তাদের কর্মী আছে যারা সমকামীল। আপনার সন্তানের দিকে খেয়াল রাখবেন। ফাংশন চেঞ্জ হয়ে গেছে। আবার দেখেন মেয়েকে তার ফাংশন চেঞ্জ করে পুরুষের দিকে আসতে হবে। তখন পুরুষের মত পোশাক পড়ে বের হতে হবে এবং এমন পোশাক পড়বে যেটা নগ্ন। যেটা পড়লে তার শরীরের সমস্ত কাঠমোই বুঝা যায়। তখন জেনা বাড়তে থাকবে।কেন বাড়তে থাকবে কারণ আল্লাহপাকের সবচেয়ে সুন্দর ক্রিয়েশন হচ্ছে নারী। আল্লাহ পাকের এই মহাবিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ক্রিয়েশন হচ্ছে নারী। যখন মেয়েকে আমরা নামিয়ে নিয়ে আসব ফেমিনিস্ট রেগুলেশনের নামে তখন সমাজের পুরুষেরা খারাপ দৃষ্টিতে তার দিকে তাকাবে। তখন অ্যাক্সিডেন্ট হবে,বিবাহ বহির্ভূত প্রেম হবে ,জিনা হবে ,ব্যভিচার হবে,ধর্ষণ বাড়বে ।এগুলো কোন র‍্যাব , পুলিশ আইন দিয়ে ঠেকানো যাবে না ।কারণ ফাংশনে হচ্ছে এটা যে সুন্দরের দিকে ছেলেদের আকর্ষণ যাবে। আরো সমস্যা হচ্ছে আমরা বিবাহ কঠিন করে দিয়েছি। জিনা ব্যভিচার কে আমরা উন্মুক্ত করে দিয়েছি। আর আমাদের যে পশ্চিমা মর্ডান সকল মর্ডান ওয়েস্টার্ন সিভিলাইজেশন জগতের যত খারাপ বিষয়গুলো সব ওখান থেকে আসে। যেমন পর্নোগ্রাফি ,যেমন সেক্সচুয়াল রেগুলেশন যেমন সমকায় তা ওদের ওখানে জায়েজ ওদের ওখানে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। সুদ ,ব্যাংকিং সিস্টেম এই সবকিছু ওদিক থেকেই আসে। মে বি এটাও হতে পারে মিথ্যা সূর্যোদয় যেটা পশ্চিম দিক থেকে উঠবে রাসূল সাঃ বলেছিলেন। এই ফাংশনটা চেঞ্জ করার ফলে একটা ফাংশন চেঞ্জ করার ফলে কত সমস্যা হয়েছে। যখন নারী পুরুষের জায়গায় চলে এসেছে তখন জিনা বেড়েছে ধর্ষণ বেড়েছে,ব্যভিচার বেড়েছে ,এরপরে হত্যা বেড়েছে, এরপরে সমকারিতা বেড়েছে।এক পর্যায়ে পুরুষ পুরুষের দিকে যখন আকর্ষণ পায়নি। এখন বাচ্চাদের দিকে এগ্রেসিভ হয়েছে। এখন চাইল্ড এভুলেশন হচ্ছে। এখন বাচ্চাদের প্রতি সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে। এরপরে কি হবে? এরপরেও একটা ঘটনা ঘটবে ।এরপরও একটা ইস্টেজ আসবে যেটা রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন। আমি আজকে আপনাদেরকে বলছি এরপরে কি হবে? এরপরে মানুষ বাচ্চাদের কেউ ছেড়ে দিবে নারীর কাছেও তৃপ্তি পাবে না। পুরুষ পুরুষের কাছেও তৃপ্তি পাবে না ।কারণ আল্লাহ পাক এদেরকে ধ্বংস করে দিবেন খুব শীঘ্রই আজাব আসবে ।এরপর মানুষ গবাদি পশুর সাথে জেনা করবে রাস্তাঘাটে। গবাদি পশু জানোয়ারের সাথে জেনা করবে রাস্তাঘাটে। এটা হবে মহানবী সাঃ বলেছেন । এই সমস্ত সমস্যার গড়া কোনটা। I hope you don't mind sometimes I get angry. কখনো কখনো আমি খুব রাগ হই ।এটাতে মাইন্ড করবেন না। এই সমস্ত সমস্যার গোরা কোনটা। গোরা হচ্ছে ওই ফাংশনটা চেঞ্জ করা।রাতকে আমরা দিনের জায়গায় নিয়ে আসছি আর দিনকে আমরা রাতের জায়গায় নিয়ে আসছি দ্যাটস সলভ ।

ফেমিনিস্ট রেভোলিউশন ও ফিতনা থেকে বাঁচার উপায়

এই একটা কারণে আমাদের সমাজের মধ্যে ফ্যামিলিস রেভুলেশন ছড়িয়েছে। এবং একে পেট্রোলাইস করেছে বিশ্ব , পেট্রোলাইস করেছে রাষ্ট্র , পেট্রোলাইস করেছে আমাদের সো কল্ড কিছু মুনাফিক এবং কিছু সো কল্ড নারীবাদী , প্রগতিবাদী ।একটা মেয়ে যদি বেশ্যাখানায় যায় এটাতে ওদের মাথাব্যথার কারণ হয় না। তারা মনে করে এটা তো তার বাক স্বাধীনতা ।সে চাইলে তার নিজের দেহ বিক্রি করতে পারে তার নিজের দেহ যা খুশি তাই করতে পারে। আমার দেহ আমার সিদ্ধান্ত। আপনি শয়তানকে দেখতে চান। আপনি শয়তান বা দাজ্জাল কে দেখতে চান। আপনার চারপাশে চোখ কান খুলে দেখুন এগুলো আমাদের আশে পাশে আছে। আপনাকে বেশি দূর যেতে হবে না। এই যে ফ্যামিলিস্ট রেভুলেশন এটা দাজ্জালের সবচেয়ে লাস্ট অস্ত্র। কারণ মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন সর্বশেষ অনুসারী দাজ্জালের একশ্রেণীর নারী যাদেরকে আপনি ইসলামী অনুশাসনে বেঁধে রাখতে পারবেন না। now then সবচেয়ে শেষ পয়েন্ট বলছি , কিভাবে বাঁচবেন কি করবেন? পোশাক পোশাকের জায়গায় নিয়ে আসতে হবে। নারীকে নারীর ফাংশনে নিয়ে যেতে হবে। আর পুরুষকে পুরুষের ফাংশন প্লে করতে হবে এটা পয়েন্ট নাম্বার ওয়ান। পয়েন্ট নাম্বার টু হচ্ছে সারা বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করতে যে একটা শক্তি। যে চায় সারা বিশ্বের মানুষ তার দাসে পরিণত হোক। সেই মাসিহুদ দাজ্জালকে আপনার চিনতে হবে। সেই দাজ্জালকে চিনে তারপর তার যে ফাঁদ গুলো আছে সেই ফাঁদ গুলো থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতে হবে।মাসিহুদ দাজ্জালকে কিভাবে চিনবেন? আপনাকে দুই চোখ দিয়ে দেখতে হবে ভেতরের চোখ আর বাইরের চোখ। এই চোখ কখন খুলবে? যখন আপনি কোরআনের কাছে আসবেন। যখন আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন বিনম্র চিত্তে। এখন বিনম্র মানে তো আমরা সবাই বুঝি। বিনম্র চিত্তে আমরা মূর্তি সামনে মাথা নত করিনা। ওই বিনম্র চিত্তে আপনাকে ইসলাম , কোরআন আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পণ করতে হবে। তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার কাছে ঈমান আসবে। আর এই ঈমান আপনার মনের মধ্যে নূর দিবে মানে আলো দিবে। সেই আলো দিয়ে আপনি চিনতে পারবেন কোনটা দাজ্জাল আর আসলে কোনটা প্রগতি ।এটা মূল তারপর পোশাক ফাংশন চেঞ্জ করতে হবে। এরপর চারটা কাজ নারীর জন্য। রাসূল সাঃ হাদিসের মধ্যে এবং আল্লাহ পাক কুরআনের মধ্যে যতগুলো নারী সম্পর্কে আয়াত বলেছেন কথা বলেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট মেসেজগুলো আছে সূরা নিসার মধ্যে ,সূরা আহযাব এর মধ্যে এবং সূরা নূহের মধ্যে। এগুলো যদি আপনারা পড়েন তাহলে দেখবেন যে ইসলাম নারীকে কোন জায়গায় রেখেছে। আর দাজ্জালের সভ্যতা নারীকে এখান থেকে বের করে কোন জায়গায় নিয়ে গেছে। সবচেয়ে সহজ এর মধ্যে যেই অংশটুকু এটা আমি বলছি। সবচেয়ে সহজ অংশ নারীর জন্য জান্নাতে যাওয়ার। কারণ আমি বলেছি সব নারী এরকম নয়। এই হাদিসের অর্থ এই নয় যে সব নারী দাজ্জালের ফিতনায় পড়ে যাবে তা নয় । আমাদের এমন অনেক বোন আছেন যিনি তালাক হয়ে যাচ্ছেন কিন্তু হিজাব ছাড়বে না। এমন অনেক নারী আছে যারা ওয়েল এডুকেটেড যারা বাহিরের কান্ট্রি থেকে অনেক পড়াশোনা করে আসছে কিন্তু বাইরে বেপর্দা হয়ে কাজ করতে হবে তাই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন । এরাই জান্নাতে যাবে ইনশাল্লাহ।

নারীর জান্নাতে প্রবেশের চার কাজ ও পর্দা

আমি সব বোনের কথা বলছি না।কিন্তু বেশিভাগ বোনেরা বেশিরভাগ মা বেশিরভাগ আমাদের মেয়েরা দাজ্জালকে ফলো করবে আমাদের রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন। সবচেয়ে সহজ অংশ একটা মেয়ের জন্য ইসলামের অনুশাসন মেনে জান্নাতে যাওয়ার জন্য। রাসুল সাঃ বলেছেন যখন একজন নারী মাত্র চারটা কাজ করবে।মাত্র চারটা কাজ তখন সে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। এটা অন্য কোন পুরুষের জন্য খাস না। পুরুষের জন্য এত সহজ করে দেয়া হয়নি। তাকে অনেক চড়াই উতরায় পেরিয়ে জান্নাতে যেতে হবে। যখন সে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ঠিকঠাক মতো পড়বে।ওয়াক্ত মত ঠিকঠাক মত আদায় করবে , এটা নাম্বার ওয়ান। নাম্বার টু যখন সে রমজানের সওম পালন করবে। এখানে নফল সালাতের কথা বলা হয় নাই নফল সিয়ামের কথাও বলা হয়নি,এখানে ফরজের কথা বলা হয়েছে। তারপরে বলেছে যখন সে তার স্বামীর আনুগত্য করবে। কোন বিষয়ে সে স্বামীর আনুগত্য করবে। যে বিষয়ে কুরআন সুন্নাহ অনুমতিত। যেখানে কুরআন এবং সুন্নাহ আনুগত্য নাই হারাম সেখানে স্বামীর আনুগত্য নাই। তারমানে এই নয় স্বামীর সাথে দুর ব্যবহার করতে হবে। তাকে বুঝাতে হবে। কারণ ফেরাউনের ঘরে কিন্তু আসিয়া আছে।আর নাম্বার ফোর হচ্ছে যখন সে লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে। আর এই লজ্জা স্থানের হিফাজতের মধ্যে আপনার টোটাল পর্দা চলে আসবে। পর্দা বলতে গলার ভয়েসটা কেউ বোঝায়। রাসূল সাঃ বলেছেন কাপড়টা এমন হবে না, যে কাপড় পরলে বাহির থেকে ভেতরের অংশ দেখা যায়। কাপড়টা এমন হবে না যে আমার শরীরের কাঠামোটা বোঝা যায়। যে আমার হাত কতটুকু মোটা বা আমার কোন অংশ কতটুকু প্রশস্ত বা চওড়া ? চলবে না। কাপড়টা এমন হবে না যে সেটা খুবই চাকচিক্যময় যেটা অন্যকে আকর্ষণ করে। আবার কাপড়টা এমন হবে না যেটা অমুসলিমদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ।এই মূলনীতি গুলো মেনে আপনাকে কাপড় পড়তে হবে। শুধু কাপড় পড়াই পর্দা নই ,আপনার চলাফেরা, বিহেভিয়ার, আচার ,আখলাক সবকিছুই পর্দার অন্তর্ভুক্ত।কারণ একটা মেয়ের সামান্য একটা মিষ্টি ভয়েস বা মিষ্টি একটা কন্ঠস্বর একটা ছেলেকে দুর্বল করার জন্য যথেষ্ট। কারণ আল্লাহপাকের সবচেয়ে সুন্দর ক্রিয়েশন হচ্ছে নারীরা। আর এই ফ্যামিলিস রেভুলেশন আমাদের মেয়েদেরকে এমন ভাবে কথা বলার শেখায়। আপনারা কি জানেন মুসা আলাই সাল্লাম এর ওই ঘটনাটা? আজকে বলার সময় নাই শুধু এতটুকুই বলবো মুসা আঃ কে একটা মেয়ে ডাকতে আসছিলেন সূরা কাসাস এর মধ্যে পড়ে দেখবেন ।শোয়াইব আঃ এর মেয়ে মুসা আঃ কে ডাকতে আসছিলেন। এই আসার সময় যে তার পায়ের পদক্ষেপ এবং গলার ভয়েস আল্লাহপাক সেটাকে কুরআনে নিয়ে আসছেন সুবহানাল্লাহ। আল্লাহ পাক বলেছেন সে আসলো খুব লাজুক পায়ে এবং এসে খুব লজ্জাবতী ভঙ্গিতে বলল আমার বাবা আপনাকে ডাকছেন সুবহানাল্লাহ ।ওই মেয়ের সাথে মুসা আঃ এর বিয়ে হয়েছিল সূরা কাসাস এর মধ্যে আছে পড়ে দেখবেন। আজকে কি আমাদের সিস্টাররা এভাবে কথা বলে? পর্দার মধ্যে সবকিছু চলে আসে শুধু পোশাক নয় ব্যবহার, আখলাক, কথা, চিন্তা সবকিছু। আমরা আল্লাহ পাকের কাছে দোয়া করছি আল্লাহ পাক যেন আমাদেরকে দাজ্জালকে চেনার তৌফিক দান করুন। দাজ্জালের সভ্যতা কে চেনা তৌফিক দান করুন। দাজ্জালের সবচেয়ে শেষ অস্ত্র ফ্যামিলিস রেভুলেশন এর থেকে আমাদের মা বোনকে হেফাজত করুন। আল্লাহপাক আমাদের নারীদেরকে নারীর জাগায় রাখার তৌফিক দান করুন। পুরুষের জায়গায় পুরুষকে রাখার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ পাক আমাদেরকে সূরাতুল কাহাফ প্রতি জুমায় বুঝে পড়ার তৌফিক দান করুন। আল্লাহপাক আমাদের হৃদয়ের ভিতরে আলো বা নূর দান করুন যাতে করে আমরা বিশ্বটাকে দেখতে পারি এবং বুঝতে পারি। আল্লাহপাক আমাদের মসজিদগুলোকে আবাদ করে দিন এবং এর মাধ্যমে আমরা মেসেজগুলো ছড়িয়ে দেওয়ার তৌফিক আল্লাহ পাক দান করুন। আল্লাহ পাক আলামিন আমাদের হায়াতে রিজিকে বারাকাত দান করুন। যারা অসুস্থ তাদেরকে আল্লাহ পাক শেফা দান করুন। আল্লাহপাক আল-আমিন আমাদের সন্তানদেরকে আদর্শ মুসলিমের মত মুসলিম হিসেবে মানুষ করার আল্লাহ পাক তৌফিক দান করুন। এবং সবশেষে আল্লাহপাক আমাদের মা বোনকে স্পেশালি পরিপূর্ণ ইসলামের শরীয়ত মতাবেগ জীবনজাপনের তৌফিক দান করুক। বিয়েকে আল্লাহ পাক সহজ করে দিন। আল্লাহ পাক হালাল রুজিকে সহজ করে দিন। এবং আশরাফুল কাহাফ এর মত ফিতনা পূর্ণ শেষ জামানায় মুমিনদেরকে আল্লাহ পাক একত্রিত রাখুন এবং তাদের হৃদয়গুলোকে একত্রিত জুড়ে দিন। আল্লাহুম্মা আমীন।

সাধারণ প্রশ্ন

এই খুতবাটি মূলত কাদের উদ্দেশ্যে?

খুতবাটি মূলত নারীদের জন্য, বিশেষ করে মা, বোন, স্ত্রী ও মেয়েদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে।

খুতবায় পরিবারে দ্বীনি শিক্ষার বিষয়ে কোন সমস্যার কথা বলা হয়েছে?

বক্তা বলেছেন, পরিবারে স্বামী-স্ত্রী, মা-ছেলে, ভাই-বোনের মধ্যে বনিবনা না হওয়ার একটি কারণ হলো দ্বীন শেখার উৎসগুলো তাদের কাছে পৌঁছাতে না পারা।

খুতবায় সূরা কাহাফ সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?

বক্তা বলেছেন, যিনি প্রতি জুমআয় সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করবেন, অথবা এর প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবেন, তিনি দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচতে পারবেন বলে হাদিসে এসেছে।