Foodবাংলা

একে একে মিলে যাচ্ছে

সমাজে অশ্লীলতা ও যুবসমাজের অবক্ষয়

সময়ের অপেক্ষা করেন সামনে সময় গুলো আরো ভয়ংকর হবে ইনশাল্লাহুতালা। এখন যা দেখছেন সামনে সময় গুলো আরো ভয়ংকর হবে ইনশাল্লাহুতালা। এক একটা কথা যা যা বলেছি পাঁচ থেকে সাত বছর আগের থেকে এক একটা কথা সব মিলে যাবে দেখবেন ইনশাল্লাহুতালা। আপনি দেখেছেন মিডিয়ার মাধ্যমে সারাদেশে গোপন সমকামিতা চলছে। এখন দেখবেন তা স্পষ্ট ভাবে তারা আন্দোলন করার চেষ্টা করছে অধিকার চাওয়ার চেষ্টা করছে। এটাকে মানুষ জায়েজ করে নেওয়ার চেষ্টা করছে মানুষ প্রমোট করছে । এগুলো এমনি এমনি হয়নি। ছেলে ছেলেকে বিয়ে করা মেয়ে মেয়েকে বিয়ে করা দূরের কথা আমি আপনাকে বলে যাচ্ছি। আগামী দিনগুলোতে মানুষ গবাদি পশুর সাথে জেনা করবে ইনশাল্লাহুতালা। হাদিসে এসেছে হবেই। এটা হবে দেখতে থাকেন সামনে কি হতে থাকে। মানুষ মারা গেছে মরা লাশের সাথে রেপ করেছে এমন ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে। বাচ্চা মেয়ে একটা বাচ্চা মেয়ে যে বোঝেনা প্রেম কি জিনিস সেক্সচুয়াল টাচ কি জিনিস সেক্স কি জিনিস? আমি কি ভাষায় বলবো একটা বাচ্চা মেয়ে সেটাও জানে না এই বাচ্চাকে ফুলের মত বাচ্চাকে পর্যন্ত ধর্ষণ করা হয়েছে সেটার কোন বিচার হয়নি। যুব সমাজকে কি দিচ্ছি? যুব সমাজের পড়ালেখা দেখেন। ওরা যে মিডিয়া নিয়ে পড়ে আছে ওই মিডিয়া গুলো দেখেন। ম্যাক্সিমাম যুবক পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। বাইরে দেখছেন নামাজ পড়ছে অনেক নামাজী ব্যক্তি পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। অনেক নামাজি ব্যক্তি যে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত এটা বুঝতে হলে আপনাকে তার নামাজ দেখতে হবে। যখন আপনি পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত মনের মধ্যে নূর থাকবে না। আল্লাহর নূর উঠে যাবে। তখন সে একটা কথা বলছে সেটা মন থেকে বের হচ্ছে না কারণ সে জানে সে মন থেকে ফ্রেশ না সে মন থেকে সফ্ট না। জো বাদ দিল সে নিকালতি হে দিল পে আসার কারতি হে। যে কথা মন থেকে বের হয়ে মানুষের মনকে আঘাত করে। দেখবেন আমরা অনেক কথা বলে যাচ্ছি কিন্তু আপনাদের মনে কয়টা কথা আঘাত করছে। কতজন মানুষ এসব কথায় পরিবর্তন হচ্ছে ভাবার বিষয়ে আছে।ম্যাক্সিমাম মাদক খাচ্ছে। জুয়া খেলছে ক্যাসিনোতে যাচ্ছে । আর গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ডের তো এটা তো একটি সংস্কৃতি হয়ে গেছে। জিনাকে আমরা উস্কিয়ে দিচ্ছি ।বিয়েকে কঠিন করছি। বেকারতা সমস্যা ভুগছে হতাশ হচ্ছে। মিউজিকের কাছে শান্তি খুঁজছে নই ইয়াবার কাছে শান্তি খুঁজছে। এক পর্যায় সিরিয়াল কিলার হচ্ছে রেপিস্ট হচ্ছে। এই যুবসমাজ ইসলামের জন্য কাজ করতো দূরের কথা আপনারা কি মনে করেন তারা দেশের জন্য কোনদিন কাজ করতে পারবে? উম্মার মেয়েদের দিকে তাকান। সারাটা দিন নতুন কোন ফ্যাশন আসলো এসব নিয়ে ভাবতে থাকে।নতুন কি জামা আসলো কি ফ্যাশন আসলো ঈদে কি জামা পরবে এসব নিয়ে সবাই ব্যস্ত।সিরিয়াল বিউটি কনটেস্ট বিউটি শো এসব নিয়ে সবাই পড়ে আছে। আমাদের মেয়েরাই। এর বাহিরে যে মেয়েরা আছে যারা দিন শিখতে চাই আমরা তাদেরকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে পারছিনা ।এর বাইরের যে মেয়েরা দ্বীন শিখতে চায় দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করতে চায় এবং দ্বীনের জন্য কিছু করতে চায়। তাদের হাতে ভালো বই উপহার দিতে পারছি না ভালো পরিবেশ দিতে পারছি না। মাদ্রাসায় দিতে পারছি না। আর যারা পারছি তারা এর সংখ্যা খুবই কম।

মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও বিভক্তি

আমাদের বাচ্চাদের দিকে তাকান। বাচ্চার বড় হচ্ছে আজেবাজে খাবার খাচ্ছে। আজেবাজে সংস্কৃতিতে। তারা খেলছে না তারা গেমে অ্যাডিকটিভ থাকছে। ডিজিটাল অ্যাডিক্টেড হচ্ছে স্কিন এডেক্টেড হচ্ছে। ।কার্টুন দেখছে মুভি দেখছে গেমস খেলছে ।কি করছে তারা ।তারা আমাদের মত করে বড় হচ্ছে না তারা পড়াশোনা করছে ছোটবেলা থেকেই এমন পড়াশোনা করছে যেটাতে ইসলাম নেই থাকলেও খুব অল্প। এ অল্প ইসলাম দিয়ে আগামী বিশ্ব চালানো যাবে না। ইসলামের কাঠামো না আসলে ইসলাম চালানো যাবে না। বর্তমানে আপনি এমন অবস্থা দেখছেন যে দ্বীনদারদের মতো আপনি ত্রুটি দেখছেন। এমন অনেক মানুষ আছে যাদেরকে বাহ্যিক থেকে দ্বীনদার মনে হলো তা তো তারা ভিতর থেকে দিনদার নয়। দিন কলম এবং কালীর বিষয়। আরে কলম কার কত পরিচ্ছন্ন এটা আল্লাহতালা ভালো জানেন। সবার সাথে চিটিং করা গেল আল্লাহর সাথে চিটিং করা যাবে না তিনি সব দেখেন জানেন এবং বুঝেন। দুনিয়ার সকল মানুষকে ভুল বোঝানো সম্ভব কিন্তু আল্লাহকে ভুল বুঝানো সম্ভব নয়। আল্লাহ পাক সবার অন্তরের খবর জানেন কারণ কলিজার ভিতরে কি চলছে সবই জানেন। মানুষের ভিতরে খবর সবই জানেন কে কোন উদ্দেশ্যে কি কাজ করছে তিনি তাও জানেন।আল্লাহকে ভয় করেন যে আল্লাহ আপনার কলিজার কথা জানেন।যে জালেম তাকে আল্লাহ ঘরে লাঞ্ছিত করতে পারেন ।আল্লাহ পাক দেখবেন যে মজলুম তার উপর জুলুম করা হয়েছে আল্লাহপাক মজলুমকে আকাশের উপর উঠাবেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর সুন্নত। দিন আমরাও পরিপূর্ণভাবে পালন করছি না। অংশটুকু আলম করলে আমার কোন সমস্যা নেই সেগুলো আমরা করি।যে অংশটুকু পালন করলে আমার সমস্যা হবে সেগুলো আমরা পালন করি না। কত মানুষ আল্লাহ পাকের জমিন আল্লাহকে নিয়ে চিন্তা করে।আল্লাহর জমিন আল্লাহর আকাশ আল্লাহ সবকিছু এসব নিয়ে থাকে এসব নিয়ে কে ফিকির করে। সব মিলিয়ে মুসলিমদের অবস্থা এরকম তখন ইসলামের শত্রু যারা আছে হোক তারা যায়নিস্ট মুভমেন্ট হোক, হোক সেটা পেট্রোলিয়াম মনিটর সিস্টেম, হোক সেটা মুসলিমদের মধ্যে মুনাফিক।হোক সেটা নাস্তিক বা মুগদাদ হোক সেটা মুস্তাকিন যেই হোক না কেন। ইসলামের এগেনস্টে যারা আছে দেখবেন তারা ইউনাইটেড তারা ঐক্যবদ্ধ। তাদের মধ্যে যদি ১০০ টার মধ্যে ৯০ টা বিষয়ে যদি দ্বিমত থাকে। একটা বিষয়ে যদি ঐক্য মত থাকে যে তারা ইসলামের এগেনস্টে কাজ করবে। তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে যায়। আর মুসলিমদের মধ্যে যদি ৯৯ টা বিষয়ে একমত থাকে। একটা দুইটা বিষয়ে দ্বিমত থাকে এটাই যথেষ্ট এদের বিভক্তির জন্য। সারা বিশ্বের প্রেক্ষাপটের দিকে তাকিয়ে দেখবেন প্রতিটা মুসলিম কান্ট্রিতে যখন পশ্চিমারা ডমিনেট করছে অর্থনৈতিকভাবে হোক সাময়িকভাবে হোক বিভিন্ন জঙ্গি ইস্যু সৃষ্টি করে হোক প্রযুক্তির মাধ্যমে হোক মিডিয়ার মাধ্যমে হোক। সবচেয়ে বড় কথা ইকোনমিক্স পেনশন দিয়ে হোক।যেভাবে হোক তারা যখন মুসলিমদেরকে আক্রমণ করছে। তখন আমরা মুসলিম জাতি আপসে মতবিরোধে লিপ্ত আছি। এগুলো করার মধ্য দিয়ে আপনি যে দ্বীনের ক্ষতি করছেন এই সামান্য বদ টুকু আল্লাহ পাক আপনা কে দান করেন নাই। ইসলাম এগিয়ে গেছে। এর মাঝখানে মুসলিম রা এভাবেই চলছে। আজকেও ইসলামের সেই একই অবস্থা।

ইসলামের বিরোধিতা ও মুমিনের পরীক্ষা

সামাজিক ভাবে জিও পলিটিক্যালই অর্থনৈতিকভাবে ইবাদত বন্দেগির ক্ষেত্রে। সমস্ত ক্ষেত্রে মিডিয়ার মাধ্যমে প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে। বিশ্বাস কড়া শক্তিগুলো আজকে দেরকে ডমিনেট করছে। আর মুসলিমরা আপসে বিভক্তিতে লিপ্ত আছে। দলের বিভক্তি তরিকার বিভক্তি কোন কোন ক্ষেত্রে মাযহাবের বিভক্তি। কোন কোন ক্ষেত্রে কোন কারণ ছাড়াই তর্ক করা। মেয়েদের মত তর্ক করা। হিংসা-বিদ্বেষ পরশ্রী কাতরতা। রিয়া অহংকার দুনিয়ার স্বার্থ নিয়ে আমরা ব্যস্ত আছি। ইসলাম মাশাল্লাহ এর বাইরে আলোকপাত কিছু মোখলেছ আপনাদেরকে রেখেছেন। ইনশাল্লাহুতালা খুব শীঘ্রই আল্লাহ পাক তাদের হাতে ইসলামের পতাকা দিবেন ইনশাল্লাহ । তারা কারা সেটা আমরা জানি না। আল্লাহপাক যার কলবে নূর দেখবেন। আল্লাহ পাক যার কলবে স্বচ্ছতা দেখবেন। প্রকৃত ঈমান দেখবেন। হিকমা দেখবেন প্রজ্ঞা দেখবেন। স্বচ্ছতা দেখবেন নিরপেক্ষতা দেখবেন। আল্লাহপাক যাকে কবুল করবেন সারা দুনিয়ার শক্তি মিলে তাকে কিছুই করতে পারবে না। আর আল্লাহ পাক যাকে কবুল করবে না সারা দুনিয়ার মানুষ তাকে সাপোর্ট করলেও তার কিছু আসবে যাবে না। আল্লাহপাক যাকে কবুল করবেন মানুষ মিলেও তার চুল বাঁকা করতে পারবে না ইনশাল্লাহ। আর আল্লাহপাক যাকে কবুল করবেন না সারা দুনিয়ার মানুষ মিলেও তাকে উন্নতি অগ্রগতি কিছুই দিতে পারবে না। কবুলিয়াত আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে। যে বা যারাই আল্লাহর কবুলিয়াত লাভের ধন্য হবে তাদেরকে হত্যা করার চেষ্টা করা হবে। তাদেরকেও গালি শুনতে হবে।তাদের কে সামাজিক অর্থনৈতিক রাষ্ট্রীয় এবং পারিবারিক চাপ হবে। এটা নবীগণের সুন্নাহ। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথেই নয় প্রত্যেক যুগে যুগে যে বা যারা আল্লাহ পাকের তাওহীদের কথা বলেছে সুন্নতের কথা বলেছে সৎ কাজের আদেশ করেছে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করেছে। জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলেছে। তাদেরকে এই অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়েছে এটা সুন্নাহ।সুলেশনে আমি পরে আছি আপনাদেরকে আমি বুঝাচ্ছি।আপনাকে বুঝাচ্ছি। এর অপজিশনে যারা আছে ইসলামের এগেনস্টে যারা আছে। তারা ইউনাইটেড প্রথমত তারা ইউনাইটেড। তারা আপসে বিভক্তিতে যায় না। তারা আপোষে বিভক্তিতে গেলেও তারা বাইরের মানুষের কাছে এটা প্রকাশ করে না। তারা বুদ্ধিভিত্তিক ভাবে আমাদের চাইতেও অনেক বেশি উন্নত। তাদের মধ্যে অনেক বেশি একতালাফ থাকে তাপসে মারামারি কাটাকাটি থাকে তারা দেখায় আমরা ঐক্যবদ্ধ এবং ইসলামের এগেনস্টে আমরা ঐক্যবদ্ধ। এই জায়গায় আমরা বুদ্ধি ভিত্তিক ভাবে পরাজিত। একটা দুইটা বিষয় যদি কোন বিষয়ে একতেলাফ ভাবে ভুল হয়। ভুল বুঝাবুঝি যদি হয় তাহলেই যথেষ্ট। নিজের ঘরে সন্তানকে জবাই করতে দ্বিধা পর্যন্ত করবে না। নিজের ভাইয়ের পিছনে ছুরি মারতে দ্বিধা পর্যন্ত করবে না। নিজের মুসলিম উম্মার সম্পদকে ধূলিসাৎ করার পিছুপা হবে না । এটা আমরা। এখানে হাবিল কাবিল এর সম্পর্ক অনেক বেশি। এখানে ইউসুফ যেমন আছে ইউসুফের ভাইয়েরাও আছে।মুসলিম উম্মার মধ্যে ইউসুফ যেমন আছে সেরকম ইউসুফের ভাইয়েরাও আছে। মুসলিম উম্মার মধ্যে হাবিল যেমন আছে অসংখ্য কাবিলও আছে। এগুলোই চলছে। ওরা ইউনাইটেড। প্রথমত ওরা ইউনাইটেড। দ্বিতীয়ত তারা পুরো ওয়ার্ল্ডের অর্থনৈতিক ক্ষমতা দখল করেছে।পুরো ওয়ার্ল্ডের ইকোনমিক্স সিস্টেম তারা ডমিনেট করছে। তৃতীয় তো পুরো ওয়ার্ল্ডের পলিটিক্যাল সিস্টেম তাদের হাতে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও ইসলামের বিজয়

চতুর্থ তার পুরো ওয়ার্ল্ডের মনিটরি সিস্টেম ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি সিস্টেম তাদের হাতে। নাম্বার পুরো ওয়ার্ল্ডের মিডিয়া তাদের হাতে। ৬ নাম্বার পুরো ওয়ার্ল্ডের প্রযুক্তি তাদের হাতে। সাত পুরো বিশ্বের যত মরন অস্ত্র আছে সেগুলো তাদের হাতে। এভরি সিঙ্গেল সেক্টর তারা ডমিনেট করছে। দীর্ঘদিন জার্মানি করেছে। এরপর ব্রিটেন করেছে। আমেরিকা করেছে। এখন আস্তে আস্তে সবাই বিদায় নিবে। দেখবেন নতুন একটা কান্ট্রি সারা বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবে। এবং সারা বিশ্বকে শাসন করবে ইনশাআল্লাহ তায়ালা যখন আমরা বসে হালুয়া খাব সেমাই খাব আর একে অপরের সাথে মারামারি করব। তখন ইসরাইল পুরো বিশ্বকে রুল করবে। আমি দুঃখের সাথে বলি এগুলোই করতে থাকেন। আপসে কাদা ছোড়াছুড়ি করেন। একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেন। বিতর্কিত করেন। সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম ভুল খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন। ভুল না করলেও খুঁজে বের করেন। এগুলোই করতে থাকেন। ততদিনে ইসরাইল এ বিশ্বের রোলিং স্টেট হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। আমরা জানি আমাদের দ্বারা কিছুই হবে না। আল্লাহ পাক এমন একটা প্রজন্ম আনবেন ইনশাল্লাহুতালা। যাদের হাতে আল্লাহপাক ইসলামের বিজয়ের পতাকা দিবেন। আমি জানি এটা আমরা হবো না। আমার হিকমা আমার প্রজ্ঞা আমার দূরদর্শিতা এ অবস্থায় আমরা পারবো না এই অবস্থায় সম্ভব না। যতদিন পর্যন্ত এমন উম্মা না আসছে যারা ইউনাইটেড যারা ইলম অর্জন করেছে কনস্ট্রাক্টিভলী । যারা ইলম অনুযায়ী আমল করেছে। হারামের সংস্পর্শে যায়নি। হারাম খাইনি। যারা সুদ ঘুষ জেনা ব্যভিচারে যায়নি। যাদের পারিবারিক আদর্শ ঠিক আছে। যারা দাওয়াতে কাজে অ্যাক্টিভ। তারা গোরা থেকে সংস্কার করতে পারে। যারা জিও পলিটিক্যাল বিষয়গুলো বোঝে। যারা আবেগি নয় বিবেক দিয়ে কাজ করে। যতদিন পর্যন্ত এমন প্রজন্ম না আসছে ইসলামের বিজয়ী সম্ভব নয়। জি না এটা আমি বিশ্বাস করিনা। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিসরে যা দেখছেন এগুলো বিজয় নয়। এগুলোই করতে থাকেন। বিজয় ছিল সাহাবীদের যুগে। বিজয় ছিল তাবেইন যুগে। তাবেইনদের যুগে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে। এগুলোই করতে থাকেন। সময় এভাবেই চলে যাবে। আস্তে আস্তে দেখবেন সময় শেষের দিকে। তখন আফসোস করবেন যদি আমরা এই সময়টাতে এই কাজে লিপ্ত না থেকে ইউনাইটেড ইসলামের জন্য কিছু করতাম হয়তো ভালো ছিল। আমি জানি বেশিরভাগ মানুষ এ কথাগুলো বুঝবে না। এই হল বিশ্বের অবস্থা। যতদিন যাবে সামনে ওরা আরো শক্তিশালী হবে। আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে ইনশাআল্লাহ তায়ালা আল্লাহ পাক এমন একটা প্রজন্ম আনবেন। যারা প্রকৃত অর্থে নামকা ওয়াস্তে মুসলিম হবে না। প্রকৃত অর্থে মুসলিম হবে ইনশাল্লাহুতালা। আমাদের ওই সন্তানের হাতে ইসলামের পতাকা দিবে ইনশাল্লাহুতালা।

গোপন নেক আমল ও দোয়া কবুল

এখান থেকে যুবক ভাইদের বলব নাম্বার ডিলিট করে দেন সবকিছু ডিলেট করে দেন। আপনাকে আল্লাহপাক ওই তিনজন যুবকের মত করে বাঁচাবেন ইনশাল্লাহুতালা। ইনশাল্লাহ আপনার যেকোনো দোয়া কবুল হবে। আপনি যদি যেনার ছাড়তে পারেন তাহলে আপনার যে কোন দোয়া কবুল হবে। আল্লাহপাক বলেছেন ধারের কাছেও যেওনা। করুনা নয় ধারের কাছেও যেওনা। জেনা এটার এর কাছেও যেও না। আমরা বলছি কাছে আসার গল্প। আর আমাদের এই যুব সমাজকে শিখাচ্ছে ক্রাশ এবং ফ্রী মিক্সিং হচ্ছে কাছে আসার গল্প নাউজুবিল্লাহ । কত বড় আল্লাহর দ্রোহী চিন্তা করেন। ইকোনমিক বয়কট করে দেন। ইকনোমিক বয়কট করে দেন কিনবে নি না প্রোডাক্টটা । যাবেনই না ধারের কাছে। এদেরকে বয়কট করে একা চলবেন কোন সমস্যা নয়। কি সমস্যা নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজবেন কি সমস্যা। যাবেন না লাখ লাখ মানুষ যাবেন না তখন কিছুদিন পরে দেখবেন তারা ভুল স্বীকার করে বলবে ভুল হয়ে গেছে। ওই যে মুসলিমরা যদি তেলটা বন্ধ করে ফেলত। যে তেল দিবো না সুইস খাল দিয়ে কাউকে যাইতে দিব না। অমুক দিক দিয়ে রোড বন্ধ করে দিব। দেখতেন সব সিধা হয়ে গেছে। আমরা পারি নাই যে। আমরা ওই জায়গায় উঠতে পারি নাই। আমরা আপোষ করে ফেলছি। এ কারণে আমাদের এই অবস্থা হয়েছে যাই হোক। আল্লাহ পাক আমাদেরকে ঈমানের জাজবা দান করুন আমিন। আরেকজন ছিল সে বলছে তার একজন কর্মচারী ছিল। কর্মচারী কিছু বেতন পেতো। ধরেন মাসিক বেতন ৫ হাজার টাকা বা ১০ হাজার টাকা এরকম পেতো । তো সে সেই বেতন টা না নিয়ে চলে যায়। তো মালিক সেই বেতনের টাকা দিয়ে কিছু পশু কিনেছে গবাদি পশু । পরে আস্তে আস্তে এই পশুগুলো বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকদিন পরে সেই শ্রমিক এসেছে এসে বলেছে আমার পারিশ্রমিক আমাকে দেন। তখন মালিক বলছে এই সমস্ত গবাদি পরশুই তোমার ।তো এই শ্রমিক বলছে আমার সাথে কি মশকারে কোচ করছেন আমি তো এক মাসের পারিশ্রমিক পাই। তখন আমি বলেছি না মশকারি করছি না আমি সেই টাকা দিয়ে দুটি গবাদি পশু কিনেছিলাম সেই গবাদি পরশু দিয়ে থেকে এতগুলো পশু হয়েছে। সবগুলোই তোমার। সবগুলো দিয়ে দিয়েছে সুবহানাল্লাহ। সে বলছে হে আল্লাহ এই কাজটা যদি আমি তোমার সন্তুষ্টির তাই করে থাকি তাহলে এই পাহাড়ের গুহা থেকে পাথরটি সরিয়ে দাও। গুহার মুখ থেকে পাথর সরে গেল আলহামদুলিল্লাহ। এগুলো কোন গাল গল্প নয় কেচ্ছা কাহিনী নয়। এগুলো হচ্ছে সহি হাদিস। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিস গুলো বলেছেন। সরিষা দানা পরিমাণ মিথ্যা নাই এখানে। এখানে বলতে চেয়েছিলাম দোয়া কবুলের অন্যতম একটা ভালো উপায় হচ্ছে আপনি কোন ভাল কাজ করেন গোপনে যেটা আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না। ওর উসিলা করে আপনি আল্লাহর কাছে চান তাহলে দোয়া কবুল হবে ইনশাল্লাহুতালা।

সাধারণ প্রশ্ন

এই লেখায় কোন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?

লেখায় সামনের সময়ের ভয়াবহতা, যুব সমাজের অবস্থা, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও বিভক্তি, এবং দোয়া কবুলের একটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

লেখায় দোয়া কবুলের একটি উপায় কী বলা হয়েছে?

লেখায় বলা হয়েছে, কেউ যদি এমন কোনো ভালো কাজ গোপনে করে যা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না, এবং সেই কাজের উসিলায় আল্লাহর কাছে চায়, তবে দোয়া কবুল হবে ইনশাআল্লাহ।