আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও বিয়ের সিদ্ধান্ত: ইসলামের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক রক্ষা
এক নাম্বার প্রশ্ন আছে এক বোন আলহামদুলিল্লাহ ইসলামের বিষয় অনেক যত্নশীল সবকিছু অর্থাৎ ফরজ ,সুন্নত, ওয়াজিব এগুলো চেষ্টা করেন তো তিনি তার পরিবারের জায়ের সাথে দ্বন্দলিপ্ত কথা বলেন না। তাদের সম্পর্ক নাই । তিনি জানতে চান ইসলাম এটাকে কি বলবে? ইসলাম এটাকে বলবে আপনি সেই ব্যক্তি হয়ে যান যিনি আগে সম্পর্ক জোড়া লাগাবেন। ইসলাম এটাই বলে আপনি সম্পর্ক জোড়া লাগান কথা বলুন সালাম দিন। আপনি মানবিক সম্পর্ক আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখেন ।আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে যাবে না। আর আরেকটা বিষয় হচ্ছে আমাদের এই মায়া মলা তের ক্ষেত্রে বা এই মানুষের সাথে মেলামেশার ক্ষেত্রে দেখা যাবে সবার সাথে আমাদের বনিবনা হবে না। তারপরে আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য সম্পর্কটা বজায় রাখতে হবে শুধু আল্লাহর জন্য। আল্লাহ পাক রাখতে বলেছেন রাখছি। আল্লাহ পাক আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করতে নিষেধ করেছেন তাই করছি না। এটা আল্লাহর জন্য। তখন আপনি কষ্ট পাবেন না। যখন আপনি আল্লাহর জন্য কিছু করতে যাবেন তখন আপনি আঘাত প্রাপ্ত হলেও কষ্ট পাবেন না। বিকজ আপনি আল্লাহর জন্য করেছেন।আল্লাহ পাক বোঝার তৌফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমীন। দুই নাম্বার প্রশ্ন হচ্ছে আমি জানি অবিবাহিত ছেলে এবং মেয়ের মধ্যে কখনো কোন সম্পর্ক ইসলামে হালাল বলেনি । আমি বিবাহের প্রয়োজন অনুভব করছি বাসায় বলেছি , দোয়া করেছি ইত্যাদি বিয়ে দিতে নারাজ। এই কমন প্রশ্ন আর কি। এগুলো সাধারণত আমাদের অনেকেরই প্রবলেম। প্রথম কথা আমি যেইটা বলব শুনেন প্রথম সলিউশন হচ্ছে শুনেন বিয়ে করার আগে পড়াশোনা শেষ করেন । পড়াশোনা যা করার বিয়ের আগে করে। অ্যাটলিস্ট একটা লেভেল পর্যন্ত। দাউরা ফারেক করে নেন , মাস্টার্স বা অনার্স পাশ করে নেন , এমবিএ করে নেন। একটা লেভেল পর্যন্ত আপনি শেষ করে নেন। যদি এ লেভেল পর্যন্ত আপনি শেষ করার আগে আপনার চাহিদা খুব বেশি হয়ে থাকে , চরিত্র হেফাজত করতে কষ্ট হয় সে ক্ষেত্রে আমি বলব যে আপনি যদি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে থাকেন তাহলে পা বাড়ান ।এই লেভেলের যাওয়ার আগে আপনি যদি ইকোনোমিকলি স্বাবলম্বী না হন তাহলে পা বাড়াবেন না এবং রোজা রাখবেন। এবং বেশি বেশি পড়াশোনা করবেন এবং দ্বীনের কাজের সাথে সম্পর্কিত থাকবেন। এবং ভালো মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকবেন একা থাকবেন না। এভাবে আপনার বয়সটা আর একটু পরিণত হবে তারপরে বিয়ে করলে আপনার মধ্যে ম্যাচিউরিটি আসবে। এটা আপনার জন্য মনে হতে পারে চরিত্রটা হেফাজত করা এই সময়ের মধ্যে আমার জন্য কঠিন। আমি জানি কঠিন কিন্তু এরপরের জীবনটা আরও কঠিন হয়ে যাবে। এটা বিশ্বাস করেন এর পরের জীবনটা আরো কঠিন হয়ে যাবে। পরামর্শ এক যদি আপনার চাহিদা দমন করার মত আপনার ঈমানী তাকাত থেকে থাকে ক্ষমতা থেকে থাকে আপনি আল্লাহর ওয়াস্তে দাউরা ফারেক করে নেন পড়াশোনাটা শেষ করে নিন তারপর বিয়ে করবেন। যদি আপনি দুর্বল হয়ে থাকেন আমি অপশন বলবো আপনি যদি ইকোনোমিক স্ট্রং হয়ে থাকেন তাহলে বিয়ে করেন। এমন থাকে না যার বাবার অঢেল টাকা আছে বা আপনার ভাড়া তুলে খেতে পারেন বা আপনার আবাদি জমি আছে ইত্যাদি আপনার সামর্থ্য আছে আপনি করে ফেলেন। এটাতে আমি নিষেধ করব না বা আমি বলবো না যে ভালো হবে না আপনি করতে পারেন। কিন্তু যদি আপনার ইকোনমিক কোন ব্যবস্থা না থাকে এবং ইকোনোমিক অবস্থা খুবই খারাপ থাকে এখানে আপনি বিয়ে করলে ঝুঁকিতে পড়বেন। তখন আপনার পড়াশোনা হবে না ঠিকমত আর আপনার পরিবারের এই ঝামেলাগুলো ডিল করতে সময় চলে যাবে । তখন আপনি পরে আফসোস করবেন আরও পাঁচটা বছর পরে বিয়ে করলে হয়তো ভালো হতো। আর বিশ্বাস করেন একটা বিষয় সম্পর্কে আমাদের অনেক আগ্রহ থাকে আর যখন এটা পেয়ে যাবেন দেখবেন মনে হবে এমন ছিল বিষয়টা। ঠিক আছে বিষয়টা এমন। আর প্রতিটা কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টের জন্য করবেন। এই জায়গায় গিয়ে দ্বীনকে প্রাধান্য দিবেন দুনিয়াকে না। আর যদি দুনিয়াকে প্রাধান্য দেন তাহলে আপনি ঠকবেন। মহা ঠকা ঠকবেন। আল্লাহর ওয়াস্তে দ্বীনকে প্রাধান্য দিবেন ।আল্লাহ বোঝার তৌফিক দান করুন।
বিয়ের আগে পড়াশোনা ও আর্থিক প্রস্তুতি
তিন নাম্বার হচ্ছে এক ভাই প্রশ্ন করেছেন ইসলামী ইতিহাস এবং অর্থনৈতিক বিষয় কার্যকারী বইয়ের নাম বলবেন। হৃদয় আল্লাহর ভয় ভীতির উপায় কি এবং ২৪ ঘন্টার রুটিন কেমন হওয়া উচিত। অনেকগুলো প্রশ্ন করেছেন। ইসলামী ইতিহাসের ওপরে ডক্টর আলী মোহাম্মদ সাল্লাবি । উনার অনেকগুলো ইসলামিক হিস্টরি সিরিজ আছে। এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এখানে গিয়ে দেখবেন ইতিহাসের অনেক বই আছে এগুলো কেউ কিনছে না। পড়ে আছে কেউ কিনছে না। আপনারা কখনো গিয়েছেন। আমাদের একটা ভুল ।ওখনো অনেক রিয়ার বই আছে যেগুলো বাজারে পাওয়া যায় না। আপনি ওখানে অনেক ভালো বই পাবেন । আমরা যাই না। যাওয়া উচিত ওখানে গিয়ে দেখবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন অনেক ভালো ভালো বই পাওয়া যায়। ওখানে কিছু হিস্টোরি ভালো ভালো বই আছে। যখন আলোকিত জ্ঞানের কম্পিটিশন চলছিল তখন আমরা ওখানে গিয়েছিলাম। এবং অনেকে আমাদের অনেক প্রতিযোগী সেখানে দশ বিশ হাজার টাকার বই কিনেছে মাশাল্লাহ এই বইগুলো এখনো আমাদের বাসায় আছে। ওখানে যান এটা পাবেন । আর ইসলামিক ইকনোমিক্স এর ব্যাপারে আমি বলব যে ওয়ান এন্ড ওনলি মুফতি তাকি ওসমানী ইসলামিক ইকোনমিক্সের সিরিজ আছে ।দশটা থেকে বারোটা বই এর একটা প্যাকেজ পাবেন ইসলামিক অর্থনৈতিক এর উপরে এটা পড়েন । তবে এর সাথে সাথে অনার্স মাস্টারের যে ইকনোমিক্স বইগুলো পড়ানো হয় সেটাও জানা উচিত। ওইটা না জানলে আপনি এটা বুঝতে পারবেন না ঠিক আছে। আল্লাহ বোঝার তৌফিক দান। ৪ নাম্বার হচ্ছে এক ভাই বা বোন তিনি লিখেছেন দ্বীনই শিক্ষা গ্রহণ করতে চান ।তিনি অনার্স লেভেলে পড়ছেন , জেনারেল পড়াশোনা কি বাদ দিব এরকম কিছু। জি না জেনারেল পড়াশোনা বাদ দিবেন না আপনি ।জেনারেল পড়াশোনার মধ্যেই থাকবেন। আপনি পরিবেশটার দিকে খেয়াল রাখবেন। যেখানে আপনি জেনারেল পড়াশোনা পড়তে যাচ্ছেন সেই পরিবেশটা কেমন? এই পরিবেশ থেকে নিজেকে একটু সরিয়ে রাখার চেষ্টা করুন। অনেক অনেক ফ্রি মিক্সিং আছে ।আর এই ফ্রি মিক্সিং কে তারা কিছু মনেই করে না।এখানে আপনি ঈমান হারাতে পারেন । জেনাই লিপ্ত হয়ে যেতে পারেন নাউজুবিল্লাহ ।পরিবেশ থেকে সাবধানে থাকবেন আর আপনি জেনারেল সাবজেক্ট গুলো পড়বেন। সাবজেক্ট পড়বেন আর যেই সাবজেক্ট এ আপনি পড়াশোনা করছেন। ওই জ্ঞানটাকে আপনি ইসলামের কল্যাণে ব্যয় করার চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি আপনি কিছু ইসলামিক সাবজেক্ট এর উপর পড়াশোনা করবেন ডিপ্লোমা কোর্সের মাধ্যমে বা আলিম-ওলামাদের কাছে গিয়ে ।সেটা হলো আল কুরআন ,এরাবিক ল্যাংগুয়েজ , হাদিস , ইসলামের আকিদা , ফিকহ তুলনামূলক ফিকহ , রাসুল সাঃ এর জীবনী , ইসলামের হিস্ট্রি এবং ইসলামের অর্থনীতি। এই কয়েকটা বই পড়বেন। বিষয়ভিত্তিক বইগুলো কিনবেন। এবং আলেম ওলামাদের কাছে যাবেন। যদি মেয়ে হয়ে থাকেন তাহলে মহিলা আলেমার কাছে যাবেন। মহিলা মাদরাসায় যাবেন। আর যদি ছেলে হয়ে থাকেন আপনাদের জন্য সুযোগটা আরও বেশি আপনারা যেতে পারবেন আলেম-ওলামাদের কাছে ইনশাআল্লাহ ।
ইসলামী বই ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এক ভাই প্রশ্ন করেছেন ফ্যামিলির লোকজন নামাজী দ্বিনই বিষয়ে লেখাপড়ার অভাব সে কি আকীদা লালন করেন কি করনীয়? করণীয় হচ্ছে তাদেরকে দাওয়াত দেওয়া। তাদেরকে আকিদা সংস্কারের জন্য দাওয়াত দেওয়া বই পত্র পড়ানো। তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করা ঝগড়াঝাঁটিতে না যাওয়া। যেহেতু তারা নামাজি । at list তারা নামাজ পড়ে , নামাজ পড়ে না এমন নয়। দ্বীনের লেখা পড়ার ক্ষেত্রে প্রচুর অনীহা। অনীহার কারণটা আমি বলে দিচ্ছি এটা হচ্ছে বস্তুবাদিতা। যে যত বেশি বস্তুবাদি যে যত বেশি দুনিয়ার পিছে ঝুকবে তার পড়াশুনার অনীহা তত কম হবে। টাকার পিছনে ছুটতে কম বলুন পরকালীন বিষয় নিয়ে বেশি বেশি আলোচনা করুন ।বাসায় তালিমের ব্যবস্থা করুন। ফাইজুল কালাম , রিয়াদুল সলিহিন বা মুন্তাখাব হাদিস এই বইগুলো বাসায় রাখুন। নিয়মিত তালিম করুন। পড়াশোনার মধ্য দিয়ে ইনশাআল্লাহ তালা আপনার পরিবারের শিরকি আকিদা দূর করা সম্ভব ।
দুনিয়ায় ইলেম বলে কোন কথা নাই। ইলেম আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে। আমাদের পড়াশোনার উদ্দেশ্যটা দেখতে হবে। আপনি ইংরেজিতে পড়াশোনা করছেন মনে করেন। এটা আপনি দুনিয়াবি পড়াশোনা কেন মনে করছেন ? এই পড়াশোনা যদি আপনার মধ্যে থাকে। আপনি ওয়ার্ল্ড লাইফকে ডিল করতে পারবেন। কারণ এগুলো সব ইংরেজিতে। ওয়ার্ল্ডে ইকোনোমিকস এর বইগুলো সব ইংরেজিতে ।জিও পলিটিক্স এর বইগুলো সব ইংরেজিতে। ইভেন ওয়ার্ল্ডে অনেক স্কোলার আছেন যারা ইংরেজিতে বই লিখেছেন ইংরেজিতে লেকচার দিচ্ছেন। ওগুলো বুঝবেন কিভাবে শিখবেন কিভাবে যদি আপনি ইংরেজি না জানে। এটাতো দুনিয়াবি পড়া না।আপনাকে ওরা যদি শিরকি কিছু পড়ায় , কুফরি কিছু পড়ায় আপনি ওই জায়গায় স্কিপ করবেন। আপনি রেজাল্ট ভালো করার চেষ্টা করেন এবং ওই জ্ঞানটাকে আপনি দ্বীনের কল্যাণী কাজে লাগান। আপনি ইসলাম শিখে ইংরেজিতে একটা বক্তব্য দেন। আপনার বক্তব্য পুরো বিশ্বের ছড়িয়ে যাক। এবং ওই বক্তব্যের উসিলায় হাজার মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে পারে। ডক্টর জাকির নায়েকের কথা শুনেছেন সব লেকচার তো ইংরেজিতে দেয় নাই। এই লেকচার শুনে বিশ্বের কত মানুষ ইসলাম কবুল করেছে। তার ইংরেজি পড়াটা কি দুনিয়াবি পড়াশোনা হল। দ্বীনের খেদমত হয়েছে এভাবে চিন্তা করেন ।আসলে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন এর দরকার আছে। আমি রিকোয়েস্ট করবো পড়াশোনার সময় দলীয় করণে যাবেন না। পড়াশোনার টাইমে পড়াশোনা করেন আপনি এগুলো করার সময় পাবেন ইনশাল্লাহ। এখন আপনার পড়াশোনা করার সময়।
বর্তমান বিশ্বের পরিস্থিতি হার্ডওয়ার্ল্ড নিয়ে প্রশ্ন করেছে। প্রস্তুতি বিষয়ে জানতে চাই। মনে করেন রাশিয়া ইউক্রেন মহাযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল আপনি করবেন টা কি বলেন তো। কি করার আছে আপনার আর আমার এখানে আলোচনা করেই বা কি হবে বলেন তো। এই কথা কোথায় পৌঁছাবে আর এ কথা যদি পৌঁছায়ও তারা কি দাম দিবে। তো হাইপথিটিক্যাল চিন্তা বাদ দিয়ে পেট্রিকেল কিছু কাজ করেন । যেমন বললাম এলেম অর্জন করেন। যদি আপনি পাঁচ বছর বাঁচেন তাহলে আপনি পাঁচ বছর জ্ঞান অর্জন করেন না কেন? পাঁচ বছর জানা অনুযায়ী আমল করেন। আপনি হালাল রিযিকের ব্যবস্থা করেন । আপনার পরিবারের আদর্শ ঠিক করেন। এই পাঁচ বছর প্রতিটা দিন একটা পার্ট টাইম দাওয়াতি কাজ করেন। আল্লাহর রাস্তায় সময় দেন তালিম করেন। ইসলামের তাবলীগ করেন। মানব সেবামূলক কিছু কাজ করেন। আপনার আমলনামা গোছান । নিজের ফিকির করেন । এই যে বিষয়গুলো এগুলো হচ্ছে উচ্চ লেভেলের বিষয়। যেগুলো আসলে রাষ্ট্রের জানা দরকার। ব্যক্তি পর্যায়ে বেশি রাষ্ট্রের জানা উচিত যে আমাদের সামনের ওয়ার্ল্ড টা কেমন হতে যাচ্ছে।
একটা প্রশ্ন আমার হাতে আছে ছয় বছরের বাচ্চা মেয়ের জন্য আপনাদের কোন কোর্স আছে কিনা।আসলে এই বয়সের মেয়েদের জন্য কোর্স করানোর কোন সুযোগ নাই ।এদেরকে আসলে একাডেমিক সেকশনে ভর্তি করে সময় নিয়ে নিয়ে পড়াতে হবে আর কি । হ্যাঁ, যদি আপনি সেকেন্ড হাল্ফ এ চান যে এই মেয়েটা অন্য কোন স্কুলে পড়ে। তাহলে বিকেলবেলা নিয়ে আসতে পারেন সন্ধ্যার পরে আমাদের এখানে টিচাররা থাকবেন । এদের মত যে বাচ্চাগুলো আছে এদেরকে বসিয়ে এক ঘন্টা,দেড় ঘন্টা , দুই ঘন্টা করে কোরআন শেখা বা গল্প বলা বা ভালো কিছু এনিমেশন দেখানো ইত্যাদি এভাবে আমরা তাদেরকে শেখাতে পারবো।
সাধারণ প্রশ্ন
আত্মীয়তার সম্পর্ক নিয়ে ইসলাম কী বলে?
লেখা অনুযায়ী ইসলাম সম্পর্ক জোড়া লাগানোর পথ দেখায়, অর্থাৎ আগে কথা বলা ও সালাম দেওয়া এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিয়ের আগে কী করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে?
বিয়ের আগে অন্তত একটি লেভেল পর্যন্ত পড়াশোনা শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যিনি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নন, তাকে পড়াশোনা ও দ্বীনের কাজে যুক্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দ্বীনের প্রতি গুরুত্ব কীভাবে দিতে হবে?
লেখায় বলা হয়েছে প্রতিটি কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করতে হবে এবং দুনিয়ার চেয়ে দ্বীনকে প্রাধান্য দিতে হবে।