Islamবাংলা

সামনে একটি বড় মালহামা দেখবে বিশ্ব

বিশ্বের যুদ্ধ ও মালহামার আশঙ্কা

বিশ্বাস করেন এখন বিশ্বের অবস্থা যা আগামীতে বিশ্বের অবস্থা আরো ভয়ংকর হবে। যদি আল্লাহ না করুক আমরা দোয়া করছি যেন আল্লাহ না করে। যদি আল্লাহ না করুক আমরা দোয়া করছি যেন আল্লাহ না করে ইউক্রিয়ান এবং রাশিয়ার যুদ্ধটা যদি পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে না যায় বিশ্বের অবস্থা খারাপ আছে। এটা যারা জিও পলিটিক্স পড়ে বা যারা পলিটিক্যাল সাইন্স পড়েছে যারা রাজনীতি করে তারা জানে বিষয়টা। মিলিটারি সাইন্স যারা পড়েছে তারা জানে এই বিষয়টা। একটা নিউক্লিয়ার যুদ্ধ বিশ্বের প্রেক্ষাপট চেঞ্জ করে দিবে। শুধু এই দেশগুলো ধ্বংস হবে তা নয়। অর্থনৈতিক পড়ে যাবে সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে। মেডিকেল সাপোর্ট পাবেন না। ফ্রেশ বাতাস পাবেন না ফ্রেশ খাবার পাবেন না। রোগ-ব্যাধি ছড়াবে। বিকলাঙ্গ প্রজন্ম তৈরি হবে। বাতাসে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে যাবে অনেক কিছু হবে। একটা পৃথিবীর কাঠামো নষ্ট হয়ে যাবে। বিশ্ব এখন দাঁড়িয়ে আছে সামনে। যুদ্ধ অলরেডি শুরু হয়ে গেছে। একটা হাদিস আমি বলে দেই আখিরুজ্জামান এ মালহামা হবে একটা। এখানে যুদ্ধের নাম বলা হয়েছে মালহামা। মালহামার শব্দের অর্থ হচ্ছে মহাযুদ্ধ। অন্য একটা হাদিসে এসেছে আশিটা ফ্ল্যাগ। আশিটা পতাকা একত্রিত হয়ে যাবে যুদ্ধে। আশিটা পতাকা কে একত্রিত কোন সংগঠন করতে পারে। ইউনাইটেড নেশন। ওরা করতে পারে। আশিটা ফ্ল্যাগ কে একত্রিত করতে পারবে। কারণ এখন ওয়াল্ড টা একটা ভিলেজের মতন। এবং এটা একটা ম্যাসাকার যুদ্ধ হবে। যে ওয়ান থার্ড মানুষ মারা যেতে পারে। পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যাবে। আর এত মানুষ কখন মারা যেতে পারে? ঢাল তলোয়ারের যুদ্ধে কি মানুষ এত মারা যেতে পারে। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ২৩ বছর একশ এর মত জীবনে যুদ্ধ হয়েছিল। ছোট বড় যুদ্ধ মিলিয়ে। হিসেব করে দেখবেন ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায়নি।হ্যাঁ এত মানুষ মারা যায়নি দেখবেন। হ্যাঁ কিন্তু আপনি দেখবেন জাপানে হিরোশিমায় নাগাসিয়াতে একটা দিনে লাখ লাখ কোটি কোটি মানুষ শেষ। শুধু ভেশেত নামক যুদ্ধে এই পশ্চিমারা কতগুলো মানুষকে হত্যা করেছে দেখেন। চীনে কতগুলো মানুষকে মেরেছে দেখেন। রাশিয়ার কমিজম বিপর্যয় যখন হয়েছে কতগুলো মানুষকে মেরেছে দেখেন। ইরাকে কতগুলো মানুষ মেরেছে দেখেন। আফগানিস্তানে কতগুলো মানুষকে মেরেছে দেখেন। আমরা মানবতার স্লোগান দিয়ে বেড়াই। হিউমিনিটির গান শুনাই। তাদের কারণে পৃথিবীতে কত মানুষ যে মারা গেছে তার হিসাব নেই। আর এই মালহামা এমন হবে যেটাতে এক তৃতীয় অংশ যদি মানুষ মারা যায় তাহলে বুঝতে হবে। এটা কোন প্রফেশনাল বা কনভেনশনাল যুদ্ধ হবে না। এটা নিউক্লিয়ার যুদ্ধ হবে। এবং সবাই এটা আচ করে যে সামনে একটা নিউক্লিয়ার যুদ্ধ হবে। এরা ট্রাই করেছিল প্যালেস্টাইন ইস্যু নিয়ে সিরিয়া নিয়ে এখন আবার ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে। এর আগে আরেকটা ইস্যু নিয়ে চেষ্টা করেছে। এদিকে ইরাকে চেষ্টা করেছে আফগানিস্তানকে চেষ্টা করেছে এরা চায় সারা ওয়ার্ল্ডে একটা নিউক্লিয়ার যুদ্ধ হয়ে যাক। কারা চায়? যারা প্রশ্ন করেছিল যে ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করবে কাকে বলে আশাবুল কায়েফের কি হয়েছিল? জুলকারনাইম এর বা কি হয়েছিল ? সে যদি উত্তর দিতে পারে তাহলে সে প্রকৃত নবী না হলে নবী মানবো না ।

সূরা কাহাফ পড়া ও দাজ্জাল থেকে বাঁচা

ওই জাতি চায় যে ওয়ার্ল্ডে একটা নিউক্লিয়ার যুদ্ধ হয়ে যাক। আমি আপনাদেরকে বুঝাচ্ছি দাড়ান ।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর একটা রাষ্ট্র এসেছে। সারা রাষ্ট্রকে রুল করতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর একটা রাষ্ট্র এসেছে রুহু করতে। এখন নতুন কোন রাষ্ট্রকে রুল করতে হলে আবার একটা যুদ্ধ করতে হবে। তাছাড়া ওয়ার্ল্ডের প্রেক্ষাপট চেঞ্জ হবে না। গভীরতা বুঝা যান ওয়ার্ল্ডের অ্যাফেয়ার্স বুঝেন । জিও পলিটিক্স বুঝেন। আপনি বুঝতে পারবেন। এবং এগুলো পড়তে হবে কুরআন সুন্নাহর চোখ দিয়ে। বাহ্যিক চোখ দিয়ে পড়লে বুঝতে পারবেন না। ওয়াল্ড এদিকে যাবে। আপনার ম্যাসাকার একটা মালহামা আসবে। আমরা জানি প্রচুর মুসলিম মারা যাবে প্রচুর । এই মহামারী দিয়ে এবং ওইসব আজাব গজব দিয়ে। আল্লাহ পাক মানুষ কমিয়ে ফেলবেন। অল্প মানুষ থাকবে। আল মাহাদীর সাথে অল্প মানুষ থাকবে বেশি মানুষ থাকবে না। এবং এটা সুখবর নয় আমাদের জন্য যে তিনি আসছেন। দুঃসংবাদ আমাদের জন্য জানেন। এটা সুখবর নয় আমাদের জন্য হ্যাঁ তিনি আসবেন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবেন। এরকম নয় বিষয়টা। তখনকার অবস্থা ম্যাসাকার হবে। মানুষ তো ভাগ হয়ে যাবে। একদল তো তাকে অস্বীকার করবে। এবং তাদের কাছেও দলিল থাকবে। যেমন এখন তাদের কাছে দলিল আছে। এবং আরেকদল দেখবেন তার সাথে শহীদ। অল্প মানুষ বেঁচে থাকবেন তাদের হাতে আল্লাহ পাক বিজয়ের পতাকা দিবেন। কিন্তু এরাও দাজ্জালের অনুসারীদেরকে মারতে পারবে না। দাজ্জালের অনুসারীদেরকে মারার জন্য আল্লাহপাক ঈসা আলাইহি সাল্লামকে নামাবেন পৃথিবীতে। তিনি বাকি আছেন এখনো। শেষ জামানার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে ঈসা আলাইহিস সাল্লাম। তার হাতে মাসিহুদ দাজ্জাল মারা যাবে। আর আমি আপনাদেরকে বলে দেই এই মাসিহুদ দাজ্জালকে ফলো করবে এই জিউসরা এই ইহুদীরা। এটা স্পষ্ট হাদিস। ইহুদিরা দাজ্জালকে ফলো করবেই স্পষ্ট হাদিস। এখন আপনি খেয়াল করে দেখেন বিগত ১০০ বছর না বিগত দুই হাজার বছরে ইহুদিদের কোন রাষ্ট্র ছিল না। কোন রাষ্ট্র ছিল না। লাস্ট এই ৭০ বছরের রাষ্ট্র হয়েছে। ইউনাইটেড ছিল না। সারা ওয়ার্ল্ড থেকে এক জায়গায় এসেছে। এবং সেখান থেকে সারা ওয়ার্ল্ডের সমস্ত বিষয় ডিল করছে এখন। তারা অলরেডি মঞ্চ প্রস্তুত করে ফেলেছে। আর আমরা এখনো ওই যে হালুয়া রুটি সেমাই খাচ্ছি। কথা বললে মাইন্ড করে কিন্তু বাস্তবতা এমনই। আমরা জানি আমাদের কিছু করার নাই আপাতত। কিন্তু ইনশাল্লাহ যদি গোড়া থেকে কাজ শুরু করেন আল্লাহ পাক এমন প্রজন্ম নিয়ে আসবে ইনশাল্লাহ। যারা ইসলামের পতাকা হাতে নিবে ইনশাআল্লাহ। ইনশাল্লাহুতালা এটা হবেই। কিন্তু এখন সামনের দিনগুলো খারাপ। এখন আমি আপনাকে বলি এই মাসিহুদ দাজ্জাল থেকে আপনাদেরকে একটা সুরা বাঁচাবে। যেই সূরার নাম সূরাতুল কাহাফ। এই সূরার জুমার দিনে আর আপনার জন্য পড়া সুন্নাহ। জুমার দিন অবশ্যই সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করবেন। আল্লাহর ওয়াস্তে অর্থটা বোঝার চেষ্টা করবেন। আমি কোনদিনও বলি নাই যে কোরআন তেলাওয়াত করলে নেকি নাই। আল্লাহর কসম কোনদিনও না। আপনি তেলাওয়াত করলে এর ভেতরের অর্থটা বুঝতে পারবেন না যদি না আপনি এর ব্যাকরণ না জানেন আরবি ভাষা না জানেন তাফসির না পড়েন আপনি তরজমা না পড়েন। আপনি বুঝতে পারবেন না। আল্লাহ পাক বলেছেন একসাথে থাকো বিভক্ত হয়ো না।

অর্থসহ কুরআন বোঝার গুরুত্ব

এই যে আমি আয়াতটা তেলাওয়াত করে অর্থ শুনালাম। আপনাদের কলিজার মধ্যে একটা মেসেজ পৌঁছালো। যে আল্লাহপাক ঐক্যবদ্ধ থাকলে বলেছেন। শুধু যদি আমি আয়াতে তেলাওয়াত করতাম অতটা না বল বলতাম আপনি যদি না বুঝতেন আপনি কিন্তু মেসেজটা পেতেন না। আল্লাহ পাক বলেছেন জিনার ধারের কাছে যেওনা। আমি যদি এটা শুধু তেলাওয়াত করে দেই আমি আপনাকে যদি অর্থটা না বুঝায় তাহলে আপনি অতটা বুঝতেন না। আল্লাহ পাক বলেছেন সুদ ছেড়ে দাও সুদ না ছারলে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের সাথে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে রেখো। সুরা বাকারা আছে। এখন আমি যদি এই আয়াতের অর্থ না পড়ে শুনাই তাহলে কি আপনি এটা অর্থ বুঝতে পারবেন। আপনি কি যদি অর্থ না জানেন আপনি কি বুঝতে পারবেন। তাহলে কি আল্লাহর বার্তা জানার জন্য অর্থের প্রয়োজন নাই। এটাই বুঝাতে চেয়েছি। এই অর্থ আপনি বুঝতে পারবেন না যদি না আপনি এরাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ না জানেন ভাষা না জানেন। মাদ্রাসার বইগুলো না পড়েন আলেম ওলামাদের কাছে না যান। এগুলো তো যেতেই হবে তারপরে আপনি এগুলো শিখবেন ইনশাল্লাহুতালা। শেখাটা আমাদের উচিত। এই সুরা অর্থ সহকারে পড়েন। সূরা কাহাফ গভীরভাবে পড়ার চেষ্টা করেন। এই সূরায় আপনাকে বাঁচাবে ইনশাল্লাহুতালা মাছিহুর দাজ্জাল থেকে। এই সূরার প্রথম দশটা আয়াত মুখস্ত করবেন। আজকের মুখস্ত করবেন। সূরা কাহাফ এর প্রথম দশটা আয়াত অবশ্যই মুখস্থ করবেন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন এই সূরার প্রথম দশটা আয়াত যে যে মুখস্ত করবেন তার জীবন দশায় যদি দাজ্জাল বের হয় তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না দাজ্জাল ইনশাল্লাহ। এর সাথে শেষের দশ আয়াত মুখস্ত করেন। এবং এটা তেলাওয়াত করেন এবং অর্থটা বোঝার চেষ্টা করেন। আমি শুধু এতোটুকু বলে দেই। আপনাকে কিছু সারমর্ম বলে দিচ্ছি আমি। এই সূরার মধ্যে চারটা গল্প আছে। আশরাফুল কাহেবের কি হয়েছিল। জুলকার নাইম আলাইহিস সাল্লাম এই বাদশার কি হয়েছিল। মহানবী মুসা আলাইহিস সাল্লাম এবং খিজির আলাইহিস সালামের মাঝে জ্ঞানের ইন কাউন্টার। আরেকটা হচ্ছে দুই বন্ধুর গল্প একজন বড়লোক একজন গরীব। আপনি পড়া শুরু করবেন নবী মুসা আলাইহিস সাল্লাম এবং খিজির আলাইহিস সাল্লাম এর গল্প থেকে। ওখানে আপনি পাবেন কিভাবে এটাকে পড়তে হবে। ওখানে আপনি পাবেন আপনাকে খিজির আলাইহিস সালাম হতে হবে আপনাকে দুই চোখ দিয়ে দেখতে হবে অন্তরের চোখ দিয়ে এবং বাহিরের চোখ দিয়ে। বাহ্যিক চোখ দিয়ে সব বুঝতে পারবেন না আধ্যাত্মিকতা লাগবে। এরপরে আপনি দুই বন্ধুর গল্প পড়েন এরপরে আশরাফুল কাহেবের গল্প পড়েন। এটা গল্প না এগুলো হচ্ছে সত্যি ঘটনা। এই ঘটনা আপনাকে দাজ্জাল থেকে বাঁচানোর মেসেজ দিবে। আশরাফুল কহাফ যা যা করেছে আপনি আর আমি তাই তাই করতে পারি তাহলে আমরা দাজ্জাল থেকে বাঁচবো তাছাড়া আর কোন উপায় নাই। এটাই সেই মেসেজ। আশরাফুল কাহাব যা যা করেছেন গুনাহ বাসি আপনাকেও তাই করতে হবে। তাহলে আপনি মাসিহুদ দাজ্জাল এবং তার ফেতনা থেকে বাঁচতে পারবেন অন্য কোন অপশন নাই। আর সবশেষ একটা সুসংবাদ জুলকার নাঈম আলাইহিস সাল্লাম।

গুহায় আটকে পড়া তিন ব্যক্তির ঘটনা

জুলকার নাঈমকে আল্লাহ পাক মসজিদ মাগরিব সমস্ত রাজত্ব দিয়েছিলেন। অচিরে আল্লাহ পাক এই ঘটনা ঘটাবেন আরো দুইজন ব্যক্তি কে দ্বারা।আল মাহাদী এবং হযরত ঈসা আলাইহিস সাল্লাম এর দ্বারা। এই মেসেজগুলো সূরা কাহাফ দিবে ইনশাআল্লাহ তা'আলা। গভীরভাবে পরের। অন্তত একটাবার অর্থসহকারে পড়েন। গবেষণা করেন যে তাফসীরটা আপনার কাছে ভালো মনে হয়। আপনার কাছে যেটা ভালো হয় সেটা পড়েন। তিনজন ব্যক্তি গুহায় আটকে গেছে। গুহার মুখ পাথর দিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। এখন কোন অবস্থাতেই বের হওয়ার কোন সুযোগ নেই। নিশ্চিত মৃত্যু নিশ্চিত। এখন তিনজন বলছে আমাদের এখান থেকে বের হওয়ার কোন রাস্তা নেই। আমাদের যদি কোন ভাল কাজ করে থাকি তার উসিলায় যদি আমরা দোয়া করি তাহলে আশা করা যায় আল্লাহ পাক আমাদেরকে এখান থেকে বের হওয়া যায়। একজন দোয়া করছে আল্লাহ আমার বৃদ্ধ পিতা-মাতা ছিল ওই যে বললাম শুরুতে আমার বৃদ্ধ পিতা-মাতা ছিল। আমি সারাদিন কৃষিকাজ করতাম। রাখাল ছিলাম ছাগল প্রতিপালন করতাম। দুধ ধুয়া তাম। যতক্ষণ আমার মাকে দুধ পান না করেছি আমি ততক্ষণ দুধ পান করতাম না। বাসায় ফিরে গেছি মাকে দুধ পান না করানো পর্যন্ত আমি পান করি নাই বাবাকে দুধ পান না করানো পর্যন্ত আমি পান করি নাই। একদিন আমি বাসায় গিয়েছি আমার সন্তানরা কান্নাকাটি করছে কান্নাকাটি করছে খাবারের জন্য। কিন্তু আমার মা ঘুমিয়ে গেছে। আমি মাকে দুধ পান না করিয়ে বাচ্চাদের কেউ দুধ পান করাই নাই আমার বাচ্চারাও কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে গেছে। আল্লাহ এই কাজটা যদি তোমার কাছে ভালো লাগে তাহলে আজকে তুমি আমাদেরকে এই গুহার থেকে উদ্ধার কর। পাথরটা একটু সরে গেল। পাথর আল্লাহর হুকুম শুনে না। পাহাড় দেখেছেন পাহাড়। পাহাড়ের ভেতর থেকে যে পানি গুলো বের হয় মিষ্টি পানি এটার কোন উৎস আছে। কোন উৎস নাই। এগিয়ে গিয়ে দেখবেন উপরে কোন উৎসই নাই। এমনটা নয় যে উপর থেকে পানি পড়ছে সেই পানিটা এখানে পড়ছে। পাহাড়ের ভিতর থেকে এই পানিগুলো পড়ছে। এগুলো কিভাবে সম্ভব। আল্লাহ পাকের কুদরত। তো পাথরের মুখটা সরে গেল। গুহার মুখ থেকে পাথরটা একটু সরে গেল। কিন্তু বের হওয়ার জন্য এইটুকু এনাফ না। আরেকজন বলছেন আল্লাহ আমার একজন চাচাতো বোন ছিল কাজিন। যদি যেনা ছাড়তে পারেন এবং হারাম সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসতে পারেন আল্লাহ পাক আপনাকে সাক্ষাৎ মউতের হাত থেকে রক্ষা করবেন। আমার একজন চাচাতো বোন ছিল অত্যান্ত সুন্দরী। আমি খুব করে তাকে চাইতাম আমি যেন তাকে পাই। আমি তাকে প্রপোজ করলাম খারাপ প্রপোজ বিয়ের প্রপোজ নয় হারাম প্রপোজাল।সে বলল আমাকে যদি ১০০ স্বর্ণ মুদ্রা দিতে পারো তাহলে আমি রাজি। সে ১০০ স্বর্ণ মুদ্রা অনেক কষ্ট করে কামাই করেছে। একা পেয়েছে মেয়েকে তার চাচাতো বোনকে সেই একটা স্বর্ণমুদ্রা দিল। দেয়ার পরে সে অবৈধ কাজ করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। সে বলেছে আমি এমন জায়গায় ছিলাম যে আমি সেই মেয়ের দুই পায়ের মাঝখানে বসেছি। সেই মেয়ের দুই পায়ের মাঝখানে বসেছি এমন অবস্থায় সেই মেয়ে আমাকে বলল হে আল্লাহর বান্দা আল্লাহকে ভয় করো। তখন আমি সেখানে একশ স্বর্ণমুদ্রা রেখে আসছি হে আল্লাহ আমি তোমাকে ভয় করে সেই যেনা থেকে চলে এসেছি। সেখানে আমি জেনা করিনি। আল্লাহ এই কাজটা যদি আমি তোমার সন্তুষ্টির জন্য করে থাকি। আল্লাহ তুমি আজকে আমাদেরকে সাক্ষাৎ মউতের হাত থেকে বাঁচাও। এই পাথর আরো সরে গেল।

দোয়া কবুলের উসিলা ও নেক আমল

এখান থেকে যুবক ভাইদের বলব নাম্বার ডিলিট করে দেন সবকিছু ডিলেট করে দেন। আপনাকে আল্লাহপাক ওই তিনজন যুবকের মত করে বাঁচাবেন ইনশাল্লাহুতালা। ইনশাল্লাহ আপনার যেকোনো দোয়া কবুল হবে। আপনি যদি যেনার ছাড়তে পারেন তাহলে আপনার যে কোন দোয়া কবুল হবে। আল্লাহপাক বলেছেন ধারের কাছেও যেওনা। করুনা নয় ধারের কাছেও যেওনা। জেনা এটার এর কাছেও যেও না। আমরা বলছি কাছে আসার গল্প। আর আমাদের এই যুব সমাজকে শিখাচ্ছে ক্রাশ এবং ফ্রী মিক্সিং হচ্ছে কাছে আসার গল্প নাউজুবিল্লাহ । কত বড় আল্লাহর দ্রোহী চিন্তা করেন। ইকোনমিক বয়কট করে দেন। ইকনোমিক বয়কট করে দেন কিনবে নি না প্রোডাক্টটা । যাবেনই না ধারের কাছে। এদেরকে বয়কট করে একা চলবেন কোন সমস্যা নয়। কি সমস্যা নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজবেন কি সমস্যা। যাবেন না লাখ লাখ মানুষ যাবেন না তখন কিছুদিন পরে দেখবেন তারা ভুল স্বীকার করে বলবে ভুল হয়ে গেছে। ওই যে মুসলিমরা যদি তেলটা বন্ধ করে ফেলত। যে তেল দিবো না সুইস খাল দিয়ে কাউকে যাইতে দিব না। অমুক দিক দিয়ে রোড বন্ধ করে দিব। দেখতেন সব সিধা হয়ে গেছে। আমরা পারি নাই যে। আমরা ওই জায়গায় উঠতে পারি নাই। আমরা আপোষ করে ফেলছি। এ কারণে আমাদের এই অবস্থা হয়েছে যাই হোক। আল্লাহ পাক আমাদেরকে ঈমানের জাজবা দান করুন আমিন। আরেকজন ছিল সে বলছে তার একজন কর্মচারী ছিল। কর্মচারী কিছু বেতন পেতো। ধরেন মাসিক বেতন ৫ হাজার টাকা বা ১০ হাজার টাকা এরকম পেতো । তো সে সেই বেতন টা না নিয়ে চলে যায়। তো মালিক সেই বেতনের টাকা দিয়ে কিছু পশু কিনেছে গবাদি পশু । পরে আস্তে আস্তে এই পশুগুলো বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকদিন পরে সেই শ্রমিক এসেছে এসে বলেছে আমার পারিশ্রমিক আমাকে দেন। তখন মালিক বলছে এই সমস্ত গবাদি পরশুই তোমার ।তো এই শ্রমিক বলছে আমার সাথে কি মশকারে কোচ করছেন আমি তো এক মাসের পারিশ্রমিক পাই। তখন আমি বলেছি না মশকারি করছি না আমি সেই টাকা দিয়ে দুটি গবাদি পশু কিনেছিলাম সেই গবাদি পরশু দিয়ে থেকে এতগুলো পশু হয়েছে। সবগুলোই তোমার। সবগুলো দিয়ে দিয়েছে সুবহানাল্লাহ। সে বলছে হে আল্লাহ এই কাজটা যদি আমি তোমার সন্তুষ্টির তাই করে থাকি তাহলে এই পাহাড়ের গুহা থেকে পাথরটি সরিয়ে দাও। গুহার মুখ থেকে পাথর সরে গেল আলহামদুলিল্লাহ। এগুলো কোন গাল গল্প নয় কেচ্ছা কাহিনী নয়। এগুলো হচ্ছে সহি হাদিস। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিস গুলো বলেছেন। সরিষা দানা পরিমাণ মিথ্যা নাই এখানে। এখানে বলতে চেয়েছিলাম দোয়া কবুলের অন্যতম একটা ভালো উপায় হচ্ছে আপনি কোন ভাল কাজ করেন গোপনে যেটা আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না। ওর উসিলা করে আপনি আল্লাহর কাছে চান তাহলে দোয়া কবুল হবে ইনশাল্লাহুতালা।

আল্লাহর নাম ও তাওহীদের উসিলায় দোয়া

আরেকটা অপশন হচ্ছে আল্লাহ তায়ালার যে নাম এবং সিফাতগুলো আছে। এগুলোকে উসিলা করে দোয়া করা। আল্লাহ তোমার রহমান নামের উসিলা আমি তোমার কাছে দয়া চাচ্ছি। তোমার আল গফুর নামের উসিলায় তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তোমার আল রাজ্জাক নামের উসিলায় আমি তোমার কাছে রিজিক চাচ্ছি। ওহাব নামের উসিলা আমি সন্তান চাচ্ছি ইত্যাদি। যে নামের সাথে যে বিষয়টা যায়। এটা উসিলা করে আপনি দোয়া চাইলে ইনশাল্লাহুতালা আপনি ফলাফল পাবেন। আরেকটা বড় অস্ত্র আমি শিখিয়ে দিচ্ছে এটা কাউকে শিখায়নি। আজকে আপনাদেরকে শিখিয়ে দিচ্ছি। আমি আমার জীবনে দেখেছি এই উসিলা করে যা চেয়েছি পাইনি এমন কোনোদিনও যায়নি আলহামদুলিল্লাহ। আমি সম্পূর্ণ আল্লাহ পাকের কৃতজ্ঞতা এবং শুকরিয়া আদায় করছি। আমি যা চেয়েছি সারা জীবন তাই পেয়েছি। এই বয়সে আমি যা পেয়েছি কোটি কোটি মানুষকে আল্লাহ পাক দেননি। এবং আমি বিশ্বাস করি আমি যা পেয়েছি আল্লাহপাক কোটি কোটি মানুষকে তা দেননি। আমি এমনটাই মনে করি। আমি কি শিখাই দিব সেটা। আপনি আল্লাহ পাকের তাওহীদের উসিলা দিয়ে দোয়া করেন। দোয়া করতে করতে আপনি বলেন হে আল্লাহ পাক তোমার তাওহীদের উসিলায় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এর উসিলা করে আমি তোমার কাছে চাচ্ছি। আপনি পাবেন ইনশাল্লাহ তালা। যদি আপনার রিজিক ভালো হয় যদি আপনার আকিদায় শিরিক না থাকে। যদি আপনার আমলে বেদাত না থাকে ইনশাল্লাহুতালা আপনি পাবেন। এরপরেও দুইটা কথা আছে।সেটা হলো যদি দেখেন পান নাই। ইনস্ট্যান্ট পান নাই মনে করবেন না যে দোয়া কবুল হয় নাই। এমন দোয়া আছে যে আমি দশ বছর থেকে করছি এখনো পাই নাই। ইনশাল্লাহ পাব। ইনস্ট্যান্ট সব পেতে হবে এমনটা নয়। যদি দেখেন পান নাই তাহলে তিনটা বিষয় ঘটেছে। একটা বান্দা দোয়া করেছে সাথে সাথে কবুল করা হয়নি কিন্তু এটা আপনাকে দেওয়া হবে উপযুক্ত সময়। দুই নাম্বার আপনি আল্লাহর কাছ থেকে কিছু চেয়েছেন এর উসিলায় আল্লাহ পাক আপনার তাকদীর থেকে কোন বিপদ আপদ সরিয়ে দিয়েছেন আপনি বুঝতে পারেন নাই। আরেকটা হচ্ছে দুটোর কোনটাই হয় নাই। পরকালে কেয়ামতের মাঠে আপনাকে দিবেন বলে জমিয়ে রেখেছে। অতএব দোয়া করলে কোন লস নাই বেশি বেশি দোয়া করবেন। সেজদায় বেশি বেশি দোয়া করবেন। ফরজ সালাতের আগে পরে দোয়া করবেন। নরমালি হাত তুলে দোয়া করবেন।নফল নামাজের পরে দোয়া করবেন। দান সদকা করে দোয়া করবেন কোরআন তেলাওয়াত করে দোয়া করবেন। দোয়া বাড়িয়ে দেন। আত্মশুদ্ধির কথা যে আমরা বলি না কয়েকটা বিষয় জড়িত। বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করলে আত্মশুদ্ধি হয়। বেশি বেশি জিকির করলে আত্মশুদ্ধি হয়। আল্লাহ ওয়ালা মানুষের সহবতে পড়ে থাকলে আত্মশুদ্ধি হয়। বেশি বেশি দোয়া করলে আত্মশুদ্ধি হয়। বেশি বেশি পরকালের কথা ফিকির করলে আত্মশুদ্ধি হয়। আত্মশুদ্ধি না থাকলে আমরা আগামীতে পথ চলতে পারব না। একটা বাতি থেকে বাতি জ্বলবে। বাতি থেকে বাতি জ্বলবে ইনশাল্লাহ। আপনি নিজেকে ছোট মনে করবেন না তুচ্ছ মনে করবেন না।

পরিবার, আত্মসমর্পণ ও আগামী প্রজন্ম

একটা বাটি থেকে হাজারটা বাতি জ্বলবে ইনশাআল্লাহ তা'আলা। আগে নিজে ঠিক হন তারপরে নিজে জাহান্নাম থেকে বাঁচেন এবং পরিবারবর্গকেও জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচান। পরিবারকে বাঁচান ভাই পরিবার খুব কঠিন জিনিস কারণ পরিবার কথা শুনতে চায় না। দেখবেন মানুষ কথা শুনে কিন্তু পরিবারের লোক কথা শুনে না। এমনটা হবে ওখানে আপনাকে সবর করতে হবে। শেষমেষ দাওয়াত দিতে দিতে বুঝাতে বুঝাতে আর কথা শুনেনা। আপনি আলাদা হয়ে যান তাও ভালো। আশরাফুল কাহাফ এর মত হয়ে যান। তারপরও আপোষ করেন না অন্যায়ের সাথে। কারণ এই ফেৎনা গুলো আপনাকে আল্লাহর পথে চলতে দিবে না বাধা দিবে। সারাদিন দুনিয়ার ফেতনায় ব্যস্ত রাখতে আপনাকে। সূরা আল ইমরানের ১০২ নাম্বার আয়াত আছে। আল্লাহকে ভয় কর। ভয় করার মতো ভয় করো। পরিপূর্ণ মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। কিভাবে পরিপূর্ণ মুসলিম হবে। ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাম। ও যখনই আল্লাহর কোন বিধান চলে আসবে হুকুম চলে আসবে সাথে সাথে আত্মসমর্পণ এরই নাম মুসলিম । বলবে না যুক্তি কি দর্শন কি বিজ্ঞান কে জিজ্ঞাস করবে না। আত্মসমর্পণ করবেন এর নামই মুসলিম। প্রত্যেকটা পিছনের যুক্তি বিদ্যা দশম থাকবে ঠিকই। আপনার বুঝে নাও আসতে পারে। আপনার বুঝে নাও আসতে পারে। বোঝেনা আসলেও যে ওর মধ্যে কোন বিজ্ঞান নাই যুক্তি নাই বা দর্শন নাই এমনটা নয়। ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম কে হুকুম করা হয়েছিল সন্তানকে জবাই কর সে কিন্তু জিজ্ঞেস করেনি এটা কেন করব। যুক্তি কি জিজ্ঞেস করেছিলেন? স্ত্রীকে রেখে আসো সন্তানকে রেখে আসো জিজ্ঞাসা করেছিলেন হে আল্লাহ জনশূন্য পরিবেশে আমার স্ত্রীকে কেন রেখে আসবো কি খাবে সে কি জিজ্ঞেস করেছিল। ইসলাম এর নাম। এর নাম নয় এই সেজদা কর। সেজদা করো আদমকে সে বলছে আমাকে সৃষ্টি করেছে আগুন দিয়ে আর তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে মাটি দিয়ে আমি কেন সেজদা করব । এর নাম ইসলাম নয়। ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাম। এরপরে পরিবার। পরিবারের পরে আগামী প্রজন্ম। আগামী প্রজন্মের জন্য ফিকির করতে হবে। আগামী প্রজন্মকে এমন ভাবে মানুষ করতে হবে। এরা যেন আগামী বিশ্বটাকে ফেস করতে পারে। জুমার দিনে এই আমল গুলো করেন। আল্লাহ পাক আপনাদেরকে বারাকাত গুলো নাযিল করেন। আল্লাহপাক আপনাদের জুমার দিনে দোয়া গুলো কবুল করুক। এবং জুমার অন্যান্য আমল গুলা সঠিকভাবে করার তৌফিক এনায়েত করুন। স্পেশিয়ালি সূরা কাহাফ কে গভীরভাবে বুঝে পড়ার তৌফিক এনায়েত করুন। যাতে করে আপনি আগামীতে যে ফিতনা গুলো আসছে সেগুলো থেকে বাঁচার জন্য পথ এবং পদ্ধতি খুঁজে বের করতে পারেন। এতোটুকু দোয়া করে আমি আমার আলোচনা এখানেই শেষ করছি আল্লাহুম্মা আমীন।

সাধারণ প্রশ্ন

বক্তা কোন সূরা থেকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার কথা বলেছেন?

বক্তা সূরাতুল কাহাফ থেকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার কথা বলেছেন এবং জুমার দিনে এই সূরা তেলাওয়াতের তাগিদ দিয়েছেন। তিনি অর্থসহ গভীরভাবে পড়ার কথাও বলেছেন।

সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত সম্পর্কে বক্তা কী বলেছেন?

বক্তা বলেছেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে এই সূরার প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করলে দাজ্জাল তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। তিনি শেষের দশ আয়াত মুখস্থ করারও কথা বলেছেন।

বক্তা দোয়া কবুলের জন্য কোন উপায়ের কথা বলেছেন?

বক্তা গোপনে করা কোনো ভালো কাজের উসিলায় দোয়া করা, আল্লাহর সুন্দর নামের উসিলায় দোয়া করা এবং তাওহীদের উসিলায় দোয়া করার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, দোয়া তাৎক্ষণিক কবুল না হলেও তা বৃথা যায় না।