একজন যুবককে কেন্দ্র করে সূচনা
আখেরুজ্জামানের ফিতনা ও যুদ্ধের আশঙ্কা
একটা মহামারী চলছে এটাই শেষ নয়। যারা স্ক্যাটোলজিক্যাল বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করে ইলম এবং আখেরুজ্জামান নিয়ে। এগুলো বাই ওইপেন্স আস্তে আস্তে আসবে আরো পৃথিবীতে। এমনকি ইয়াজুজ এবং মায়াজুজ যখন আসবে তারাও এমন মহামারীতেই ধ্বংস হবে। ভাইরাস দিয়ে ধ্বংস হবে হাদিসে এসেছে । এ হাদিসগুলো কে চর্চা করে। তো হতে পারে আগামী বছর কেউ বেঁচে নাও থাকতে পারে। আর বিশ্ব এখন যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে যে কোন সময় নিউক্লিয়ার যুদ্ধ হতে পারে। বিশ্বের একটা অংশ চাচ্ছে যে নিউক্লিয়ার যুদ্ধ হোক। ১৯৬২ সালে তারা চেষ্টা করেছিল। ১৯১৪ সালে একবার চেষ্টা করেছে। ১৯৪৭ সালে একবার চেষ্টা করেছে। আস্তে আস্তে মানবজাতিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে যুদ্ধের দিকে। এবং ওদের স্বার্থ তারা হাসিল করেছে প্যালেস্টাইন দখল করেছে। তারা চাচ্ছে বিশ্বে মেশাকার হোক। কারণ একটা ম্যাসাকার না হলে নতুন কোন রুলিং ইস্টেট আসে না। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে একটা কান্ট্রি এসেছিল পুরো বিশ্বটাকে রুলিং করতে তার নাম ব্রিটেন। তার আগে জার্মানির দাপদ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ব্রিটেন সরে গেছে তার পরিবর্তে এসেছে ইউএসএ। নতুন রুলিং ইস্টেট। আর তৃতীয় টা যখন হবে তখন আরো একটা কান্ট্রি বের হয়ে আসবে। আমার মত সে হচ্ছে ইসরাইল। এবং সে এই বিশ্বকে শাসন করবে। বিশ্বের অবস্থা এমন যেকোনো সময় নিউক্লিয়র ওয়ার হতে পারে। আমরা চাই না হোক কিন্তু হতে পারে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আখেরুজ্জামান হারাজ বাড়তে থাকবে। সাহাবীরা বলেছেন হারাজ কি? নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন হারাজ মানে যুদ্ধ-বিদ্রোহ হত্যাকাণ্ড খালি হত্যাকাণ্ড। একটা বলি একটা শুনেন। রাজকুমার তার স্ত্রী কে নিয়ে হাটছেন ১৯১৪ সালে গ্রীষ্মকাল জুন জুলাই মাসের দিকে। রাস্তা দিয়ে হাটছেন হঠাৎ আতঙ্কিত একটা হামলা হলো দুইজন ডেট। হাঁটছিলেন অস্ট্রেলিয়া হাঙ্গেরি মধ্যে। অস্ট্রেলিয়া হাঙ্গরির নামক একটা কান্ট্রির মধ্যে। তার পাশের কান্ট্রি অস্ট্রেলিয়া হাঙ্গরি কান্ট্রি থ্রেট দিল যদি ১৪দিনের মধ্যে যদি খুনের বিচার না হয় তাহলে তোমাকে আমি হামলা চালাবো। এবার রাশিয়া বলছে অস্ট্রেলিয়া হাঙ্গরি তুমি যদি পাশের এই প্রতিবেশী কান্ট্রির ওপর হামলা চালাও আমরা চুপ করে বসে থাকবো না। আমরাও তোমার উপরে হামলা চালাবো। ১৪ দিনের মাথায় অস্ট্রেলিয়া হাঙ্গারি যুদ্ধ ঘোষণা করলো। রাশিয়া চুপ করে বসে থাকলো না সে এসে যুদ্ধে যোগ দিলো। এবার জার্মানি বলছে অস্ট্রেলিয়া হাঙ্গারি আমার মিত্র এত বড় সাহস আমার মিত্রের গায়ে হাত দেওয়া। যুদ্ধ যোগ দিলাম। ও যুদ্ধে নেমে আসলো। ম্যাসাকার যুদ্ধ। এপাশ থেকে বাম দিক থেকে ফ্রান্স বলছে রাশিয়া আমার বন্ধু এত বড় সাহস জার্মানি তোমার রাশিয়ার বিরুদ্ধে যাও। আমিও তোমার বিরুদ্ধে আছি। জার্মানি এদিকে এদিক দিয়ে ফ্রান্স এদিক দিয়ে রাশিয়া এখানে অস্ট্রেলিয়া হাঙ্গারি আর এখানে একটা প্রতিবেশী কান্ট্রি যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। যুদ্ধ চলছে চলছে এমন দিন গেছে একদিনের ভিতর ৫০ হাজার মানুষ মারা গেছে একদিনের ভিতর। পারমাণবিক বোমা ফেলা হয় নাই এমনি গুলিতে একদিনে ৫০ হাজার মানুষ মারা গেছে। বেলজিয়ামও জড়িয়ে গেল পরে এদিকে আছে সমুদ্র এদিকে আছে ব্রিটেন। ব্রিটেন হল ফ্রান্সের মিত্র। সে বলল আমার মিত্র কে এত বড় আঘাত। আমি চুপ করে বসে থাকবো না। সেও চলে আসলো যুদ্ধতে। শেষমেষ এদিক দিয়ে আমেরিকাও যুদ্ধ যোগ দিল। ম্যাসাকার অবস্থা। এ যোদ্ধা আবার অটোম্যান ইম্পায়ার যারা ছিল জার্মানির পক্ষ নিল এতে করে অটোম্যান ইম্পায়ারদের খেলাফত নষ্ট হয়ে গেল। মুসলিমরা বিভক্ত হয়ে গেল। একটা ঘটনা কে কেন্দ্র করে ওই যে রাজকুমার ও তার স্ত্রীকে হত্যা করা। ৫ থেকে ৬ বছরের ব্যবধানে তিন থেকে চার কোটি মানুষ মারা গেছে। এটা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও হিটলারের উত্থান
কি বুঝলেন? নবীর হাদিস শেষ জামানায় হারাজ বাড়বে। হত্যাকাণ্ড বাড়তে থাকবে। যে মারবে সে জানবে না কেন মারলাম যে মরবে সে জানবে না কেন মরলাম? ইউরোপের সিভিলাইজেশন এখন বলে এটা ছিল ইউরোপের সুইসাইড আত্মহত্যা । ওরা বুঝে নাই কি জন্য যুদ্ধে গিয়েছিল। এই রেশটা কাটে নাই। জার্মানি অনেক ল্যান্ড হারিয়ে ফেলল। শেষমেষ পরাজিত হলো। আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে ওখানকার হিটলার। সে চিন্তা করতে থাকলো আমার ল্যান্ডগুলো ফিরে পেতে হবে। সে প্লান করতে থাকল সে প্ল্যান করতে থাকলো। নিজের নাৎসি পার্টি ঘোষণা করল। নিজের ভিতরে সংস্কার করল। ১০০ জন মেম্বার নিয়ে পলিটিক্যাল পার্টি খুলে ছিল ১০০ জন মেম্বার নিয়ে। এবং সে খুব চমৎকার ভাষণ দিতে পারতো। এত চমৎকার ভাষণ দিতে পারতো যে জনগণ শুনলে বিভোর হয়ে যেত। সে জনগণকে মেন্টালি জাতীয়তাবাদের দিকে নিয়ে আসতে শুরু করলো । এক পর্যায়ে জেল খাটলো ।জেলখানায় বসে সে বই লিখল। এই বইটা ভাইরাল হয়ে গেল। সবাই সেই বইটা পড়লো। জেল থেকে মুক্ত হলো। পলিটিক্যাল পার্টির সাথে একটা মিলিটারি এলাইস তৈরি করল। প্রথম ওয়ার্ড ওয়ারে যারা সামরিক বাহিনীতে ছিল এদেরকে খুঁজে খুঁজে বের করতে লাগলো। একটা পার্টি ফ্রম করল। এক পর্যায়ে বিদ্রোহ করে ক্ষমতায় গিয়েছে। তার ইন্সপায়ার ছিল ইতালিনের মুসোলিনি। ইতালির মুসোলিনি এভাবে ক্ষমতায় ছিল ওইটা দেখে দেখে সেও ক্ষমতায় গিয়েছে। যাওয়ার পরে সে আরও মিলিটারি ফর্ম অ্যারেঞ্জ করতে থাকলো। তার অর্থনীতির সমৃদ্ধি করতে থাকলো। প্রশাসনিক ক্ষমতা বাড়াতে থাকলো। অস্ত্রশস্ত্র বাড়াতে থাকল । ভিতরে ভিতরে কাজ করতে থাকলো। এক পর্যায়ে সে ওই যে হারানো জমিগুলো যেগুলো যুদ্ধে সে হারিয়ে ফেলেছিল। ওগুলোর সিস করতে লাগলো। যুদ্ধ শুরু করলো আবার পুনরুদ্ধার করল লাগলো জমিগুলো । উদ্ধার করতে করতে করতে করতে করতে যখন দেখল বিটেন ফ্রান্স কেউ কিছু বলে না। তারপরে সে পোল্যান্ড থেকে আক্রমণ করল। কিন্তু পোল্যান্ড ছিল বিটেন্স এবং ফ্রান্সের মিত্র। এবার আর ব্রিটেন ফ্রান্স বসে থাকলো না। আমার মিত্র কে আক্রমণ করেছ এবার তারা জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল। আবার আস্তে আস্তে অনেকগুলো কান্ট্রি জড়িয়ে পড়লো। ইউ এস এ এদিকে ফ্রান্স , এদিকে রাশিয়া , এদিকে ব্রিটেন জার্মানি সবাই জড়িয়ে পড়ল। ইভেন জাপান পর্যন্ত জড়িয়ে পড়ল। এই যুদ্ধ শেষ হলো এমন একটা অবস্থায়। ইউ এস এ গিয়ে জাপান নাগাসিমা হিরোসি দুইটা বোম মারল লিটল বয় ফ্যাটম্যান। দুইটা বমে ২ টা শহর শেষ। জাপান স্যালেন্ডার করলেও জার্মানি সেলেন্ডার কলর দ্বিতীয় ওয়ার্ল্ড ওয়ার শেষ। এরপর থেকে ইউনাইটেড নেশন ফ্রম হয়েছে। আই এম এ , ডাবলু এইচ এ হাবিজাবি যা যা দেখছেন এরপর থেকে ফ্রম হয়েছে। এর আগে এগুলো ছিল না। এবং এই সময়টুকুর মধ্যে ইসরাইল আস্তে আস্তে আস্তে নিজের কাজ শেষ করে ফেলল। সে দখল করে ফেলল প্যালেস্টাইন। আস্তে আস্তে সে তার টেলোটরি বাড়ালো। এরপরে আরো চারটা পাঁচটা যুদ্ধ হলো আরবদের সাথে এবং প্রত্যেকটা যুদ্ধের সে জয় লাভ করলো।
কুরআনের ইতিহাস ও জালিমের পরিণতি
এখন সে ওয়ার্ল্ডের রুলিং স্ট্রেট। আপনাকে হারাজ দেখাচ্ছি হারাজ। কিভাবে রক্তপাত দিয়ে এই বিশ্ব এগিয়ে গিয়েছে। সামনে যেটা হবে বা হয় এটা আরো ভয়ংকর হবে। এটা হবে আরও বেশি ভয়ংকর। এবং আমাদের ধারণা ওয়ার্ল্ডের এক তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যেতে পারে যদি হয়। আসেন যে কথা গুলো বলতে গিয়ে এ কথা গুলো বললাম । চোখ কান খোলা রেখে চলতে হয় হাতে বেশি সময় নাই। ইলমো আখিরুজ্জামানের সাইন গুলো এখন প্রকাশিত হচ্ছে। কে জানে আগামী রমজান আমরা বেঁচে নাও থাকতে পারি । মহামারী দিয়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারি। অন্য কোন ভাবে ধ্বংস হয়ে যেতে পারি। স্বাভাবিক মওত ও হতে পারে। অতএব এই রমজানটাকে কাজে লাগাতে হবে আগে। কিভাবে লাগাবেন আমি কয়েকটা পয়েন্টস বলছি। এই জায়গা গুলোতে একটু মনোযোগ দেন। ইতিহাস বলে কি মাথা এলোমেলো করে দিয়েছি নাকি। হিস্ট্রি পড়বেন। ইতিহাস পড়বেন প্রিয় ভাই। এই যে আল কুরআন আছে এটাকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। একটা অংশে আছে হুকুম আহকাম। আল্লাহ পাক বলেছেন কি করতে হবে কি করতে হবে না। আর একটা অংশ জুড়ে আছে তাওহীদ আল্লাহর একত্ববাদ। আরেকটা অংশ জুড়ে আছে ইতিহাস। নূর আলাইহিস সাল্লাম এর ইতিহাস।সামুদ জাতির ইতিহাস। মুসা আলাইহিস সাল্লাম এর ইতিহাস। মুজেজ, সোয়াইব আলাইহিস সাল্লাম এর ইতিহাস ঈসা আলাইহিস সাল্লাম। ইউনুস আলাইহিস সাল্লামের জুলকারনাইন সবার ইতিহাস। কুরআনের ইতিহাস দিয়ে ভর্তি। পুরো বিশ্বের ইতিহাসটা পড়েন এবং ইসলামের ইতিহাসটা পড়েন। আপনি একটা জিনিসে ফাইন্ড আউট করতে পারবেন। আমি একটা জিনিসই ফাইন্ড আউট করতে পেরেছি। একটা জিনিস একটা অনলি ওয়ান। সেটা হল আল্লাহ পাক কখনোই জালিমদেরকে সহ্য করেন নি। যখনই যে জুলুম করেছে আল্লাহ পাক একটা নির্দিষ্ট সময় তাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আল্লাহ পাক একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দিয়েছে অবকাশ। এরপরে এর থেকে বড় জালেমকে এর উপর চাপিয়ে দিয়ে ধ্বংস করে দিও। আপনাকে যদি জিজ্ঞেস করি জাপানে যে দুইটা বড় বম্ব পড়েছিল। ওদের কি দোষ ছিল? জাপান একটা নিরীহ কান্ট্রি মনে হয় না ওদের কি দোষ ছিল। এখন তো তারা আমেরিকার বন্ধু কি দোষ ছিল। আপনি জাপানের ইতিহাস পড়েন। ওই বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান যে জুলুম করেছিল চাইনিজদের ওপরে , ইন্দোনেশিয়া দের ওপরে , বার্মিজদের উপরে। মেয়েদেরকে গণহারে ধর্ষণ করত এবং বাচ্চাদেরকে হত্যা করত। দেখেন এক জালিমকে আল্লাহপাক আরেক জালেমের হাত দিয়ে শায়েস্তা করে দিয়েছে। আল্লাহর সুন্নাহ আল্লাহ পাক যে এত কৌশলী । তারা ষড়যন্ত্র করে আল্লাহ পাকও কৌশল করেন। আল্লাহ পাক শ্রেষ্ঠ কৌশলী।হিস্ট্রি পড়েন আপনি বুঝতে পারবেন জুলুমের কোন স্থায়িত্ব নেই পৃথিবীতে। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুন। এবং কুরআন সুন্নাহকে কাজে লাগিয়ে বাকি বিষয়গুলো জ্ঞান অর্জনের তৌফিক দান করুন। এটাও শেষ জামানার হাদিসে আছে কি নাই আসলে। একশ্রেণীর মানুষ বের হবে যারা হবে ভুড়িওয়ালা। ঠেস দিয়ে বসে থাকবে আরাম করে এবং বলবে কুরআনের যা আছে আমি তাই মানি কিন্তু হাদিসটা আমি মানি না।
ওযু, মসজিদে দুই রাকাত ও শেষ জামানার লক্ষণ
একটা কাজ করতে পারি ওযু যখন ভেঙ্গে যায়। টয়লেট করলেন অজু ভেঙ্গে গেল সাথে সাথে হালকা করে অজু করে ফেলার চেষ্টা করেন। সবসময় পবিত্র থাকার চেষ্টা করবেন। বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু নাম শুনেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমি যখনই জান্নাতে গিয়েছি বেলাল তোমার পায়ের শব্দ শুনেছি সুবহানাল্লাহ। যে বেলালকে উত্তপ্ত মরুভূমিতে শুয়ে নির্যাতন করা হয়েছিল ।সে বেলালকে বলা হচ্ছে আহাদুল আহাদ শানে সূরা নাযিল হয়েছে কুলহু আল্লাহু আহাদ। ওই বেলাকে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন যখনই জান্নাতে যেয়ে তোমার পায়ের শব্দ পাই। তুমি কি এমন আমল করো যার কারনে তোমার এই মর্যাদাটা আছে। বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু বলছেন আমি তো তেমন কোনো স্পেশাল আমল করি না। আপনারা যা আমল করেন আমিও তাই করি তবে আমার যখনি ওযু ভেঙ্গে যাই তখনই আবার অজু করি আর আমি ওই ওযু দিয়েই দুই রাকাত নামাজ পড়ি। এটাকে তাহিয়াতুল ওজুর নামাজ বলে। রমজান মাসের আদায় করার চেষ্টা করি। আল্লাহ পাক তৌফিক দান করুক। আমরা অনেকে মসজিদে যাই আর ধাপ করে বসে পড়ি।করি না এই কাজটা মসজিদে যাই আর ধাপ করে বসে পড়ি। মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়ে বসে পড়া সুন্নত। মসজিদে গিয়ে মিনিমাম দুই রাকাত নামাজ পড়লে আপনার তাহিয়াতুল নামাজ হবে। ওই জায়গা আপনার সেজদার জন্য সাক্ষী থাকলো কেয়ামতের দিন আপনার পক্ষে সাক্ষী দিবে ইনশাল্লাহ। এর সুন্নাহ গুলা আমরা চর্চা করার চেষ্টা করি। দাড়িটা ছেড়ে দেন এটা শুধুমাত্র ভিজিবল সুন্নত। দৃশ্যমান সুন্নত যেটা আপনার সাথে কবরে যাবে।যখন কাফন দেওয়া হবে তখন দেখা যাবে না আমার সাথে কোন কোন সুন্নাহ আছে ।একটা সুন্নতি আমার সাথে কবর যাচ্ছে এটাই দেখা যাবে। আর এটাকে যত পারি মেয়ে হওয়ার চেষ্টা করছি। নবীজি বলেছিলেন শেষ জামানায় ছেলেরা মেয়েদের পোশাক পড়বে আর মেয়েরা ছেলেদের পোশাক পড়বে ।দেখবেন মেয়েরা এখন ফরমাল গেঞ্জি পড়ে ঘুরছে জিন্স পড়ে ঘুরছে। ছেলেরা ক্লিন শেভ ।ছেলেরা মেয়েদের মতো গাল বানাচ্ছে । আর কোন সাইন এর জন্য অপেক্ষা করছেন। নবীজি বলেছেন উঁচু বিল্ডিং এর নির্মাণের প্রতিযোগিতা করা হবে। একবার এয়ারে ঢাকার কাছাকাছি আসবেন। এয়ারে সফর করেছেন
অবশ্যই আপনারা ফ্লাই করেছেন। ফ্লাই করার সময় উপর থেকে দেখবেন ঢাকাকে ।this is the city of aakhiruzzaman কেন এই কথাটা বলেছি? নবীজি বলেছেন কেয়ামতের দুইটি মেজর সাইন দুইটার মধ্যে একটা হচ্ছে । যখন সমাজে দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরা যাদের গায়ে কাপড় ছিল না পায়ে স্যান্ডেল ছিল না এরা বিল্ডিং নির্মাণের প্রতিযোগিতা করতে থাকবে।তখন কেয়ামতের অপেক্ষা করতে থাকো। আজকে থেকে ১০০ বছর আগে এগুলো ছিল নাকি ২০০ বছর আগে এগুলো ছিল। সুবহানাল্লাহ আর কোন সাইনের জন্য অপেক্ষা করছি। তিনি বলেছেন শেষ জামানায় মেয়েরা কাপড় পরবে তাও উলঙ্গ থাকবে। আপনি ঢাকার মলে যান দেখেন মেয়েদেরকে । আর কোন সাইনের জন্য অপেক্ষা করছেন। শুধু ঢাকাই নয় গ্রামের মেয়েরা এখন এরকম ভাবে চলাফেরা করছে। গ্রামে আরো বেশি দেখা গেছে মাশাআল্লাহ। গ্রামে গিয়ে আমরা হতবাক সুবহানা আল্লাহ এসব গ্রামের মেয়ে। গ্রামের মেয়ে হয়েও ঢাকা শহরের মেয়েদের কে পার করে ফেলেছে।
সাধারণ প্রশ্ন
লেখক শেষ জামানার হারাজ বলতে কী বুঝিয়েছেন?
লেখায় বলা হয়েছে, নবীজি হারাজ মানে যুদ্ধ-বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ড বলেছেন। লেখক বলেন শেষ জামানায় হারাজ বাড়বে।
লেখায় বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর কোন আমলের কথা বলা হয়েছে?
লেখায় বলা হয়েছে, বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রতিবার ওযু ভাঙলে আবার ওযু করতেন এবং সেই ওযু দিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন। এটাকে তাহিয়াতুল ওযুর নামাজ বলা হয়েছে।
মসজিদে গিয়ে কী করার কথা বলা হয়েছে?
লেখায় বলা হয়েছে, মসজিদে গিয়ে বসে পড়ার আগে মিনিমাম দুই রাকাত নামাজ পড়া সুন্নত, যা তাহিয়াতুল মসজিদের নামাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।