Islamবাংলা

মহাবিশ্ব সৃষ্টি

আল্লাহর অস্তিত্ব ও সৃষ্টির শুরু

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যখন কোন কিছু ছিল না। এই মহাবিশ্বের কোন কিছুই ছিল না। শুধু আল্লাহ রব্বুল আলামীন ছিলেন এটা বিশ্বাস করেন তো আলহামদুলিল্লাহ । সূরা হাদীদ এ তিন নাম্বার আয়াতে আল্লাহ পাক বলেছেন আল্লাহ পাকই শুরু আল্লাহ পাকই শেষ এবং আল্লাহ পাকই প্রকাশ আল্লা পাকই গোপন। এবং আল্লাহ পাক প্রত্যেকটা বিষয় সম্পর্কে অবগত বা জ্ঞানী । এ আয়াত প্রমাণ করছে যখন কোন কিছুই ছিল না। আল্লাহ পাক ছিলেন। এরপরে আল্লাহ রব্বুল আলামীন সূরা আর রহমান এ বলেছেন যখন সমস্ত কিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। তখন শুধুমাত্র আল্লাহ পাক বাকি থাকবেন। আল্লাহ পাকের সত্তাটা বাকি থাকবেন। এখানে আল্লাহ পাকের চেহারা মানে আল্লাহ পাকের সত্তা। তারমানে এই আয়াত প্রমাণ করছে যখন কোন কিছু থাকবে না। এবং অচিরেই যখন কেয়ামত হয়ে যাবে তখন শুধু মাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন থাকবেন। যার কোন সৃষ্টি নাই যার কোন ধ্বংস নাই। আকিদা তাহাবিয়া বইটা যদি পড়েন। সেখানে আপনারা জানতে পারবেন। ব্যাপারটা এমন নয় যে আল্লাহ পাক মানুষকে সৃষ্টি করার পরে খালেক হয়েছেন। খালেক মানে কি সৃষ্টিকর্তা? এমন নয় যে মানুষকে সৃষ্টি করার পরে আল্লাহ পাক সৃষ্টিকর্তা হয়েছেন। এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করার পর গিয়ে আল্লাহ পাক সৃষ্টিকর্তা হয়েছেন এমনটা নয় কিন্তু। আল্লাহ পাক শুরু থেকেই সৃষ্টিকর্তা ছিলেন। আল্লাহ পাক সবকিছু জানেন যখন সময় শুরু হয়েছে সময়ের অতীত , ভবিষ্যৎ এবং বর্তমান সবকিছু আল্লাহ পাক জানেন। তখন থেকে ব্যাপারটা এমন নয় যে আল্লাহ পাক সৃষ্টিকর্তা। সময় সূচনার আগ থেকে আল্লাহপাক খালেক ছিলেন। এমন না আল্লাহ পাক গফুর রহিম হয়েছেন এখন। বা মানুষকে সৃষ্টি করার পর। সৃষ্টির শুরু থেকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন গফুরুল রহিম। আল্লাহ পাকের জাত এবং সত্তা আসমাউল হুসনা যে সিফাতগুলো আছে। এগুলো আল্লাহ পাকের শুরু থেকেই। মানে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ভিতরে এগুলো আগে থেকেই ছিল । এমন নয় যে আল্লাহপাক সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা হয়েছেন। রিজিক আমরা খাচ্ছি এরপরের দিন রিযিক দাতা হয়েছেন এমনটা নয়। এ সমস্ত গুণাবলী আল্লাহ পাকের মধ্যে আগে থেকেই ছিল। যখন কোন কিছুই থাকবে না তখন আল্লাহ রব্বুল আলামীন থাকবেন। এরপর আল্লাহ রব্বুল আলামীন সর্বপ্রথম সৃষ্টি করেছেন আরশে আজিম। আরশে আজিমের নাম তো শুনেছেন। আরশ আর কুরশি এক জিনিস নয়। আরশ এবং কুরসির মধ্যে পার্থক্য বুঝাতে গিয়ে কিতাবুল তাওহীদের মধ্যে একটা হাদিস আনা হয়েছে। যেখানে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে এই শার্টটা মহাবিশ্বকে যদি একটা ঢাল। ঢাল তো বুঝেন যুদ্ধের ঢাল। এখনো যদিও এগুলো দেখা যায় না আগে ছিল। এই ঢালের মধ্যে যদি সাতটা পয়সাকে ফেলে দেওয়া হয় এই ঢাল এবং পয়সার যে অনুপাতটা হবে। সাতটা মহাবিশ্ব এবং করসির অনুপাতটা ঠিক এমন। আর এই কুরসি তাই কিন্তু এই মহাবিশ্বকে ঢেকে রেখেছে। যদিও এখনকার বিজ্ঞান এই পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি আর কখনো পারবেও না ইনশাল্লাহু আজওয়াজাল। করছি আসমান এবং জমিনকে এইভাবে ঘিরে রেখেছে। আর এর উদাহরণটা এরকম যে ঢালের মধ্যে সাতটা পয়সার মত ।তাহলে চিন্তা করেন একটা মহাবিশ্বের কোন একটার গ্যালাক্সির কোন একটা সৌরজগতের কোন একটা গ্রহের কোন একটা দেশের কোন একটা জেলার কোন একটা গ্রামের কোন একটা মসজিদে আমরা বসে আছি।

মানুষের ক্ষুদ্রতা ও আল্লাহর নৈকট্য

আমাদের ক্ষুদ্রতা কতটুকু বুঝতে পারছেন। এই মহাবিশ্বে আমাদের যে কোন অস্তিত্ব নাই এটা বুঝতে পারছেন। একটা সমুদ্রের পাড়ে কখনো হেটেছেন কি বা একটা নদীর পাড়ে হেঁটেছেন কি? এখানে একটা চড়ের মধ্যে একটা বালুকণার কি কোন মূল্য আছে। একটা সমুদ্রের বীচে মধ্যে কি বালুকণার কোন মূল্য আছে। এই মহাবিশ্বের মধ্যে এই পৃথিবীর অস্তিত্ব ঠিক এমন। এখন সেই পৃথিবীতে আমরা যারা মানুষ বেঁচে আছি আদম সন্তান। এরা আল্লাহ পাকের ৫ পয়সা পরোয়া করে না। এই পৃথিবীতে মানুষ বেঁচে আছে বেনামাজি। এই পৃথিবীতে মানুষ যেনা করে এখানেই মদ খায় এখানেই সুদ খায়। এখানে দুর্নীতি করে এখানে আল্লাহর দ্রোহীতা করে। আল্লাহ দ্বীনকে বিকৃত করে বা আল্লাহ দ্বীনকে প্রতিহত করার জন্য যা কিছু করার করে। মানুষের ক্ষুদ্রতা বোঝার চেষ্টা করেন। মানে আল্লাহ পাকের বিশালতা এবং মানুষের ক্ষুদ্রতা এর মাঝে একটা অনৈতিক ব্যবধান রয়েছে না। এটাই তো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। আল্লাহকে আগে চিনতে শিখতে হবে। মানুষ যখন আল্লাহকে চিনতে শিখবে। তখন মানুষ ইনশাআল্লাহ আল্লাহর প্রতি অনুগত হবেই ইনশাল্লাহু তায়ালা। আমরা আসলে আল্লাহকে চিনি না। আমরা আল্লাহকে চিনতে শিখি নাই। আল্লাহ পাক এত কাছে যে আপনার যে কোন প্রবলেম হয়েছে আপনি সাথে সাথে ওযু করলেন ২ রাকাত নামাজ পড়লেন আল্লাহকে ডাকলেন। যদি আপনার আমল নামায় শিরিক না থাকে আকিদায় শিরিক না থাকে আমলে বেদাত না থাকে এবং রিজিকটা যদি হালাল হয়। এখানে সুদ ঘুষ এবং দুর্নীতি না থাকে ইনশাআল্লাহ সহজে আপনার দোয়া কবুল হয়ে যাবে। আল্লাহপাক আপনার এত কাছে। আবার আল্লাহ পাকের হুকুম আহকাম যদি আমরা মেনে না চলি। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কিন্তু আমাদের থেকে দূরে। কারণ আমরা আল্লাহ পাকের থেকে দূরে অবস্থান করছি। তো আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে আল্লাহ পাকের নৈকট্য দান করুন আমীন। তো নৈকট্য লাভের উপায় কি? সেজদা কর নিকটবর্তী হও। আল্লাহকে সেজদা কর নিকটবর্তী হও। মানে সালাত সওম এবং ধৈর্য। এগুলোর মধ্য দিয়ে আল্লাহ পাকের নিকটবর্তী হওয়া যায়। তোমরা সালাত এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে নিকটবর্তী হও। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমার যদি একটা জুতার ফিতারও প্রয়োজন হয় সেটা তুমি আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে নাও। দেখুন আরোশ এবং কুরসির কথা বলছিলাম। কুরসি তুলনায় মহাবিশ্ব এতটাই ছোট।মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন যে কুরসি এবং আরশ এর মাঝখানে একটা মহাসাগর আছে । নাসা এগুলো আবিষ্কার করে নাই বলে এগুলো আমরা এখন বিশ্বাস করিনা। নাসা যদি এগুলো আবিষ্কার করে দেখবেন পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করবে। তো এটা একটা শিরক।এটা একটা মর্ডান শির্ক চলছে। শিরকের একটা মর্ডানাইজেশন বলি আর কি।সাইন্স যদি কোন কিছু প্রমাণ করলে আমরা বিশ্বাস করবো আর সাইন্স যদি কোন কিছু প্রমাণ করতে না পারে তাহলে আমরা বিশ্বাস করবো না। এটা হচ্ছে শিরকের আকবর। বড় শিরক এটা। এটা বর্তমান যুগের মর্ডান শিরক কিন্তু। এই শিরক কিন্তু চৌদ্দশ বছর আগে ছিল না। প্রতিটা বিষয় সাইন্টিফিক ব্যাখ্যা আছে কুরআন এবং সুন্নাহ। কিন্তু সবকিছু ব্যাখ্যা করা সামর্থ্য আল্লাহপাক মানুষকে দেন নাই। কারন আমাদের জ্ঞানটা ক্ষুদ্র এবং আল্লাহ পাকের জ্ঞানটা অসীম। ক্ষুদ্র জ্ঞানের মানুষ কি অসীম জ্ঞানের সত্তাকে পেতে পারে। এটাও একটা আকিদা।

ইলম ও ঈমানের সম্পর্ক

মানুষের ইলম আল্লাহ পাকের জ্ঞান কে পরিপিষ্ট করতে পারবে না। বরং আল্লাহর জ্ঞানকে পুরো সৃষ্টি জগতকে ঘিরে রেখেছে। তো আমরা আল্লাহ পাক কে চিনতে শিখি আগে। আল্লাহ পাক তৌফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমীন ।তো দেখুন মহাসাগর আছে কুরসি এবং আরশের মাঝখানে। যার গভীরতা সম্পর্কে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন গভীরতা হচ্ছে ৫০০ বছরের রাস্তা। চিন্তা করেছেন। এর ওপরে আছে আরশে আজিম। যেটা আল্লাহ পাকের বড় সৃষ্টি। এই আরশে আজিম ধরে আছে কতজন ফেরেশতা জানেন। আট জন মাত্র । এই আটজন ফেরেশতা আরশে আজিমকে কিয়ামতের মাঠে নিয়ে আসবে সুবহানাল্লাহ। তো ওই ফেরেশতাদের শক্তি চিন্তা করেন তাদের ক্ষমতা চিন্তা করেন। এমনও ফেরেশতা আছে আল্লাহ পাকের যার একটা ফুতকারে পুরা বিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে। এমনও ফেরেশতা আছে যার হাতের তালুতে পুরা পৃথিবী চলে আসবে। কিন্তু এগুলা আমাদের সায়েন্স আবিষ্কার করতে পারে না। আর আমাদেরকে শেখানো হয় স্কুল কলেজে ইউনিভার্সিটিতে ব্রিটেনে অক্সফোর্ডে ক্যামব্রিজের সব জায়গায়। যা চোখে দেখা যাবে এটাই জ্ঞান। পরীক্ষা-নিরীক্ষা যুক্তি বিজ্ঞান দর্শন এগুলো দিয়ে প্রমাণ করতে পারলেই জ্ঞানের অস্তিত্ব আছে অন্যথায় নাই। ওরা পুরো বিশ্বটাকে আল্লাহর দ্রোহী বানিয়ে ফেলেছে। আল্লাহকে চোখে দেখা যায় না অতএব আল্লাহকে বিশ্বাস করব না। ফেরেশতাকে চোখে দেখা যায় না অতএব বিশ্বাস করব না। আসমানী কিতাব আগের গুলো দেখি নাই অতএব বিশ্বাস করব না। কোরআন চোখে দেখছে ওইটা ও তো বিশ্বাস করছে না। নবীগণদের কে আমরা দেখি নাই বিশ্বাস করব না। এই মিজান পুলসিরাত কবরের আজাব জান্নাত জাহান্নাম দেখা যায় না অতএব বিশ্বাস করব না। এই হলো পশ্চিমাদর্শন। এই দর্শন পুরো বিশ্বের ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং প্রতিটা মুসলিম কান্ট্রির এডুকেশন ফিলোসফি এটাই ।এডুকেশনাল ফিলোসফি এটাই। যে পরীক্ষা নিরীক্ষা যুক্তি বিজ্ঞান দর্শন দিয়ে আপনি প্রমাণ করতে পারলে। আমরা ওইটা গ্রহণ করব। প্রমাণ করতে পারবেন না ওইটার অস্তিত্ব নাই। আর যেটা প্রমাণ করতে পারছি না সেটা আপনি যদি বিশ্বাস করেন তাহলে আপনি তখন হয়ে যাবেন মৌলবাদী। এবং ধর্ম অন্ধ। আপনি হয়ে যাবেন ধর্মের প্রতি অন্ধ। শব্দগুলোকে শুনেন নাই। আল্লাহ পাককে কি দেখা যায়? আল্লাহ পাককে তো অন্ধভাবেই বিশ্বাস করতে হবে। আমি কি আল্লাহ থেকে বেশি প্রখর দৃষ্টি রাখি নাকি আল্লাহ পাকের দৃষ্টি প্রখর? ভালো-মন্দ ন্যায়-অন্যায় সত্য মিথ্যার মানদণ্ড আমি বেশি বুঝি না আল্লাহ পাক বেশি বোঝেন ।আল্লাহ যখন বিধান দিবেন তখন চোখ বন্ধ করেই আমাকে মানতে হবে। তো এখানে তো ধর্ম অন্ধ হতেই হবে আমাদের কে । ফেরেশতা কে কি আপনি দেখেছেন? মালাকুল মউত আসবে না আত্মা বের করবে না। তো আমি যে দেখি নাই না দেখেই বিশ্বাস করছি তো এটাকে তো অন্ধত্ব বলছেন। তো এই অন্ধত্ব না হলে তো ইসলামই হচ্ছে না। এই অন্ধত্ব না থাকলে তো আপনি মুসলিম ও হতে পারছেন না। পরকাল কবরের আজাব কি দেখেছেন? কবর চাপ দিবে ফেরেশতা যে প্রশ্ন করবে মুনকার নাকির দেখেছেন কেউ দেখেছে । কোন সাহাবীকে কি দেখানো হয়েছিল। আবু বক্কর সিদ্দিককে এগুলো দেখে ঈমান এনেছে। ওমর বিন খাত্তাব এগুলো দেখে কি ঈমান এনেছে। দেখেন এগুলোকে না দেখেই যে আমরা বিশ্বাস করছি। আমাদের এই অন্ধত্বকে একশ্রেণীর মানুষ বলছে ধর্মান্ধ। এই অন্ধত্ব না থাকলে তো আপনি মুসলিম হতে পারবেন না। অতএব এটা কোন অন্ধত্ব নই এটা হচ্ছে আল্লাহ পাকের মহান জ্ঞানের সামনে মহান আল্লাহ পাকের মহান দৃষ্টির সামনে আত্মসমর্পণ করা।

অন্ধ বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের তুলনা

কারণ যে বিষয় সম্পর্কে আমার জ্ঞান নেই সেটা আমি যুক্তি দিয়ে বিজ্ঞান দিয়ে দর্শন দিয়ে তর্ক করে প্রমাণ করতে পারব না। সিম্পল এক্সাম্পল দেই একটা একদম সিম্পল। একজন ব্যক্তি খুব অসুস্থ সে ডাক্তারের কাছে গিয়েছে এবং ডাক্তার তাকে অনেকগুলো টেস্ট দিয়েছে। সবগুলো টেস্ট বোঝার ক্ষমতা কি আপনার আছে। হার্টের টেস্ট দিয়েছে রক্তের টেস্ট দিয়েছে গ্লুকোজ টেস্ট দিয়েছে প্রস্তাবের টেস্ট দিয়েছে অনেক পরীক্ষা দিয়েছে। এই যে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে এই প্রত্যেকটা পরীক্ষা সম্পর্কে আপনার কি জ্ঞান আছে। তো আপনি বড় ডাক্তারের প্রতি বিশ্বাস করছেন না। তার প্রতি বিশ্বাস করছেন এবং অন্ধ ভক্তি প্রদর্শন করছেন। হ্যাঁ, ডক্টর সাহেব এগুলো দিচ্ছেন এগুলো টেস্ট করে রিপোর্ট দিচ্ছেন। ডক্টর সাহেব প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন এবং এবার আপনি অন্ধের মত ঔষধ খাচ্ছেন। আপনি কিন্তু অন্ধের মত ঔষধ খাচ্ছেন তাই নয় কি? তো এখানে আপনি একজন মৌলবাদী হচ্ছেন এখানে আপনি একজন অন্ধ হচ্ছেন। কারণ এই টেস্ট গুলো করানোর ব্যাপারে আমার তো জ্ঞান নাই। যার কাছে জ্ঞান আছে তার কাছে আমি শরণাপন্ন হয়েছি। তিনি আমাকে সলিউশন দিয়েছেন আমি সেটা মেনে চলছি। তো আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কি সবচেয়ে বড় সলিউশন দাতা নন। আল্লাহ পাকের কাছে কি সবচেয়ে বেশি জ্ঞান আছে না। এই কারণে আমরা অন্ধের মত আল্লাহ পাকের কথা মেনে চলছি সিম্পল। এখানে মৌলবাদী অন্ধত্ব বা ধর্ম অন্ধক এইসব শব্দগুলো সুকৌশলে এইসব শব্দগুলোকে ইসলামী বিদ্বেষী শব্দ হিসেবে প্রয়োগ করা হয়েছে। এগুলো শেষ জামানার আলামত। যে হাদিসটা শুনলে আমাদের অন্তর কাঁপে। তোর না আমল দ্রুত সম্পাদন করো ওই জামানা আসার আগেই ওই সময় আসার আগেই । কোন সময়। একজন ব্যক্তির সকাল বেলায় উঠবে মুমিন হয়ে ইসলামের ওপরে এবং সন্ধ্যা করবে কাফের হয়ে। বুঝতে পারছেন কত দ্রুত ঈমান চলে যাচ্ছে। আর এই যে এসব কনসেপ্টে বিশ্বাস করলে কি আর ঈমান থাকে। কেউ যদি বলে বিগ ব্যাং থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে আল্লাহ সৃষ্টি করেন নাই তাহলে কি ঈমান থাকলো। ওই যে সকালে মুমিন হয়ে উঠলো সন্ধ্যায় কাফের হয়ে গেল। দেখা যাবে সকালে উঠবে মুমিন হয়ে সন্ধ্যা করবে কাফের হয়ে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন দ্বীন ইসলামকে দুনিয়ার বিনিময় বিক্রি করে ফেলে দিব। এটা কি সেই যুগ চলছে না? আরশে আজিম আট জন ফেরেশতা নিয়ে আসবেন। ফেরেশতাদের ক্ষমতা চিন্তা করেন। আর এখানে জ্ঞানতাত্ত্বিক দর্শনটাও বুঝলাম আমরা। এখন যে জ্ঞান তাত্ত্বিক দর্শন চলছে পরীক্ষার নিরীক্ষা বিজ্ঞান দর্শন পর্যবেক্ষণ দিয়ে সবকিছু বিশ্বাস করতে হবে এটা ঠিক নয়। বরং সত্য মিথ্যা ন্যায় অন্যায় হক বাতিলের চূড়ান্ত মানদণ্ড কোত্থেকে আসবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে আসবে। মহাবিশ্বের মহাসষ্টার পক্ষ থেকে মহা জ্ঞান আসবে আমরা সেটাকে ফলো করবো। এখানে আর কোন বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নাই। যখন তাওরাত নাজিল হয়েছিল ওইটা হক ছিল। যখন যাবুর নাযিল হয়েছিল ওইটাও হক ছিল। ইঞ্জিল নাজিল হওয়ার সময় ইঞ্জিল কি ছিল? ওইটাও হক ছিল। এগুলো যখন বিকৃত হয়েছে তখন আল্লাহ পাক কুরআন এবং হাদিস নাজিল করেছেন।

কুরআন সুন্নাহর সাথে জ্ঞানের মানদণ্ড

আল্লাহপাক সূরা কাহাফ এর মধ্যে ২৯ নাম্বার আয়াতে বলেছেন হে নবী আপনি বলে দিন যে সত্য সেটাই যা আপনার রবের পক্ষ থেকে নাযিল হয়। আর কোন কিছুর প্রয়োজন আছে। কুরআন সুন্নাহর সাথে যা মিলবে সাইন্স বলেন ইকোনমিক্স বলেন ফিলোসফি বলেন পলিটিক্স বলেন সমাজবিজ্ঞান বলেন মনোবিজ্ঞান বলেন যত জ্ঞান আছে। যে জ্ঞান আমাদের কুরআন এবং হাদিসের সাথে মিলে যাবে সেই জ্ঞান নিতে আমাদের কোন আপত্তি নাই। কুরআন সুন্নাহর সাথে মিলবে না সেই জ্ঞান গ্রহণ করতে কি আমরা বাধ্য। একটা অস্বীকার করা এবং এটাকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে ঈমানের দাবি । ওইটা না ছেড়ে দিতে পারলে আপনি কিন্তু মুমিন হতে পারছেন না। তো এই জায়গাটা পরিষ্কার করে আমরা এখন আরশে চলে যাই। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মহান সৃষ্টি করেছেন আরশে আজিম। এর ওপর আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের যে সত্তা সেটা সেখানে আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এই নূরের পর্দা গুলোকে ভেদ করে আল্লাহর কাছে নিয়ে গিয়ে তিনটা স্পেশাল ওহী করেছেন। এটা কোন রাতে। ওই যে মেরাজের রাতে । তার মধ্যে প্রথমটা হচ্ছে কি পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজ। যেটাকে কমাতে কমাতে কমাতে পাঁচ ওয়াক্তে আনা হয়েছে। যে নামাজ ৯০% মুসলিম পড়ে না। জরিপ চালিয়ে দেখেন একটা এলাকায় কতজন মানুষ থাকে আদমশুমারি করলে জানা যায় না। এবার দেখেন মসজিদে কত পার্সেন্ট মানুষ এসেছে। আপনি একটা পরিসংখ্যান পাবেন কত শতাংশ মানুষ নামাজি। তারপরে আমরা দাবি করছি যে আমরা ৯০ ভাগ মুসলিম কান্ট্রি। আমরা তাওহীদপন্ত্রী। তাওহীদি জনতা তাই না। তাওহীদি জনতা মাঠে আছে ইত্যাদি। তাওহিদী জনতা তো মসজিদেই নাই মাঠে থেকে লাভ কি আগে মসজিদে আসেন। তাওহীদি জনতা আগে কোথায় থাকবে মসজিদে থাকবে না। তো মসজিদেই তো নাই মাঠে গিয়ে কি করবে? দ্বিতীয় ওহীটা ছিল সূরা বাকারার ২ বা ৩ আয়াত শেষের ।যে ব্যক্তি সূরা বাকারার শেষের তিনটা আয়াত পড়বে সারারাত নফল নামাজ পড়ে যে নেকি হয়।সেই নেকি হবে ইনশাআল্লাহ। তো আজকে থেকে সুরা বাকারার শেষের তিনটা আয়াত পড়বেন। এবং তৃতীয় ওহীটা ছিল । তৃতীয় ওহিটা সবচেয়ে বেশি ইম্পরট্যান্ট। মানে আমাদের টপিক এর সাথে সেটা হচ্ছে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ওয়াদা করেছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যে তোমার উম্মতের মধ্যে যে কেউ নারী-পুরুষ সাদা কালো ধনী গরীব যে কেউ শিরিক না করে যদি মারা যায়। শিরিক মুক্ত পাপ নিয়ে যদি আমার সামনে হাজির হয় আমি তাকে মাফ করে দিব ইনশাআল্লাহ। তাহলে আমাদের আমল নামায় বা আকিদায় কোন শিরিক থাকা যাবে না। কিন্তু ঐ শিরিক আমাদের মধ্যে সকাল সন্ধ্যায় ঢুকে পড়ছে না। ওই যে কয়েকটা এক্সামপল দিলাম না যে মৌলবাদ , ধর্মান্ধ, বিগ ব্যাং। প্রতিমুহূর্তে শিরকে পড়ছি আমরা এগুলো আধুনিক শিরক। ইকোনোমিক্স সেক্টরে অনেক মানুষ আছেন। ইকোনোমিক্স একটা সিস্টেম আছে কোরআনে ব্যবসা আছে , হালাল অর্থনৈতিক কথা আছে , কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক এর কথা আছে। গোল্ড কয়েন এর কথা আছে সিলভার দিহানের কথা আছে।

ইসলামী অর্থনীতি ও হারাম বিষয়

ইসলামিক ইকোনোমিক্স সিস্টেমকে বাদ দিয়ে। যদি অন্য কোন ইকোনমিক্স সিস্টেমকে মানুষ ইসলামিক ইকোনমিক্স সিস্টেমের থেকে সেরা মনে করে। ইসলামের অর্থনৈতিক এর চাইতে ওইটা সেরা। ইসলামিক অর্থনৈতিক এর চাইতে সেরা না হলেও ওইটার বরাবর। অনেকে মনে করেন না ওইটা। মহান আল্লাহ পাক মানা করেছেন সুদ। কিন্তু আমরা মনে করছি যে না এটা হালাল এটা খাওয়া যায়। বা অনেকে বাধ্য হয়ে খাচ্ছি জানি যেটা হারাম বাধ্য হয়ে খাচ্ছি। কেউ যদি বিশ্বাস পোষন করেন যে আল্লাহ পাক যেটা হালাল করেছেন সেটা হারাম আর যেটা হারাম করেছেন সেটা হালাল। আল্লাহর হালাল কে যদি কেউ হারাম মনে করে এবং হারামকে কেউ যদি হালাল মনে করে তাহলে এটাও আকিদাগত শিরক। এমন অবস্থায় মারা গেলে মুশরিক। ওই অবস্থায় যদি মারা যায় ঐ অবস্থায় শিরিকের পাপ নিয়ে কবরে যাবে। দলিল তওবার ৩১ নাম্বার আয়াত পড়ে দেখবেন। অন্য যেকোনো বিষয় হতে পারে যেমন শেষ জামানা সম্পর্কে বলা আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন শেষ জামানায় আমার এক শ্রেণীর মানুষ মদকে হালাল মনে করবে। এবং মদ পান করবে এবং সেটাকে অন্য নাম দিবে। মত বলবেনা বলবে রাম বা হুইস্কি বলবে ড্রিঙ্ক। যেই নাম গুলো আপনারা জানেন। যারা আল্লাহ পাকের হারামকে হালাল মনে করে খাচ্ছে তারা শিরিক করছে। কবিরা গুনাগুলো তো করছেই। শিরিকের পাপও করছে। নবীজি বলেছেন আমার উম্মতের মধ্যে এক শ্রেণীর মানুষ হবে শেষ জামানায় জেনা পরক্রিয়া ব্যভিচার এগুলোকে হালাল মনে করবে। এই জেনারেশনের কতজন মানুষ মনে করে যে গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড এর অ্যাফেয়ার হারাম। ৯০% যুবতী এবং যুবতী এটার প্রতি আসক্ত। আজ থেকে ১৫ / ২০ বছর আগেই যেই যুগটা ছিল ওখানেই সবাই আসক্ত ছিল। এখন তো পনেরো বিশ বছরের পরের যুগ। ওই সময় ছিল চিঠির যুগ আর এই সময় সরাসরি বেডে যাওয়ার যুগ। এটাই নবীজি বলেছেন শেষ জামানা নবীজি আপনাকে চিনাবে কিভাবে? চোখ খোলেন আপনি দেখতে পারবেন। আমার উম্মতের এক অংশ মানুষ মদকে হালাল মনে করবে জেনাকে হালাল মনে করবে। পরকীয়া এবং ব্যভিচারকে হালাল মনে করবে। পুরা বাংলাদেশের ১৪ টা পতিতালয় আছে লিগাল লাইসেন্স করা। যার মধ্যে সাতটা হচ্ছে ঢাকা বিভাগের বাকিগুলো অন্য জায়গায়। আমি পরিসংখ্যান দেখেছি আপনাদেরকে যে ৯২% ইয়াং জেনারেশন যারা আছে এরা পর্ন আসক্ত। স্কুল পড়ুয়া ৭০ থেকে ৭২ পার্সেন্ট ছেলে মেয়েরা পর্ন দেখে। মানুষ খুঁজে দেখ পাওয়া যাবে না যারা কোনদিনও পর্ন দেখে নাই। একটা মানুষ ও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আল্লাহু আলাম আল্লাহ ভালো জানে। কেউই না আলেম সবাই চোখে পড়েছেই। ১% মানুষ হয়ত বাকি থাকতে পারে যারা এসব ফিতনা থেকে টোটালি দূরে থাকে পাহাড়ে বসবাস করে। ওই যে শেষ জামানায় একটা হাদিস আছে না। ফিতনা থেকে মানুষ পালিয়ে যাবে পাহাড়ি এলাকায় শেষ জামানায়। ওখানে সে গরু ছাগল চড়াবে ওখানে আজান দিবে ওখানেই থাকবে। এমন একটা হাদিস এসেছে কিন্তু। তো আর কি চিনবেন?

শেষ জামানার ফিতনা ও পাপাচার

রেপের লিস্ট দিয়েছিলাম সবচেয়ে বেশি রেপ হয় এখন আমেরিকার। প্রতি ৬ জন মেয়ের মধ্যে একজন মেয়ে রেপের শিকার হচ্ছে। এবং ধর্ষণের রাজধানী বলা হচ্ছে সাউথ আফ্রিকাকে। প্রতি তিন জন মেয়ের মধ্যে একজন মেয়ে রেপ হয়। ভারতের মতো কান্ট্রিতে প্রতি 22 মিনিটের মধ্যে একটা করে মেয়ে রেপ হয়। বাংলাদেশকে ২০২১ সালে ইন টোটাল ১৩২৩ জন মেয়ে রেপ হয়েছে এটা লিখিত। আর যারা লিখিত অভিযোগ করে নাই এদের সংখ্যা হাজার হাজার হবে। সবাই তো আর অভিযোগ করে না। এগুলো গুগল করেন পরিসংখ্যান বের হবে। আপনাকে আমি শেষ জামানা কিভাবে চিনাবো? আর কি বাকি আছে? নবীজি বলেছেন এক শ্রেণীর মহিলা বের হবে। নারীরা কাপড় পরেও নগ্ন থাকবে চেনাতে হবে। নিজে সিডিউস হয় বা অন্যকে সিডিউস করে। এটা যে হয় তার দোষ যতটুকু যে করে তার দোষ বেশি না ।যেকোনো ডিকশনারি খুলেন আপনি ওখানে দেখবেন সিডিউস এর আবির্ধানিক ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আপনি একজন ব্যক্তির সাথে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য পলুব্ধ করছেন। তো পলুব্ধ যে করে সে অপরাধী নাকি যে হচ্ছে সে অপরাধী। প্রথম অপরাধীকে যে করে সে না। সে যখন পোশাকের মধ্য দিয়ে কাউকে পলুব্ধ করছে সে সবচেয়ে বড় অপরাধী। এরপরে যদি কেউ সিডিউস হয়ে যায় এবং হয়ে পাপে লিপ্ত হয় সে ও অপরাধী নিঃসন্দেহে। কিন্তু তার অপরাধ এর চেয়ে বড় নয়। বড় অপরাধী কে? যে তাকে করছে। একজন ব্যক্তি মদ খায় না। আরেকজন বন্ধু মদ খায় সে বলছে আয় দুইটা টান দে গাজায় ভালো লাগবে। আয় ইয়াবা দুইটা খা ইউরণ দুইটা খা ভালো লাগবে হতাশা কমবে। একে বলতে বলতে বলতে বলতে সে বেচারা একদিন শেষে খেয়েই ফেলল। এখন যে খেয়ে ফেলছে তার তো শাস্তি হবে তার পাপ হবে তার আযাব হবে। বা যদি তওবা না করে আল্লাহপাক তাকে ধরবে। কিন্তু তার চেয়ে বড় পাপী সেই ব্যক্তি না যে তাকে ডেকে নিয়ে আসলো। তো এই মেয়েদের কে কি আপনারা চিনতে পারছেন না যারা কাপড় পরেও নগ্ন। নবীজি বলেছেন এই মেয়েদের কে আমি দেখি নাই। তার মানে ওই যুগে তারা ছিল না। কোন যুগে আসবে। এই যে এই যুগে এসেছে। আজ থেকে ১০০ বছর আগেও তারা ছিল না। আপনার নানীকে এই রকম কাপড় পরতো। এই যে বলছে হাজার বছরের সংস্কৃতি ব্লাউজ ছাড়া শাড়ি পরা। আমার নানীকে এরকম কাপড় পড়েছে কখনো। আমার নানিকে তো কখনো কেউ দেখেই নাই। আপনার দাদিকে দেখেন কেউ দেখে নাই জানতোই না যে ওই বাসায় কোন মহিলা আছে। এবং কি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাকেও নাকি কেউ দেখে নাই। তারাও ওই সময় যদিও মুসলিম ছিলেন না তবুও পর্দা মেনে চলতেন। আপনারা জানলে অবাক হবেন প্রতিটি মৌলিক ধর্মগ্রন্থে মেয়েদের শালীনতার কথা বলা আছে। বাইবেল বলেন বেদ বলেন ওল্ড টেস্টামেন্ট পলেন নিউ টেস্টামেন্ট বলেন আরেকটা বই আছে কিতাবুল মুকাদ্দাস এগুলো পড়েন দেখবেন যে প্রতিটা ধর্মগ্রন্থের প্রধান কথাই মেয়েদের পর্দার কথা আছে।তাহলে এরা যে বলছে হাজার বছর ধরে এরকম ছিল তাহলে কি মিথ্যা কথা না ।মিথ্যা কথা। দলিলটা কোথায় জানেন?

নারীর পোশাক ও শালীনতা

দলিলটা হচ্ছে এই। সূরা আরাফ পড়েন। সূরা আরাফে আল্লাহপাক বলেছেন যখন এই শ্রেণীর মানুষেরা কোন ফাহেশা কাজ করে তখন তারা বলে। ফায়েশা মানে অশ্লীল কাজ। তারা বলে আমরা এগুলো আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে দেখেছি। আমরা দেখেছি হাজার বছর ধরে চলে আসছে এইটা। এইটা আমাদের কালচার নাউজুবিল্লাহ। আল্লাহ আমাদেরকে এই আদেশ করেছেন নাউজুবিল্লাহ । আল্লাহ পাক বলছেন হে নবী বলে দিন আল্লাহ পাক কোন অশ্লীল কাজের আদেশ করতে পারেন না। তোমরা কি এমন কথা বলছো যে বিষয় সম্পর্কে তোমাদের কোন জ্ঞান নাই। বরং বলে দিন আমাদের রব আদেশ করেন ন্যায়ের। প্রত্যেক সালাতের সময় একনিষ্ঠটার সাথে চেহারা আল্লাহর দিকে ফেরাবো। মুখলেস ভাবে আল্লাহ পাককে ডাকবেন এই আদেশ আল্লাহ পাক করেন। আল্লাহ পাক কি অশ্লীল কাজের আদেশ করেন। না। এই যে বিষয়গুলো আপনাকে শেষটা জামানা চেনার জন্য দুইটা চোখ খোলেন ভেতরের চোখ খোলেন এবং বাহিরের চোখ খুলেন। এই মেয়েদের সম্পর্কে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন শুনে রাখেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন এরা জান্নাতে যাবে না এবং জান্নাতের গন্ধ পর্যন্ত পাবে না। যদিও জান্নাতের গন্ধ বহুদূরান্ত থেকে পাওয়া যায় পাঁচশো ৬০০ কোটি হাজার কোটি বছর দূর থেকেও জান্নাতের গন্ধ পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। তো এই জেনারেশন কি আগে ছিল। না, ছিল না। তো এগুলোর সাথে শেষ জামানা সম্পর্কিত আছে। এটাই সেই জামানা যেখানে মাদককে মানুষ হালাল মনে করছে পরকীয়াকে মানুষ হালাল মনে করছে অশ্লীলভাবে চলাতে মানুষ হালাল মনে করছে মানুষ সুদ খাচ্ছে এটা কেউ হালাল মনে করছে। মানুষ দিব্যি ঘুষ খাচ্ছে কোন ফিলিংস নাই। প্রতিদিন দুর্নীতি হচ্ছে। আপনি যদি চোরের হাত কাটা শুরু করেন কতগুলো মানুষের যে হাত থাকবে আল্লাহ ভালো জানেন। মানে চুরি আর চুরি। কোথাও অল্প মাত্রায় চুরি কোথাও পুকুর চুরি। আমরা দেখি যে রাস্তা ঘাটে কিছু ছিচকা চোর কিছু থাকে যাদেরকে লোকেরা খুব পিটুনি দেয়। অথচ বড় বড় চোরের কোন খোঁজ নাই। কোটি কোটি টাকা নাই খোঁজ নাই। খোঁজ কখন হবে? আর কয়েকটা যুগ খালি হতে পারে ১০ যুগ ২০ যুগ ৩০ যুগ হতে পারে আল্লাহ ভাল জানেন তারপরে কেয়ামত হচ্ছে ইনশাআল্লাহ। আমরা আগে ভাবতাম কিয়ামতের কি দরকার ছিল। কিয়ামতে মানুষের এত কষ্ট হবে। আল্লাহ পাক কেন যে এমন করলেন। মানুষ হয়ে জন্ম না নিলে হয়তো ভালো হতো আগে আমরা এরকম চিন্তা করতাম।এই চিন্তা কিন্তু অনেক সাহাবীগন ও করতেন। মানুষ হয়ে জন্ম না নিয়ে যদি গাছ হতাম। আবু বকর সিদ্দিকী বলছেন মানুষ হয়ে জন্ম না হয় আমি যদি গাছ হতাম তাহলে হিসাব নাই নিকাশ নাই । এখন মনে হয় যে কেয়ামতের দরকার ছিল। যদি কেয়ামতের দিন না থাকতো তাহলে কোন জালেমের বিচার হতো না।দুনিয়াতে যত জালেম পার পেয়ে গেছে এদের বিচার হতো না । আর দুনিয়াতে যত মাজলুম আজকে নিপীড়িত নির্যাতিত এদের কোন সমাধান ন্যায় বিচার হতো না। যদি কিয়ামতের মাঠ না থাকতো। কিন্তু ওইদিনের জন্য আমরা অপেক্ষা করি। ওই দিনে সবকিছু ফয়সালা হয়ে যাবে ইনশাল্লাহু তায়ালা ।

পর্দার দলিল ও অশ্লীলতা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একটা শিং ওয়ালা ছাগল। একটা শিং ছাড়া ছাগলকে যদি অন্যায় ভাবে গুঁতা দিয়ে থাকে। এক্সামপল দিচ্ছেন তিনি। তাহলে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কিয়ামতের মাঠে ওই শিং হীন ছাগলকে শিং দিবেন।দিয়ে বলবেন তুমি গুতো দিয়ে ওর কাছ থেকে প্রতিশোধ নিয়ে নাও ।ন্যায় বিচার এরকম হবে এটা বুঝানোর জন্য এই এক্সাম্পল। বহু মানুষ দেখবেন যারা এখানে অনেক বড় বড় পদের ছিল বড় বড় কর্তৃত্ব করতো। কেয়ামতের মাঠে ছোট আকারে থাকবে পিপড়া সময় স্পষ্ট হাদিস পিপড়ার সমান থাকবে। প্রত্যেক অহংকারী এদেরকে তোলা হবে কালো কালো পিপড়ার মত করে। অনেক মানুষকে তোলা হবে দেখবেন যাকাত দেয় নাই। ছ্যাকা দিয়ে দিয়ে গাল পৃষ্ঠদেশ এগুলো সব আগুনে জ্বলছে। অনেকের দেখবেন গলায় সাপ ঝুলছে। অনেকের মাথায় দেখবেন রিলিফের জিনিস গম আটা তেল যেটা যেটা আত্মসাৎ করেছে। ওগুলো দেখবেন পিঠে ঘাড়ে নিয়ে ঘুরছে কিয়ামতের মাঠে। বহু মানুষের দেখবেন গলা পর্যন্ত ঘাব কারো আবার বুক কারো টাট্টু কারো হাটু। কিয়ামতের মাঠে বিভীষিকার মতো অবস্থা। এখানে মূল বিষয়টা হচ্ছে গিয়ে দুনিয়াতে সব কিছু চূড়ান্ত বিচার হয় না। দুনিয়াতে সবকিছুর ফয়সালা হবে না। তাই বলে আল্লাহ রব্বুল আলামীন কিয়ামতের মাঠ বলে একটা মাঠ রেখেছেন। যেখানে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইনসাফ ন্যায় বিচার কায়েম করবেন ইনশাল্লাহুতালা। সেদিন প্রত্যেক অহংকারী জালেম ফাসেক কাফের যারা জুলুম করেছ অন্যায় করেছে পাপাচারিতায় লিপ্ত ছিল। তাদের সবাইকে পাই টো পাই হিসাব দিতে হবে। এবং কি যারা ভাল মানুষ কিন্তু অনেক ধন সম্পদ আছে তাদেরও জান্নাতে ঢুকতে দেরি হয়ে যাবে। দুই বন্ধুর কথা এসেছে এক বন্ধু গরিব ছিল আরেক বন্ধু ধনী ছিল। দুইজনই মুমিন এবং মুসলিম ছিল। গরিব বন্ধু জান্নাতে চলে যাবে। আর এই ধরি বন্ধুকে আটকে রাখা হচ্ছে তার মালের হিসাব মালের হক দিয়েছো কিনা আত্মীয়তার হক দিয়েছো কিনা যাকাত দিয়েছো কিনা সদগা করেছো কিনা। তোমার মালের উপর যাদের হক ছিল ঠিকঠাক পরিশোধ করেছিলে কিনা। আরেকজন বন্ধু সে অনেকক্ষণ পরে এই ধনী বন্ধুর কাছে আসবে। এসে বলবে তোমার ব্যাপারে আমাকে এমন এমন সব প্রশ্ন করা হচ্ছিল। আমি ভাবছিলাম যে তোমাকে মনে হয় জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। মানে ওই বন্ধু এই গরিবের হক দিয়েছে কিনা। মানে মুসলিমদের মধ্যে যারা সম্পদশালী হবে। যাদের ওপর আমানতের দায়িত্ব আছে কারো উপর নেতৃত্বের আমানত কারো ওপর ইলমের আমান। এগুলো ঠিকঠাক ভাবে পূরণ করেছে কিনা। হিসাব না দেওয়া পর্যন্ত কেউ জান্নাতে যেতে পারবে না। অতএব ওই দিনকে যদি আমরা ভয় করি পরকালের চেতনা যদি আমাদের থাকে ইনশাআল্লাহুতায়ালা আমাদের পক্ষে আল্লাহর কুরআন এবং তার নবী রাসূলের হাদিসের বাইরে যাওয়া সম্ভব না। শেষ জামানার অন্যতম আরেকটা পাপ হবে শিরিকের পাপ।যার একটা এক্সামপল দিচ্ছিলাম আমি । এই যুগে আল্লাহ পাকের হারাম গুলোকে হালাল করে নিবে আবার আল্লাহ পাকের হালাল গুলোকে হারাম করে নেবে। দুটাই করবে আল্লাহ পাকের হারামকে হালাল করবে এবং হালাল কে হারাম করে নেবে। আল্লাহপাক আমাদের এই মহামারী থেকে হেফাজত করুন এই শিরিকের পাপ থেকে হেফাজত করুন। কারণ আল্লাহপাক ওয়াদা করেছেন যে এই উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি শিরিক ছাড়া কবরে যাবেন এবং আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবেন ইনশাল্লাহ তায়ালা তাকে আল্লাহপাক তাকে জান্নাতে দিয়ে দিবেন ইনশাল্লাহু তায়ালা।

কিয়ামতের মাঠে ইনসাফ

তো আরশে আজিমের কথা বলছিলাম। সেখান থেকে অনেক দূরে চলে আসছি। তো আল্লাহ পাক আরশে আজিম থেকে পুরো মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করেন। ওখানে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে গিয়ে আল্লাহপাক তিনটা ওহী করেছেন। তো এই তিনটা ওহী আমরা মেনে চলবো না ইনশাল্লাহুতালা। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত। সূরা বাকারার শেষের তিনটা আয়াত। শিরিক মুক্ত আমল ইনশাল্লাহ আপনি জান্নাতে চলে যাবেন। আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে আমলগুলো করা তৌফিক দান করুন আমিন। এরপরে আল্লাহপাক অনেক দিন অনেক যুগ যুগ আল্লাহ পাক মানুষ সৃষ্টি করেন নাই। মানুষের কোন অস্তিত্ব ছিলনা মহাবিশ্বে। অন্য মাখলুক ছিল হয়তো জ্বিন ছিল হয়তো ফেরেশতা ছিলেন কিন্তু মানুষ ছিল না। এখন মানুষের কাজকর্ম দেখলে মনে হয় না যে মানুষই সব। মানুষ ছিলই না পৃথিবীতে। আল্লাহ পাক এ কথা কুরআনে অনেক জায়গায় বলেছেন আমি যদি তোমাদের সবাইকে সরিয়ে দেই এবং তোমাদেরকে সরিয়ে নতুন সৃষ্টিকে নিয়ে আসি এটা আল্লাহ পাকের জন্য কঠিন কিছু নয়। মানুষকে সৃষ্টি করার পর আল্লাহপাক কি বললেন আদম আলাইহিস সাল্লাম কে সৃষ্টি করার পর আল্লাহপাক কি বললেন? সুরা বাকারা পড়েন সূরা আরাফ পড়েন অন্যান্য সব সূরা মধ্যে আছে কিন্তু এই দুইটা সূরার মধ্যে ডিটেলস এ আছে। আমি খুব সংক্ষিপ্তভাবে বলছি। আল্লাহপাক সমস্ত ফেরেস্তাদেরকে ডাকলেন ডেকে বললেন। আমি পৃথিবীতে খলিফা পাঠাতে চাই। এখন আল্লাহর খলিফা কে? এক বাক্যে উত্তর হচ্ছে যে আল্লাহ পাকের হুকুম আহকাম মেনে চলে। যে আল্লাহ পাকের হুকুম আহকাম মেনে চলেনা সে কি আল্লাহ পাকের খলিফা। বরং সে কার খলিফা? শয়তানের খলিফা। এবার ফেরেশতারা বলছেন। হে আল্লাহ আপনি কি এমন কাউকে পৃথিবীতে পাঠাবেন যে পৃথিবীতে গিয়ে দুটো কাজ করবে হয়ত ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করবে। না হলে রক্তপাত ঘটাবে। এখন আখিরুজ্জামানের দিকে তাকান তাকাই দেখেন মানুষ কি করছে হয় ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করছে না হলে হত্যা করছে । প্রত্যেক দেশে দেশে দেশে হত্যা হচ্ছে না। ওই ইরাকে মানুষ মরছে ওই সিরিয়ায় বাচ্চারা মরছে। ইউক্রেন রাশিয়া মরছে। ন্যাটোর হাতে লাখ লাখ মানুষ মরছে। ফাস্ট ওয়াল্ড ওয়ারে এত কোটি সেকেন্ড ওয়ার্ড ওয়ারে এত কোটি মানুষ মরছে না। মরতেই আছে মরতেই আছে। ফেরেশতাদের দূরদর্শিতা দেখেন। আল্লাহ আপনি কি এমন কোন সৃষ্টি পাঠাচ্ছেন যে পৃথিবীতে গিয়ে ফাসাদ সৃষ্টি করবে না হয় রক্তপাত ঘটাবে। এই দুইটা কাজই করছে মানুষ ফাসাদ পরিবারে , ধর্মে ফ্যাসাদ ফাসাদ ইকোনমিক্স এ, ফাসাদ পলিটিক্সে এ ফাসাদ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স। আর রক্তপাত তো দেখতেই পাচ্ছেন। নবীজি বলেছেন শেষ জামানায় হারাজ বাড়বে হারাজ। হারাজ কি? খারাপ হচ্ছে হত্যা বা হত্যা কান্ড । একজন ব্যক্তিকে এমন ভাবে মারা হবে যে সে জানবে না আমাকে কেন মারা হলো। আর একজন ব্যক্তি মারবে তাকে সেও জানবে না কেন মারল তাকে। এই যে ফাসাদ। আল্লাহ পাক এই কথাই বলেছেন। ভাই ভাইকে মারবে। মুসলিম মুসলিম কে মারবে। একটা হাদিসে এসেছে। নবীজি অনেকক্ষণ সেজদায় পড়ে আছেন পড়ে আছেন পড়ে আছেন পড়ে আছেন সাহাবীরা অপেক্ষা করছেন অপেক্ষা করছে। সেজদা থেকে মাথা তুললেন। সাহাবীদের দিকে তাকিয়ে বললেন আমি আল্লাহ পাকের কাছে তিনটা জিনিস চাইলাম। আল্লাহ পাক দুটো দিয়েছেন আমাকে একটা দিলেন না।

মানব সৃষ্টি ও খলিফার দায়িত্ব

কি চাইলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ? একটা চাইলাম আমার উম্মত যেন এই মহা প্লাবনে ধ্বংস হয়ে না যায়। আল্লাহপাক বলেছেন ঠিক আছে ওকে। আরেকটা বলেছেন আমার উম্মতের মধ্যে আল্লাহপাক দূর্ভিক্ষ দিও না তাদের। আল্লাহ পাক বলেছেন ঠিক আছে এই উম্মতকে আমি দুর্ভিক্ষ দিয়ে মেরে ফেলবো না। তৃতীয়তা আমি দোয়া করলাম আল্লাহ আমার উম্মত যেন আপসে মারামারি করে না মরে। কথা বুঝতে পেরেছেন আল্লাহ পাক এটা কবুল করেন নাই। আল্লাহ পাক এটা বলেন নাই যে ঠিক আছে এটা দিলাম। বরং এই উম্মতের মধ্যে একবার তরোয়াল উঠলে আর থামবে না চলতেই থাকবে চলতেই থাকবে চলতেই থাকবে চলতেই থাকবে। দেখেন এটা চলছে না। এটাই শেষ জামানা খারাজ চলছে কতল । ঘরে ঘরে হত্যা ঘরে ঘরে। মানুষ এখন বাইরে সিরিয়াল গুলো দেখে হত্যার ট্রেনিং শিখছে । অমুক সিরিয়াল দেখে হত্যা শিখেছে। অমুক সি আই ডি দেখে হত্যা শিখেছে। ওমুক ক্রাইম পেট্রোল দেখে হত্যা শিখেছে। প্রশাসনকে জিজ্ঞেস করেন যে হত্যার কেস কত? মানুষ মানুষকে হত্যা করার জন্য এখন জাররা পরিমাণ বুক কাপচ্ছে না। অথচ আল্লাহ পাক কুরআন মাজীদে বলেছেন নির অপরাধ একটা মানুষকে হত্যা করা মানে পুরো মানব জাতিকে হত্যা করা। আর একটা মানুষের জীবন বাঁচানো মানে পুরো মানব জাতির জীবন বাঁচানো।তো দেখুন কোন জায়গায় আছি আমরা ।ফেরেশতারা এই কথাগুলো বললেন। তারপর আল্লাহ পাক বললেন আমি যা জানি তোমরা তা জানো না। তারমানে আমার আর এমন আরো অনেক বান্দা থাকবে যারা শয়তানের আনুগত্য করবে না আমার আনুগত্য করবে আমার দাসত্ব করবে ইনশাআল্লাহ । আর তারা কারা? যুগে যুগে মুসলিমরাই। ইতিহাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যারা আল্লাহ তালার ইবাদত করেছে আল্লাহর আনুগত্য করেছে আল্লাহর রাসূলগন্দের মেনে চলেছে ইনশাল্লাহ তারাই জান্নাতে যাবে। আর সবচেয়ে বেশি জান্নাতে যাবে এই উম্মতের মানুষজন ইনশাল্লাহু তায়ালা। দেখা যাবে ৭৩ কাতারে ম্যাক্সিমাম কাতারি হবে আমাদের। জামাতিদের ১০০ কাতার হবে কোন হাদিসের ৭৩ কোন হাদিসে ১২০ এরকম আছে আর কি। এরমধ্যে একশ পাতিয়াতুর ১২০ ম্যাক্সিমামি পারসেন্টিস হবে এই উম্মতের কথা বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে জান্নাত নসিব করুন আমিন। শিরিক মুক্ত আমল করার তৌফিক দান করুন আমিন। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আদম আলাইহিস সালামকে জ্ঞান শিক্ষা দিলেন। সমস্ত নাম শিক্ষা দিলেন। এরপর ফেরেশতাদেরকে ডাকলেন। ফেরেশতাদেরকে বলল তোমরা নামগুলো বলে দাও। এখানে নাম মানে শুধু নাম নয়। নাম মানে এখানে জ্ঞান। পুরো মহাবিশ্বে জ্ঞান আল্লাহ পাক শিক্ষা দিলেন। ফেরেশতারা যে জ্ঞান গুলো জানতেন না।ফেরেশতারা বললেন আমাদেরকে যা শিখিয়েছেন এর বাইরে আমাদের আর কোন জ্ঞান নাই হে আল্লাহ তাআলা। আল্লাহ পাক তখন আদম আলাইহিস সাল্লামকে বললেন হে আদম এখন তুমি সব নামগুলো বলে দাও দেখি। এবার আদম আলাইহিস ছাড়লাম সব নামগুলো বলে দিলেন সুবহানাল্লাহ। আল্লাহ পাক বলেন আমি যা জানি তোমরা তা জানো না। ফেরেশতাদেরকে আল্লাহপাক বুঝাতে চাচ্ছেন যে তোমরা যে বললে আদম আলাইহিস সাল্লামকে সৃষ্টি করার দরকার নাই বা পৃথিবীতে পাঠানোর দরকার নাই। দেখো আমি যাকে সৃষ্টি করেছি সে তোমাদের থেকে জ্ঞানী।

উম্মতের জান্নাত ও দোয়া

মানে আমাদের পিতা আদম আলাইহি সাল্লাম কে আল্লাহ পাক জ্ঞান দিয়ে সম্মানিত করলেন। এই জ্ঞান শিক্ষা থেকে যখন মুসলিমরা পিছিয়ে পড়েছে। তখনই মুসলিম উম্মাদের এই অবস্থা হয়েছে ।অতএব আমাদের জন্য এখানে একটা শিক্ষা আছে যে আমরা যেন জ্ঞানের বিপ্লব ঘটাতে পারি। কোরআন সুন্নাহর সাথে সাথে সমসাময়িক উপকারী সমস্ত জ্ঞান শেখার চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ পাক তৌফিক দান করুন আমীন। এবার আল্লাহ পাক সমস্ত ফেরেশতাদেরকে ডাকলেন ।ডেকে বলছেন তোমরা সবাই এবার আদমকে সেজদা কর। সবাই সেজদা করলো এমন কোন ফেরেশতা নাই যে সেজদা করেনি। শুধুমাত্র ইবলিশ বাদে। ইবলিশ কিন্তু ফেরেশতা ছিল না। ইবলিশ ছিল একজন জীন। যে আল্লাহ পাকের আদেশ অবাধ্য বা অমান্য করেছিল। সে উদ্ধত হলো এবং অহংকার প্রদর্শন করল। সে সেজদা করলো না। আল্লাহ পাক তাকে ডাকলেন এবং ডেকে বললেন হে ইবলিশ তোমাকে কিসে নিষেধ করল আদমকে সেজদা করার ব্যাপারে। আমি তোমাকে আদেশ করলাম তুমি সেজদা করলে না কেন? কেন সেজদা করলে না? এবার আদম আলাইহি সাল্লাম এর সামনে আল্লাহর সামনে ইবলিশ বলছে। কি বলছে? আমি তার চেয়ে উত্তম আমাকে সৃষ্টি করেছেন আগুন দিয়ে। আদমকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দিয়ে। হে আল্লাহ আপনি যে বলছেন আমাকে আদমকে সিজদা করতে আপনি ভুল আমি সঠিক নাউজুবিল্লাহ । আমি কেন আদমকে সৃষ্টি করবো? সে উদ্ধত হলো এবং অহংকার প্রদর্শন করলো। আল্লাহ পাক এখান থেকে বের করে দিল। এখান থেকে বের হয়ে যাও। অপদস্ত হয়ে লাঞ্ছিত হয়ে ।ইবলিশ বের হয়ে যাচ্ছে তার আগে চ্যালেঞ্জ করছে এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করছে। হে আমার রব। ইবলিশ বলছে হে আমার রব আল্লাহকে। হে আমার রব আমাকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন। আল্লাহ বলছেন যাও তোমাকে কেয়ামত পর্যন্ত ছাড় দেয়া হলো। আচ্ছা, আল্লাহ যদি ইবলিশের দোয়া কবুল করতে পারেন তাহলে আল্লাহ আপনার আমার দোয়া কবুল করতে পারেন না। তো আমরা কেন দোয়া করি না? আমরা দোয়া কম পড়ি কেন? আপনার দোয়া আপনি করুন। হুজুর ডেকে দোয়া করাতে হবে এটা জরুরি না আপনার দোয়া আপনি করুন দোয়া করতে শিখুন।সেজদায় পরে দোয়া করুন ইনশাআল্লাহ আল্লাহ পাক আপনার দোয়া কবুল করবেন। এবার ইবলিশ অবকাশ প্রাপ্ত হলো এবার চ্যালেঞ্জ করছে। কি চ্যালেঞ্জ? হে আল্লাহ যে আদমের কারণে আজকে আপনি আমাকে বের করে দিলেন। ওদের সরল পথে আমি অত পেতে বসে থাকবো। শেষ জামানায় প্রতিটা ঘটনায় দেখবেন শয়তান ওত পেতে বসে আছে। ইতিহাসের প্রথম পৃষ্ঠা এবং শেষ পৃষ্ঠাকে মিলান ঠিক আছে । প্রতিটা ঘটনা জেনা, ব্যভিচার, সুদ, ঘুষ , দুর্নীতি, হত্যা সবকিছুতে ইবলিশ ওত পেতে বসে আছে। এরপরও আমি আদম সন্তানদের সামনে থেকে আসব এবং পেছন থেকেও আসব। ডান দিক থেকে আসব এবং বাম দিক থেকেও আসব। মানে শয়তান ডান বাম পেছন সামনে সবদিক থেকে আসবে চ্যালেঞ্জ করছে। আপনি বেশিরভাগ আদম সন্তানকে শুকুর গুজার পাবেন না। শেষ জামানায় বেশির ভাগ আদম সন্তান কি শুকুর গুজার। বেশির ভাগ আদম সন্তান কি নামাজ পড়ে ।বেশিরভাগ কি সুদ খায় নাকি খায় না? বেশিরভাগ কি মদ খায় নাকি খায় না? বেশিরভাগ দুর্নীতি করে না কি করে না। বেশির ভাগ মানুষ মানুষকে ঠকায় নাকি ঠকায় না। বেশিরভাগ ব্যবসায়ী মাপে কম দেয় না কি দেয় না।

আদম ও ইবলিশের ঘটনা

পুরো বিশ্বে বেশিরভাগ কান্ট্রিতে আল্লাহর বিরুদ্ধি আইন আছে কি নাই । সমস্ত জায়গায় দেখবেন বেশিরভাগ মানুষকে দেখবেন আপনি শুকুর গুজার পাবেন না। মিলেছে শেষ জামানা। আপনি মিলাতে পারবেন। শুধু তাই নয় এই চ্যালেঞ্জ এখন হয়ে গেল। আদম আলাইহিস সাল্লামকে আল্লাহপাক ডাকলেন। আল্লাতালা বললেন আদম তুমি এবং তোমার স্ত্রী। আদম আলাইহিস সাল্লাম এর স্ত্রী কে সৃষ্টি করা হয়েছে বুকের বা পাঁজরের হাত দিয়ে। তোমার এবং তোমার স্ত্রীর স্পষ্ট শত্রু হচ্ছে শয়তান এটা মনে রেখো আদম। মনে রাখার পর তুমি এবং তোমার স্ত্রী এখন জান্নাতে থাকো। যেখান থেকে ইচ্ছা তোমরা সেখান থেকে ফল খাও ঘুরো ফিরো যা ইচ্ছা কর । জান্নাতে যা ইচ্ছা তুমি এবং তোমার স্ত্রী কর। শুধু একটা কাজ করো না। সূরা বানী ইসরাইলে আসছে না তোমরা জেনার ধারের কাছেও যেওনা আল্লাহ পাক বলে নাই তোমরা জেনা করো না। আল্লাহ পাক বলছেন যেনার কাছেও যেওনা। ঠিক একইভাবে আল্লাহ পাক বলছেন এ গাছের ফল খেও না। আল্লাহ পাক বলছেন এ গাছের ধারের কাছেও যেও না। এবার এই কথা বলার পর ইবলিশ ওই যে চ্যালেঞ্জ করেছে। বারবার ওয়াসওয়াসা দেয় বারবার ওয়াসওয়াসা দেয়। কি ওয়াসওয়াসা দেয়? হে আদম আমি কি তোমাকে বলে দিব আদম। হাওয়া আমি কি তোমাকে বলে দিব এমন একটা গাছের ব্যাপারে। তোমরা চিরস্থায়ী হয়ে যাবে কোনদিন মরবে না। ফেরেশতা হয়ে যাবে। কে বলছে এইসব কথা? শয়তান বলছে। এই শয়তান কি আমাদেরকে এখনো ওয়াসওয়াসা দিচ্ছে না। একই পলিসি ইতিহাসের প্রথম পৃষ্ঠা মিলান। এবার আমাদের পিতা-মাতা শয়তানের ওয়াস ওয়াসায় পড়ে গেলেন। এবার তারা সেখান থেকে ফল খেয়ে ফেললেন। ফল খাওয়ার সাথে সাথে আল্লাহপাক তাদেরকে সেখান থেকে বের করে দেন নাই। ফল খাওয়ার সাথে সাথে যা হয়েছে তা শোনেন। তাদের শরীরে জান্নাতের যে পোশাক থাপাশ করে খুলে পড়ে গেল। পুরো মহাবিশ্বে প্রথমবারের মতো আদম আলাইহিস সাল্লাম মানুষ জাতি মানে মনুষ্য জাতির নগ্ন হয়ে গেল। মানে আমাদের পিতা-মাতাকে শয়তান বিভ্রান্ত করে। মানে ডিসিভ করে গা থেকে জামা খুলে ফেলল মানে নগ্ন করে ফেলল। কেউ যদি জোর করে আপনাকে পায়রা চত্বরে নিয়ে যায়। ১০০ জন লোক আপনাকে ধরে আপনার জামাটা যদি খুলে দেয় সবার সামনে আপনার কেমন লাগবে চিন্তা করেন ? একটু চিন্তা করেন। সবার সামনে জান্নাতে ফেরেশতারা আছেন সবাই আছেন ইবলিশ এই ওয়াসওয়াসা দিতে দিতে যখন ফল খাওয়া হয়ে গেল। তাদের লজ্জা স্থান উন্মুক্ত হয়ে গেল কাপড় খুলে গেল। তাহলে কাপড়টা খুলে ফেলল কে? আমাদের পিতা মাতা কে প্রলোভিত করে কাপড় খুলে দিল কে ? এখন শেষ জামানায় যারা কাপড় খোলার আন্দোলন করছে এরা কার এজেন্ট? শয়তানের এজেন্ট। বুঝতে পেরেছেন এবার মিলেছে। প্রথম জামানা শেষ জামানা মিলেছে। কি লজ্জা! আমাদের পিতা-মাতা তখন জান্নাতের পাতা ছিঁড়তে লাগলেন এবং পাতা ছিড়ে লজ্জাস্থান ঢাকতে লাগলেন সুবহানাল্লাহ। এরপরে তারা ক্রন্দন করতে লাগলেন কান্নাকাটি করতে লাগলেন আর বললেন কি করলাম আল্লাহ।

আদম ও হাওয়ার তওবা ও হেদায়েত

এবার আল্লাহ পাক ডাকছেন। ডেকে বলছেন আমি কি তোমাদেরকে বারণ করি নাই গাছের কাছে যেতে। আদম আলাইহিস সাল্লাম এবং হাওয়া আলাইহিস সাল্লাম কান্নাকাটি করতে করতে আল্লাহর কাছ থেকে দোয়া শিখে নিচ্ছেন। কোন দোয়া। "রাব্বানা যালামনা আনফুসানা অইল্লাম তাগফির লানা অতারহামনা লানাকুনান্না মিনাল খা-সিরীন।” “রাব্বি ইন্নী যালামতু নাফসী ফাগফিরলী।" এই দোয়া করার পর আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে মাফ করে দিলেন এবং জান্নাত থেকে নামিয়ে দিলেন পৃথিবীতে। এই হল মানব জাতির শুরু হল এখান থেকে। আর এটাই হলো শেষ জামানা। শুরুর পৃষ্ঠাটা আপনাকে পড়ালাম যে আদম আলাইহিস সাল্লাম আর হাওয়া আলাইহিস সাল্লাম তাদেরকে পথভ্রষ্ট করল কে? শয়তান । তাদের গায়ের থেকে কাপড় খুলেছেন শুধু তাই নয় জান্নাতের চিরস্থায়ী জায়গা থেকে আমরা পৃথিবীর নশ্বর জীবনে চলে আসলাম। এবং এখানে আসার পর ওই যে শয়তান চ্যালেঞ্জ করল। আমি ডান থেকে আসবো আমি বাম থেকে আসব আমি সামনে পিছন দিক থেকে আসব। বেশিরভাগ কেই পথভ্রষ্ট করে আমি ছেড়ে দিব। এখন যুগে যুগে আপনি মিলান দেখবেন প্রত্যেক যুগে যুগে বেশির ভাগ আদম সন্তান পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে । আর এই শেষ জামানের এসে আপনি দেখবেন বেশিরভাগ মানুষকে হয়তো বেনামাজি হয়ে গেছে হয়তো সুদ খাচ্ছে না, হলে ঘুষ খাচ্ছে না হলে পরকীয়া করছে জেনা করছে ব্যভিচার করছে যত পাপ আল্লাহ পাক নিষেধ করেছেন ম্যাক্সিমাম মানুষ এখানে লিপ্ত আছে। তো এখন আপনি পৃথিবীর শুরু এবং শেষ মিলাতে পারবেন। এই জামানা নিঃসন্দেহে আমাদেরকে ইলেমের চর্চা করতে হবে আত্মশুদ্ধি অর্জন করতে হবে আমল করতে হবে । আল্লাহ ওয়ালা মানুষের সহবতে থাকতে হবে। এবং বেশি বেশি দ্বীনের প্রচার প্রসারের চেষ্টা করতে হবে। ঈমানী পরিবেশ তৈরি করতে হবে। বেশি বেশি ফেতনা থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে হবে। পরিবার গড়তে হবে। এবং দ্বীন ইসলামকে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে হবে। এগুলো আমাদের কাজ এই জামানায়। বাট একটা আয়াত খুব খেয়াল রাখতে হবে।আল্লাহ পাক যখন নামিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীতে আল্লাহ পাক বলেছেন তোমরা যাচ্ছো যাও কিন্তু চিরস্থায়ী হবে না তোমরা তোমাদেরকে মৃত্যুবরণ করতে হবে। আমার কাছে ফিরে আসতে হবে। আমি তোমাদের কাছে হেদায়েত পাঠাবো প্রত্যেক যুগে যুগে আমি তোমাদের কাছে হেদায়েত পাঠাবো। যারা আমার হেদায়েতগুলো মেনে চলবে তাদের কোন টেনশন থাকবে না তাদের কোন ভয় থাকবে না। আবার জান্নাতে ফিরে আসবে ইনশাল্লাহু তাআালা । কিন্তু যারা কুফুরি করবে মিথ্যা প্রতিবন্ধী করবে। তারা এই ইবলিশের সাথে জাহান্নামি হবে এবং তারা সারা জীবন সেখানে চিরস্থায়ী হবে। আল্লাহ বলছেন হে আদম সন্তান। দেখো শয়তান যেন তোমাদেরকে ফেতনায় ফেলতে না পারে। মানুষ শয়তান এবং জিন শয়তান তোমাদেরকে যেন ফেতনায় ফেলতে না পারে। কেমন ফেতনা? যেমন করে তোমাদের পিতা-মাতাকে জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছিল। এটা মনে রাখতে বলেছে আল্লাহ পাক শেষ আয়াত। আর শয়তান কি করেছিল? শয়তান এমন কাজ করেছিল তোমাদের পিতা-মাতাকে নগ্ন করে দিয়েছিল। আমাদের পিতা-মাতাকে শয়তান নগ্ন করে দিয়েছিল। যাতে করে তাদের লজ্জা স্থান উন্মুক্ত হয়ে যায় দেখানো যায়। নিশ্চয় শয়তান এবং তাদের যে অনুসারী আছে এরা তোমাদেরকে এমন জায়গা থেকে দেখতে পারে যা তোমরা দেখতে পারো। নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনে না আমি তাদেরকে শয়তানের বন্ধু বানিয়ে দিয়েছি। জাস্ট এই একটা আয়াত যদি আমরা মনে রাখতে পারি আমাদের পিতা মাতাকে আমাদের পিতা-মাতাকে শয়তান বিভ্রান্ত করেছিল। জান্নাত থেকে নামিয়ে দিয়েছে পৃথিবীতে। পোশাক খুলে ফেলেছে এবং চ্যালেঞ্জ করেছে আদম সন্তানদেরকে যুগে যুগে সে বিভ্রান্ত করবে দান বাম পিছন সামনে থেকে আসবে। এবং বেশিরভাগ কে জাহান্নামে নিয়ে ছাড়বে। আর আমরা এটা জানি বেশিরভাগ মানুষ যে জাহান্নামে যাবে। অতএব এগুলো জেনে বুঝে আমাদের পরিস্থিতি বুঝে আমাদের জ্ঞানের চর্চা করা উচিত। আমল করা কোরআন মেনে চলার রাসুলের সুন্নাহ মোতাবেক জীবন গড়া। দ্বীনের চর্চা করা পরিবারের আদর্শ মেনে চলা হালাল খাওয়া। দ্বীন ইসলামকে আল্লাহর জমিনে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা। ইনশাল্লাহ তায়ালা দ্বীন থাকবে তো আমরা থাকবো। দ্বীন বিজয় হলে আমরা ইনশাল্লাহ তাআলা বিজয় হব। দ্বীন থাকবে না আমরাও থাকবো না দ্বীন বিজয় না হলে আমরাও বিজয়ী হব না। আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন

সাধারণ প্রশ্ন

লেখায় অনুযায়ী আল্লাহ কখন সৃষ্টিকর্তা হয়েছেন?

লেখার মতে আল্লাহ মহাবিশ্ব সৃষ্টির পরে সৃষ্টিকর্তা হননি; তিনি শুরু থেকেই সৃষ্টিকর্তা ছিলেন। একইভাবে আসমাউল হুসনার গুণাবলীও তাঁর মধ্যে আগে থেকেই ছিল।

লেখায় কোন সূরার কোন আয়াতের কথা বলা হয়েছে?

লেখায় সূরা হাদীদের ৩ নম্বর আয়াতের কথা বলা হয়েছে, যেখানে আল্লাহকে শুরু, শেষ, প্রকাশ ও গোপন বলা হয়েছে। এছাড়া সূরা আর রহমানের কথাও উল্লেখ আছে।

লেখায় আরশ ও কুরসি সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?

লেখায় বলা হয়েছে আরশ ও কুরসি এক জিনিস নয়, এবং কিতাবুত তাওহীদে বর্ণিত একটি হাদীসের উদাহরণ দিয়ে কুরসিকে মহাবিশ্বের তুলনায় বিশাল বলা হয়েছে। বিস্তারিত জানতে আকিদা তাহাবিয়া বইটি পড়ার কথাও বলা হয়েছে।