বাংলাদেশ সেনাবাহিনী | বিজিবি | পুলিশ ভাইয়েরা যেভাবে নেকি লাভ করছে ||
সীমান্ত প্রহরী ও সৎ কর্মীদের নেকি
ওই যে সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে আমাদের ভাইরা আছে না। প্রতিমুহূর্তে তারা তাহাজ্জুদ এবং নফল রোজার নেকি পাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ। প্রত্যেকটা মুহূর্তে তারা দাঁড়িয়ে আছে সীমান্তে এবং নেকি পাচ্ছে। যদি নিয়ত ঠিক থাকে। মুসলিম রাষ্ট্রের সীমানা পাহারা দিচ্ছে। তারা অগণিত নেকি পাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ। যারা সততার সাথে প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করছে তারা অগণিত নেকি পাচ্ছে জানেন। কারণ তারা শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। তারা নয় যারা ঘুষ খাচ্ছে তারা নয় যারা দুর্নীতি করছে। যারা সততার সাথে কাজ করছে তারা অফুরন্ত নেকি পাচ্ছে। নাকি শুধু আমার হোক নাকি সবাই পাচ্ছে। যারা ব্যবসা করছে যাকাত দিচ্ছে সাদাকা করছে তারা অফুরন্ত নেকি পাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ। যারা সৎ ভাবে ব্যবসা করছে তারা নবীদের সাথে হাশর করবে ইনশাআল্লাহ। যারা এমন ভাবে সাদাকা দিচ্ছে যে ডান হাত টের পাচ্ছে না যে সাদাকা করছে বা বাম হাত টের পাচ্ছে না যে সাদাকা করছে তারা আরশে ছায়ায় থাকবে ইনশাল্লাহু তায়ালা। পক্ষান্তরে দেখা যাবে আমি নাউজুবিল্লাহ যারা বক্তা কথা বলছি কিন্তু কথার উপরে আমল নাই এদের জিব্বাকে আল্লাহ পাক আগুনের কেচি দিয়ে কেটে দিবেন নাউজুবিল্লাহ। মিরাজের রাতে নবীজি দেখে এসেছেন যে এই আজাব চলছে। একজন ব্যক্তিকে নবীজি ঘুরপাক খেতে দেখেছেন যেন তার নারী-ভূড়ি বের হয়ে গেছে । নারী- ভূড়ির চারপাশের সে ঘুরতে থাকবে ঘুরতে থাকবে ঘুরতে থাকবে। সমস্ত জাহান্নামি তার কাছে একত্রিত হয়ে যাবে। বলবে হ্যাঁ অমুক তোমার কি হয়েছে? তুমি কি এমন ব্যক্তি ছিলে না যে আমাদেরকে সৎ কাজের আদেশ করতে এবং অসৎ কাজের নিষেধ করতে? তুমি কি এমন ব্যক্তি ছিলে না যে আমাদেরকে সৎ কাজের আদেশ করতে এবং অসৎ কাজের জন্য নিষেধ করতে? তিনি বলতেন বলবেন হ্যাঁ আমি সৎ কাজের আদেশ করতাম ঠিকই কিন্তু নিজে আমল করতাম না নাউজুবিল্লাহ। আমি অসৎ কাজের জন্য নিষেধ করেছি ঠিকই কিন্তু নিজেই ওই কাজটা করেছি।আল্লাহপাক আমাদেরকে বোঝার তৌফিক দান করুন ।তো দ্বীন কারোর একার প্রপার্টি না। সবার জায়গা থেকে দ্বীনের কাজ করার সুযোগ আল্লাহপাক দিয়েছেন। আর ইসলাম প্রসস্থ বৈচিত্র্যময় আর এটাই ইসলামের সৌন্দর্য। ইসলাম চির নতুন চির প্রাচীন চির আধুনিক সুবহানাল্লাহ ।পড়াশোনা করেন নবীর তরিকা মতো। পরিবারের সাথে সময় কাটান নবীর তরীকা মত । ইভেন আপনি যদি স্ত্রীর সাথে সময় কাটান তাহলে এই সময়টাও আপনার নেকির খাতায় গণ্য হবে ইনশাল্লাহু তায়ালা।যদি আপনি তার সাথে সময় না কাটিয়ে আপনার গার্লফ্রেন্ডের সাথে সময় কাটাতেন তাহলে আপনার জেনার গুনাহ হতো। যেটা আপনারা এভেলেবেল করে থাকেন এখন। বর্তমানে যে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী tiktok প্রজন্ম যেটা আমি বলি বারবার। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী একটা tiktok প্রজন্ম। যারা সকালে ওঠে ফোন নিয়ে ঘুমাইও ফোন নিয়ে। কি যে করছে? একটা ভিডিও করার জন্য কি করতে যে বাকি রাখে আল্লাহ ওয়ালাম। এবং গার্লফ্রেন্ড এদের কাছে স্বাভাবিক বিষয়। ডেটিং স্বাভাবিক যেনা স্বাভাবিক মাদকদ্রব্য সেবন করা স্বাভাবিক। মাঝে মাঝে কিসের গ্যাং তৈরি করে ফেলে। কিশোরা অপরাধ করে।ছোট ছোট মেয়েদেরকে ধর্ষণ করে। পর্নোগ্রাফি দেখে পিতামাতার অবাধ্য করে সমস্ত খারাপ গুন এদের মধ্যে আছে।
নূহ আলাইহিস সালামের দাওয়াত ও পরিবার
১৫-২০ বছরে যত পাপ করেছে আগেকার মানুষেরা মনে হয় সারা জীবনে এত পাপ করে নাই। এই প্রজন্ম কি দেশের জন্য কিছু করতে পারবে আপনার কি তাই মনে হয়। এদেরকে কিভাবে সলিউশনে আনবেন? পরিবার তো ছেড়ে দিয়েছে বাচ্চাকাচ্চাদেরকে যা বাবা তোর যা ইচ্ছা তাই কর। কিছু বললে বলে আমার ছেলে তো এখন ছোট বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে। আমার মেয়ে তো কেবল এখন ছোট বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে। এই ছোট বয়সে আপনার মেয়ে দশটা জেনা করে ফেলেছে। এই ছোট বয়সে আপনার ছেলে দশটা গার্লফ্রেন্ড চেঞ্জ করে ফেলেছে। কি মনে করছেন আপনি? এরা ছোট নাই এরা আমাদের চেয়ে অনেক আগেই এডাল্ট হয়ে গিয়েছে। এখনকার ছেলে মেয়েরা দেখবেন স্কুলে বসে বসে পর্ন দেখে স্কুলে বসে বসে। এটা নিয়ে টিভিতে কত রিপোর্ট হয়েছে। বিগত ৮-১০ দিনের মধ্যে ৪২ টি বাচ্চা মেয়েকে রেপ করা হয়েছে এদেশের মাটিতে । খবর আছে আপনার। কার কোলে আপনার বাচ্চাকে তুলে দিচ্ছেন? অতএব পরিবারের সাথে সময় কাটান রাসুলের সুন্নাহ মোতাবেক। তাদেরকে সময় দেন , বোঝান, তালিমে নিয়ে বসেন। তাদেরকে সময় দেন। আপনার সময় বাহিরে দিতে হবে না। হ্যাঁ, বুঝাতে বুঝাতে বুঝাতে বুঝাতে যদি আপনি ক্লান্ত হয়ে যান। কার মতো? ওই নূহ আলাইহিস সাল্লাম এর মত। ওই দাওয়াত দিতে দিতে দিতে দিতে বোঝাতে বোঝাতে বোঝাতে আপনি ফেডআপ আপনি ক্লান্ত আপনি পরিশ্রান্ত। কিছুতেই কথা শুনেনা কিছুতেই না। আমি আমার নাসিহা হচ্ছে আপনি স্বতন্ত্র ইসলামিক আদর্শ পরিবার গড়ে তুলুন। সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন। পিতা মাতা আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন। স্বতন্ত্র ইসলামিক পরিবার গড়ে তুলুন । একা একা চলেন তাও ফিতনার মধ্যে থাকবেন না। আশহাফুল কায়েফ হয়ে যান। কখনো কখনো এমন সিচুয়েশন আসবে যে পরিবারের লোকই আপনার কথা শুনবে না। হ্যাঁ, এটাও আসবে। আপনি আলেম আপনি আমল করবেন আপনি মানুষকে দাওয়াত দিবেন। দেখবেন পরিবারের এবং আত্মীয় এর লোক কথা শুনে না এটা হতে পারে। এটা সেই নূহ আলাইহিস সাল্লাম এর সুন্নত লুত আলাইহিস সাল্লাম এর সুন্নত। মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাচারাও কথা শুনে নাই। ইব্রাহিম আলাইহিস সাল্লাম এর বাবা ও কথা শুনে নাই তো। হেরে যেতে হবে? একাই চলতে হবে। যদি ডাক শুনে কেউ না আসে তো কি? একলা চলো রে। তো একলাই আল্লাহর পথে চলতে হবে। হ্যাঁ, যদি ডাক শুনে আল্লাহর পথে যদি কেউ না আসে তবে আল্লাহর পথে একলাই চলতে হবে। এটা পুরো বাক্য আর কি।তো নূহ আলাইহিস সাল্লাম এর দোয়া টা দেখেন। নূহ আলাইহিস সাল্লাম সাড়ে ৯০০ বছর দাওয়াত দিয়ে একটা দোয়া করছেন। আল্লাহ আমি পরাজিত আমি আর পারছি না। আমি দিন - রাত মানুষকে দাওয়াত দিয়েছি। আমার ডাক শুনে খালি মানুষ পালিয়ে গেছে পালিয়ে গেছে। মাথা কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে নিয়েছে হাত গুটিয়ে চলে গিয়েছে। আল্লাহ আমি পরাজিত পরিবারের লোক পর্যন্ত কথা শুনছে না। আমার ছেলে কথা শোনে না আমার স্ত্রী কথা শোনে না। আমাকে বোঝার চেষ্টা করে না তখন আল্লাহ পাক কি করলেন ওই যে আজাব পাঠালেন।
ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর ন্যায়বিচার ও দায়িত্ব
প্লাবন পাঠালেন। ছেলেকে ডাকা হচ্ছে বাবা আসো কিস্তিতে ওঠো । ছেলে বলছে আমি পাহাড়ে উঠে যাবো পাহাড় আমাকে এই প্লাবন থেকে বাঁচাবে। তখন নূহ আলাইহিস সাল্লাম বলছেন ছেলের প্রতি মহব্বত আছে। বাবা আজকে কোন পাহাড় তোমাকে আল্লাহর গজব থেকে বাঁচাতে পারবে না চলে এসো। ছেলে গেল না। সূরা হুদ এর মধ্যে আল্লাহপাক বলছেন। তারপর একটা ঢেউ এসে বাবা এবং ছেলেকে পৃথক করে দিল। শেষ দেখা তাদের মধ্যে আর দেখা নাই। এরপরেও নূহ আলাইহি সাল্লাম বলছেন আল্লাহ আমার পরিবার তাকে মাফ করে দাও। আল্লাহ পাক বলছেন সে তোমার পরিবারের কেউ না। এই হল জীবন। আল্লাহর সাথে যখন আমার সম্পর্ক তখন কারো সাথে আপোষ এর সুযোগ নাই। পরিবারের সদস্য যদি অন্যায় করে তাহলে আপনাকে বলতে হবে এটা অন্যায়। আপনারা কি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সেই ঘটনাটা জানেন না? বেত্রাঘাত করেছিল নিজের সন্তানকে।বেত্রাঘাত শেষ হওয়ার আগেই তো ইন্তেকাল হয়ে গেছে ছেলের। বাকি বেত্রাঘাত নাকি কবরের উপরে করেছিলেন। যতটুকু বাকি ছিল। এরপরে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। আল্লাহ আমি মনে হয় ন্যায় বিচার করতে পারলাম না মাফ করে দিও। সুবহানাল্লাহ কিভাবে বুঝাবো ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকি জিনিস ছিলেন কেমন ব্যক্তিত্বের ছিলেন? রাতের বেলায় ইবাদত করতেন একটা অংশে বাকি অংশে জনগণের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। ওই যে ডেকচির মধ্যে পানি বাচ্চা কান্নাকাটি করছে। এই ঘটনা পড়লে চোখ দিয়ে পানি চলে আসছে। তিনি নিজে গেলেন বায়তুল মালের গুদামে সেখানে গিয়ে আটার বস্তা কাঁধে নিয়েছেন পাশে আছেন আছিম রাদিয়াল্লাহু আনহু। হে, আমিনুল মুমিনিন আমাকে দেন আমি বহন করছি। আমিনুল মুমিনিন ওমর ব ইবনে খাত্তাব বলছেন তুমি কি কেয়ামতের দিন আমার বোঝা বহন করবে? আমাকে বহন করতে দাও। নিজের কাঁধে বহন করে নিয়ে গিয়ে রান্না করে খাওয়ালের নেতা। তারপরে বলছেন আল্লাহ আমাকে মাফ করে দাও।আমরা সেই যুগে নাই তো এখন আর এই যুগে আপনারা 100% ইসলাম ফলো করতে পারবো না। কেমন করে পারবেন আপনি ফ্যামিনিস্ট রেভুলেশন মধ্যে যেনা থেকে বাঁচতে? যখন মেয়েরা জিন্স এবং গেঞ্জি পরে ঘুরছে তখন কিভাবে আপনি চোখকে হেফাজত করবেন। যখন পুরো ওয়ার্ল্ডের ইকোনমিক্স সিস্টেম রিবা ভিত্তিক আপনি কিভাবে রিবা থেকে বাঁচবেন। পুরো ওয়ার্ল্ডের পুরো জিও পলিটিক্স আল্লার বিরোধী আপনি কিভাবে আল্লাহর জমিনে আল্লাহ দ্বীন কায়েম করবেন। সো মেনি ডিফিকাল্ট। এরপরও একটা সময় আসবে যখন এমন অবস্থা থাকবে না। এখন তাকান ব্যক্তি জীবনে ফেৎনা ধর্মের মধ্যে ফেৎনা। ধর্মীয় শত শত দলে মুসলিমরা বিভক্ত। ৭৩ দল না বাংলাদেশে ৭৩ হাজার দল আছে মনে হয়। প্রত্যেকের বলছে আমি সৎ আমি হক। সবার দলিল এটাই আমি যার উপরে আছি আমার সাহাবী তার উপরে আছে। প্রত্যেক দলের আবার শাখা দলও আছে। যখন একজন ইয়াং ছেলে ইসলামে হেদায়েতে আসে সে কনফিউজড। আমি যাব কোথায়? আমি যাব কোথায়? আমি কাকে ফলো করবো সে কনফিউজ।
ধর্মে ফিতনা, শিরক ও পরিবারের অবস্থা
দেখা যায় যাকে ফলো করে সে অন্যদের সমালোচনা করে। আবার দেখা যায় যারা সবাই বলে আমরা এক। তারা মন থেকে আবার সবাইকে এক বলে মনে করে না। বাহিরে ঠিকই বলে আমরা সবাই এক। এর মধ্যে আল্লাহর কিছু মুখলেস বান্দা আছেন যাদের সংখ্যা কম হবে। যারা এত বেশি হাইলাইট করেন না এত বেশি শো ডাউন করে না ,আইওয়াশ করেন না। ওই দেখে মাদ্রাসা পরিষ্কার করছে , তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ছে, মাঠে ময়দানে আল্লাহর পথে দেখবেন দাওয়াতী কাজ করছে। আছে খুব কম তারা আপনার মত আমার মত এত হাইলাইট এবং শোডাউন করতে পছন্দ করে না। এগুলো এড়িয়ে চলে তারা। হয়তো তাদের দোয়া বারাকাত এর জন্যই এখন ও টিকে আছে দুনিয়া। আমরা কিছুই না। দেখেন ধর্মের মধ্যে ফিতনা। মুসলিমদের তাওহীদের মধ্যে তাকান দেখবেন শিরকে ভর্তি। মুসলিমরা কবর পূজা করছে না। মাজার পূজা করছেন না। কথা বললে রাগ করলে কিছু করার নাই ।কারণ মাজার পূজার শিরক এটা মনে রাখতে হবে আপনাদের। কোন ক্ষমতা নাই একজন মৃত মানুষের আপনার কোন উপকার করার। এখানে আপনি জবাই করছেন মানত করছেন কি করছেন এগুলো আপনি এখানে। আমার সালাত, আমার সওম ,আমার কোরবানি, আমার সেক্রিফাইস এগুলো কার জন্য? আল্লাহর জন্য। এখানে তাওহীদের মধ্যে শিরকের অনুপ্রবেশ ঘটে গেছে। আর কারো আমল নামায় যদি শিরকের পাপ থাকে এবং এই অবস্থায় সে যদি মারা যায়। সে জান্নাতে যাবে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হয়েছে সূরা জুম্মা পড়ে দেখেন যদি তুমিও এই কাজ করো তাহলে তোমার আমল নষ্ট করে দিব আমি। সূরা মায়িদায় দেখেন আল্লাহ পাক তাদের জন্য হারাম করেছে জান্নাত যারা আল্লাহর সাথে শিরক করেছে। এবং তাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত করেছেন। সহীহ বুখারীতে চার বার এসেছেন যে আদম আলাইহিস সাল্লামকে ডাকা হবে তোমার সন্তানদের মধ্যে থেকে জাহান্নামিদেরকে আলাদা করে দাও। বলা হবে কয়জন কে হে আল্লাহ। আল্লাহপাক জানিয়ে দিবেন প্রতি হাজারে ৯৯৯ জনকে জাহান্নামের জন্য আলাদা করে দাও। আবার আল্লাহ পাক এটাও বলেছেন। আল্লাহ পাক শিরিকের গুনাহ ছাড়া অন্য যে কোন গুনাহ আল্লাহ যাকে ইচ্ছা মাফ করতে পারেন। আল্লাহ পাক মিরাজের রাতে ওয়াদা দিয়েছেন।তুমি যদি আমার সামনে আসমান জমিন সমান পাপ নিয়ে আসো এবং আমার সাথে যদি শরিক না করো। আমি আল্লাহ তোমার কাছে আসমান জমিন সমান ক্ষমা নিয়ে হাজির হব। তারপরে হাজারে ৯৯৯ জন কেন জাহান্নামে যাবে। উত্তরটা খুব সিম্পল। উত্তরটা কি বুঝতে পেরেছেন? ওদের আমলনামায় কোন পাপ থাকবে। ওদের আমলনামায় শিরকের পাপ থাকবে। না, হলে আল্লাহ মাফ করে দিতেন সিম্পল। তারমানে আমাদের মধ্যে শিরক আছে শিরক থাকবে বিশ্বাসে শিরক আছে কথাই শিরক আছে। মুসলিমরা আল্লাহকে ছাড়া অন্য কাউকে সেজদা করছে অন্য কারো কাছে দোয়া করছে। আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে নজর-মান্যত করছে কোরবানি করছে দোয়া করছে কসম করছে সবকিছু করছে। এবং তারা আল্লাহকে পাওয়ার জন্য মৃত মানুষের উসিলা তালাশ করছে। সুবহানাল্লাহ আমরা তাওহীদের উপরে নাই অনেকেই। তাওহীদের উপর থাকলে ইনশাল্লাহ বিজয় আসবে। মুশরিকের কোনদিন বিজয় আসে না। আবার আসেন দ্বীনের ফেতনা দেখাচ্ছি। দেখেন সুন্নতের মধ্যে বেদাত ঢুকে যায়নি। অনেক বেদাদী কাজ করছি আমরা সুন্নত মনে করে। নতুন নতুন কাজ করছে যেগুলো নবীজি করেননি এবং করতেও বলেননি। সাহাবা ইকরামরাও করেন নাই। আমরা করছি নেকির আশায় সুবহানাল্লাহ। রমজান মাস আসলে দেখবেন কত কি শুরু হয়ে যাবে। আপনি দেখছেন ধর্মে ফিতনা। আপনার পরিবারে ফিতনা পরিবারের ফেতনা সম্পর্কে আমি আগেই বলে দিয়েছি। পরিবারের ম্যাক্সিমাম লোক বস্তুবাদী দেখবেন দুনিয়া নিয়ে পড়ে থাকে ।ম্যাক্সিমাম পরিবারে দেখবেন তাওহিদ নাই সুন্নাহ নাই, তালিম নাই একসাথে খাওয়ার সংস্কার নাই। ম্যাক্সিমাম পরিবারে দেখবেন অপসংস্কৃতি ব্লু ফিল্ম দেখছে গান-বাজনা দেখছে সিনেমা দেখছে। বাপ বেটা সবাই একসাথে মাশাল্লাহ। পরিবারগুলোতে নামাজী সংখ্যা কম। পরিবারগুলোতে সুদ ঢুকে গেছে হারাম রিজিক ঢুকে গেছে। আমরা বলছি পরিবার বর্গের জন্যই তো করছি। শুনেন আপনার ইন্তেকালের পরে ৪০ দিন সময় লাগবে না এদেরকে আপনার ভুলে যেত।
সাধারণ প্রশ্ন
সীমান্ত পাহারা ও সৎভাবে দায়িত্ব পালনকারীরা কী নেকি পাচ্ছে বলা হয়েছে?
লেখায় বলা হয়েছে, যদি নিয়ত ঠিক থাকে তবে সীমান্ত পাহারারত ভাইয়েরা এবং যারা সততার সাথে প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করে তারা অগণিত নেকি পাচ্ছে। কারণ তারা শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
যারা সৎভাবে ব্যবসা করে ও সাদাকা দেয় তাদের সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
লেখায় বলা হয়েছে, যারা ব্যবসা করছে, যাকাত ও সাদাকা দিচ্ছে তারা অফুরন্ত নেকি পাচ্ছে। যারা সৎভাবে ব্যবসা করে তারা নবীদের সাথে হাশর করবে ইনশাআল্লাহ।
পরিবারকে সময় দেওয়ার বিষয়ে লেখায় কী বলা হয়েছে?
লেখায় বলা হয়েছে, স্ত্রীর সাথে সময় কাটালে সেই সময়ও নেকির খাতায় গণ্য হবে ইনশাআল্লাহ। পরিবারের সদস্যদের সময় দেওয়ার, বোঝানোর ও তালিমে বসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
লেখায় শিরক সম্পর্কে কী সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে?
লেখায় বলা হয়েছে, যার আমলনামায় শিরকের পাপ থাকা অবস্থায় মৃত্যু হবে সে জান্নাতে যাবে না। আল্লাহ শিরকের গুনাহ ছাড়া অন্য গুনাহ যাকে ইচ্ছা মাফ করতে পারেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।